ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

‘জীবনের প্রথম দেশের বাইরে যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

চার দিনের সরকারি সফরে জাপানের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্যও। আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমানও সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদেশ সফরের বিষয়ে নিজের অনুভূতিও ব্যক্ত করেছেন তিনি।

রোববার দিনগত রাত ১২টা ৭ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান লেখেন, ‘আমার চার সিট আগেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিট, সফরসঙ্গী সবাই বসলাম। ‘‘আল্লাহু আকবর’’ বললো বিমানের মাইকে। হালকা ঝাঁকুনি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, জীবনের প্রথম দেশের বাইরে যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের পথে। শুকরিয়া মহান আল্লাহর নিকট। কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা সবাইকে।’

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘একাত্তরে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল জামায়াত, আজ তারাই ঠিক করছেন কে মুক্তিযোদ্ধা, কার কবর কোথায় হবে’
একাত্তরে জামায়াত দল হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। অথচ সেই দলের নেতাকর্মীরা আজ ঠিক করে দিতে চাইছেন কে মুক্তিযোদ্ধা আর কে ভুয়া, কে রাষ্ট্রীয় সম্মান পাবেন আর কার কবর কোথায় হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা তাসনিম জারা।
‘একাত্তরে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল জামায়াত, আজ তারাই ঠিক করছেন কে মুক্তিযোদ্ধা, কার কবর কোথায় হবে’
সাঈদীর মামলার বাদী মানিককে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি, বিস্ফোরক মন্তব্য মাসুদ সাঈদীর
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করেছেন পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মাসুদ সাঈদী। তিনি বলেছেন, তার লাশ দাফনে বা জানাজায় কোনো বাধা ছিল না, জনগণের আপত্তি ছিল ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদানে, যা রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অবমাননা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।  মাসুদ সাঈদী বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শহীদ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বিতর্কিত ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পোষ্য ও সুবিধাভোগী দালাল কুখ্যাত মানিক পশারী আজ (শনিবার) দিনের কোনো এক সময় গোপালগঞ্জের একটি হাসপাতালে মারা যায়। মৃত্যুর পর তাকে পিরোজপুরে আনা হয় এবং তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের চেষ্টা করা হয়।  ‘জনগণ বিষয়টি জানতে পেরে তাকে কথিত ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানে বাধা প্রদান করে এবং কুখ্যাত মানিক পশারী যে মুক্তিযোদ্ধা নন তা প্রশাসনকে অবহিত করেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় তিনি ‘গেজেটপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা!’ এরপরও জনগণ একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদানে বাধা প্রদান করে। আমরা জনগণকে শান্ত করেছি, ধৈর্য ধারণ করতে বলেছি। অতীতে আওয়ামী লীগ যেসব অন্যায় করেছে, সেসব অন্যায় কোনোভাবেই যেন আমাদের দ্বারা না হয় সে বিষয়ে জনগণকে বুঝিয়েছি।’  তিনি বলেন, আমি বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি (বরিশাল রেঞ্জ) থেকে শুরু করে পিরোজপুর প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আমি আমার অবস্থান থেকে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলগত অবস্থান থেকে উভয়ে একযোগে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বরাবরই নিয়ন্ত্রণে ছিল, তবে জনগণের ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ সত্যিই খুব কঠিন ছিল।’ সাঈদীপুত্র আরও বলেন, ‘কুখ্যাত মানিক পশারীর জানাজা বা দাফন নিয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য বা বাধা ছিল না, নেইও। আপত্তি ছিল একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান নিয়ে। যদিও প্রশাসন মিথ্যাচার ও জালিয়াতির মাধ্যমে প্রাপ্ত একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে গোপনে গার্ড অব অনার প্রদান করেছে।’ তিনি বলেন, এ ঘটনাটি দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের অপমান ও মহান স্বাধীনতার অবমাননা এবং দেশের আইনি ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতি চরম এক উপহাস বলে মনে করছি। যে ব্যক্তি স্বয়ং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জেরায় স্বীকার করেছেন তিনি মুক্তিযোদ্ধা নন— সেই রকম প্রতারক ব্যক্তিকে একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া এবং বছরের পর বছর সরকারি ভাতা ভোগ করতে দেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও ডিও লেটার জালিয়াতির বিষয়ে জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, সবচেয়ে বড় জালিয়াতি হলো যখন মানিক পশারীকে ট্রাইব্যুনালের আইনজীবী প্রশ্ন করেন যে, ‘আপনি মুক্তিযোদ্ধা কিনা?’ তখন সে স্পষ্ট করেই বলেছিল- ‘আমি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ করিনি।’  ‘ট্রাইবুনালে তার বক্তব্য আমি এখানে হুবহু তুলে ধরছি— ‘আমি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ করি নাই, তবে সহযোগিতা করেছি। আমি মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছি। এ জন্য বর্তমান এমপি একেএমএ আউয়াল সাহেব আমার নামে একটি ডিও লেটার দিয়েছে, আমার নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য। আমি পিরোজপুরে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে মামলা করার পর না আগে আমার ওই ডিও লেটার দিয়েছে তা আমার স্মরণ নাই।’ মাসুদ সাঈদী বলেন, এখানে মানিক পশারী অকপটে স্বীকার করেছে যে, সে কোনো মুক্তিযোদ্ধা নয়। তবে এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে আসার আগে তৎকালীন আওয়ামী দোসর কুখ্যাত এমপি আউয়াল তাকে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর জন্য একটি ডিও লেটার দিয়েছিল। অর্থাৎ স্রেফ মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার পুরস্কার হিসেবে তাকে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর অপচেষ্টা করা হয়েছিল। মানিক পশারী কীভাবে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা হলেন সে বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে স্ট্যাটাসে বেশ কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, একটি দেশের সর্বোচ্চ বীরত্ব ও সম্মানের জায়গা হলো ‘মুক্তিযোদ্ধা’ খেতাব। মানিক পশারীর মতো একজন কুখ্যাত ও স্বঘোষিত অ-মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রমাণিত মিথ্যাবাদীকে কারা গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা বানাল? কোন কুচক্রী মহল তাকে রাষ্ট্রের করের টাকায় বছরের পর বছর মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাওয়ার সুযোগ করে দিল? মাসুদ সাঈদী বলেন, মানিক পশারীকে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাকে অবৈধভাবে ভাতা পাইয়ে দেওয়ার পেছনে যে সব কর্মকর্তা, যাচাই-বাছাই কমিটি এবং রাজনৈতিক ব্যক্তি জড়িত ছিল, তাদের অবিলম্বে খুঁজে বের করতে হবে। রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। ‘একজন ভুয়া ব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রত্যয়ন করে ডিও লেটার দেওয়া এবং মিথ্যা সাক্ষীর বিনিময়ে রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম উঠানোর অপরাধে সাবেক অবৈধ এমপি একেএমএ আউয়ালের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।’ মানিক পশারীর নাম দ্রুত মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট থেকে বাতিল করার দাবি জানান বিরোধী দলের এই এমপি। তিনি বলেন, তাকে দেওয়া সব রাষ্ট্রীয় সুবিধা ও ভাতা চিরতরে বন্ধ করতে হবে। পোস্টের শেষে মাসুদ সাঈদী বলেন, মিথ্যা ও জালিয়াতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা কোনো অপশক্তি চিরদিন সত্যকে ধামাচাপা দিতে পারে না। মানিক পশারী ও তার পৃষ্ঠপোষকদের এই জালিয়াতি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কলঙ্কিত করেছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ আরটিভি/এসআর  
সাঈদীর মামলার বাদী মানিককে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি, বিস্ফোরক মন্তব্য মাসুদ সাঈদীর
মাদরাসায় শারীরিক শাস্তি বা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: আজহারী
মাদরাসায় অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি কিংবা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন সুপরিচিত ইসলামি চিন্তাবিদ ড. মিজানুর রহমান আজহারী। তার মতে-প্রায়শই এসব প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত নানা অপ্রীতিকর ঘটনার ছবি ভিডিও প্রকাশ পাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে; যা মাদরাসা শিক্ষার ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে। 
মাদরাসায় শারীরিক শাস্তি বা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: আজহারী
‘তারেক রহমানকে অবৈধ বলার আগে নাহিদের উচিত ছিলো পদত্যাগ করা’
