ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

‘মাদরাসা শিক্ষকের অপরাধে চুপ থাকেন কেন?’ যে জবাব দিলেন আহমাদুল্লাহ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ পিএম
শায়খ আহমাদুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

মাদরাসায় শিশু নির্যাতনের বেশ কয়েকটি দুঃখজনক ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। শায়খ আহমাদুল্লাহ কিছু বক্তব্যে এ ধরনের অপরাধের নিন্দা করেছেন, মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ৬ দফা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনাও পেশ করেছেন। এরপরও অনেকে মনে করেন তিনিসহ আলেমরা এ ইস্যুতে যথেষ্ট সরব নন।

অপরাধীরা মাদরাসা শিক্ষক দেখেই তারা চুপ করে আছেন। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে একজন শ্রোতা সরাসরি এ রকম অভিযোগসহ প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন যে, ‘মাদরাসা শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীর প্রতি পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু এ ধরনের ঘটনায় আপনাদেরকে কথা বলতে শোনা যায় না কেন?’

উত্তরে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন,

এই ধরনের অভিযোগ আনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ভাই। আমাদের সমাজের বড় একটি মসিবত হলো, আমরা কোনো অপরাধ সংগঠিত হলে অপরাধীকে বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে বা নানা গ্রুপে ফেলে তার অপরাধের মাত্রাটাকে অনেক সময় হালকা করে ফেলি; কখনো জ্ঞাতসারে, আবার কখনো অজ্ঞাতসারে।

আমরা এর আগেও বহুবার স্পষ্ট ভাষায় কথা বলেছি যে, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআনে অপরাধের জন্য যেই নির্দিষ্ট শাস্তির বিধান দিয়েছেন, তা দেশের আর কারও প্রতি সরকার কার্যকর করতে পারুক বা না পারুক, যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আল্লাহর বিধান দ্বারা শাসিত হতে চায়—যেমন মাদ্রাসার ছাত্র, শিক্ষক, আলেম-ওলামা ও দ্বীনদার মানুষ—তাদের প্রতি তো অন্তত তা কার্যকর করা যায়। তাদেরকে তো এই বিধান দিয়ে শাসন করা সম্ভব, নাকি? আপনারা তাদের প্রতি সেই কোরআনিক শাস্তিটা কার্যকর করছেন না কেন? তাদের ওপর দৃষ্টান্তমূলক দু-চারটা শাস্তি নিশ্চিত করে কার্যকর করে দেখুন, দেখবেন অপরাধের সাথে যুক্ত সবাই এক নিমেষে সোজা হয়ে গেছে। কিন্তু কাজের বেলায় তো আপনারা সেই সঠিক পদক্ষেপটা গ্রহণ করেন না।

আমাদের বিচারব্যবস্থায় বিদ্যমান স্থবিরতা, চরম দীর্ঘসূত্রতা এবং ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া অপরাধীর তথাকথিত অধিকার রক্ষার যে কালচার সেগুলো একটা বড় সমস্যা। অবশ্য ইসলামও স্বীকার করে যে, অপরাধীর মৌলিক অধিকার রক্ষা করা জরুরি। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগেই অভিযুক্তকে চূড়ান্ত অপরাধীর মতো ট্রিট করাটা এক ধরনের জুলুম। কিন্তু অপরাধীর প্রতি অতিরিক্ত সহানুভূতি দেখানো এবং তথাকথিত অধিকারের দোহাই দিয়ে তাকে ছাড় দিয়ে মাথায় তোলা কিংবা একের পর এক অপরাধের রাস্তা খুলে দেওয়া এগুলো তো সমাজ থেকে অপরাধ বন্ধের সঠিক পথ হতে পারে না।

এজন্য অপরাধ সংগঠনের ক্ষেত্রে অপরাধী কি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, নাকি স্কুলের শিক্ষার্থী, সে কি মাদ্রাসার শিক্ষক নাকি স্কুলের শিক্ষক এসব পরিচয় বিবেচনার বিন্দুমাত্র দরকার নেই। আমরা তো দেশের নামীদামী স্কুল ও কলেজের বহু শিক্ষকের যৌন কেলেঙ্কারির খবর শুনেছি। কিন্তু কই, কোনোটার ক্ষেত্রে আমরা দৃষ্টান্তমূলক কোনো কঠোর শাস্তি কার্যকর হতে দেখেছি? বড়জোর তদন্তের নামে তাদেরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে, কিছুদিন তারা একটু কোণঠাসা হয়ে মুখ লুকিয়ে থেকেছে, তারপর আবার সুবিধা বুঝে অন্য কোথাও ঠিকই ব্যবস্থা করে ফেলেছে।

