ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

আব্দুল হামিদ, নিউইয়র্ক প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০১:৫৩ পিএম

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে যথাযোগ্য মর্যাদায় চতুর্থবারের মতো আন্তর্জাতিক আবহে পালন করা হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিবসটিতে ভাষার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সংঘাত, অসহিষ্ণুতা ও সামাজিক উদ্বেগ মোকাবিলা করার আহ্বান জানালো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ক্যামেরুন, মেক্সিকো, ত্রিনিদাদ ও টোব্যাকো মিশন এবং জাতিসংঘ সচিবালয় ও ইউনেস্কো নিউইয়র্ক অফিসের যৌথ উদ্যোগে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। এতে সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিল জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করেন। জাতিসংঘ সদস্য দেশসমূহের উচ্চ পর্যায়ের কূটনীতিক, জাতিসংঘের কর্মকর্তা, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মীসহ উপস্থিতিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত ভাষণ দেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

আলোচনা পর্বে অংশ নেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি তিজানি মোহাম্মাদ বান্দে, ত্রিনিদাদ ও টোব্যাকোর স্থায়ী প্রতিনিধি পেনিলোপি আলথিয়া বেকলেস, অস্ট্রেলিয়ার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স টিগান ব্রিঙ্ক, ক্যামেরুনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জাকাইরি সারজে রাউল নাইয়ানিদ, মেক্সিকোর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হুয়ান স্যানডোভাল মেনডিওলিয়া, জাতিসংঘ মহাসচিবের পক্ষে জাতিসংঘের বৈশ্বিক যোগাযোগ বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মেলিছা ফ্লেমিং, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও কনফারেন্স ব্যবস্থাপনা বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষে পরিচালক সিসিলিয়া এলিজালদে। এছাড়া ইউনেস্কোর মহাপরিচালকের পক্ষে নিউইয়র্কস্থ ইউনেস্কো অফিসের পরিচালক মারিয়ে পাওলি রোউডিল মহাপরিচালকের বাণী পড়ে শোনান। বরাবরের মতোই নিউইয়র্ক সিটি মেয়র বিল ডি ব্লাসিও এ অনুষ্ঠানটিতে বাণী প্রদান করেন যা পাঠ করা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, বাংলাদেশই বিশ্বের একমাত্র দেশ যারা মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলা রক্ষার জন্য যে সকল ভাষা শহীদগণ প্রাণ দিয়েছিলেন তাদের প্রতি সত্যিকারের সম্মান দেখানো হয়েছে ইউনেস্কো কর্তৃক ১৯৯৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে। স্বীকৃতি দানের এই পদক্ষেপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রণী ভূমিকা ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। স্থায়ী প্রতিনিধি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, জাতির পিতা ১৯৫২ ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আর এই ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই ১৯৭১ সালে আমরা অর্জন করেছি মহান স্বাধীনতা।

এবছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতিপাদ্য ভাষার কোনও সীমানা নেই উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, ভাষার শক্তি সীমান্ত অতিক্রম করে যায় এবং ভিন্ন ভিন্ন মানুষ ও তাদের সংস্কৃতিসমূহকে সংযুক্ত করে। লুপ্ত প্রায় ভাষা সংস্কৃতিসহ বিশ্বের সকল ভাষা ও সংস্কৃতির সুরক্ষার জন্য তিনি সদস্য রাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি তিজানি মোহাম্মাদ বান্দে বলেন, উল্লেখযোগ্য হারে যখন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ভাষাসমূহ হারিয়ে যাচ্ছে ঠিক তখন ভাষা বৈচিত্র্য ও বহুপক্ষবাদ টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য মর্মে উল্লেখ করে ২০১৮ সাল থেকে তা এগিয়ে নিতে জাতিসংঘ নেতৃত্বশীল ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। মাতৃভাষাকে সমুন্নত রাখতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে অবশ্যই দ্বিগুণ প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।

অন্যান্য আলোচকগণও ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং বিশ্বের মানুষের মাতৃভাষায় কথা বলার ন্যায় সঙ্গত অধিকার সমুন্নত রাখার প্রতি জোর দেন। মাতৃভাষাকে কাজে লাগিয়ে সমঝোতা, সহিষ্ণুতা, সংলাপ ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তিকে এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে অ্যাজেন্ডা ২০৩০ অর্জনের উপরও জোর দেন আলোচকগণ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আলোচনা পর্ব শেষে এবং সাংস্কৃতিক পর্বের আগে ২১ ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের উপর একটি প্রামাণ্য ভিডিও চিত্র পরিবেশন করা হয়।

বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রী চিন্ময় গ্রুপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি কমিউনিটির যুব শিল্পীগণ কালজয়ী সংগীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ পরিবেশন করেন। এরপর ইউএন চেম্বার মিউজিক সোসাইটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলী থেকে নেয়া ইংরেজি কবিতা ‘স্ট্রিম অব লাইফ’সহ বাংলা, নবজা, ক্রিয়ল, সংস্কৃত এবং সোহেলী ভাষায় সংগীত ও যন্ত্র সংগীত এর সুর-মূর্ছনার মাধ্যমে উপস্থিত সুধীজনকে মুগ্ধ করে।

অনুষ্ঠানটিতে নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাগরিক, মুক্তিযোদ্ধা, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগসহ আওয়ামী পরিবার, জাতিসংঘে কর্মরত বাংলাদেশী কর্মকর্তাগণ এবং অন্যান্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বগণ অংশগ্রহণ করেন।

এ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
টানা ১০ দিন বন্ধ মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট সেবা
নতুন বছরের শুরু থেকে টানা ১০ দিন বন্ধ থাকবে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রম। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় হাইকমিশন। হাইকমিশনের দূতাবাস প্রধান রুহুল আমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ফলে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দেশটির সরকারি বিধি-নিষেধ অনুযায়ী কুয়ালালামপুরের আম্পাং শাখার পাসপোর্ট অফিসের কার্যালয় শুক্রবার (১ জানুয়ারি) থেকে পরবর্তী রোববার (১০ জানুয়ারি) পর্যন্ত সাময়িকভাবে সবধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দূতাবাসের কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ার পর পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রম আরও বেগবান করার মাধ্যমে প্রত্যাশীদের সেবা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, যারা অ্যাপয়ন্টমেন্ট নিয়ে রেখেছেন তাদের নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রয়োজন নেই বলেও জানানো হয়। এক্ষেত্রে ১০ জানুয়ারির পর কাছাকাছি সময়ে নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন পুনরায় নির্ধারণ করে যথাসময়ে অবহিত করা হবে। পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী ২ ও ৩ জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ার জহুর বারু প্রদেশে পাসপোর্ট ডেলিভারি সেবার কার্যক্রম অব্যহত থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়। এফএ
টানা ১০ দিন বন্ধ মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট সেবা
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
করোনাভাইরাস মহামারীতেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসেম্বর মাসের ২৯ দিনে ১শ’ ৯১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর এর ওপর ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার বা ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম ক‌রে‌ছে, যা আমা‌দের অর্থনৈতিক সক্ষমতার অন্যতম মাইলফলক। নতুন এক‌টি বছরের শুরু‌তে অবশ্যই জাতির জন্য এটি সুখকর ঘটনা। অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ এর মধ্যেও রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’ বিষয়টিকে সরকারের ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে এ অর্জনের জন্য প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ লগ্নে দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত ১৫ ডিসেম্বর এ রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ডে উন্নীত হয়েছিল। এফএ
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
মালয়েশিয়ায় আ.লীগে\'র উদ্যোগে বিজয় দিবস পালন