শেখ হাসিনার সাথে তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবৈধ বলার আগে নাহিদ ইসলামের উচিত ছিলো জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করা বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি। পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, শেখ হাসিনার মতো তারেক রহমানও অবৈধভাবে ক্ষমতায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে জামায়াতের প্রক্সি সংগঠনের সভাপতি নাহিদ ইসলাম। যে জাতীয় সংসদে সরকারি দল হিসেবে বিএনপি অবৈধ হয়, সেই সংসদে বিরোধীদলের চিফ হুইপ হিসেবে নাহিদ ইসলাম কিভাবে বৈধ হন? তিনি লেখেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবৈধ বলার আগে নাহিদ ইসলামের উচিত ছিল জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করা। তবুও যেহেতু পদত্যাগ করার আগে বিএনপি সরকারকে অবৈধ বলে তিনি বক্তব্য দিয়ে ফেলেছেন, সুতরাং এই বক্তব্যের পরে নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ না করলে তার কোনও নৈতিক ভিত্তি থাকবে না। আশা করি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করে নৈতিকতার প্রমাণ দেবেন এবং রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলে এনসিপির জনভিত্তির প্রমাণ দেবেন। আরটিভি/টিআর
‘তারেক রহমানকে অবৈধ বলার আগে নাহিদের উচিত ছিলো পদত্যাগ করা’
মাদরাসা শিক্ষকদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে যা বললেন আহমাদুল্লাহ
মাদরাসাগুলোতে ঘটে যাওয়া নানা অনৈতিক ও জঘন্য কর্মকাণ্ডের জন্য মূলত অনুমোদনহীন ও মানহীন ভুঁইফোঁড় কিছু প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।  তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অপরাধের কারণে গোটা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে। তাই অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি সত্য আড়াল করে, তবে তা পুরো মাদরাসা ব্যবস্থার জন্য চরম ও অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) শায়খ আহমাদুল্লাহর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে এ কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে টঙ্গীর সাম্প্রতিক ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার এবং বিচারহীন বা তদন্তহীন ক্ষোভ প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।  শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, মাদরাসাগুলোতে জঘন্য অনাচারের যত ঘটনা শোনা যায়, তার অধিকাংশই ভুঁইফোঁড়, মানহীন প্রাইভেট মাদরাসা। তারপরও এগুলো যেহেতু মাদরাসাই, এবং তাদের অপকর্মের কারণে যেহেতু পুরো মাদরাসা-ব্যবস্থা আজ হুমকির সম্মুখীন, তাই এগুলো দমনে মাদরাসা পরিচালনার সাথে যুক্ত কর্তৃপক্ষকেই জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।’  তিনি জানান, মাদরাসার অপকর্ম রোধে করণীয় নিয়ে তিনি আগেই ৩০ জনেরও বেশি শীর্ষ আলেমের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পাঠিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তা জনসচেতনতার জন্য প্রকাশ্যে তুলে ধরেন। বোর্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বে না থাকায় লেখা ও সচেতনতা তৈরির বাইরে তার কোনো দাপ্তরিক ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলো লাখ লাখ এতিম-অসহায় শিক্ষার্থীর আশ্রয়স্থল ও দ্বীনি শিক্ষার মূল কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলোর মর্যাদা ও জনআস্থা ধরে রাখতে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সর্বশক্তি নিয়োগ করে পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় ইতিহাসের দায় তাদেরকেই নিতে হবে। অপরাধীদের রক্ষার চেষ্টার কড়া সমালোচনা করে তিনি লেখেন, এত কিছুর পরও যদি কোনো প্রতিষ্ঠান শিক্ষক নামের কতিপয় অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে, সমাধানের পথে না গিয়ে সত্য আড়াল করে, তবে এই লুকোচুরি মাদরাসার জন্য চূড়ান্ত ক্ষতি ডেকে আনবে, তখন আফসোস ছাড়া আর কিছু করার থাকবে না। টঙ্গীতে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিচারহীন ক্ষোভ ও আইন নিজের হাতে নেওয়ার প্রবণতা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অপরাধ প্রমাণের আগেই যদি শিক্ষকের ওপর চড়াও হওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে ওই শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের যে সম্মানহানি ও অপূরণীয় ক্ষতি হয়, তা কীভাবে পূরণ হবে? তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ধর্ম অবমাননাসহ কোনো ইস্যুতেই ইসলাম আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অনুমতি দেয় না। তাই মাদরাসা বা যে কোনো জায়গায় সংঘটিত অনাচারের বিরুদ্ধে সরব থাকার পাশাপাশি আমাদের ক্ষণিকের ক্রোধ যেন অন্যের অপূরণীয় ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়েও সজাগ থাকি। আরটিভি/এসআর
মাদরাসা শিক্ষকদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে যা বললেন আহমাদুল্লাহ
আরও পড়ুন
জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর সামনে রেখে ঢাকা-নারিতা রুটে বিমানের ফ্লাইট দ্বিগুণ