
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সপ্তম আসর মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আগামী বছর জানুয়ারিতে। এক এক করে ছয়টি আসর কেটে গেলেও দিন দিন যেন উল্টোদিকে হাঁটছে বিপিএল। মানের উন্নতি তো হয়নি বরং হাসির খোরাক হচ্ছে দেশে-বিদেশে ক্রিকেট বোদ্ধাদের কাছে।
এই যেমন আসন্ন বিপিএলে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য প্রাইজমানি বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্র ১ কোটি টাকা। রানার্সআপ দল পাবে ৫০ লাখ টাকা। অথচ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) চ্যাম্পিয়ন দল সবশেষ আসরে প্রাইজমানি পায় প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা, পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) চ্যাম্পিয়ন দল পেয়েছে ৪ কোটি, বিগ ব্যাশেও ৪ কোটির মতো। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) কথা না হয় বাদই দেওয়া গেল।
প্রতিবারই প্রশ্ন ওঠে উইকেট, সম্প্রচার আর প্রতিযোগিতার মান নিয়ে। এবার নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বিপিএলের প্রাইজমানি নিয়ে। অথচ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাব্যক্তিরা বলে থাকেন, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের তালিকায় আইপিএলের পরেই সেরা বিপিএল।
ছয়টি আসর শেষ হয়ে গেলেও দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা করেনি বিপিএল গভর্নিং কমিটি বা বিসিবি। প্রতি বছর বিপিএলে আসছে নতুন কোনো নাম বা একেবারেই বদলে যায় সবগুলো দল।
অবশেষে আশার বাণী শুনিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে বলেছেন, এবারের আসর শেষে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হবে বিপিএল নিয়ে।
“এবারের বিপিএলটা একটা ‘ওয়ান অফ’ ইভেন্ট। তো ওভাবেই প্ল্যান করা হয়েছে। ইতোপূর্বে বিপিএল নিয়ে যে লংটার্ম প্ল্যান আমাদের ছিল সেগুলো নিয়ে এবার কাজ করা হয়নি। আশা করি এই বিপিএলের পর আগামী বিপিএল থেকে সেসব নিয়ে কাজ করা হবে। তখন এই বিষয়গুলোও (প্রাইজমানি) সামনে আসবে।”
এম/পি/টিআই