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা করেছে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন । পবিত্র কোরআন থেকে তেলোওয়াত, গীতা পাঠ, নিরাবতা পালন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শনিবার রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের এ সভায় সভাপতিত্ব করেন দলটির যুগ্ন-আহ্বায়ক অহিদুর রহমান অহিদ। মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগে'র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী ও হুমায়ন কবিরের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত হোসেন পান্না। রনাঙ্গনের সেই দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে মুক্তিযোদ্ধা পান্না বলেন, স্বাধীনতা এমনি এমনি আসেনি, দেশ স্বাধীনের জন্য আমরা যারা বঙ্গবন্ধুর ডাকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম তারা মা আর মাটি'কে ভালোবেসে যুদ্ধে গিয়েছিলাম। আমরা যারা বেঁচে আছি তারা রক্তাক্ত, ভয়াল সেই দিনগুলোর স্মৃতি নিয়েই বেঁচে আছি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ বাদল, শাহীন সর্দার, আওয়ামী লীগ নেতা হাজী আব্দুল হামিদ জাকারিয়া, বঙ্গবন্ধু পরিষদ মালয়েশিয়া শাখার সহ-সভাপতি দাতো আক্তার হোসেন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান মনির, আওয়ামী লীগ নেতা গৌতম রায়, শওকত হোসেন সুমন, শ্রমিকলীগ সভাপতি নাজমুল ইসলাম বাবুল, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি বিএম বাবুল ও যুবলীগ নেতা বাবলা মজুমদার প্রমুখ । সভাপতি'র বক্তব্যে অহিদুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের কোন ঠাঁই নেই। বিজয়ের এই মাসে তাই দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের নিশ্চিহ্ন করার দাবি জানান, এ নেতা। আহবায়ক কমিটির সদস্য নূর মোহাম্মদ ভুঁইয়ার শুভেচ্ছা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম সিরাজ, সোহাগ, এম জাকির, ইমাম হোসেন, সোহাগ, কামাল হোসেন, সালাম খলিফা,জাহাঙ্গীর হোসেন, শ্রমিক লীগ নেতা জাঁকির হোসেন, যুবলীগ নেতা মাসুদুল আলম রনি ও রেজাউল হক লায়ন । এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন,আক্তার হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা ডা. মিজানুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, মোহাম্মদ হানিফ, শাহ আজিজুর রহমান শান্ত, মোহাম্মদ মাসুদ, তোফাজ্জল হোসেন সাঈদ। ছিলেন শ্রমিক লীগে'র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন টবলু, সাধারণ সম্পাদক সেলিম হোসেন, বাচ্চু মিয়াসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা ।
মালয়েশিয়ায় আ.লীগে\'র উদ্যোগে বিজয় দিবস পালন
ইউএস প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন অ্যাওয়ার্ড পেলেন পাঁচ বাংলাদেশি সাংবাদিক
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত পাঁচ বাংলাদেশি সাংবাদিককে তাদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ইউএস প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিকরা হলেন- সাপ্তাহিক পরিচয়ের সম্পাদক নাজমুল আহসান, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার আবাসিক সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী, সময় টিভি ও যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি এবং এনআরবি কানেক্টের চিফ এক্সিকিউটিভ এডিটর হাসানুজ্জামান সাকী, একাত্তর টিভি ও কালেরকণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি শামীম আল আমিন এবং আওয়াজ বিডির সম্পাদক শাহ জে আহমেদ। নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ কৃতিত্ব দেখানোর জন্যে প্রবাসের খ্যাতিমান এই পাঁচ সাংবাদিককে পুরস্কার দিয়েছে নিউইয়র্কের জনপ্রিয় রেডিও চ্যানেল এফএম-৭৮৬। সম্প্রতি অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার এবং ভারতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার ফরিদ হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এফএম-৭৮৬ এর সম্পাদক মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। জাহান অরণ্যের সঞ্চালনায় একঘণ্টার আয়োজনটি শুরু হয় বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। করোনা মহামারিতে মৃতদের জন্যও অনুষ্ঠানে সহমর্মিতা জানানো হয়। জিএ
ইউএস প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন অ্যাওয়ার্ড পেলেন পাঁচ বাংলাদেশি সাংবাদিক
আহ্বায়ক রেজার বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে মালয়েশিয়া আ\'লীগের সংবাদ সম্মেলন