অপরাধী যে-ই হোক না কেন, সে যদি মাদরাসার হুজুর বা দ্বীনি ব্যক্তিত্ব হয়, প্রয়োজনে তার শাস্তি আরও বাড়িয়ে দিন এবং আরও কঠিন রূপ দিন। কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির যে বিধান রয়েছে, তা অন্তত তাদের ওপর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যকর করার আইনি ব্যবস্থা করুন। অথবা দেশের প্রচলিত আইনেই যেভাবে হোক তদন্ত সাপেক্ষে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করুন, যদি তার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করে দ্রুত বিচারিক উদ্যোগ গ্রহণ করুন। এই প্রক্রিয়ার ব্যাপারে বা দোষীর শাস্তির ব্যাপারে আপনাদেরকে তো আলেমদের কেউ কখনো বাধা দেয় নাই।

কোনো মাদরাসা শিক্ষকের অপকর্ম কিংবা কোনো মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর কোনো কেলেঙ্কারী প্রকাশ পাওয়ার পর, যদি সিসিটিভি ফুটেজ বা অনুসন্ধানে তা সত্যি প্রমাণিত হয় আজকাল তো আসলে ঘুরিয়ে-পেচিয়ে বানিয়ে বানিয়ে অপরাধ লুকানোর সুযোগ খুবই কম। এটি প্রযুক্তির যুগ, সিসি ক্যামেরার যুগ, এআই ক্যামেরার যুগ। প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব দ্রুততার সাথেই সমস্ত কর্মকাণ্ড মনিটর করা যায়, গভীর তদন্ত করা যায় এবং ঘটনার পেছনের আসল সত্য বের করে আনা যায়। তো কোনো মাদ্রাসা শিক্ষকের অপরাধ দিবালোকের মতো পরিষ্কার হওয়ার পর তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে আর অমনি সমস্ত হুজুরেরা রাস্তায় নেমে এসে প্রতিবাদ জানিয়েছে যে, না, আমাদের এই হুজুর যত অন্যায়ই করুক না কেন তাকে কোনো শাস্তি দেওয়া যাবে না, বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত এমন কোনো ঘটনা কি কখনো ঘটেছে? আর ভবিষ্যতে কখনো ঘটবে বলে মনে হওয়াটাও কি সম্পূর্ণ অসম্ভব নয়?

অতএব আমাদের মূল প্রয়োজন হলো নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীকে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি করা। সে কোন পরিচয়ের বা কোন পেশার লোক এই বিভাজনটা তৈরি করা আসলে আমাদের সমাজে অপরাধীদেরকে বেঁচে যাওয়ার সুযোগ পাইয়ে দেওয়া কিংবা বাঁচানোর এক অনভিপ্রেত অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়; যা হয়তো অনেক সময় আমাদের অজ্ঞাতসারেই ঘটে যাচ্ছে।

এজন্য শিশুর ওপর কিংবা নারীর প্রতি পাশবিক নির্যাতন কে করেছে বা অপরাধীর পরনে কী পোশাক ছিল তা দেখার বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই। সোজা হিসাব, অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি কার্যকর করুন।

একজন মাদরাসা শিক্ষক যদি অপরাধে ধরা পড়ে, তবে দিনশেষে সে-ও তো রক্তমাংসের মানুষ, সে তো আর আসমানের ফেরেশতা নয়! তার ভেতরেও নফস বা প্রবৃত্তি আছে, শয়তানের প্ররোচনা আছে। কেবল ধর্মীয় লেবাস গায়ে চাপালেই তো আর দুনিয়ার সব মানুষ রাতারাতি ভালো মানুষ হয়ে যায় না।

অতএব অপরাধীর ওপর আইন অনুযায়ী শাস্তিটা প্রয়োগ করুন। আর আপনারা যে আমাদের মুখে শাস্তির দাবি শুনতে চান, এদেশে কত শত লোমহর্ষক ঘটনার পর দেশের সর্বস্তরের মানুষ কত কঠোর শাস্তির তীব্র দাবি তুলেছে, শেষ পর্যন্ত বাস্তবে কয়টা ঘটনার বিচার বা শাস্তি সঠিকভাবে কার্যকর হয়েছে?

