ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

অ্যাপসে চলবে সিএনজি অটোরিকশা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর ২০১৭, ১২:২০ পিএম

প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের পর এবার অ্যাপসে চলবে সিএনজি অটোরিকশা। পয়লা জানুয়ারি থেকে অ্যাপসটি ব্যবহার করে অটোরিকশায় চলাচল করতে পারবেন রাজধানীবাসী। সিএনজি-অটোরিকশার ভাড়া হবে সরকার নির্ধারিত হার অনুসারে।

আ্যপসটির নাম ‘গতি-লেটস গো’। অ্যাপসটি প্লে স্টোরে উন্মুক্ত করা হয়েছে। একজন যাত্রী অ্যাপসে তার পিকআপ পয়েন্ট এবং গন্তব্য নির্ধারণ করে দিলেই সম্ভাব্য ভাড়া জানতে পারবেন। শুধু তাই নয়, ‘গতি-লেটস গো’ ছাড়াও উবার, পাঠাওয়ে এ দূরত্বে ভাড়া কত- তাও এ অ্যাপসে দেখা যাবে। স্মার্টফোনে অ্যাপসটি ডাউনলোডের পর রেজিস্ট্রেশন করলেই এ সুযোগ গ্রহণ করা যাবে।

এ অ্যাপসের আওতায় থাকলে রাস্তায় বের হয়ে সিএনজি খুঁজতে হবে না। অ্যাপসে রিকোয়েস্ট দিলেই সিএনজি অটোরিকশাসহ চালক হাজির হবেন। গ্রাহকরা সিএনজিতে উঠে দেখতে পারবেন নির্ধারিত স্থানে যেতে সময় কতক্ষণ লাগবে। এ অ্যাপসে মালিক, চালক ও যাত্রীদের নিবন্ধিত হতে হবে। ফলে সিএনজি অটোরিকশায় কিছু ফেলে গেলেও তা ফেরত পাওয়া যাবে বলেন জানান ‘গতি’অ্যাপস নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এএইচএম মোস্তফা।

এএইচএম মোস্তফা বলেন, জানুয়ারিতে যাত্রা শুরু করলেও এরই মধ্যে ৪ হাজার অটোরিকশা চালককে এ অ্যাপসের আওতায় আনা হয়েছে। তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আরও চালককে এ অ্যাপসের আওতায় আনা হচ্ছে। অ্যাপসের আওতায় আসা চালকদের সবাইকে একটি স্মার্টফোন দেয়া হচ্ছে। তারা যদি ১০০টি ট্রিপ দেন তবে ফোনটি তাদের দিয়ে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, চালকরা যদি যাত্রীদের কোনো হয়রানি করেন এবং যাত্রীরা আমাদের জানালে ওই চালকে অ্যাপসের আওতা থেকে বাদ দেয়া হবে। একই সঙ্গে ৬ মাস পরপর চালকদের মধ্য থেকে বাছাই করে ভালো চালককে পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানান মোস্তফা। এতে অটোরিকশা চালকদের আয় বাড়বে এবং যাত্রীরাও উন্নত সেবা পাবেন।

এমসি/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সুপারমুন দেখা যাবে ১ জানুয়ারি
নতুন বছরের প্রথম রাতেই অর্থাৎ ১ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববাসীর সামনে চাঁদ বড় আকারে দেখা দেবে বলে জানিয়েছে জোতির্বিজ্ঞানীরা। একে বলা হয় সুপারমুন। পৃথিবীর প্রায় সব স্থান থেকেই সুপারমুন দেখা যাবে। সাধারণত পূর্ণিমার দিনে চাঁদ সম্পূর্ণ গোলাকার দেখা গেলেও সুপারমুনের সময় আকারে সেটিকে আরো বড় মনে হয়। পৃথিবীর অনেকটা কাছে চলে আসায় চাঁদকে অন্য সময়ের তুলনায় ১৪ থেকে ৩০ ভাগ বড় দেখা যায়। ইউরোপ ও আমেরিকার মানুষেরা বছরের প্রথম দিনের পূর্ণিমাকে অশুভ বলে মনে করে থাকে। এই রাতে চাঁদের বুকে নীল রংয়ের ছায়া দেখা যাবে। এই ধরনের মহাজাগতিক ক্ষণকে সুপার ব্লু মুন বলা হয়ে থাকে। তাদের মতে, এই রাতে ওয়্যার উলফ বা নেকড়ে মানবের আবির্ভাব হয়। যদিও বিজ্ঞান এসব ধারণাকে ভুল বলেই বরাবর জানিয়ে আসছে। পৃথিবীকে আবর্তনের সময় স্বাভাবিকভাবেই চাঁদ বিশেষ কিছু সময়ে খুব কাছে চলে আসে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ১ জানুয়ারি ছাড়াও মাসের শেষ দিনে দেখা মিলবে সুপারমুনের। অর্থাৎ ৩১ জানুয়ারি আবারো পৃথিবীর মানুষেরা চাঁদকে বড় আকারে দেখবে। গুজবে বিশ্বাসীদের জন্য জানুয়ারির প্রথম ও শেষ দিনটি কাটবে বেশ আতঙ্কেই। যদিও এই ধরনের ঘটনা বছরে দু’একবার ঘটেই থাকে! কে/পি
সুপারমুন দেখা যাবে ১ জানুয়ারি
দক্ষিণ কোরিয়ায় সেরা বিজ্ঞানীর পুরস্কার পেলেন যে বাংলাদেশি
দক্ষিণ কোরিয়ায় গবেষণায় সাফল্য দেখিয়েছেন এক বাংলাদেশি বিজ্ঞানী।  কৃষি ও জৈব প্রযুক্তি নিয়ে ওই বাংলাদেশি সেরা বিজ্ঞানীর পুরস্কার পেয়েছেন। ওই বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর নাম নারায়ণ চন্দ্র পাল। তিনি বাংলাদেশের কুমিল্লার সন্তান। দক্ষিণ কোরিয়ার কৃষি বিষয়ক সরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’-এর অধীনে ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্রপ সায়েন্স’-এর বায়োএনার্জি ক্রপ রিসার্স ডিভিশনে এ পুরস্কার পান নারায়ণ চন্দ্র পাল। নারায়ণ চন্দ্র পাল গবেষণা করছেন মিষ্টি আলুর ভাইরাস ও ছত্রাকজনিত রোগ নিয়ে।  কৃষি গবেষণায় সবচেয়ে বড় এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে কৃষি গবেষণায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ‘সেরা বিজ্ঞানী’ পুরস্কার দিয়ে থাকে।  এ বছর অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করা (পোস্ট ডক্টোরাল) গবেষকদের মধ্যে বাংলাদেশি নারায়ণ চন্দ্র পাল সেরা বিজ্ঞানীর পুরস্কারে ভূষিত হন। নারায়ণ চন্দ্র পাল কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বরকামতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সূর্য্য কুমার পাল ও কানন বালা পালের দ্বিতীয় সন্তান তিনি।  রাজধানীর মতিঝিল মডেল হাই স্কুল, সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার চুঙনাম ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আসেন এমএস ও পিএইচডি করতে।  ২০১২ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের পর দক্ষিণ কোরিয়াতেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করছেন। এসজে
দক্ষিণ কোরিয়ায় সেরা বিজ্ঞানীর পুরস্কার পেলেন যে বাংলাদেশি
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই
বিশ্বজুড়ে যখন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, ঠিক তখন নতুন করে নিউক্লিয়ার ক্লাবে নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ। তবে সব ধরনের বিপর্যয়ের কথা বিবেচনায় নিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রাখা হবে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যাতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে ভূমিকম্প বা ঝড়-বন্যার মতো দিকগুলোকেও। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটাই চ্যালেঞ্জ- অনেকে এই ধরনের মন্তব্য করলেও তা মানতে নারাজ পরমাণু বিশ্লেষকরা। অতীতে দুই-একটি দুর্ঘটনা ঘটলেও সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করায় রূপপুরে সেই আশঙ্কা নেই বলে মনে করছেন তারা। পরমাণু বিশ্লেষক অধ্যাপক ডক্টর শফিকুল ইসলাম বলেন, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডিজাইন করা হচ্ছে। এখানে পরোক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে হাইড্রোজেন রিকম্বাইনার থাকবে। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এটি হাইড্রোজেন শোষণ করে বিস্ফোরণ ঠোকাবে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডক্টর নঈম চৌধুরী বলেন, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধগুলো বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। এখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে উন্নত দেশগুলো নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন এই দুই বিশ্লেষক।   কে/এমকে 
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই
উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট
আগামী মার্চে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হতে পারে। ফ্রান্সে স্যাটেলাইটটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। বললেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ। বুধবার সকালে বিটিআরসি কার্যালয়ে টেলিকম খাতের সংগঠন টিআরএনবি'র নব গঠিত কমিটির সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি একথা জানান। ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ফ্রান্স সফরে গিয়ে আমরা সেটি ছুঁয়ে এসেছি। এখন উৎক্ষেপণের অপেক্ষায়। আশা করছি মার্চের কোনো এক সময় যুক্তরাষ্ট্রের কেপ কেনেডি থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে। এদিকে সচিবালয়ে পৃথক এক বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান,  যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি মহাকাশ অনুসন্ধান ও প্রযুক্তি কোম্পানি ‘স্পেসএক্স’ এর ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে গেল ১৬ ডিসেম্বরে ফ্লোরিডার কেইপ ক্যানাভেরালের লঞ্চ প্যাড থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু হারিকেন আরমায় ফ্লোরিডায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় ওই লঞ্চ প্যাড থেকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ বন্ধ রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্সের থ্যালাস এলিনিয়া স্পেসের ফ্যাক্টরিতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নির্মাণ কাজ শেষ। চলছে পরীক্ষা নিরীক্ষা। এরপর জানুয়ারিতে রাশিয়ার তৈরি কার্গো বিমানে স্যাটেলাইটটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ কার্নিভালে নেয়া হবে। সেখান থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে স্যাটেলাইটটি। ২০১৫ সালের ২১ অক্টোবর সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই ‘স্যাটেলাইট সিস্টেম’ কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর প্রায় ২ হাজার কোটি টাকায় ‘স্যাটেলাইট সিস্টেম’ কিনতে থালিসের সঙ্গে চুক্তি করে বিটিআরসি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে। এরমধ্যে ২৬টি কেইউ-ব্যান্ডের এবং ১৪টি সি-ব্যান্ডের। ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশ ব্যবহার করবে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে অর্থায়নের জন্য হংকং সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) সঙ্গে গত বছর প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি হয়। এ উপগ্রহ উৎক্ষেপণের পর বিদেশি স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ বছরে ১৪ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে বলে আশা করছে সরকার। সফলভাবে এই উপগ্রহ মহাকাশে গেলে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইটের মালিক হবে বাংলাদেশ। এমসি/ এমকে
উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট
উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে আজ রাতে
দুদিন টানা বৃষ্টির পর আকাশ আজ অনেকটা পরিষ্কার। রাতে যদি আকাশে আর মেঘ না থাকে তাহলে কালপুরুষ নক্ষত্রমণ্ডলীর দিকে তাকালে উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে। গত বছরও আকাশের ওই অংশে উল্কাপাত হয়েছিল কিন্তু চাঁদ থাকার কারণে সেটি খুব ভালোভাবে দেখা যায়নি। তবে এ বছর এ সময় আকাশে চাঁদ না থাকায় উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে খুব স্পষ্টভাবে। এই উল্কাবৃষ্টি আসলে ঘটে মহাকাশে হ্যালির ধূমকেতুর ফেলে যাওয়া পাথর ও বরফের টুকরোর জন্য। ওরিওনিড বা কালপুরুষের উল্কাবৃষ্টি সাধারণত চলে দুই অক্টোবর থেকে সাত নভেম্বর পর্যন্ত। এটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যায় ২০-২২ অক্টোবর। কোনো বছর আকাশে চাঁদের ঔজ্জ্বল্য বেশি থাকলে সে বছর এই উল্কাবৃষ্টি ভালো করে দেখা যায় না। এ বছরের উল্কাবৃষ্টি  শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া ও তৃতীয়াতে হওয়ায় তা স্পষ্টভাবে দেখার সুযোগ পাওয়া যাবে। হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। ১৯৮৬ সালে এটিকে দেখা গিয়েছিল পৃথিবী থেকে। হ্যালির ধূমকেতুর ফেলে যাওয়া ধূলি ও বরফের কণা থেকেই হয় ওরিওনিড উল্কাবৃষ্টি। ছোট কণাগুলি বালুকণা থেকে ক্রিকেট বলের সমান বড় হয়। এ কারণে সেগুলোর পৃথিবীপৃষ্ঠে আছড়ে পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এগুলি বায়ুমণ্ডলেই বিলীন হয়ে যাবে একসময়। সূর্য ডুবে যাওয়ার পর থেকেই কালপুরুষের পাশ দিয়ে ধেয়ে যেতে দেখা যাবে উল্কাগুলিকে। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলছেন মিনিটে ৯০টি পর্যন্ত উল্কা দেখা যেতে পারে এ সময়। জেবি
উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে আজ রাতে