
আজ দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত। এ মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হচ্ছে এবারের বিশ্ব ইজতেমা। আখেরি মোনাজাতে দেশি-বিদেশি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ মুসল্লি অংশ গ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এবার মোনাজাত বাংলায় ও আরবিতে হবে।
মোনাজাত পরিচালনা করবেন কাকরাইল মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জোবায়ের। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে মোনাজাত শুরু হবে বলে জানিয়েছেন, বিশ্ব ইজতেমার মুরুব্বি মো. গিয়াস উদ্দিন।
আজ রোববার ভোর থেকে বয়ান ও জিকির-আসকারের মধ্যদিয়ে চলছে ইজতেমার কার্যক্রম। সকাল পৌনে ৮টা থেকে বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল মতিন হেদায়তি বয়ান করছেন। হেদায়তি বয়ান শেষে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে নিয়মিত তাবলিগ জামাতের বাইরেও ঢাকা-গাজীপুরসহ ১৬ জেলার কয়েক লাখ মুসল্লি মোনাজাতে অংশ নিবেন। দ্বিতীয় পর্বে ৭৮ দেশের প্রায় চার হাজার মেহমান ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন।
এ মোনাজাতে বাংলাদেশসহ সারা দুনিয়ার মানুষের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হবে। বিদেশি নিবাসের পূর্বপাশে বিশেষ মোনাজাত মঞ্চ থেকেই এ আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করা হবে।
এরিমধ্যে আখেরি মোনাজাতে অংশ গ্রহণের লক্ষ্যে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে পুরো ইজতেমা ময়দান।
মোনাজাত উপলক্ষে ঢাকা ও গাজীপুরের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনের কর্মকর্তা মো. হালিমুজ্জামান জানান, মুসল্লিদের সুষ্ঠুভাবে যাতায়াতের জন্য ১৩টি বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করবে রেলওয়ে। এছাড়া সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি থাকবে টঙ্গী স্টেশনে।
নিরাপত্তায় প্রায় ১২ হাজার র্যাব ও পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে সাদা পোশাকে প্রায় তিন হাজার গোয়েন্দা সদস্য। আকাশ ও নৌপথে রয়েছে র্যাবের সতর্কতা।
এমসি/এসএস




