
নরউইচ সিটিকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে, ইংলিশ প্রিময়ার লিগে মৌসুমের প্রথম জয় তুলে নিলো, ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে খেলার ৭ মিনিটেই, ক্রুলের আত্মঘাতী গোলে লিড নেয় ম্যানসিটি। ২২ মিনিটে ক্লাবের হয়ে গোলের খাতা খোলেন, সদ্য যোগ দেয়া জ্যাক গ্রিলিস।
এরপর সিটিজেনদের পক্ষে গোল উৎসবে যোগ দেন- আইমারিক লাপোর্তে, রাহিম স্টার্লিং ও রিয়াদ মাহরেজ। এদিকে বার্নলিকে ২-০ গোলে হারিয়ে, টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে লিভারপুল। অ্যানফিল্ডে ১৮ মিনিটে, অলরেডদের এগিয়ে দেন দিয়োগো জোতা। ৬৯ মিনিটে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেন সাদিও মানে।
এদিকে দলবদলের আলোচনার কারণে হোক, কিংবা প্রস্তুতির অভাবে, সেদিন কেইন মাঠে নামেননি। তবু টটেনহামের কাছে ১-০ গোলে হেরে বসেছিল পেপ গার্দিওলার দল। সে হারের জ্বলুনি আজ টের পেল নরউইচ। আবার প্রিমিয়ার লিগে উঠে আসা দলটিকে ৫-০ গোলে আজ উড়িয়ে দিয়েছে সিটি।
কেইনের সিটিতে যাওয়ার সম্ভাবনায় কপাল পুড়বে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের। চার বছর আগে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিয়েছেন। গতি ও ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষ দলকে তটস্থ রাখেন। এই চার বছরে ৮২টি গোলও করেছেন সিটির হয়ে। ৯ নম্বর জার্সি গায়ে চাপালেও দলের মূল স্ট্রাইকার হয়ে ওঠা হচ্ছে না তাঁর।
এদিন তাই ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড নিজেকে প্রমাণের মিশন নিয়ে নেমেছিলেন। ম্যাচের সাত মিনিটেই দলকে এগিয়ে দিয়েছেন জেসুস। ডান দিক থেকে তাঁর নেওয়া শট ঠেকাতে গিয়ে বল জালে পাঠিয়েছেন নরউইচ গোলকিপার। ২২ মিনিটে সিটির দ্বিতীয় গোলেও আছেন জেসুস। এবারও দান দিকে থেকে ক্রস করেছিলেন। সে বল কিছু বুঝে না ওঠা গ্রিলিশের গায়ে লেগে চলে গেল জালে। ভাগ্যপ্রসূত এক গোল দিয়ে সিটির মাঠের অভিষেকে গোল হয়ে গেল এই মিডফিল্ডারের।
এর ৭ মিনিট আগেই আরেকটি গোল করিয়েছিলেন জেসুস। কিন্তু ফেরান তোরেসকে দিয়ে করানো সে গোল অফসাইডে বাতিল হয়েছে। ৭১ মিনিটে রাহিম স্টার্লিংকে দিয়েও আবার গোল করালেন জেসুস। এবারও গোলদাতাকে শুধু পা ছোঁয়াতে হয়েছে। এর আগেই অবশ্য আরেকটি গোল পেয়েছে সিটি। কর্নার থেকে হেড করেছিলেন আয়মেরিক লাপোর্ত। সে বল ঠিকভাবে ফেরাতে পারেনি নরউইচ রক্ষণ। কিন্তু ফিরতি বল ঠিকই চলে এসেছে লাপোর্তের কাছে। এবার আর গোল আটকে রাখা যায়নি। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে পঞ্চম গোলটি পেয়েছে সিটি। রুবেন ডিয়াজের ক্রস ডি-বক্সে একদম ফাঁকায় পেয়ে গেছে বদলি নামা রিয়াদ মাহরেজকে।
টিএস