সুতরাং মূল যে বিচারিক ব্যবস্থার জায়গায় আমাদের সঠিক মনোযোগ দেওয়া দরকার, সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে আমরা কেবল অহেতুক ব্লেম গেম করি এবং অনর্থক পরস্পরকে দোষারোপ করতে থাকি যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

যদি কোনো মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার নৈতিক বা সামাজিক অপরাধের প্রমাণ সন্দেহাতীতভাবে পাওয়া যায়, তবে তাকে অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক ও যথাযথ শাস্তির মুখোমুখি করা হোক—আমরা দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিকের মতো এই প্রত্যাশা করি এবং জোর দাবি জানাই। বিশেষ করে, দ্বীনি ও ইসলামিক লেবাস ধারণ করে কেউ যদি ইসলাম, সাধারণ মুসলিম এবং আলেম সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে, তবে তার ক্ষেত্রে কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি কার্যকর হওয়ার প্রত্যাশা আমাদের অন্যান্যদের চেয়ে আরও অনেক বেশি এবং এই শাস্তির দাবি আমরাই সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠে করি।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে একটি সুন্দর, সুস্থ, নিরাপদ ও শান্তিময় বাসযোগ্য আবাসভূমি লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাদরাসা শিক্ষকদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে যা বললেন আহমাদুল্লাহ
মাদরাসাগুলোতে ঘটে যাওয়া নানা অনৈতিক ও জঘন্য কর্মকাণ্ডের জন্য মূলত অনুমোদনহীন ও মানহীন ভুঁইফোঁড় কিছু প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।  তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অপরাধের কারণে গোটা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে। তাই অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি সত্য আড়াল করে, তবে তা পুরো মাদরাসা ব্যবস্থার জন্য চরম ও অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) শায়খ আহমাদুল্লাহর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে এ কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে টঙ্গীর সাম্প্রতিক ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার এবং বিচারহীন বা তদন্তহীন ক্ষোভ প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।  শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, মাদরাসাগুলোতে জঘন্য অনাচারের যত ঘটনা শোনা যায়, তার অধিকাংশই ভুঁইফোঁড়, মানহীন প্রাইভেট মাদরাসা। তারপরও এগুলো যেহেতু মাদরাসাই, এবং তাদের অপকর্মের কারণে যেহেতু পুরো মাদরাসা-ব্যবস্থা আজ হুমকির সম্মুখীন, তাই এগুলো দমনে মাদরাসা পরিচালনার সাথে যুক্ত কর্তৃপক্ষকেই জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।’  তিনি জানান, মাদরাসার অপকর্ম রোধে করণীয় নিয়ে তিনি আগেই ৩০ জনেরও বেশি শীর্ষ আলেমের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পাঠিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তা জনসচেতনতার জন্য প্রকাশ্যে তুলে ধরেন। বোর্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বে না থাকায় লেখা ও সচেতনতা তৈরির বাইরে তার কোনো দাপ্তরিক ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলো লাখ লাখ এতিম-অসহায় শিক্ষার্থীর আশ্রয়স্থল ও দ্বীনি শিক্ষার মূল কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলোর মর্যাদা ও জনআস্থা ধরে রাখতে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সর্বশক্তি নিয়োগ করে পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় ইতিহাসের দায় তাদেরকেই নিতে হবে। অপরাধীদের রক্ষার চেষ্টার কড়া সমালোচনা করে তিনি লেখেন, এত কিছুর পরও যদি কোনো প্রতিষ্ঠান শিক্ষক নামের কতিপয় অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে, সমাধানের পথে না গিয়ে সত্য আড়াল করে, তবে এই লুকোচুরি মাদরাসার জন্য চূড়ান্ত ক্ষতি ডেকে আনবে, তখন আফসোস ছাড়া আর কিছু করার থাকবে না। টঙ্গীতে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিচারহীন ক্ষোভ ও আইন নিজের হাতে নেওয়ার প্রবণতা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অপরাধ প্রমাণের আগেই যদি শিক্ষকের ওপর চড়াও হওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে ওই শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের যে সম্মানহানি ও অপূরণীয় ক্ষতি হয়, তা কীভাবে পূরণ হবে? তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ধর্ম অবমাননাসহ কোনো ইস্যুতেই ইসলাম আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অনুমতি দেয় না। তাই মাদরাসা বা যে কোনো জায়গায় সংঘটিত অনাচারের বিরুদ্ধে সরব থাকার পাশাপাশি আমাদের ক্ষণিকের ক্রোধ যেন অন্যের অপূরণীয় ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়েও সজাগ থাকি। আরটিভি/এসআর
