ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

চুপ থাকার ৫ উপকারিতা ও ফজিলত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
কাল্পনিক ছবি

ইসলামে জিহ্বার হেফাজতকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ও অসংযত কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ চারিত্রিক গুণ। কারণ, মানুষের মুখের কথা থেকেই অনেক সময় মিথ্যা, গিবত, পরনিন্দা ও ঝগড়া-বিবাদের সৃষ্টি হয়। তাই প্রয়োজন ছাড়া কথা না বলা এবং কথা বলার ক্ষেত্রে সংযমী হওয়া ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।

চুপ থাকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ইসলামের শিক্ষা হলো, মানুষ যেন ভালো কথা বলে, অন্যথায় নীরব থাকে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে।’ (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)

এ ছাড়া রাসুলুল্লাহ (সা.) জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাজতের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দুই অঙ্গের হেফাজতের দায়িত্ব নেবে, তিনি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেবেন। (সহিহ বুখারি)

ইসলামের দৃষ্টিতে নীরবতা মানে সব সময় কথা না বলা নয় বরং অন্যায়, মিথ্যা, পরনিন্দা ও অনর্থক কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা। প্রয়োজনীয় ও কল্যাণকর কথা বলা এবং সত্যের পক্ষে কথা বলাও গুরুত্বপূর্ণ।

চুপ থাকার বিশেষ ৫টি উপকারিতা ও ফজিলত

১. পাপ থেকে বেঁচে থাকা

মিথ্যা বলা, গিবত করা, অপবাদ দেওয়া ও গালাগালির মতো অনেক গুনাহ জিহ্বার মাধ্যমে সংঘটিত হয়। কথা বলার আগে চিন্তা করা এবং অপ্রয়োজনীয় কথা থেকে বিরত থাকার অভ্যাস এসব পাপ থেকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।

২. ফেতনা ও বিবাদ থেকে দূরে থাকা

অসংযত কথাবার্তা অনেক সময় পরিবার, সমাজ ও বন্ধুমহলে ভুল বোঝাবুঝি এবং দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করে। সংযতভাবে কথা বলা কিংবা প্রয়োজনের সময় নীরব থাকা অনাকাঙ্ক্ষিত বিরোধ এড়াতে সহায়তা করে।

৩. আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জন

জিহ্বার নিয়ন্ত্রণ মানুষের আত্মশুদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কথা বলার আগে তার পরিণতি বিবেচনা করলে আত্মসংযম বাড়ে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বিষয়ে সচেতনতা তৈরি হয়।

৪. ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি

যে ব্যক্তি ভেবেচিন্তে কথা বলেন, অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য থেকে বিরত থাকেন, সাধারণত তার প্রতি মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা বাড়ে। সংযত কথাবার্তা সুন্দর চরিত্রেরও পরিচায়ক।

৫. পরকালে মুক্তির পথ সুগম করা

জিহ্বার হেফাজত পরকালে মুক্তি লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে চুপ থেকেছে, সে নাজাত পেয়েছে।’ (জামে তিরমিজি)। হাদিসটির শিক্ষা হলো, অনর্থক ও ক্ষতিকর কথা থেকে বিরত থাকা মানুষের জন্য কল্যাণকর।

নীরবতা নয়, প্রয়োজন সংযম

ইসলামে নীরবতার গুরুত্ব থাকলেও অন্যায় দেখেও সব সময় চুপ থাকা কাম্য নয়। সত্য কথা বলা, সৎকাজের আদেশ দেওয়া এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করাও ইসলামের শিক্ষা। তাই একজন মুমিনের উচিত, কখন কথা বলতে হবে আর কখন নীরব থাকতে হবে, তা বুঝে চলা।

সব মিলিয়ে, জিহ্বার হেফাজত মানুষের চরিত্র সুন্দর করে, পাপ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ অর্জনের পথ দেখায়। তাই কথা বলার আগে চিন্তা করা এবং প্রয়োজনীয় ও কল্যাণকর কথাকে অগ্রাধিকার দেওয়াই একজন সচেতন মুসলমানের দায়িত্ব।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২০২৭ সালে দুই দিন মহাঅষ্টমী, জেনে নিন দুর্গাপূজার দিনক্ষণ
বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের এবারের উৎসব। তবে দেবীকে বিদায় জানানোর পর এই মুহূর্তে ভক্তদের মনে প্রশ্ন আগামী বছর আবার কবে আসবেন দেবী দুর্গা?
২০২৭ সালে দুই দিন মহাঅষ্টমী, জেনে নিন দুর্গাপূজার দিনক্ষণ
আজকের নামাজের সময়সূচি
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ-
আজকের নামাজের সময়সূচি
ভক্তের চোখের জলে দেবীদুর্গার বিসর্জনযাত্রা
পূজা, আনন্দ আর মিলনমেলার শেষে শুরু হয়েছে বিদায়ের পালা। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। চারদিকে শঙ্খনাদ, উলুধ্বনি, ঢাকের বাদ্য আর ভক্তদের ‘বলো দুগ্গা মাই কি জয়’ ধ্বনির মধ্য দিয়ে আনন্দ ও বিষাদের মিশ্র অনুভূতিতে শুরু হয়েছে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের বর্ণাঢ্য বিজয়া শোভাযাত্রা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির (পলাশী মোড়) থেকে এ যাত্রা শুরু হয়। রাজধানীর বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে আসা প্রতিমা নিয়ে জগন্নাথ হল, দোয়েল চত্বর, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড ও রায়সাহেব বাজার হয়ে বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে গিয়ে এই শোভাযাত্রা শেষ হওয়ার কথা। রাত ১০টার মধ্যে শোভাযাত্রা গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, মহালয়ার দিন ‘কন্যারূপে’ মর্ত্যে আসা দেবী দুর্গা টানা পাঁচ দিনের পূজার পর দশমীর দিন পিতৃগৃহ ছেড়ে কৈলাসে স্বামীগৃহে ফিরে যান। অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে দেবীর এই বিজয়ের কারণে দিনটি ‘শুভ বিজয়া’ হিসেবে উদযাপিত হলেও বিদায়বেলায় ভক্তদের হৃদয় বিষাদে আপ্লুত হয়। এদিন সকালে বিজয়া দশমীর শাস্ত্রীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং দুপুরে সধবা নারীদের সিঁদুর খেলার মধ্য দিয়ে বিদায়পর্ব শুরু হয়। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে সকাল ৭টায় দশমীর বিহিত পূজা শুরু হয়। সকাল ৯টায় দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে পূজার শাস্ত্রীয় সমাপ্তি ঘটে। এরপর সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে বিজয়া দশমীর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ—সিঁদুর খেলা। স্বামীর দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনায় সধবা নারীরা দেবীর চরণে সিঁদুর নিবেদন করেন। এরপর তারা একে অপরের কপালে ও গালে সিঁদুর মেখে উল্লাসে মেতে ওঠেন। বিদায়বেলায় মণ্ডপে আসা ভক্ত ও কারিগরদের চোখেমুখে ছিল বিষাদের ছায়া। পুরান ঢাকার ওয়ারীর বাসিন্দা কারিগর চন্দন চন্দ্র দাস বলেন, মা দুর্গা আমাদের আরাধ্য দেবী। জগতের সব শক্তির উৎস তিনি। আজ আবার ধরাধাম থেকে তিনি মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ীতে চলে যাবেন। জগতের অশুভ শক্তি বিনাশ হোক— এই প্রার্থনা নিয়েই মাকে বিদায় জানাচ্ছি। লালবাগের বাসিন্দা শ্রাবণী দাস গত বছরের চেয়ে এবার বেশি আনন্দ করেছেন জানিয়ে বলেন, আজ একটু কষ্ট হচ্ছে। আবার এক বছর পর মায়ের সঙ্গে দেখা হবে। তবে ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে এবার সিঁদুর খেলায় অংশ নিতে না পারার আক্ষেপও ঝরে তার কণ্ঠে। শিক্ষক সীমা রানী পাল এবারই প্রথম ট্রাকে করে বিসর্জন শোভাযাত্রায় অংশ নিচ্ছেন। শহর ও গ্রামের পূজার পার্থক্য টানতে গিয়ে তিনি বলেন, শহরে উৎসবটা সবার হয়ে যায়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি মুসলিম সহকর্মী ও তাদের সন্তানদেরও রাতে পূজা দেখতে আসতে দেখা যায়। এ কারণে শহরে সম্প্রীতির মেলবন্ধনটা বেশি। ঢাকেশ্বরীর ব্যতিক্রমী বিসর্জন দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। তবে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের বিসর্জনে রয়েছে নিজস্ব ঐতিহ্য। এখানকার মূল প্রতিমাটি বিসর্জন দেওয়া হয় না। এ বিষয়ে শুভাশিষ কুমার বিশ্বাস সাধন বলেন, ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দেবী দুর্গা স্বয়ং অধিষ্ঠিত। মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ঐতিহ্য রয়েছে, এই প্রতিমা আমরা এক বছর সংরক্ষণ করি। পরবর্তী পূজার আগে বিসর্জন দেওয়া হয়। এবার প্রতীকী হিসেবে সপ্তমী পূজার দিন প্রতিষ্ঠা করা কলাবউ বা কলাগাছটি বিসর্জন দেওয়া হবে। এ বছর রাজধানীর বিভিন্ন মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জনের জন্য বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদের মোট ১১টি ঘাট নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার ঢাকা মহানগরে ২৫৮টিসহ সারা দেশে মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আরটিভি/এমএ মালয়েশিয়ায় অবৈধ বিদেশিদের ধরতে এবার সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব সংসদে এস এ সৌরভ মালয়েশিয়া প্রতিনিধি  মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের আটক করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে দেশজুড়ে বড় ধরনের অভিযান চালানোর প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্য দাতুক ড. রাদজি জিদিন। এ কাজে ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি সেনাবাহিনীসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আজ ১৯ অক্টোবর সোমবার কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার সংসদে ২০২৭ সালের জাতীয় বাজেট নিয়ে আলোচনার সময় তিনি এ প্রস্তাব দেন। রাদজি জিদিন পেরিকাতান ন্যাশনাল জোটের পুত্রাজায়া আসনের সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। ইমিগ্রেশন বিভাগের জনবল পর্যাপ্ত না হলে সরকারের অন্যান্য সংস্থার সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সেনাসদস্যদেরও অভিযানে যুক্ত করার প্রস্তাব দেন তিনি। রাদজি জিদিন আরও বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে, যাতে অবৈধ পথে বিদেশিদের প্রবেশ বন্ধ করা যায়। পাশাপাশি বিদেশি কর্মী নিয়োগের শর্ত আরও কঠোর করা এবং ইমিগ্রেশন আটককেন্দ্রে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি  
ভক্তের চোখের জলে দেবীদুর্গার বিসর্জনযাত্রা
সাংবাদিকদের পেটানো নিয়ে উল্টো সুর এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর
সাংবাদিকদের ‘কুত্তার মতো পেটানো দরকার’ বলে মন্তব্যের পর এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাহরিকে খতমে নুবুওয়্যাত বাংলাদেশের আমির ইসলামী বক্তা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসি। তিনি দাবি করেছেন, সব সাংবাদিককে গালিগালাজ করেননি; বরং যারা হলুদ সাংবাদিকতা করেন এবং টাকার বিনিময়ে সংবাদ পরিবর্তন করেন, তাদের সমালোচনা করেছেন।  ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো সাংবাদিকদেরও এ সমালোচনার আওতায় রেখেছেন বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে ঢাকা উত্তরখান থানার চাঁনপাড়া বাজারের মরহুম ইসলাম উদ্দিন খান সুপার মার্কেটে আল মাদরাসা রাহিমিয়া তালিমুল কুরআনের মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন আব্বাসি। তিনি বলেন, ‘আমি সব সাংবাদিককে গালিগালাজ করিনি। সাংবাদিকদের মধ্যে যারা হলুদ সাংবাদিকতা করেন, আমি তাদের গালি দিয়েছি। যারা টাকার বিনিময়ে হিরোকে জিরো বানান, আবার জিরোকে হিরো বানান, আমি তাদের বিরোধিতা করেছি।’ সাংবাদিকতাকে উত্তম পেশা উল্লেখ করে আব্বাসি বলেন, একটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে ভালো সাংবাদিকতার প্রয়োজন রয়েছে। দেশে অধিকাংশ সাংবাদিক টাকা পেলে সংবাদ পরিবর্তন করে ফেলেন। তারা ভালো মানুষের চরিত্র হনন করেন। আবার টাকার বিনিময়ে চরিত্রহীন মানুষের পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘এ ধরনের সাংবাদিকদের আমি যদি গালি দিয়ে থাকি, তাহলে কি ভুল করেছি?’ এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন আব্বাসি। সেখানে ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সমালোচনা করেন।  ওই মাহফিলে আব্বাসি বলেন, ‘ইশরাক হোসেন মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। অবশ্যই এটা ঠিক। তার পিস্তল উঁচিয়ে ধরার পদ্ধতিটা খারাপ ছিল, উদ্দেশ্য মহৎ ছিল। কিন্তু একদল সাংবাদিক সেটা নেতিবাচকভাবে প্রচার করেছে।’ সাংবাদিকদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকেরা ইতিবাচক সংবাদ প্রচার করলে মাদকের বিরুদ্ধে ইশরাকের অভিযান নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু ‘হলুদ সাংবাদিকেরা’ তা করেননি। এ সময় তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে খারাপ এরা। এদেরকে কুত্তার মতো পেটানো দরকার।’ পরে মাহফিলে ‘কুত্তার মতো পেটানো দরকার’ নিয়ে আব্বাসীর দেওয়া ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। আরটিভি/এসকে
সাংবাদিকদের পেটানো নিয়ে উল্টো সুর এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর
সিঁদুর খেলায় দুর্গার বিদায়, ‘আসছে বছর আবার হবে’
ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে মুখর রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ।
সিঁদুর খেলায় দুর্গার বিদায়, ‘আসছে বছর আবার হবে’