ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

খাদ্যদ্রব্য মজুদ করে মানুষকে কষ্ট দেয়া ইসলামে নিষিদ্ধ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৫০ পিএম
ফাইল ছবি

খাদ্যদ্রব্য মজুদ করে অথবা তা বাজার থেকে তুলে নিয়ে দাম বাড়িয়ে মানুষকে কষ্ট দেয়া ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। হানাফি মাজহাব মতে মাকরূহে তাহরিমি (হারাম সমতুল্য)। তবে অন্যান্য মাজহাবে হারাম করা হয়েছে।

এসম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি খাদ্যশস্য মজুদ রাখে, আল্লাহপাক তার ওপর দরিদ্রতা চাপিয়ে দেন। (আবু দাউদ, হাদিস নং : ৫৫)

অপর আরেকটি হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি খাদ্যশস্য গুদামজাত করে সে অভিশপ্ত। ‘ (ইবনে মাজাহ)

এসম্পর্কে আরেকটি হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি ৪০ দিনের খাবার মজুদ রাখে, সে আল্লাহর জিম্মা থেকে বেরিয়ে যায়। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ২০৩৯৬)

এ ধরনের কাজে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অনেক মানুষ দুর্ভোগে পড়ে। তাদের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়। তাই ইসলাম এ প্রকার কাজকে হারাম ঘোষণা করেছে।

ব্যবসায়িক পণ্য বিক্রি না করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বর্ধিত মুনাফা আদায়ের প্রচেষ্টা শুধু ইসলাম নিষিদ্ধ করেনি বরং এটি একটি সামাজিক অপরাধ।

এসম্পর্কে আরও একটি হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি খাদ্যশস্য গুদামজাত করে সে অপরাধী। (আল মু’জামুল কাবির : ১০৮৬)

তবে গুদামজাত পণ্য যদি মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু না হয় কিংবা মানুষ এর মুখাপেক্ষী না হয় অথবা এসব পণ্য চাহিদার অতিরিক্ত হয় বা গুদামজাতকারী বর্ধিত মুনাফা অর্জনের অভিলাষী না হয়, তাহলে এসব অবস্থায় পণ্য মজুদ রাখা অবৈধ নয়।

