ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

কারবালার ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে অমুসলিম মনীষীদের কিছু অম্লান উক্তি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২০, ০৩:৪২ পিএম
ফাইল ছবি

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিখ্যাত মনীষী, নেতা এবং নানা ধর্ম ও মতের অনুসারী খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বরা কারবালার কালজয়ী বিপ্লবের মহানায়ক ইমাম হোসাইন (রা.) ও আশুরা বিপ্লব সম্পর্কে জ্ঞানগর্ভ বিশ্লেষণ করেছেন।

সেসব বক্তব্য ও মন্তব্যের মধ্য থেকে নির্বাচিত কিছু উক্তি বা মন্তব্য তুলে ধরা হল:

বিখ্যাত ইংরেজ সাহিত্যিক চার্লস ডিকেন্স:

যদি ইমাম হোসাইন পার্থিব কামনা বাসনার জন্য যুদ্ধ করতেন তাহলে তিনি তাঁর বোন, স্ত্রী ও শিশুদের সঙ্গে আনতেন না। তিনি শুধু ইসলামের জন্যই ত্যাগ স্বীকার করেছেন।

ইংরেজ দার্শনিক ও ঐতিহাসিক টমাস কার্লাইল:

সৃষ্টিকর্তার প্রতি ইমাম হোসাইন ও তাঁর সঙ্গীদের ঈমান ছিল মজবুত। তারা দেখিয়ে গেছেন যে, যেখানে সত্য ও মিথ্যা মুখোমুখি সেখানে সংখ্যার আধিক্য কোনো বিচার্য বিষয় নয়। ইমাম হোসাইন (রা.) মুষ্টিমেয় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে যে বিজয় অর্জন করেছেন তা আমাকে বিস্মিত করেছে।

বিখ্যাত ইংরেজ প্রাচ্যবিদ অ্যাডওয়ার্ড ব্রাউন:

এমন কোনো অন্তর পাওয়া যাবে কি যে, যখন কারবালার ঘটনা সম্পর্কে শুনবে অথচ দুঃখিত ও বেদনাহত হবে না? এমনকি কোনো অমুসলিমও এই ইসলামি যুদ্ধকে ও তাঁর পতাকাতলে যে আত্মিক পবিত্রতা সাধিত হয়েছে তা অস্বীকার করতে পারে না।

ইংরেজ ঐতিহাসিক ও পার্লামেন্ট সদস্য এডওয়ার্ড গিবন:

সেই সুদূর অতীতের পরিবেশে ইমাম হোসাইনের মৃত্যুর করুণ দৃশ্য পাষাণতম পাঠকের হৃদয়েও জাগিয়ে তোলে সহানুভূতি।

মার্কিন ঐতিহাসিক ওয়াশিংটন আরভিং:

ইমাম হোসাইন ইয়াজিদের ইচ্ছার কাছে নতি স্বীকার করে জীবন রক্ষা করতে পারতেন। কিন্তু ইসলামের নেতৃত্ব ও আন্দোলনমুখি দায়িত্বভারের কারণেই ইয়াজিদকে স্বীকৃতি দেয়া থেকে বিরত থেকেছেন তিনি। ইমাম বনি উমাইয়ার কবল থেকে ইসলামকে মুক্ত করার জন্য অচিরেই যে কোনো কষ্ট ও নিপীড়নকে বরণ করে নেয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেন। শুষ্ক মরু প্রান্তরের প্রখর সূর্য তাপের নীচে এবং আরবের উত্তপ্ত বালুরাশির মাঝে হোসাইনের আত্মা অবিনশ্বর হয়ে আছে।

ইংরেজ ঐতিহাসিক ফ্রেডরিক জেমস:

ইমাম হোসাইন ও অন্যান্য বীর শহীদদের শিক্ষা হল, দুনিয়ায় চিরন্তন করুণা ও মমতার মূলনীতি বিদ্যমান যা অপরিবর্তনীয়। অনুরূপভাবে এটা প্রমাণিত হয় যে, যখন কেউ এই গুণগুলোর জন্য প্রতিরোধ গড়ে তুলবে এবং এ পথে অবিচলতা দেখাতে সক্ষম হবে তখন এইসব মূলনীতি দুনিয়ায় চিরন্তন ও চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।

বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখক টমাস মাসারিক:

