ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদে রয়েছে অনেক পানি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৫:২৪ পিএম
চাঁদ

চাঁদের মাটিতে পানির সন্ধান পেয়েছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। সোমবার ন্যাচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে প্রকাশিত দুটি গবেষণা প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা জানান, যতটুকু আশা করা হয়েছিলো তার থেকে অন্তত ২০ শতাংশ বেশি পানির সন্ধান পাওয়া গেছে । বর্তমানে সেই পানি কিভাবে নভোচারীরা কাজে লাগানো যেতে পারে সেটা নিয়ে চলছে গবেষণা ।

চাঁদের মাটিতে প্রতি এক ঘন মিটারে পানির পরিমাণ প্রায় ১২ আউন্স। আগে ধারণা করা হয়েছিল, চাঁদে পানি থাকলেও তা রয়েছে অতি সামান্য পরিমাণে। তবে এবারের জার্নালে বলা হয়েছে সূর্যের দিকে মুখ করে থাকা চাঁদের পৃষ্ঠেও যথেষ্ট পানি রয়েছে। যা আগের ধারনার চেয়ে অন্তত ২০ ভাগ বেশি।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার স্ট্র্যাটোসফেরিক অবজারভেটরি ফর ইনফ্রারেড অ্যাস্ট্রোনমি (সোফিয়া)-এর টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পৃথিবীর মত পানি চন্দ্রপৃষ্ঠে কোথাও সঞ্চিত থাকে না। তবে নাসার পরিচালক জিম ব্রাইডেনস্টাইন বলেন, এই পানি কিভাবে ব্যবহার করা যাবে বা করতে পারবো সেটা আমরা এখনও জানি না। তবে এটা নিয়ে চলছে গবেষণা।

এসএম/ এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৪০০ বছর পর আজ রাতে খুব কাছাকাছি হচ্ছে দুই গ্রহ
আজ রাতের আকাশে এক অনন্য দৃশ্য দেখবে বিশ্ববাসী। প্রায় ৪০০ বছর পর খুবই কাছাকাছি আসবে বৃহস্পতি ও শনি গ্রহ। সবশেষ সপ্তদশ শতকে গ্যালিলিও জীবিত থাকতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। জ্যোতির্বিদরা বলছেন, আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে বড় দুই গ্রহের এই তথাকথিত সংযোগ খুব বিরল নয়। সূর্যকে প্রদিক্ষণের সময় দুই প্রতিবেশী গ্রহের মধ্যে প্রতি ২০ বছর পর পর দেখা হয়। তবে আজ সোমবার রাতে এই দেখাদেখিটা হবে খুব কাছে থেকে। আর তাই আজ সূর্যাস্তের পরপরই আকাশ পরিষ্কার থাকলে বিশ্বের সবচেয়ে জায়গা থেকেই ধরা পড়বে এমন অনন্য দৃশ্য। আরো পড়ুন... আজ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ কাল-পরশু মধ্যরাতে দেখা যাবে উল্কাবৃষ্টি চাঁদে রয়েছে অনেক পানি নাসার নভোযান থেকে সংগ্রহ করা পাথর ছিটকে পড়ছে মহাকাশে আল জাজিরা বলছে, গ্রহ দুটির এই মহা সংযোগ দেখতে দক্ষিণ-পশ্চিম দিগন্তে তাকাতে হবে। বৃহস্পতি উপরের দিকে ডানপাশে থাকবে দেখতে অপেক্ষাকৃত ছোট শনি গ্রহ। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, সাধারণত শনি ও বৃহস্পতির মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অত্যন্ত বেশি। সেই কারণে গ্রহাণু হামলার হাত থেকে তারাই ছাতার মতো রক্ষা করে পৃথিবীকে। তবে এই দুটি গ্রহ একসঙ্গে আসার সরাসরি প্রভাব পৃথিবীতে পড়বে না। কিন্তু উৎসুক মানুষজন চাইলেই সন্ধ্যায় চোখে টেলিস্কোপ লাগিয়ে দেখতে পারেন এই দুই গ্রহের অবস্থান। আজ গ্রহ দুটির দূরত্ব থাকবে ৭৩০ মিলিয়ন কিলোমিটার। আর বৃহস্পতি থেকে পৃথিবীর দূরত্ব থাকবে ৮৯০ মিলিয়ন কিলোমিটার। ২০৮০ সালের ১৫ মার্চ পরবর্তী মহা সংযোগ হতে পারে শনি ও বৃহস্পতি গ্রহের। উল্লেখ্য, সবশেষ ১৬২৩ সালে শেষ বার এই দুই গ্রহকে এত কাছাকাছি দেখা গিয়েছিল। এটা গ্যালিলিও’র  টেলিস্কোপ আবিষ্কারের ১৩ বছর পরের ঘটনা। এ
