ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সালমান শাহর জন্মদিনে শাবনূরের আবেগঘন পোস্ট

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মনে আজও উজ্জ্বল হয়ে আছে নায়ক সালমান শাহ। আর বিশেষ করে ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৯ সেপ্টেম্বর এলেই বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মনে পড়ে যায় এক তরুণ নায়কের মুখ। অল্প সময়ের উপস্থিতিতেই যিনি ঢালিউডের ইতিহাসে নিজের জন্য তৈরি করেছিলেন আলাদা এক অধ্যায়। তিনি সালমান শাহ। আজ তার জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে জন্ম নেওয়া স্বপ্নের এই নায়ক ১৯৯৩ সালে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তিন দশক পরও তা ম্লান হয়নি।

সালমান শাহর জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শাবনূর তার অনুভুতি প্রকাশ করেছেন।

পোস্টে সালমান শাহকে স্মরণ করে শাবনূর লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন, প্রিয় সালমান শাহ!’ এরপর নব্বইয়ের দশকের সেই দিনগুলোর কথা মনে করে তিনি জানান, সময় অনেক পেরিয়ে গেলেও শুটিংয়ের স্মৃতিগুলো এখনও তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। শাবনূরের কাছে সালমান শুধু জনপ্রিয় একজন নায়ক ছিলেন না, ছিলেন অসাধারণ হৃদয়ের একজন মানুষ।

শুটিং সেটে সহকর্মীদের সঙ্গে সালমানের আচরণ কেমন ছিল, সেই স্মৃতিও তুলে ধরেছেন শাবনূর। তার ভাষ্য, ইউনিটের কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ অভিনয়শিল্পী—কাউকেই ছোট করে দেখতেন না সালমান। বরং সবার খোঁজখবর নেওয়া, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো এবং আপন করে নেওয়ার মধ্য দিয়েই নিজের আলাদা মানবিক পরিচয় তৈরি করেছিলেন তিনি।

শাবনূর লিখেছেন, ‘শুটিং ইউনিটের কর্মী হোক কিংবা সাধারণ অভিনয়শিল্পী কাউকেই কখনো ছোট করে দেখতে না। সবার খোঁজ নিতে, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়াতে এবং আপন করে যত্ন নিতে।’

সালমানের সেই মানবিকতাকেই তার দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হিসেবে স্মরণ করেছেন শাবনূর। তার মতে, সুন্দর মনের এই মানুষটির কারণেই এত বছর পরও মানুষের হৃদয়ে একইভাবে জায়গা করে আছেন তিনি।

সময়ের দূরত্ব পেরিয়ে সালমান কীভাবে এখনো তার স্মৃতিতে ফিরে আসেন, সেটিও জানিয়েছেন শাবনূর। পুরনো কোনো গান কিংবা সালমান অভিনীত কোনো সিনেমার দৃশ্য চোখে পড়লেই নব্বইয়ের দশকের সেই দিনগুলো যেন আবার ফিরে আসে বলে জানান তিনি। শাবনূরের কথায়, ‘পুরনো কোনো গান শুনলে কিংবা তোমার কোনো সিনেমার দৃশ্য চোখে পড়লে মনে হয়, তুমি যেন আবার ফিরে এসেছ সেই সোনালী দিনগুলোতে।’

প্রিয় সহকর্মীর আত্মার শান্তি কামনা করে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা ও জান্নাত প্রার্থনা করেছেন শাবনূর। একই সঙ্গে সালমান শাহকে নিয়ে কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য কিংবা অসম্মানজনক মন্তব্য না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শাবনূর বলেন, ‘প্রিয় সালমান শাহকে নিয়ে আমরা কেউ যেন কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা অসম্মানজনক মন্তব্য না করি। একজন প্রয়াত মহান শিল্পীর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান সব সময় অটুট থাকুক। তার অমর স্মৃতিকে ভালোবাসা ও মর্যাদার সঙ্গেই হৃদয়ে ধরে রাখি।’

উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে মৌসুমীর বিপরীতে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। পর্দায় তার স্মার্ট উপস্থিতি, অভিনয়শৈলী ও আলাদা ব্যক্তিত্ব খুব দ্রুতই দর্শকের নজর কাড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।

মাত্র সাড়ে তিন বছরের চলচ্চিত্রজীবনে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেন সালমান শাহ। এর বেশির ভাগ সিনেমাই পেয়েছিল দর্শকপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক সাফল্য। তবে তার নায়িকাদের মধ্যে শাবনূরের সঙ্গে জুটিই ছিল সবচেয়ে বেশি। তাদের পর্দার রসায়ন নব্বইয়ের দশকের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সালমান-শাবনূর জুটি পরিণত হয়েছিল ঢালিউডের অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় জুটিতে। সালমান শাহ চলে গেছেন বহু বছর আগে। কিন্তু তার সিনেমা, গান, অভিনয় আর ব্যক্তিত্বের স্মৃতি এখনো দর্শকের কাছে জীবন্ত।

তাই জন্মদিন এলেই নতুন করে উচ্চারিত হয় সেই নাম—সালমান শাহ। সহকর্মীদের স্মৃতিচারণা আর ভক্তদের ভালোবাসায় আজও তিনি ফিরে আসেন বাংলা চলচ্চিত্রের সেই সোনালি সময়ের প্রতিনিধি হয়ে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি: আসিফ নজরুল
অনেকের মতো আমিও মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি বলে মন্তব্য করেছেন বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।
মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি: আসিফ নজরুল
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘গাঁজাখোর’ বললেন রাশেদ খাঁন!
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘গাঁজাখোর’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘গাঁজাখোর’ বললেন রাশেদ খাঁন!
প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাকে কোনোভাবে ফাঁসিয়ে দেয়া যায় না: আসিফ মাহমুদ
পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন চাকরিপ্রার্থীরা। প্রশ্নফাঁস ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে পরীক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এতে মিরপুর রোডসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা। নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভে রাজধানীর সড়কে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।  এদিকে, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ঘিরে আলোচনার মধ্যে আসিফ মাহমুদের বক্তব্য, ‘প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাকে কোনোভাবে ফাঁসিয়ে দেওয়া যায় না।’ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এই নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শনিবার দুপুর ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাকে ফাঁসিয়ে দেওয়া যায় না কোনোভাবে? মে ২০২৬ এর পদোন্নতির জন্য তো আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছেই। আবারও প্রশ্নফাঁস ও নিয়োগ বাণিজ্যের যুগ শুরু হলো!’ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা ১১টার দিকে পূর্বনির্ধারিত এই নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হয়। তবে পরীক্ষা শুরুর অল্প সময়ের ব্যবধানে তা স্থগিতের ঘোষণা এলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন প্রার্থীরা। এর প্রতিবাদে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এসে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও টেকনিক্যাল মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সড়ক অবরোধ করেন। সড়ক অবরোধের কারণে মোহাম্মদপুরের আসাদ অ্যাভিনিউ, মিরপুর সড়ক এবং সংলগ্ন এলাকাগুলোতে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে এবং ভোগান্তিতে পড়েন কর্মজীবীসহ সাধারণ মানুষ। আরটিভি/এসকে
প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাকে কোনোভাবে ফাঁসিয়ে দেয়া যায় না: আসিফ মাহমুদ
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১ মাসের ক্ষমতা চাইলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব
দেশের বহুল আলোচিত রেলওয়ে খাতে টিকিট কালোবাজারি স্থায়ীভাবে বন্ধ এবং ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে মাত্র এক মাসের জন্য পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা ও কাজের স্বাধীনতা চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন। কোনো পদ-পদবি, আলাদা সুযোগ-সুবিধা বা পারিশ্রমিক ছাড়াই শুধু যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ি দেওয়ার বিনিময়ে এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাহবুব কবীর মিলন এসব কথা বলেন। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, মাত্র এক মাসের জন্য তাকে ক্ষমতা দেওয়া হলে ঢাকা–কক্সবাজার ও ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ করে দেখাবেন। এ কাজের জন্য কোনো পদ-পদবি, আলাদা চেয়ার-টেবিল কিংবা বেতন-ভাতা প্রয়োজন হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শুধু যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ি এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগে তার নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষমতা চান। টিকিট কালোবাজারি বন্ধে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মাহবুব কবীর মিলন বলেন, চুক্তিভিত্তিক কিছু অবসরপ্রাপ্ত টিকিট পরীক্ষক নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি চাকরিরত ও অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তাকে কাজে যুক্ত করা হবে। এ কাজে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তারও প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি। তার প্রস্তাব অনুযায়ী, ট্রেনের প্রতিটি যাত্রীর টিকিট পরীক্ষা না করে প্রতি কোচ থেকে দৈবচয়নের ভিত্তিতে যাত্রীদের পরিচয় যাচাই করা হবে। টিকিটে উল্লিখিত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কেউ ভ্রমণ করলে দ্বিগুণ জরিমানার ব্যবস্থা রাখার কথাও বলেন তিনি। অপ্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীদের টিকিটের সঙ্গে বাবা বা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য যুক্ত করার প্রস্তাব দেন তিনি। এ ছাড়া টিকিট পরীক্ষক, চেকার ও গার্ডদের শরীরে ধারণযোগ্য ক্যামেরা রাখার কথা উল্লেখ করেন মাহবুব কবীর মিলন। তার মতে, ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ নীতি শতভাগ বাস্তবায়ন করা গেলে অনিয়ম ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রার তিন থেকে পাঁচ দিন আগে টিকিট ইস্যুর ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। অন্যায়কারীদের পক্ষে কেউ তদবির বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করলে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) কার্যক্রম নিয়েও নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মাহবুব কবীর মিলন। তিনি বলেন, বাহিনীটির আইনগত ক্ষমতা ও দায়িত্ব যথাযথভাবে কার্যকর করতে নির্বাহী আদেশ জারির উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাহিনীটিকে রেল অধিদপ্তরের পরিবর্তে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রস্তাবও দেন তিনি। তার দাবি, বাহিনীটির আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে একে আধুনিক ও কার্যকর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এ ছাড়া ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারিত দুই রুটে সফল হলে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য রেলপথেও এসব ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেন এই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মাহবুব কবীর মিলন লেখেন, এক মাসের জন্য তাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। এ সময়ে নেওয়া পদক্ষেপ ও অগ্রগতি জনগণকে জানানো হবে বলেও জানান তিনি। ব্যর্থ হলে যেকোনো শাস্তি মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করে তার প্রস্তাবটি বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। উল্লেখ্য, মাহবুব কবীর মিলন বিভিন্ন সময়ে সরকারি সেবা, ভোক্তা অধিকার ও অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। এবার রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে এক মাসের জন্য দায়িত্ব চেয়ে দেওয়া তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আরটিভি/টিআর
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১ মাসের ক্ষমতা চাইলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব
মৌলভীবাজারে এনসিপির ২ নেতাকে বহিষ্কার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মৌলভীবাজার জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়া ও জেলা সমন্বয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সমন্বয়কারী তামিম আহমেদকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মৌলভীবাজারে এনসিপির ২ নেতাকে বহিষ্কার
আরও পড়ুন
সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন খারিজ
সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পেছালো
আজ ‘স্বপ্নের নায়ক’ সালমান শাহর জন্মদিন
ডনের আচরণে সালমান শাহ হত্যায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলছে: সিআইডি