আমাদের পাদ্রিরাও হজরত মাসিহর (ঈসা- আ.) শোক-গাঁথা বর্ণনার মাধ্যমে লোকদের প্রভাবিত করেন। কিন্তু ইমাম হোসাইন (রা.)’র অনুসারীদের মধ্যে যে আবেগ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায় তা হজরত মাসিহ’র অনুসারীদের মাঝে পাওয়া যাবে না। আর এর কারণ মনে হয় এটাই যে, ইমাম হোসাইন (রা.)’র শোকের বিপরীতে ঈসা (আ.)’র শোক যেন বিশালদেহী এক পর্বতের সামনে ক্ষুদ্র এক খড়কুটোর সমান।

বিখ্যাত ইংরেজ লেখক ও পর্যটক মরিস ডু কিবরি:

ইমাম হোসাইন (রা.)’র শোক মজলিসে বলা হয় যে, তিনি মানুষের মর্যাদাকে অক্ষুণ্ণ রাখা এবং ইসলামের উচ্চ মহিমাকে অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য জান, মাল ও সন্তানদেরকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি ইয়াজিদের সাম্রাজ্যবাদ ও ছল-চাতুরীকে মেনে নেননি। তাই আসুন, আমরাও তাঁর এ পন্থাকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করি এবং সাম্রাজ্যবাদীদের নাগপাশ থেকে মুক্ত হই। আর সম্মানের মৃত্যুকে অবমাননার জীবনের ওপর প্রাধান্য দেই।

জার্মান প্রাচ্যবিদ মরবিন :

ইমাম হোসাইন (রা.) প্রিয়তম স্বজনদেরকে উৎসর্গ করা এবং নিজ অসহায়ত্ব ও সত্য পন্থাকে প্রমাণিত করার মাধ্যমে দুনিয়াকে ত্যাগ ও আত্মোতসর্গের শিক্ষা দিয়েছেন এবং ইসলাম ও ইসলামপন্থীদের নামকে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ করেছেন। আর বিশ্বে একে উচ্চকণ্ঠী করেছেন। ইসলামি জগতের এই সাহসী সেনা দুনিয়ার মানুষকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, অত্যাচার, অবিচার ও নিপীড়ন স্থায়ী নয়। আর অত্যাচারের ভিত বাহ্যিক দিক থেকে যত মজবুতই হোক না কেন, সত্যের বিপরীতে তা বাতাসে উড়ন্ত খড়কুটোর মত।

ইংরেজ প্রাচ্যবিদ স্যার পার্সি সয়েক্স:

সত্যিকার অর্থে এ মুষ্টিমেয় কয়েকজন যে সাহস ও বীরত্বের প্রকাশ ঘটিয়েছেন তা এমন উন্নতমানের ছিল যে, এ দীর্ঘ শতাব্দীকাল ধরে যারাই এ ব্যাপারে শুনেছে মনের অজান্তেই প্রশংসায় মুখ খুলেছে। হাতে গোনা এ কয়েকজন সাহসী পুরুষ কারবালার প্রতিরক্ষাকারীদের মত নিজেদের সমুন্নত নামকে চিরকালের জন্য অক্ষয় করে রেখেছেন।

খ্রিস্টান গবেষক অ্যান্টন বারা :

যদি হোসাইন ( রা.) আমাদের খ্রিস্টানদের মধ্য থেকে হতেন তাহলে প্রত্যেক দেশেই তাঁর জন্য পতাকা উড়াতাম এবং প্রত্যেক গ্রামেই তাঁর জন্য মিম্বার স্থাপন করতাম। আর মানুষকে হোসাইন (রা.)’র নামে খ্রিস্ট ধর্মের প্রতি আহ্বান জানাতাম।

খ্রিস্টান পণ্ডিত ও সাহিত্যিক জর্জ জুরদাক:

ইয়াজিদ যখন ইমাম হোসাইন (রা.)-কে হত্যার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করত এবং রক্তপাত ঘটানোর নির্দেশ দিত তখন তারা বলত, কতো টাকা দেবেন? কিন্তু ইমাম হোসাইন (রা.)-এর সঙ্গীরা তাঁকে বলতেন, আমরা আপনার সঙ্গে রয়েছি। আমাদেরকে যদি সত্তর বারও হত্যা করা হয় তবুও পুনরায় আপনার পক্ষে যুদ্ধ করতে ও নিহত হতে চাইব।

ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান নেতা মহাত্মা গান্ধী:

আমি মনে করি ইসলাম তরবারির জোরে নয়, বরং ইমাম হোসাইন (রা.)'র চরম বা সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের ফলেই বিকশিত হয়েছে। ইমাম হোসাইনের মহৎ আত্মত্যাগের ব্যাপক প্রশংসা করছি এ কারণে যে তিনি মৃত্যু ও পিপাসার যাতনা সয়ে নিয়েছিলেন নিজের জন্য, নিজ সন্তানদের জন্য এবং নিজ পরিবারের জন্য, আর এই সবই সয়েছেন যাতে জালেম শাসকের কাছে নত হতে না হয়। মজলুম হওয়া অবস্থায় কিভাবে বিজয় অর্জন করতে হয় আমি তার শিক্ষা পেয়েছি ইমাম হোসাইনের কাছে। ভারত যদি একটি বিজয়ী রাষ্ট্র হতে চায় তাহলে তাকে ইমাম হোসাইনের আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। ইমাম হোসাইনের ৭২ জন সেনার মত সেনা যদি আমার থাকতো তাহলে আমি ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের স্বাধীনতা এনে দিতে পারতাম।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:

ন্যায়বিচার ও সত্যকে বাঁচিয়ে রাখতে অস্ত্র ছাড়াই বিজয় আসতে পারে জীবন উৎসর্গ করার মাধ্যমে, ঠিক যেভাবে বিজয়ী হয়েছেন ইমাম হোসাইন। ইমাম হোসাইন মানবতার নেতা। ইমাম হোসাইন শীতলতম হৃদয়কেও উষ্ণ করেন। হোসাইনের আত্মত্যাগ আধ্যাত্মিক স্বাধীনতাকে তুলে ধরে।

