
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুগ্রুপে ফের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ দুপুর পর্যন্তও চলছিল। এ ঘটনায় অন্তত দশজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
আহতদের প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে ফিরে যান তারা।
আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন বন্ধ রয়েছে। কোনো ক্লাস-পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়নি। এখন পর্যন্ত ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
জানা গেছে, দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক গ্রুপ ‘বিজয়’ ও ‘চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার (সিএফসি)’ গ্রুপের নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ বাধে। এ সময় এক গ্রুপ অপর গ্রুপের নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।
চবি ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও বিজয় গ্রুপের নেতা তরিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনার রেশ ধরে গতরাতে আহতদের সহকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের হোসপাইপ কেটে দেয় এবং ট্রেনের চালক খুরশীদ আলমকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে আজ সকাল ১১টার দিকে তাকে ছেড়ে দেয়।
এ ঘটনার পর রাতের আঁধারে কে বা কারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিবহনের সবকটি বাসের চাকার হাওয়া ছেড়ে দেয়। এতে আজ ক্যাম্পাস এলাকার বাইরে থেকে কোনো শিক্ষক আসতে পারেননি।
চবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর প্রণব মিত্র চৌধুরী বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা ছাত্রলীগের বিরোধপূর্ণ দুটি গ্রুপের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বসেছি।
এসজে