স্থায়ীভাবে মালয়েশিয়ায় না থাকা, নেতাকর্মীদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি এমন বেশ কিছু অভিযোগ এনে আহ্বায়ক এম রেজাউল করিম রেজার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগে'র নেতৃবৃন্দ।  মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান দলটি'র যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহীন সর্দার। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় অসহায় প্রবাসীদের পাশে দাঁড়াতে ও প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছড়িয়ে দিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রতিশ্রুতিতে আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছিল। তবে অপ্রত্যাশিতভাবে তিন মাসের এ কমিটি দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হিসেবে রুপলাভ করতে পারেনি। উপরন্তু আহ্বায়ক এম রেজাউল করিম রেজা নিজের পদকে অপব্যবহার করে নানা সময়ে ফায়দা লুটেছেন যা দলের ভেতরে বিভাজনের সৃষ্টি করেছে।  এছাড়া এম রেজাউল করিম রেজা মালয়েশিয়ায় নিয়মিত থাকেন না। তার মালয়েশিয়ায় থাকার স্থায়ী কোন ভিসাও নেই। সপরিবারে ঢাকায় থাকা রেজাউল করিম ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশ থেকে যাতায়াত করেন। স্থায়ীভাবে যারা মালয়েশিয়ায় থাকেন এমন কারো দ্বারা দল পরিচালিত হলে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত হবে এবং প্রবাসীরাও উপকৃত হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। স্বেচ্ছাচারী হয়ে নানা সময়ে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে আহ্বায়ক কমিটির ৩১ সদস্যের ২৩ জনই রেজাউল করিম রেজার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে একাত্মতা প্রকাশ করেন। একাত্বতা প্রকাশের ভিডিও, অডিও ও স্বাক্ষর প্রমানস্বরুপ উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।  সোমবার সন্ধ্যায় এ নিয়ে দলটির এক জরুরী সভায় ১৬ জন সদস্য উপস্থিত হয় ও বাকি সদস্যদের ভিডিও কলের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়। এসময় প্রত্যেক সদস্য আহ্বায়ক রেজাউল করিমে'র বিরুদ্ধে পৃথক পৃথকভাবে অনাস্থা জ্ঞাপন করেন। একই সঙ্গে যারা মালয়েশিয়াতে কর্মীদের সুখে-দু:খে পাশে দাঁড়াতে পারে, যারা স্থায়ীভাবে মালয়েশিয়াতে থাকে তাদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব আসা উচিত বলে সবাই মতামত দেন। সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়ার  জন্য কেন্দ্রের প্রতিও জোর দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।   সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব:) ফারুক খান স্বাক্ষরিত যে আহ্বায়ক কমিটি দেয়া হয়েছিলো নানা  সময়ে সেই কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন রেজাউল করিম।  এসময় যুগ্ম-আহ্বায়ক অহিদুর রহমান ও কামরুজ্জামান কামালকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষে দায়িত্ব অর্পণের জন্য প্রস্তাব করা হয়। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ বাদল, সদস্য কাইয়ুম চৌধুরী ও মনিরুজ্জামান মনির। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শফিক চৌধুরী, নুর মোহাম্মদ ভূঁইয়া, হুমায়ন কবির, মামুনুর রশিদ, আব্দুল বাতেন, শ্রী প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, আক্তার হোসেনসহ অনেকে। সংবাদ সম্মেলন শেষে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ নেতা মকবুল হোসেন মুকুল, হাজী আব্দুল হামিদ জাকারিয়া, মুক্তিযোদ্ধা শওকত হোসেন পান্না, এ কামাল হোসেন চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহ্বায়ক কমিটি'র এ সিদ্ধান্ত'কে স্বাগত জানিয়ে অনতিবিলম্বে সকলের অংশগ্রহণে নতুন কমিটি গঠন করে তা কেন্দ্রে উপস্থাপনের আহ্বান জানান।   একইসঙ্গে নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ গড়ার স্বার্থে যারা মালয়েশিয়ায় স্থায়ীভাবে থাকেন তাদের নিয়ে, সবকিছু ভুলে একসঙ্গে পথ চলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।  এদিকে সব অভিযোগ অস্বীকার করে এ সংবাদ সম্মেলন দলের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন আহ্বায়ক এম রেজাউল করিম রেজা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় বসে কে কাকে বাদ দিলো, কে কাকে নিলো তাতে কিছু আসে যায় না, দলীয় সভানেত্রী যাকে দায়িত্ব দেবেন তিনিই দায়িত্ব পালন করবেন। জিএ
আহ্বায়ক রেজার বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে মালয়েশিয়া আ\'লীগের সংবাদ সম্মেলন
আরও পড়ুন
চার বছরে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ১৫ হাজার
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনিদের পাশে কানাডা
গাঁজা দিয়ে ওষুধ তৈরি করার অনুমতি দিলো জাতিসংঘ
রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর সম্পর্কে জাতিসংঘের বিবৃতি