ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

হোটেল থেকে ইউটিউবার লুন সোলোর মরদেহ উদ্ধার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পরিবারের সঙ্গে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় ইউটিউবার ও ট্রাভেল কনটেন্ট ক্রিয়েটর লুন সোলোর মরদেহ উদ্ধার করেছে জর্জিয়ার পুলিশ। দেশটির রাজধানী তিবিলিসির একটি হোটেল থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২৭ বছর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, লুন সোলোর প্রকৃত নাম বোওয়ার্নথাত পেংসুক। ট্রাভেল কনটেন্ট তৈরির উদ্দেশ্যে জুলাই মাসের শুরুতে তিনি জর্জিয়া সফরে যান। গত ২৯ জুলাই জর্জিয়ার পুলিশ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং জানায়, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর কারণ বা কী পরিস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১৩ জুলাইয়ের পর থেকে লুন সোলোর সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এরপর তাকে খুঁজে বের করতে প্রকাশ্যে সহায়তার আবেদন জানান তার ভাই। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া বার্তার মাধ্যমে লুন সোলোর ভাই সোমসাক বুতশ্রী তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। পরিবার জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে থাই কনস্যুলেটের নিশ্চিতকরণের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

লুন সোলো একাকী ব্যাকপ্যাকিং ও স্বল্প খরচে ভ্রমণবিষয়ক ভিডিওর মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ফেসবুকে তার অনুসারী ছিল প্রায় ২৪ লাখ এবং ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবার ছিল ১০ লাখের বেশি।

ব্যক্তিগত জীবনে ছোটবেলায় বাবাকে হারানোর পর থাইল্যান্ডের কালাসিনে দাদীর কাছে বেড়ে ওঠেন তিনি। উচ্চ মাধ্যমিক শেষে একটি কারখানায় কাজ করার পর স্কলারশিপ নিয়ে ব্যাংককের চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেন। পরে চাকরি ছেড়ে পূর্ণকালীন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে কাজ শুরু করেন। স্বল্প বাজেটে বিশ্বভ্রমণ এবং বিভিন্ন দেশের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেই তিনি লাখো দর্শকের কাছে পরিচিতি পান।

তার আকস্মিক মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পদত্যাগ ইস্যুতে ইশরাকের ফেসবুক পোস্ট
বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ কিংবা তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এমন খবর প্রচারের পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়েছেন ইশরাক।
পদত্যাগ ইস্যুতে ইশরাকের ফেসবুক পোস্ট
‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। রাশেদ খাঁন লেখেন, হাসনাত আব্দুল্লাহকে সমন্বয়করা হাসিনার আব্দুল্লাহ ডাকার সূত্রপাত হয়, ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আবু সাইদ,ওয়াসিম আকরামসহ ৬ জন শহীদের জন্য আয়োজিত গায়েবানা জানাজা ও কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদ একটা প্রতিবাদলিপি লিখে হাসনাত আব্দুল্লাহকে চেক করার জন্য দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে। তিনি লেখেন, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে হাসনাত আব্দুল্লাহ সেই প্রতিবাদলিপির শেষের দিকে যুক্ত করে দেয় যে, 'আলোচনার দরজা খোলা আছে'। এমনকি সমন্বয়কদের কারও সাথে আলোচনা না করেই সেটি আবার ফেসবুকে পোস্টও করে দেয়। এনিয়ে সমন্বয়কদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ স্বীকার করে যে, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে তিনি এই লাইন যুক্ত করেছেন। তিনি আরও লেখেন, এছাড়া ১০ জুলাই কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করার জন্য ঢাবির তৎকালীন সহকারী প্রক্টর, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহিম স্যারের সাথে বসে ডিজিএফআইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রেস নোটও হাসনাত-সারজিস লিখে ফেলেছিলো। কিন্তু শাহবাগে হাসনাত-সারজিস উপস্থিত হওয়ার পর অন্যান্য সমন্বয়করা রাজি না হওয়ায় আন্দোলন স্থগিত ঘোষণার মতো সাহস দেখাতে পারেনি এই দুই জুলাই গাদ্দার। শেষে তিনি লেখেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে এভাবে হাসনাত- সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে.... ১৯ জুলাই শহীদের রক্ত মারিয়ে আ.লীগের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক কিংবা নাহিদ-আসিফ গুম হওয়ার পরে ডিজিএফআইয়ের গাড়িতে ঘুরে বেড়ানো ও ডিবি হেফাজতে পুকুরপাড়ে বসে জুস খাওয়া সেই হাসিনার আব্দুল্লাহ যখন ৬১ দিন গুম ও দীর্ঘদিন নির্বাসিত থাকা জনাব সালাউদ্দিন আহমেদকে শুধুমাত্র  'সালাউদ্দিন সম্বোধন করে , ' বিএনপিই কিছুদিন পর সালাউদ্দিনের বিচার করবে ' বলে গালমন্দ করে, তখন বলতেই হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতি ও শেখ হাসিনার পতনের ক্ষোভ থেকেই শেখ হাসিনার দ্বারা গুম হওয়া একজন নেতা  সম্পর্কে ওরা এই আক্রোশ লালন করতেই পারে। আরটিভি/টিআর
‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’
কোন কারণে বুকে পাথর চাপা দিয়ে জুলাই সনদে সই করেছিল জামায়াত, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের
বিএনপিসহ কয়েকটি দলের ভিন্নমতের সঙ্গে একমত হয়েই জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।  রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন রাশেদ খাঁন। তার প্রশ্ন, কোন কারণে ‘বুকে পাথর চাপা দিয়ে’ জামায়াত সনদে স্বাক্ষর করেছিল। তিনি লেখেন, বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি দলের ভিন্নমতের সাথে একমত হয়েই জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছিল জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় ঐক্যমত কমিশন আয়োজিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের ঠিক আগের দিন জামায়াতে ইসলামী বলেছিলো, পিআর ছাড়া জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবো না। কিন্তু পরের দিন স্বাক্ষর করার জন্য জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সবার আগে তারাই গিয়ে বসে ছিল। পোস্টে তিনি লেখেন, জানি না, কোন কারণে বুকে পাথর চাপা দিয়ে জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছিল! তবে যতো কষ্টই তাদের হোক না কেনো, তারা স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে জুলাই জাতীয় সনদে থাকা ভিন্নমত বিতর্কের অবসান ঘটেছিল। ‘তবে এনসিপি সনদে স্বাক্ষর না করে তাদের অবস্থান ধরে রেখেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তারাও স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে ভিন্নমত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের স্বীকৃতি প্রদান করে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারর প্রথম দফাতেই উল্লেখ করা আছে, জনগণের ম্যানডেট পেলে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করা হবে।’ রাশেদ খাঁন লেখেন, বিএনপি সরকার তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দায়িত্ব গ্রহণের পর দিন থেকে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। কিন্তু সকল দলের স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভিন্নমত বিতর্কের যে অবসান ঘটেছে, সেই বিতর্ক নতুন করে সামনে এনে সময় নষ্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই। আরটিভি/এসআর
কোন কারণে বুকে পাথর চাপা দিয়ে জুলাই সনদে সই করেছিল জামায়াত, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের
ইশরাকের ফিল্মি স্টাইলের অভিযান নিয়ে এবার তাসনিম জারার স্ট্যাটাস
তাসনিম জারা লিখেন, এই ব্যবস্থায় এগিয়ে থাকেন তারা, যাদের অস্ত্র আছে, গুন্ডাবাহিনী আছে কিংবা আগে থেকেই বিপুল অর্থ ও প্রভাব আছে।
ইশরাকের ফিল্মি স্টাইলের অভিযান নিয়ে এবার তাসনিম জারার স্ট্যাটাস
ভণ্ড খালিদুজ্জামান হাসিনার বিপক্ষে কখনও ফেসবুকে পোস্ট দেননি: রাশেদ খাঁন
ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান ফ্যাসিবাদের ১৬ বছরে ১৬ সেকেন্ডের জন্যও রাজপথে নামেননি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।  শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।  রাশেদ খাঁন বলেন, ভণ্ড ডাক্তার খালিদুজ্জামান শেখ হাসিনার বিপক্ষে ফেসবুকে কখনো কোনো পোস্ট দেন নি। কিন্তু এই ভণ্ড ডাক্তার প্রায়ই দেখি নেতিবাচকভাবে আমাদের লড়াই- সংগ্রাম প্রশ্নবিদ্ধ করে পোস্ট করে। যার মানুষের কাছে পরিচয় দিতে হয় জনাব তারেক রহমানের আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে, সে আবার অন্যদের ত্যাগকে ছোট করে কোন লজ্জায়?  তিনি বলেন, এই পরিচয়হীন নির্লজ্জ নব্য রাজকার, কাপুরষ, গুপ্ত খালিদুজ্জামান ফেসবুক পেইজ খুলেছে ২০২৪ সালের ২৫ আগস্টে। অর্থাৎ শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরে এসব ভণ্ড খালিদুজ্জামানরা নব্য বিপ্লবী হয়েছে। আবার কখনো শেখ হাসিনা ফিরলে এরা গোঁফদাড়ি ছেঁটে ফেলে হয়তো নতুন রুপে আবির্ভূত হবে অথবা পাকিস্তানে পালাবে। সুযোগ সন্ধানী পাকি ভণ্ডরা সবসময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, বিগত ১৬ বছরে শেখ হাসিনার সন্তান হিসেবে এরা লীগ হয়ে বেঁচে ছিলো। এখন এরা জামায়াত-শিবির রুপে ফিরে এসেছে। এদেরকে দেশ থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করা উচিত।  গণঅভ্যুত্থানের পরে এরা দুর্গন্ধযুক্ত আবর্জনা হিসেবে দেশের রাজনীতিকে কলুষিত করছে। একজন প্রকৃত ডাক্তারের ভাষা ও আচরণ ভণ্ড খালিদুজ্জামানের মতো হতে পারে না। এই খালিদুজ্জামান টোটালি একটা বিকৃতমস্তিষ্কের মানুষ। আরটিভি/এসআর
ভণ্ড খালিদুজ্জামান হাসিনার বিপক্ষে কখনও ফেসবুকে পোস্ট দেননি: রাশেদ খাঁন
আরও পড়ুন
গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ৭৫ মরদেহ, একসঙ্গে জানাজা
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে মিলল নাদিমের মরদেহ, সামনে এলো পরকীয়ার ঘটনা
ধানক্ষেত থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
বাড়ির পুকুরপাড় থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার