ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মানুষের পাশে দাঁড়ালেই খুলে যায় রহমতের দরজা 

আরর্টিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ০৯:৪০ এএম
অন্যকে সাহায্য করলে আল্লাহ নিজেই সাহায্যে এগিয়ে আসেন । ছবি: সংগৃহীত

মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়ানো, অভাবীর সাহায্য করা এবং অন্যের দোষ গোপন রাখা—ইসলামে এগুলোকে শুধু নৈতিকতা নয়, বরং বড় ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। সহীহ হাদীসে এ বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

«مَنْ نَفَّسَ عَنْ مُؤْمِنٍ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الدُّنْيَا نَفَّسَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ»
(সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৬৯৯)

অর্থ: যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দেয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিনে তার একটি কষ্ট দূর করে দেবেন।

হাদীসে আরও বলা হয়েছে, কেউ যদি কোনো অভাবগ্রস্তকে সাহায্য করে, আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে স্বাচ্ছন্দ্য দান করেন। আর যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ গোপন রাখে, আল্লাহ তার দোষও দুনিয়া ও আখিরাতে গোপন রাখেন।

আরও পড়ুন

হাদীসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে বলা হয়েছে—

“আল্লাহ বান্দার সাহায্যে থাকেন, যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে নিয়োজিত থাকে।”

এ শিক্ষার মাধ্যমে ইসলাম সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা, মানবিকতা এবং সহমর্মিতার এক শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হাদীস মানবজীবনের সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার এক পূর্ণাঙ্গ নীতি। একজন মানুষ যখন অন্য মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তখন তা শুধু দুনিয়ার উপকারই নয়, বরং আখিরাতের মুক্তির পথও সহজ করে দেয়।

অন্যদিকে, অভাবীকে সাহায্য করা, মানুষের দোষ গোপন রাখা এবং বিপদগ্রস্তকে সহযোগিতা করা—এসব কাজকে ইসলামে আল্লাহর বিশেষ রহমত পাওয়ার মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসলামী শিক্ষা অনুযায়ী, মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করাই আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার অন্যতম সহজ পথ।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?
স্বামী স্ত্রীকে ‘বোন’ কিংবা স্ত্রী স্বামীকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করলে কি বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান ঘটে? এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই রয়েছে।
স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?
আজকের নামাজের সময়সূচি
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি হলো নামাজ। পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। সে কারণে নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা জরুরি।
আজকের নামাজের সময়সূচি
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
কন্যাসন্তানের জন্মকে অপমান নয়, সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে কোরআন। মেয়ের প্রতি অবহেলা, উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বিয়েতে মতামত উপেক্ষা করার বিষয়ে রয়েছে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা।
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
কালেমার পর ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ হলো নামাজ। নামাজ আদায়ের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ৮২ বার বলা হয়েছে। তাই দৈনিক  পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ওয়াক্তমতো আদায় করা প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন নারী ও পুরুষের ফরজ করা হয়েছে। কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে এলো সে বিষয়ে জানবো।
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
মানুষের চোখে সাধারণ মনে হলেও আল্লাহর কাছে মূল্যবান হতে পারে ছোট ছোট কিছু নেক আমল। হাসিমুখে কথা বলা, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কিংবা গোপনে কারও জন্য দোয়া করার মতো কাজও হতে পারে সওয়াব অর্জনের মাধ্যম।
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল