ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশের ২ নারী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৩, ০৯:৪১ পিএম
গাওসিয়া ওয়াহিদুন্নেছা চৌধুরী ও সেঁজুতি সাহা (ছবি: সংগৃহীত)

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের দুই নারী। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ এ তালিকা তৈরি করেছে।

তালিকায় স্থান পাওয়া দুই বাংলাদেশি নারী বিজ্ঞানী হলেন-বাংলাদেশের চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (সিএইচআরএফ) পরিচালক ও বিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক গাওসিয়া ওয়াহিদুন্নেছা চৌধুরী।

২০১৬ সাল থেকে গবেষণায় অনবদ্য অবদান রাখা বিজ্ঞানীদের তালিকা প্রকাশ করে আসছে এশিয়ান সায়েন্টিস্ট। এবার অষ্টমবারের মতো তালিকা প্রকাশ করল প্রতিষ্ঠানটি।

সেঁজুতি সাহা বাংলাদেশের অন্যতম একজন নারী বিজ্ঞানী। চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত একটি রোগ, যে ভাইরাসের মাধ্যমে জ্বর হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস মস্তিষ্কে আক্রমণ করে। এই তথ্যের প্রমাণ ছিল না আগে। সেঁজুতি সাহার দলের সদস্যরা তা প্রমাণ করে রোগটির চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

গাওসিয়া ওয়াহিদুন্নেছা চৌধুরী ২০২২ সালে ওডব্লিওএসডি-এলজাইভার ফাউন্ডেশন পুরস্কার পেয়েছিলেন। দেশের জলপথে প্লাস্টিক দূষণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন তিনি।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সবচেয়ে ছোট দিন আজ
আজ ২২ ডিসেম্বর। পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে আজ দিনের দৈর্ঘ্য হবে সবচেয়ে ছোট। অর্থাৎ বাংলাদেশও আজ বছরের সবচেয়ে ছোট দিনটা দেখছে। কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে আজ দীর্ঘতম দিন।  এদিকে বছরের দীর্ঘতম রাত কাটিয়ে আপনি এখন ক্ষুদ্রতম দিন অতিবাহিত করছেন। রাজধানী ঢাকায় আজ সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৬টা ৩৭ মিনিটে এবং অস্ত যাবে বিকেল ৫টা ১৭ মিনিটে। ২১ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থান করায় এবং উত্তর মেরু সূর্য থেকে কিছুটা দূরে হেলে থাকায় উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম রাত্রি ও ক্ষুদ্রতম দিন হয়ে থাকে। দীর্ঘতম রাত অথবা ক্ষুদ্রতম দিনকে এভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে, ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে আমরা পাই দীর্ঘতম দিন আর হ্রস্বতম রজনী। সূর্য এ সময় কর্কটক্রান্তি বৃত্তে অবস্থান করে। ক্রান্তি বৃত্তে সূর্যের এই প্রান্তিক অবস্থান বিন্দুকে বলা হয় উত্তর অয়নায়ন। এরপর থেকে দিন ছোট হতে থাকে আর রাত বড় হতে থাকে। অবশেষে ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য আবার অবস্থান নেয় বিষুব বৃত্তের বিন্দুতে, যেখানে ক্রান্তি বৃত্ত ও বিষুব বৃত্ত পরস্পরকে ছেদ করেছে। একে বলা হয় জলবিষুব বিন্দু। এ দিন পুনরায় পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান হয়ে থাকে। আবার এর পর থেকেই উত্তর গোলার্ধে ক্রমশ রাত বড় হতে হতে সূর্য পৌঁছে যায় ক্রান্তি বৃত্তের দক্ষিণ অয়নায়ন বিন্দুতে।
সবচেয়ে ছোট দিন আজ
বছরের দীর্ঘতম রাত আজ
বছরের দীর্ঘতম রাতটি হতে যাচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। বাংলাদেশসহ উত্তর গোলার্ধের সব দেশের মানুষদের জন্য আজ (২১ ডিসেম্বর) বছরের সবচেয়ে দীর্ঘতম রাত। এছাড়া আগামীকাল শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) হবে বছরের ক্ষুদ্রতম দিন। উত্তর গোলার্ধে আজ দ্রুত সন্ধ্যা নামলেও বছরের সবচেয়ে বেশি সময় লাগবে রাত শেষ হতে। তবে রাতটা দীর্ঘতম হলেও চাঁদ থাকবে সঙ্গী হিসেবে। দীর্ঘ এ রাতের পুরোটা সময় ধরেই কুয়াশা আর চাঁদের আলোর আবছায়া খুনসুটি মহোময় করে তুলবে আশপাশের পরিবেশ। গ্রামাঞ্চলে শোনা যাবে প্যাঁচার নানা ধরনের ডাক আর সঙ্গে কুয়াশার পাতাঝরা পানির টুপটুপ শব্দ। সৌরজগতের নিয়ম অনুযায়ী পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। এ সময় যেকোনো একদিকে একটু হেলে থাকে সূর্য। ফলে কখনও উত্তর গোলার্ধ সূর্যের কাছাকাছি আসে, আবার কখনও দক্ষিণ গোলার্ধ। ২১ জুন দিনটাতে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের কাছাকাছি থাকে। তাই সূর্যের রশ্মি দীর্ঘসময় পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে পড়ে। ফলে বছরের দীর্ঘতম দিন হয় এটি। সূর্য এদিন কর্কটক্রান্তি রেখায় লম্বভাবে বা খাড়াভাবে কিরণ দেয়। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে দেশগুলোতে বেশি পরিমাণ সূর্যালোক পৌঁছায়। এর ফলে এই সময়কালে সেইসব দেশে গ্রীষ্মকাল থাকে। বিজ্ঞানের ভাষায় একেই বলে ‘সামার সলসটিস’ বা উত্তরায়ণ। এর পর থেকে দিন ছোট হতে শুরু করে। ডিসেম্বর মাস থেকে পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে। আর উত্তর গোলার্ধ চলে যায় অনেকটা দূরে। এই সময় উত্তরে সূর্যের আলো ক্ষীণভাবে পড়ে। ফলে সেখানে তখন সৃষ্টি হয় শীতকাল, আর দক্ষিণে গরমকাল। ২১ ডিসেম্বর দিনটিতে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের থেকে অনেকটাই দূরে থাকে। ফলে সেখানে সূর্যের আলো এতটাই কম পড়ে যে দিন খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায় বলে মনে হয় আর রাত হয় দীর্ঘ। একে বলে উইন্টার সলসটিস বা সূর্যের দক্ষিণ অয়নান্ত। এই সময় দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয় আর উত্তর গোলার্ধে রাত দীর্ঘতম হয়। অর্থাৎ একই সময়ে পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে থাকবে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত।
বছরের দীর্ঘতম রাত আজ
যে কারণে ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে
বিজ্ঞানের সমস্ত আবিষ্কারের মধ্যে অবশ্যই কোনও না কোনও কারণ থাকে, তেমনই একটি কারণ হলো, ঘড়ির কাঁটা ডানদিকে ঘোরা। আদিকালে এখনকার মতো ঘড়ি ছিল না, ছিল সূর্য ঘড়ি। আর সূর্যের ছায়ায় সময় বোঝার সঙ্গেই ঘড়ির কাঁটার গতির একটা যোগসূত্র রয়েছে।  পূর্ব থেকে পশ্চিমে গতি মানে সহজ অর্থে বাঁদিক থেকে ডানদিকে গতি। আর সেই গতির কথা মাথায় রেখেই ঘড়ির কাঁটার গতি হয়েছে বাঁদিক থেকে ডানদিকে। এই অবাক করা গল্প আমাদের চমকে দিতে পারে আজও। 
যে কারণে ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে
বছরের দীর্ঘতম দিন আজ
প্রতি বছর ২১ জুন দিনটি বছরের দীর্ঘতম দিন, আর ২২ ডিসেম্বর দীর্ঘতম রাত। সেই হিসেবে বছরের দীর্ঘতম দিনটি আজ। কিন্তু আজকের দিনটা কেন বড়, জানেন কি? সৌরজগতের নিয়ম অনুযায়ী পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরার সময় একদিকে একটু হেলে থাকে। ফলে কখনও উত্তর গোলার্ধ সূর্যের কাছে আসে, কখনও দক্ষিণ গোলার্ধ। আর আজ উত্তর গোলার্ধ সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকায়, ২১ জুন দিনটি সবচেয়ে বড়। ২১ জুনকে অনেকেই কর্কটক্রান্তি দিবস নামে চেনেন। কেউবা অয়ন দিবস বলে থাকেন। ইংরেজিতে একে পালন করা হয় সামার সলস্টিস ডে হিসেবে।  এদিন সূর্য আকাশে থাকবে মোট ১৩ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট। সলস্টিস ল্যাটিন শব্দ। sol মানে সূর্য এবং sisterer মানে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা।  Summer Solstice বা উত্তরায়ণ কীভাবে হয়? মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে দেশগুলোতে বেশি পরিমাণ সূর্যালোক পৌঁছায়। এর ফলে এই সময়কালে এখানে সামার সিজন বা গ্রীষ্মকাল থাকে। একেই বলে Summer Solstice। এই Solstice- এর সময়কালে পৃথিবী যখন তার অক্ষের ওপর প্রদক্ষিণ করে, তখন উত্তর গোলার্ধে অংশ সূর্যের দিকে বেশি হেলে থাকে। আর দক্ষিণ গোলার্ধ থাকে কিছুটা দূরে। এই পরিস্থিতিতে ২১ জুন তারিখে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সূর্যালোক এসে পৌঁছায় উত্তর গোলার্ধে। কারণ এইদিনই অক্ষের ওপর প্রদক্ষিণ করার সময় পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি হেলে থাকে। পৃথিবীর নিয়মে উত্তর গোলার্ধে ২১ জুনের পর থেকে ছোট হওয়া শুরু করবে দিন, আর রাত হবে বড়।
বছরের দীর্ঘতম দিন আজ
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রেখেই আজকের উন্নত বাংলাদেশ
২০২৪ সালে রেকর্ডসংখ্যক টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ
নতুন বছরে ব্যাংক ঋণের সুদহার নির্ধারণ করল বাংলাদেশ ব্যাংক
থার্টিফার্স্ট নাইটে নিরাপত্তায় বিজিবির ডগ স্কোয়াড