
বিএনপি-জামায়াত-ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে নাশকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের নাশকতায় এখন পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীরা ৬ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। বললেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সারাদেশে নৌকার প্রার্থীদের ওপর হামলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত হামলায় ৪৪৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৭৮টি অফিস, গাড়ি হর ও নির্বাচনী কেন্দ্র ভাংচুর করা হয়েছে। ৫৮টি বোমা হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, ৮৮টি অফিস ও যানবাহনে আগুন দিয়েছে। সারাদেশে ৫৪টি জেলার ১৭০টি আসনে বিএনপি-জামায়াত এ ধরনের সহিংসতা ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে। আমরা এ বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হওয়ায় বিএনপি, জামায়াত, ঐক্যফ্রন্ট নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে সংঘাত, নাশকতা, নৈরাজ্য, সন্ত্রাস সৃষ্টির গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন বানচালের জন্য নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টার পেছনে তারেক রহমানের হাত রয়েছে। তিনি বলেন, তারেকের বক্তৃতায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্টের পরিকল্পনা ও সন্ত্রাস সৃষ্টির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা সংঘবদ্ধভাবে গেরিলা কায়দায় ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিয়েছে।
নানক বলেন, একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট উৎসবকে বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বিএনপি। পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ব্যাপক সহিংসতা ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব রটিয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টির চক্রান্ত চালাচ্ছে। ভুয়া ব্যালট পেপার ছাপিয়ে ও নকল বুথ বানিয়ে সিল মারা নকল ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর নীল নকশা করছে তারা।
তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী মোতায়েন করায় বিএনপির নাশকতার পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় দলটির নেতারা সেনাবাহিনীকে নিয়ে এখন নানা উস্কানিমূলক মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। সেনাবাহিনী নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যেকোনো দায়িত্ব পালন করবে।
আরও পড়ুন :
এমসি/জেএইচ