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘রেকর্ডিং চলছে; ১ জানুয়ারি থেকে আসবে আমার ভিডিওগুলো’
দেশের জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী জানিয়েছেন, রেকডিং চলছে। আগামী ১ জানুয়ারি ২০২১ থেকে ধারাবাহিকভাবে আমার ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিওগুলো পাবেন। আজ শনিবার নিজের ফেসবুক প্যাজে একটি পোস্ট তিনি একথা জানান। পোস্টে তিনি আরও লিখেন, যারা এখনও সাবস্ক্রাইব করেননি; সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। শেয়ার করে দিন। ধন্যবাদ। এর  মিজানুর রহমান আজহারী তার ইউটিউবে প্রথম ভিডিও ছেড়েছেনে খাদ্যের হালাল হারাম সম্পর্কে। এ বিষয়ে ভিডিও আসছে এমনটা জানিয়ে একটি প্রোমো আপ করেছেন গেলো ২৪ ডিসেম্বর। যা গত ২৪ ঘণ্টায় ভিউ হয়েছে পাঁচ লাখেরও বেশি। মিজানুর রহমান আজহারী তার বক্তব্য আরও সহজে মানুষের কাছে পৌঁছাতে ইউটিউবে চ্যানেল খুলেন গত ১৯ ডিসেম্বর। চ্যানেলটি ইতোমধ্যে সাড়ে সাত লাখের বেশি মানুষ  সাবস্ক্রাইব করেছেন।কোনও ভিডিও ছাড়া এতো সাবস্ক্রাইব ইউটিউবেরও রেকর্ড হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। অবশ্য ওয়েলকামিং ভিডিও সংক্রান্ত  আরও একটি ভিডিও তিনি আপলোড করেছিলেন। কিন্তু কপিরাইট সংক্রান্ত জটিলতায় সেই ভিডিও তিনি প্রাইভেট করে দিয়েছেন বলে ফেসবুকে জানিয়েছেন। আজহারী লেখেন, ‘গতকাল থেকে অনেকেই জানাচ্ছেন যে, আমার ওয়েলকামিং ভিডিওটিতে অ্যাড শো হচ্ছে। ওয়েলকামিং ভিডিওটির ল্যান্থ ছিল ১ মিনিট ৫ সেকেন্ড। ইন্ট্রোতে ৭ সেকেন্ড, মূল বক্তব্য ৪৬ সেকেন্ড এবং আউট্রোতে ১২ সেকেন্ড। ইন্ট্রো এবং আউট্রোতে—ব্যাকগ্রাউন্ডে দুটি নাশিদের ভোকাল কর্ডের সাউন্ড ইউজ করা হয়েছিল। আমাদের জানা ছিল না যে, এগুলো কপিরাইট ফ্রি নয়। শেষের ১২ সেকেন্ডের জন্য ওরা কপিরাইট ক্লেইম করে, আর এজন্যই কখনো কখনো অ্যাড শো হচ্ছে। আরো পড়ুন... সাত লাখ সাবস্ক্রাইব হওয়ার পর প্রথম ভিডিও আপলোড করলেন আজহারী ‘আলেমদের কুরআনের জ্ঞানের পাশাপাশি কনভেনশনাল জ্ঞানেও দক্ষ হতে হবে’ ভিডিও ছাড়াই হু হু করে বাড়ছে আজহারীর ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার এই অ্যাড থেকে আসা রেভিনিউ ঐ মুনশীদের একাউন্টে যোগ হচ্ছে। আমরা আমাদের চ্যানেলে মনিটাইজেশন করিনি এবং কোন অ্যাড দেইনি। পরবর্তীতে, আমরা ভোকাল দুটোকে রিমুভ করার সিদ্ধান্ত নেই, কিন্তু সল্প সময়ে ভিডিওটির অনেক বেশী ভিউ হওয়ার কারণে, শেষের ১২ সেকেন্ডের ব্যাকগ্রাউন্ড ভয়েসটি ট্রিম করা যাচ্ছে না। তাই, ওয়েলকামিং ভিডিওটি প্রাইভেট করে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে আমরা কপিরাইট-ফ্রি ভোকাল অথবা নাশীদ ব্যবহারের চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় মিজানুর রহমান আজহারী। বিগত কয়েক বছর ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। জেবি
‘রেকর্ডিং চলছে; ১ জানুয়ারি থেকে আসবে আমার ভিডিওগুলো’
সাত লাখ সাবস্ক্রাইব হওয়ার পর প্রথম ভিডিও আপলোড করলেন আজহারী
দেশের জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী তার ইউটিউবে প্রথম ভিডিও ছাড়ছেন খাদ্যের হালাল হারাম সম্পর্কে। এবিষয়ে ভিডিও আসছে এমনটা জানিয়ে একটি প্রোমো আপ করেছেন ২৪ ডিসেম্বর। যা গত ২৪ ঘণ্টায় ভিউ হয়েছে পাঁচ লাখেরও বেশি। মিজানুর রহমান আজহারী তার বক্তব্য আরও সহজে মানুষের কাছে পৌঁছাতে ইউটিউবে চ্যানেল খুলেন গত ১৯ ডিসেম্বর।চ্যানেলটি ইতোমধ্যে সাড়ে সাত লাখের বেশি মানুষ  সাবস্ক্রাইব করেছেন।কোনও ভিডিও ছাড়া এতো সাবস্ক্রাইব ইউটিউবেরও রেকর্ড হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। অবশ্য ওয়েলকামিং ভিডিও সংক্রান্ত  আরও একটি ভিডিও তিনি আপলোড করেছিলেন। কিন্তু কপিরাইট সংক্রান্ত জটিলতায় সেই ভিডিও তিনি প্রাইভেট করে দিয়েছেন বলে ফেসবুকে জানিয়েছেন।  আজহারী লেখেন, ‘গতকাল থেকে অনেকেই জানাচ্ছেন যে, আমার ওয়েলকামিং ভিডিওটিতে অ্যাড শো হচ্ছে। ওয়েলকামিং ভিডিওটির ল্যান্থ ছিল ১ মিনিট ৫ সেকেন্ড। ইন্ট্রোতে ৭ সেকেন্ড, মূল বক্তব্য ৪৬ সেকেন্ড এবং আউট্রোতে ১২ সেকেন্ড। ইন্ট্রো এবং আউট্রোতে— ব্যাকগ্রাউন্ডে দুটি নাশিদের ভোকাল কর্ডের সাউন্ড ইউজ করা হয়েছিল। আমাদের জানা ছিল না যে, এগুলো কপিরাইট ফ্রি নয়। শেষের ১২ সেকেন্ডের জন্য ওরা কপিরাইট ক্লেইম করে, আর এজন্যই কখনো কখনো অ্যাড শো হচ্ছে। এই অ্যাড থেকে আসা রেভিনিউ ঐ মুনশীদের একাউন্টে যোগ হচ্ছে। আমরা আমাদের চ্যানেলে মনিটাইজেশন করিনি এবং কোন অ্যাড দেইনি। পরবর্তীতে, আমরা ভোকাল দুটোকে রিমুভ করার সিদ্ধান্ত নেই, কিন্তু সল্প সময়ে ভিডিওটির অনেক বেশী ভিউ হওয়ার কারণে, শেষের ১২ সেকেন্ডের ব্যাকগ্রাউন্ড ভয়েসটি ট্রিম করা যাচ্ছে না। তাই, ওয়েলকামিং ভিডিওটি প্রাইভেট করে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে আমরা কপিরাইট-ফ্রি ভোকাল অথবা নাশীদ ব্যবহারের চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় মিজানুর রহমান আজহারী। বিগত কয়েক বছর ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। এমকে
