
সাত বছর পর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফাইনালে উঠেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। চলতি মৌসুমে শুরুতে খুব একটা ভালো অবস্থানে না থাকলেও পরবর্তীতে খারাপ সময় কাটিয়ে উঠে ফাইনালের টিকিট পায় কেকেআর।
আইপিএল ইতিহাসে এ পর্যন্ত দুইবার ফাইনাল খেলে দুইবারই চ্যাম্পিয়ন হয় শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে এবারের ফাইনালটা কলকাতার জন্য একটু ব্যতিক্রম।
আগের দুইবারের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন কলকাতা স্বত্বাধিকারী বলিউড বাদশা শাহরুখ খান ছিলেন গ্যালারিতে। ক্রিকেটারদের সঙ্গে বলিউড কিংয়েরও দল নিয়ে থাকে বাড়তি উন্মাদনা। তবে এবার হয়তো মাঠে তেমনটা না-ও দেখা যেতে পারে।
এমনকি নিজ দলের এত বড় সাফল্যে এখনও চুপ শাহরুখ খান। অথচ, এতদিন ধরে খেলার ফলাফল যেটিই হতো, টুইট করে বারবার দলকে উৎসাহ দিয়ে এসেছেন তিনি।
অথচ, এবার দল ফাইনালে ওঠার পরও নেই কোনো শুভেচ্ছাবার্তা । তবে কি ছেলে আরিয়ানকাণ্ডে এতটাই ভেঙে পড়েছেন যে, নিজ দল নিয়ে কিছুই ভাবছেন না শাহরুখ।
২০১৪ সালে শেষবার যখন আইপিএল ফাইনালে খেলেছিল কেকেআর তখন রীতিমতো উচ্ছ্বাসে ভেসেছিলেন শাহরুখ। একাধিক টুইটে ভরিয়ে দিয়েছিলেন নিজের অ্যাকাউন্ট। অথচ, এবারের ছবিটা একেবারেই আলাদা।
গত ২ অক্টোবর রাত থেকে জেলবন্দি শাহরুখপুত্র আরিয়ান। একাধিক চেষ্টার পরও মেলেনি তার জামিন। আগামী ২০ অক্টোবর আরিয়ানের জামিনের আবেদনের রায় ঘোষণা করবেন মুম্বাইয়ের আদালত। ততদিন তাকে জেলেই কাটাতে হবে।
এর আগে ২০১২ সালে যখন প্রথম কলকাতা ফাইনাল জিতেছিল তখনও একবার ওয়াংখেড়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন শাহরুখ। অভিযোগ উঠেছিল, মদ্যপ অবস্থায় মাঠে প্রবেশের সময় মেজাজ হারিয়েছিলেন তিনি।
শিশুদের সামনে নাকি নিরাপত্তারক্ষীদের অশালীন মন্তব্য করেছিলেন শাহরুখ। যদিও বিষয়টি যুক্তিসাপেক্ষ তবে পরে সেই অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি।
করোনার কারণে আইপিএলের এবারের আসরের ফাইনাল হচ্ছে দুবাই। সেদিক থেকেও মাঠে দর্শক আগ্রহটা একটু কমই থাকবে সেটাই স্বাভাবিক।
শুক্রবার রাত ৮টায় চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে শিরোপা উদ্ধারের লড়াইয়ে নামবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ততক্ষণ অপেক্ষা, শাহরুখ খানের মাঠে ফিরবেন কি না।
টিএন/এমআর/টিআই