৪০০ বছর পর আজ রাতে খুব কাছাকাছি হচ্ছে দুই গ্রহ
আজ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ
পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ঘটতে পারে আজ সোমবার (১৪ ডিসেম্বর)। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে। বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৫৩ মিনিটে শেষ হবে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে  দেখা যাবে না পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় গতকাল রোববার । সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে দেখা না গেলেও এটির কেন্দ্রীয় সূর্যগ্রহণ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে। সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে ১০টা ১৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ শেষ হবে ১১টা ৫৪ মিনিট ৬ সেকেন্ডে এবং শেষ হবে রাত ১২টা ৫৩ মিনিটে। সূর্যগ্রহণটি শুরু হবে জর্জ টাউন থেকে উত্তর-পশ্চিমদিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর এবং শেষ হবে সেন্ট হেলেনা, অ্যাসেনসিওন দ্বীপ এবং ত্রিস্তান দ্য কুনহা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে। দক্ষিণ আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এটি দেখা যাবে। পাশাপাশি চিলি, আর্জেন্টিনার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দুপুরের পর সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। এম
আজ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ
কাল-পরশু মধ্যরাতে দেখা যাবে উল্কাবৃষ্টি
রহস্যে ঘেরা সৌরজগত। এই জগত ঘিরে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কত কি দেখা যায়। আমরা পৃথিবীতে বসে তা দেখি। প্রায় প্রতি বছর পৃথিবী ঘিরেও আজব লীলা দেখা যায়। আগামীকাল রোববার ও সোমবারও আপনিও দেখতে পারবেন আজব এক বৃষ্টি। নাম উল্কাবৃষ্টি। আকাশের এক প্রান্ত থেকে ছিটকে অন্যপ্রান্তে পৌঁছবে উল্কা। একটা নয় অসংখ্য। ঘণ্টায় অন্তত ৬০টি। আর সেই অসম্ভব সুন্দর উল্কাবৃষ্টি শুরু হবে মধ্যরাতের পরেই। চলবে পরের দিনের ভোর পর্যন্ত। উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে আকাশের পূর্ব থেকে উত্তর-পূর্ব অংশে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিভাষায় এই উল্কাবৃষ্টির নাম ‘জেমিনিড মেটিওর শাওয়ার’। বছরে যত রকমের উল্কাবৃষ্টি হয়, তার মধ্যে উজ্জ্বলতম এই জেমিনিড মেটিওর শাওয়ার। ডিসেম্বরের ৪ তারিখ থেকে এই উল্কাবৃষ্টি শুরু হয়েছে উত্তর গোলার্ধে। সেই ‘বৃষ্টিপাত’-এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হবে আগামীকাল ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর। উত্তর গোলার্ধে তা দেখা যাবে রাত ২টার পর থেকে ভোর পর্যন্ত। আর আমাদের দক্ষিণ গোলার্ধে তা দৃশ্যমান হবে মধ্যরাতের পর। রাত যত গড়াবে ততই তার দৃশ্যমানতা বাড়বে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে পৃথিবীর যে কোনো জায়গা থেকে দেখা যাবে জেমিনিডস উল্কার বৃষ্টিপাত।  