মাদরাসা শিক্ষকদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে যা বললেন আহমাদুল্লাহ
ভ্রমণ প্যাকেজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা জলফড়িং এজেন্সির
জলফড়িং এজেন্সি নামে একটি অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে ভ্রমণ প্যাকেজ ও টিকিট বুকিংয়ের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি ও ভ্রমণসংশ্লিষ্ট সংগঠন এ অভিযোগ তুলে সতর্কবার্তা দিয়েছে।
ভ্রমণ প্যাকেজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা জলফড়িং এজেন্সির
শাহজালাল রুমিকে নিয়ে সোহেল তাজের পোস্ট
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদরাসাপড়ুয়া শিশুকন্যাকে চুমু খেতে চাওয়ার অভিযোগে শিক্ষককে চড় মারা শাহজালাল রুমির পাশে দাঁড়ালেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।
শাহজালাল রুমিকে নিয়ে সোহেল তাজের পোস্ট
আবারও প্রমাণ হলো আ.লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন: আবু হানিফ 
গোপালগঞ্জে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় আবারও প্রমাণ হয় আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসী সংগঠন বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। 
আবারও প্রমাণ হলো আ.লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন: আবু হানিফ 
এমন বডিবিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক: তারেক রহমান
সন্তানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। বডিবিল্ডার বাবার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছেন, এমন বাবা ঘরে ঘরে হওয়া উচিত। শনিবার (২৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন তিনি। পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ময়মনসিংহে এক হিন্দু যুবককে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জুবায়ের নামে এক ব্যক্তি উসকানিদাতা ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি লেখেন, থাপ্পড় দেওয়ার ঘটনায় জুবায়েররা প্রমাণ ও ন্যায়বিচার চাইছেন। কিন্তু কাউকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার সময় ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা কেন বিবেচনায় নেওয়া হয় না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। সবার ক্ষেত্রেই ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সন্তানের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন তারেক রহমান। ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘মানুষের মনের কথা, এমন বডি বিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক, তার সন্তানকে যেন খারাপ কিছু করতে ১০ বার ভাবে।’ শিশুদের সুরক্ষার প্রসঙ্গে তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের শিশুদের ঠোঁটে চুমু দেওয়ার ছবি ও ভিডিও প্রকাশের বিষয়েও মন্তব্য করেন। এ ধরনের আচরণ শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারেক রহমানের দাবি, শিশুদের ঠোঁটে চুমু দেওয়ার মাধ্যমে বড়দের মুখের লালা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে মেনিনজাইটিস, হারপিস ও দাঁতের ক্ষয়ের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সন্তানের সুরক্ষার স্বার্থে এ ধরনের অভ্যাস পরিহারের আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া শিশুদের প্রতি যৌন নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে কঠোর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারেক রহমান। একই সঙ্গে জুবায়ের নামের ওই ব্যক্তিকে আলেম-ওলামাদের আশ্রয় না দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। আরটিভি/এসআর
এমন বডিবিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক: তারেক রহমান
আরও পড়ুন
ইসলামকে পুঁজি করে অলিগলিতে মাদরাসা তৈরি হয়েছে: উমামা ফাতেমা
মাদরাসা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন পূরণ হলোনা নজরুলের
মাদরাসায় বলাৎকার, কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার
হঠাৎ ‘প্রচণ্ড ব্যথা’ নিয়ে বাড়িতে মাদরাসাছাত্র