সাত লাখ সাবস্ক্রাইব হওয়ার পর প্রথম ভিডিও আপলোড করলেন আজহারী
৫০ লাখ মুসল্লি ওমরাহ পালন করলেন, করোনায় আক্রান্ত হননি একজনও
সৌদি আরবের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, ওমরাহ হজ পুনরায় শুরু হওয়ার পর ৫০ লাখ হাজি এবং মুসল্লি গ্র্যান্ড মসজিদে ইবাদত করেছে। করোনাভাইরাসের কারণে বেশ কয়েক মাস ওমরাহ হজ স্থগিত করে রেখেছিল সৌদি আরব। খবর গালফ বিজনেসের। সৌদির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ সালেহ বেনতেনের বরাত দিয়ে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)। এসময় কোনও ইবাদতকারী করোনায় আক্রান্ত হননি বলেও জানান তিনি। বুধবার মক্কার গভর্নর প্রিন্স খালিদ আল-ফয়সালের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন বেনতেন। বৈঠকে প্রিন্স খালেদকে হজযাত্রীদের সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে প্রযুক্তিগত কর্মসূচিসহ হজ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কেও জানান বেনতেন। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে মার্চ মাসে ওমরাহ হজ স্থগিত করে সৌদি আরব। পরে সেপ্টেম্বরে দেশটি জানায়, তারা ধাপে ধাপে ওমরাহ হজ চালু করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ অক্টোবর থেকে আবারও ওমরাহ হজ চালু করে সৌদি আরব। এদিকে যুক্তরাজ্যে করোনার নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিত করে রিয়াদ। এই স্থগিতাদেশ আরও এক সপ্তাহ বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ
৫০ লাখ মুসল্লি ওমরাহ পালন করলেন, করোনায় আক্রান্ত হননি একজনও
বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। শুক্রবার বড়দিন উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার- এ মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে সবাই একসঙ্গে উৎসব পালন করবো। আমাদের সংবিধানে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। সবাই মিলে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। তাই এই দেশ আমাদের সবার। বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যীশু খ্রিষ্ট এ দিনে বেথেলহেমে জন্মগ্রহণ করেন। পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তনই ছিল যীশু খ্রিষ্টের অন্যতম ব্রত। বিপন্ন ও অনাহারক্লিষ্ট মানুষের জন্য মহামতি যীশু নিজেকে উৎসর্গ করেন। তার জীবনাচারণ ও দৃঢ় চারিত্রিক গুণাবলীর জন্য মানব ইতিহাসে তিনি অমর হয়ে আছেন। শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে সব সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার আহবান জানান। করোনাভাইরাসের প্রেক্ষাপটে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সবাইকে এবারের বড়দিন পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণে বর্তমানে বিশ্ব বিপর্যস্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে মহামারি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের দেশ ও জাতি তথা বিশ্ববাসীকে এই মহামারি হতে যেন মুক্তি দেন-এ প্রার্থনা করি। বড়দিনে প্রধানমন্ত্রী খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীসহ সব নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। এ
বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি: প্রধানমন্ত্রী
করোনার মধ্যে আমিরাতে ইসলাম গ্রহণ করেছে ৩১৮৪ জন
করোনাভাইরাসের মধ্যেই এ বছর সংযুক্ত আরব আমিরাত তিন হাজার ১৮৪ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছে আমিরাতের মোহাম্মদ বিন রশিদ সেন্টার ফর ইসলামিক কালচার। খবর খালিজ টাইমসের। তারা জানিয়েছে, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ধর্মান্তরের সব আবেদন অনলাইনে গ্রহণ করা হয়। সেন্টারটির পরিচালক হিন্দ মোহাম্মদ লুতাহ বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটি ইসলাম সম্পর্কে সঠিক বার্তা প্রদান অব্যাহত রাখবে এবং দুবাইয়ে বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং ধর্ম বিশ্বাসের মানুষের মধ্যে এর ভালো নীতিগুলি ছড়িয়ে দেবে। এদিকে ধর্মান্তরিত হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে সেন্টারটি। এসময় তাদের ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষার মতো বিভিন্ন সেবা সরবরাহ করে থাকে তারা। এ
করোনার মধ্যে আমিরাতে ইসলাম গ্রহণ করেছে ৩১৮৪ জন