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কেন যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন বড়দিন হিসেবে পরিচিত?
খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ক্রিসমাস বা বড়দিন। ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মের দিনে এই উৎসবটি পালিত হয়। কারণ খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্ট এদিনই বেথলেহেম নগরীতে অলৌকিকভাবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের বিশ্বাস যিশু খ্রিস্ট মানুষের রূপ ধরে পৃথিবীতে এসেছিলেন সব পাপ থেকে মুক্তি দিতে আর মানবিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে। তার এই আগমনকে স্মরণ করে খ্রিস্টানরা শ্রদ্ধা ভালোবাসায় বিশ্বব্যাপী তাকে স্মরণ করেন ও জাকজমকপূর্ণভাবে দিনটি উদযাপন করেন। খবর বিবিসি বাংলার। তবে বাঙালিদের কাছে এই দিনটির পরিচয় বড়দিন হিসেবে। এর কারণ কী? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ বলছেন, মর্যাদার দিক থেকে এটি একটি বড়দিন। তিনি বলেন, যিশু যেহেতু বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য ধর্ম ও দর্শন দিয়ে গেছেন, বিশ্বব্যাপী বিশাল অংশের মানুষ তার দেয়া ধর্ম ও দর্শনের অনুসারী। যিনি এতো বড় ধর্ম ও দর্শন দিলেন ২৫ ডিসেম্বর তার জন্মদিন। সে কারণেই এটিকে বড়দিন হিসেবে বিবেচনা করে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ। অধ্যাপক ঘোষ বলেন, ১৮ ও ১৯ শতকে ইউরোপীয়রা এসে এ অঞ্চলে খ্রিস্ট ধর্ম প্রচার করে। যারা ধর্মটি গ্রহণ করেছেন তাদের কাছে এটি আরও মহিমান্বিত বিষয়। তিনি আরও বলেন, বাঙালি যারা খ্রিস্টান তাদের অধিকাংশই এই ধর্মে রুপান্তিরিত হয়েছেন। তারা ভাবেন যিশু এমন একজন যিনি তাকে ধর্ম দিয়েছেন। তাই তার জন্মদিনটাই তারা সব আবেগ দিয়ে পালন করেন। এ কারণেই দিনটি তাদের কাছে বড়দিন হিসেবে বিবেচিত। তার মতে বাঙালি সমাজে ১৮ শতকের শেষের দিকে এই বড়দিন পালনের চর্চা শুরু হয়েছিল। একই সময়ে এই অঞ্চলের মানুষ ইউরোপীয়দের অনুকরণে জন্মদিন পালনও শুরু করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ
কেন যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন বড়দিন হিসেবে পরিচিত?
বড়দিনের প্রার্থনায় বিশ্ববাসীর শান্তি ও মঙ্গল কামনা
খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন আজ। খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট এই দিনে প্যালেস্টাইনের পশ্চিম তীরে বেথেলহেম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা আজ আনন্দ-উৎসব ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে বড়দিন উদযাপন করছেন। বিশ্ববাসীর শান্তি ও মঙ্গল কামনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বড়দিনের উৎসব। আজ (বুধবার) ভোর থেকেই রাজধানীসহ দেশের প্রতিটি গির্জায় ক্রিসমাস বা বড়দিনের প্রার্থনায় উচ্চারিত হয়েছে শান্তি ও ভালোবাসার বাণী। বড়দিন উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল (মঙ্গলবার) পৃথক বাণীতে খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাজধানীর তেজগাঁওয়ের হলি রোজারিও চার্চে বুধবার সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছেন যীশু খ্রিষ্টের অনুসারী নানা বয়সের মানুষ। এসময় নিউ টেস্টামেন্ট থেকে শ্লোক আর গসপেল থেকে সুসমাচার আবৃত্তি করে তারা মানবজাতির প্রতি যীশুর ব্রত, ত্যাগ ও শিক্ষা স্মরণ করেন। চার্চের পালক ফাদার সুব্রত অগাস্টিন জানান, মহান যীশু মানবের মুক্তির জন্য এসেছিলেন। বড়দিনে তার সেই বাণী উচ্চারিত হচ্ছে প্রতিটি চার্চে। স্মরণ করা হচ্ছে মানুষের জন্য করা তার মহান ত্যাগের বাণী। এসময় ভালোবাসায ও বিশ্বাসে যীশুর অনুসারীরা একে অন্যকে আলিঙ্গন করেন। বিভিন্ন চার্চ ঘুরে দেখা গেছে, চার্চগুলো সাজানো হয়েছে রঙ-বেরঙের আলোতে। যীশু খ্রিষ্ট ও মাদার মেরির বিভিন্ন প্রতিকৃতি রাখা হয়েছে। প্রার্থনার জায়গাটি অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি সাজানো হয়েছে। গির্জার প্রধান পালক যেখানে দাঁড়িয়ে বাইবেলের শ্লোক উচ্চারণ করেন তার পেছনে রাখা হয়েছে একটি হলিক্রস। মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চের দর্শনার্থী মোনালিসা মণ্ডল আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘এই একটি দিনের জন্য আমরা অপেক্ষায় থাকি। সারাদিন সুসমাচার উচ্চারণ করি। আমরা সবাই মিলে শান্তি, ভালোবাসা ও সুন্দরের পক্ষে আলোচনা করি। দরিদ্র ও দুর্বলের পক্ষে এই পৃথিবীতে একজন লড়তে এসেছিলেন, সেটা ভেবে ভালো লাগে। তাই আমরা সবাই মিলে তার জন্য প্রার্থনা করি।’ আরেক দর্শনার্থী জাইলস কর্নেলিয়াস কোড়াইয়া বলেন, ‘বড়দিনের উৎসব মানেই আনন্দের উৎসব। আমরা এদিন আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করি। মানব জাতির মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করি। এমন উৎসবের দিনগুলোতে অন্তত সবাই একত্রিত হওয়া যায়। এটাই আমার বেশি ভালো লাগে।’ প্রসঙ্গত,  যীশু খ্রিষ্টের জন্মকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বে পালিত হয় বড়দিন। যীশুর অনুসারীরা বিশ্বাস করেন, তিনি ডিসেম্বরের ২৫ তারিখে জন্মেছিলেন। এজন্য জন্মদিনে যীশুর বাণী ও শিক্ষা স্মরণ করেন তারা। পি
বড়দিনের প্রার্থনায় বিশ্ববাসীর শান্তি ও মঙ্গল কামনা
ইসলামের আলোকে দেশপ্রেম
ইসলামে দেশপ্রেমের গুরুত্ব অনেক। কোরআনে আছে, ‘হুব্বুল ওয়াতানে মিনাল ঈমান’ দেশকে ভালবাসা ইমানের অঙ্গ। দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ বলে অনেক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। নিজ দেশ অর্থাৎ স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা চিরন্তন, শাশ্বত সত্য বলে ইসলামে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বছর ঘুরে ফিরে এসেছে মহান বিজয় দিবস। বিজয় আনন্দে উচ্ছ্বাসিত লাল সবুজের এ মাটি। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর  হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয়েছিল আমাদের এই দেশ, বাংলাদেশ। দেশের প্রতি মায়া-মমতা ও ভালোবাসা থেকে লাল সবুজের পতাকা হাতে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন লাখো বাঙালি। শহীদ হয়েছিল লাখো মায়ের সন্তান। দেশের প্রতি এমন ভালোবাসায় উদ্বুদ্ধ করে ইসলাম। দেশপ্রেম, রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ও ভালোবাসা হচ্ছে ইমানদারের বৈশিষ্ট্য। মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তোমরা আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করো এবং তোমাদের ন্যায়পরায়ণ শাসকের আদেশ মেনে চলো (সূরা নিসা : ৫৯)। রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, দেশ রক্ষার্থে একদিন এক রাতের প্রহরা-ক্রমাগত এক মাসের নফল রোজা এবং সারারাত ধরে ইবাদতে কাটিয়ে দেয়ার চেয়ে উত্তম (মুসলিম শরিফ)।  দেশের স্বাধীনতা রক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করে আল্লাহর রাসূল সা. বলেছেন, যে চোখ দেশের সীমান্ত রক্ষায় বিনিদ্র থাকে সে চোখকে জাহান্নাম স্পর্শ করবে না। আল্লাহর রাসূল নিজে স্বদেশকে ভালোবেসে আমাদের জন্য উদাহরণ উপস্থাপন করে গেছেন। রাসূল সা. মক্কাকে এবং সেখানকার জনগণকে ভালোবাসতেন। তাদের হেদায়েতের জন্য তিনি কঠোর অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন। তায়েফে তিনি এত নির্যাতন সহ্য করেছেন তারপরও কোনও বদদোয়া করেননি। মহানবী সা. সাহাবিদের কাফিরের অত্যাচারে আবিসিনিয়ায় হিজরতের অনুমতি দিলেও তিনি মক্কায় নির্যাতন সহ্য করে অবস্থান করেছিলেন। পরিশেষে কাফিরদের কঠিন ষড়যন্ত্রের কারণে এবং আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে তিনি মদিনায় হিজরত করেছিলেন। আমাদের বিজয় এবং দেশপ্রেমকে যদি ইসলামের আলোকে দেখি তাহলে দেখা যাবে এসব কিছুই জাতির গৌরবের, আনন্দের, অহংকারের, আত্মমর্যাদার। ১৯৭১ সালে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। এস/এসএস
ইসলামের আলোকে দেশপ্রেম
বাংলাদেশের জন্য হজের কোটা বাড়ালো সৌদি সরকার
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য ১০ হাজার কোটা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। সে হিসেবে চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯১ জন হজপালন করার সুযোগ পাবেন। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে মক্কায় হজ চুক্তির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন সৌদি আরবের হজ ও উমরা প্রতিমন্ত্রী ডক্টর আব্দুল ফাত্তাহ বিন সোলায়মান মাশাতের নেতৃত্বে সৌদি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী নাজমুল হক সৈকত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রতিমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যেসব প্রস্তাব তুলে ধরেন তার মধ্যে রয়েছে- হজযাত্রীর কোটা বাড়ানো, রুট টু মক্কা ইনিসিয়েটিভের আওতায় শতভাগ হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন বাংলাদেশে করা এবং হজ শেষে দেশে ফেরার সময় জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দরে হাজিদের ইমিগ্রেশন সহজ করা, হাজিরা যাতে ৪২ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনের কম সময়ে দেশে ফেরত যেতে পারেন সে ব্যবস্থা ও ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা। সেই সাথে সৌদি আরবে বাংলাদেশি হাজিদের খাওয়া-থাকাসহ সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, কালো তালিকাভুক্ত বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর তালিকা দ্রুত প্রকাশ, হাজিদের জন্য বাধ্যতামূলক খাবার সরবরাহের প্রথা বন্ধ এবং মিনায় উন্নতমানের বাংলাদেশি খাদ্য পরিবেশন ও আবাসনের ব্যবস্থা করার কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। এমকে
বাংলাদেশের জন্য হজের কোটা বাড়ালো সৌদি সরকার
জিবুতিকে মসজিদ উপহার দিলো তুরস্ক
আফ্রিকার উত্তর-পুর্বে অবস্থিত ছোট দেশ জিবুতি। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির জনসংখ্যা ১০ লাখ। ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসার নির্দশনস্বরূপ দেশটিকে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দিয়েছে ‍তুরস্ক। শুক্রবার ওই মসজিদটির উদ্বোধন করা হয়। উসমানি সম্রাজ্যের স্থাপত্যের আদলে সমুদ্রতীরে ১৩ হাজার বর্গ মিটার জায়গা জুড়ে নির্মিত হয়েছে মসজিদটি। এটি উসমানি সম্রাজ্যের শেষ শাসক সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ-এর নামে নামকরণ করা হয়েছে। মসজিদটি নির্মাণে পুরো অর্থ দিয়েছে তুরস্কের অর্থ মন্ত্রণালয়। জিবুতি ও পূর্ব আফ্রিকার বৃহত্তম এই মসজিদে একসঙ্গে ৬ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবে। সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ মসজিদে ৪৬ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি মিনার ও ২৭ মিটার দৈর্ঘ্যের বিশাল এক গম্বুজ রয়েছে। এছাড়া একসঙ্গে ৪০০ মানুষের ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র, সুবিশাল কনফারেন্স রুম, গণপাঠাগার, ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য উন্মুক্ত হলরুম এবং শিশুদের কুরআন শিক্ষার জন্য আলাদা মাদরাসা রয়েছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান ২০১৫ সালে জিবুতিতে এক রাষ্ট্রীয় সফরে এই মসজিদ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি। তখন জিবুতির প্রেসিডেন্ট ইসমাইল ওমর গুল্লেহ’র সঙ্গে মিলে মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এরদোয়ান। এ
জিবুতিকে মসজিদ উপহার দিলো তুরস্ক