আকাশের দিকে তাকিয়ে হয়তো গত কয়েক মাসে আপনি অন্য উল্কা বৃষ্টি দেখে থাকতে পারেন, কিন্তু ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর যে উল্কা বৃষ্টি হতে যাচ্ছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন সেটা হবে ‘সব উল্কা বৃষ্টির রাজা’। ব্রিটেনে গ্রেনিচের মানমন্দির, রয়াল অবজারভেটরির জ্যোতির্বিজ্ঞানী প্যাট্রিশিয়া স্কেলটন বলেন, ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধুলিকণায় ভরা আস্তরণের মধ্যে দিয়ে যখন পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে, তখন সাধারণত উল্কা বৃষ্টি ঘটে থাকে। উল্কা যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢোকে তখন তার গতি থাকে প্রতি সেকেন্ডে ৩৫ কিলোমিটার। সেটা প্রতি ঘণ্টায় ১ লাখ ৩০ হাজার কিলোমিটারের সামান্য কম! উল্কা বৃষ্টির সময় দেখতে পাবেন রাতের আকাশ আলোকিত হয়ে উঠছে হলুদ আলোর ছটায়, কখনও কখনও দেখবেন সবুজ বা নীল আলোর ঝিলিক।  প্যাট্রিশিয়া বলেন, উল্কার কণাগুলো পুড়ে গিয়ে আকাশে এদিক ওদিক ছিটকে পড়ার কারণে এই আলোর রোশনাই আমরা দেখতে পাবো। সূত্র: বিবিসি ও আনন্দবাজার পত্রিকা। জিএ/পি
কাল-পরশু মধ্যরাতে দেখা যাবে উল্কাবৃষ্টি
নাসার নভোযান থেকে সংগ্রহ করা পাথর ছিটকে পড়ছে মহাকাশে
রহস্যময় পৃথিবীকে জানার জন্য নাসার বিজ্ঞানীরা পৃথিবী থেকে কোটি কোটি কিলোমিটার দূরের এক গ্রহাণু থেকে পাথরের খণ্ড সংগ্রহ করতে একটি মহাকাশযান পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু মহাকাশযানটি পাথরের নমুনা বেশি সংগ্রহ করার কারণে তা সেই যান থেকে উপছে পড়ে মহাকাশে ছড়িয়ে যাচ্ছে। সূর্যের উত্তাপে পৃথিবী আলোকিত সেই সৌরমণ্ডল কিভাবে গঠিত হয়েছে তার রহস্যকে জানার জন্য সেখান থেকে সংগ্রহ করা নমুনাগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে জানায় নাসা। বিবিসির খবরে বলা হয়, নাসার মহাকাশযান অসিরিক্স-রেক্সএর কর্মকর্তারা বলেন, এ সপ্তাহের গোড়ার দিকে নভোযানটি বেন্নু নামে গ্রহাণুতে অবতরণ করে। খুব ভালভাবে সম্পন্ন করেছিল যানটি প্রস্তরখণ্ড সংগ্রহের জন্য।  তারা আরও বলেন, সেখান থেকে যেসব ছবি পাঠিয়েছে তাতে দেখা যায়, একটি পাথরখণ্ড বেরিয়ে থাকার কারণে অন্য নমুনা সংগ্রহের একটি আধারের দরোজা অল্প কিছু ফাঁকা হয়ে গেছে। যার কারণে সেখান থেকে সংগ্রহ নমুনার অংশ ছিটকে বেরিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে নাসার বিজ্ঞানীরা এখন চেষ্টা করে যাচ্ছে, নিরাপদে একটি ক্যাপসুলে প্রস্তরখণ্ডগুলো প্রবেশ করানো যায় কি না। যে সকল গুরুত্বপূর্ণ পাথরখণ্ডের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল তার একটি বড় অংশ বেরিয়ে যাচ্ছে বলে জানান মিশনের প্রধান ডান্তে লওরেত্তা। আরও বলেন নভোযান যন্ত্রটি আনুমানিক প্রায় ৪০০ গ্রাম ওজনের পাথরের খণ্ড সংগ্রহ করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। মহাকাশযানটি এর চেয়ে বেশি নমুনা সংগ্রহ করার ক্ষমতা নেই। ডান্তে লওরেত্তা বলেন, আমি দারুণভাবে উদ্বিগ্ন, প্রস্তুরখণ্ডগুলোর টুকরো ভেতর থেকে যে বাইরে ছড়িয়ে যাচ্ছে। এসব ভেবে খারাপ লাগছে কারণ এখানে নিজেদের সাফল্য ব্যর্থ হয়েছে। নাসার বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী প্রশাসক টমাস জারবুশেন সাংবাদিকদের বলেন, এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো ভেতরে যতটুকু রয়েছে তা যেন আর বেরিয়ে না আসে এবং বেরিয়ে যাওয়াকে আটকাতে কাজ করা হচ্ছে। অসিরিক্স-রেক্স মিশনের এসব প্রস্তরখণ্ড পৃথিবীতে নিয়ে আসার কথা রয়েছে ২০২৩ সালে । জিএম/এমকে
নাসার নভোযান থেকে সংগ্রহ করা পাথর ছিটকে পড়ছে মহাকাশে
মহাশূণ্য থেকে পৃথিবীতে ফিরলেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নভোচারীরা 
মহাশূণ্যে ১৯৬ দিন অবস্থান শেষে পৃথিবীতে নিরাপদে ফিরলেন আমেরিকান নভোচারি ক্রিস ক্যাসিডি ও রাশিয়ার মহাকাশচারী ইভানিশিন ও ইভান ভাগনার। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কাজাখাস্তানের কাজাখ শহর থেকে ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব অংশে তারা অবতরণ করেন। রাশিয়ার মহাশূণ্য সংস্থা রসকমোস তাদের অবতরণের ভিডিও প্রকাশ করে। খবর আল জাজিরার।  গত এপ্রিলে পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই যখন করোনা নিয়ে ধোঁয়াশা এবং লকডাউনের আবদ্ধ ছিলেন, এমন সময়ে এই নভোচারিরা মহাশূণ্যের স্পেস স্টেশনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।   মহাশূণ্যে ভ্রমণ কেমন ছিল? এ প্রশ্নের উত্তরে হেসে দেন নভোচারি ক্রিস ক্যাসিডি।   রাশিয়ার নভোচারি  ইভানিশিন ২০১২ সাল থেকে প্রতিনিয়তই মহাশূণ্যে যাত্রা করে থাকেন। আর ইভান ভাগনারের এটাই ছিল প্রথম অভিযান।  ৫০ বছর বয়সী আমেরিকার নভোচারি ক্যাসিডি পৃথিবীতে অবতরণের কিছুক্ষণ আগে মহাশূণ্যে অবস্থানকালীন রক্তের ছবি টুইট করেন। আর মহাশূণ্যের অবস্থান জানানোর জন্য এসব রক্তের ছবিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করা হয়।  মহাশূণ্যে অভিযানের ক্ষেত্রে রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বিত উদ্যোগের দৃষ্টান্ত খুবই বিরল।  নভোচারিরা মহাশূণ্যের স্পেস স্টেশনে অবস্থানকালীন অক্সিজেন, টয়লেট ও রান্না নিয়ে সমস্যার কথা জানিয়েছিল। তবে রাশিয়ার মহাশূণ্য সংস্থা জানিয়েছে, এর কিছুই পরবর্তীতে সমাধান হয়েছে। তারা দাবি করেছে, সব কিছুই ভালোভাবে কাজ করছে। সেখানে ভয়ের কিছুই নেই।  এমএস/জিএ 
মহাশূণ্য থেকে পৃথিবীতে ফিরলেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নভোচারীরা 
আরও পড়ুন
মহাশূণ্য থেকে পৃথিবীতে ফিরলেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নভোচারীরা 
প্রাইভেট রকেটে এই প্রথম মহাকাশে গেলেন দুই নভোচারী