ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

একনজরে দেখে নিন আইপিএলের ১০ দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:১৯ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে আইপিএলের মেগা নিলাম। এবার দল তৈরি করতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে। যেখানে সর্বোচ্চ ২৭ কোটি রুপিতে ঋষভ পান্থকে দলে নিয়েছে লখনৌ সুপার জায়ান্ট। এরপরই রয়েছে শ্রেয়াস আইয়ার। ২৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে পাঞ্জাবে নাম লিখিয়েছেন তিনি।

এ ছাড়াও অনেকগুলো চমক দেখা গিয়েছে এবারের মেগা নিলামে।

একনজরে দেখে নিই ১০ দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড:

কলকাতা নাইট রাইডার্স

রিটেইন: রিঙ্কু সিং (১৩ কোটি), বরুণ চক্রবর্তী (১২ কোটি), সুনিল নারিন (১২ কোটি), আন্দ্রে রাসেল (১২ কোটি রুপি), হর্ষিত রানা (৪ কোটি) ও রমনদীপ সিং (৪ কোটি)।

নিলাম: ভেঙ্কটেশ আইয়ার (২৩ কোটি ৭৫ লাখ), কুইন্টন ডি কক (৩ কোটি ৬০ লাখ), রহমানুল্লাহ গুরবাজ (২ কোটি), এনরিখ নরকিয়া (সাড়ে ৬ কোটি), আনক্রিশ রঘুবংশী (৩ কোটি), বৈভব অরোরা (১ কোটি ৮০ লাখ), মায়াঙ্ক মার্কন্ডে (৩০ লাখ), রোভম্যান পাওয়েল (দেড় কোটি), মনিশ পান্ডে (৭৫ লাখ), স্পেন্সার জনসন (২ কোটি ৮০ লাখ), লুভনিথ সিসোদিয়া (৩০ লাখ), অজিঙ্কা রাহানে (দেড় কোটি), অনুকুল রায় (৪০ লাখ), মঈন আলি (২ কোটি) ও ওমরান মালিক (৭৫ লাখ)।

চেন্নাই সুপার কিংস

রিটেইন: রুতুরাজ গায়কোয়াড় (১৮ কোটি), মাথিশা পাথিরানা (১৩ কোটি), শিবম দুবে (১২ কোটি), রবীন্দ্র জাদেজা (১৮ কোটি) ও মহেন্দ্র সিং ধোনি (৪ কোটি)।

নিলাম: ডেভন কনওয়ে (৬ কোটি ২৫ লাখ), রাহুল ত্রিপাটি (৩ কোটি ৪০ লাখ), রচিন রাবিন্দ্রা (৪ কোটি), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৯ কোটি ৭৫ লাখ), খলিল আহমেদ (৪ কোটি ৮০ লাখ), নুর আহমেদ (১০ কোটি), বিজয় শঙ্কর (১ কোটি ২০ লাখ), স্যাম কারেন (২ কোটি ৪০ লাখ), শাইক রশিদ (৩০ লাখ), আনশুল কাম্বোজ (৩ কোটি ৪০ লাখ), মুকেশ চৌধুরী (৩০ লাখ), দীপক হুদা (১ কোটি ৭০ লাখ), গুরজাপনিত সিং (২ কোটি২০ লাখ), নাথান এলিস (২ কোটি), জেমি ওভারটন (দেড় কোটি), কমলেশ নগরকোটি (৩০ লাখ), রামকৃষ্ণ ঘোষ (৩০ লাখ), শ্রেয়াস গোপাল (৩০ লাখ), বংশ বেদী (৫৫ লাখ) ও আন্দ্রে সিদ্ধার্থ (৩০ লাখ)।


লখনৌ সুপার জায়ান্ট

রিটেইন: নিকোলাস পুরান (২১ কোটি), রবি বিষ্ণুই (১১ কোটি), মায়াঙ্ক যাদব (১১ কোটি), মহসিন খান (৪ কোটি) ও আয়ুশ বাদোনি (৪ কোটি)।

নিলাম: রিশাভ পান্ত (২৭ কোটি), ডেভিড মিলার (৭.৫ কোটি), এইডেন মার্করাম (২ কোটি), মিচেল মার্শ (৩ কোটি ৪০ লাখ), আভেশ খান (৯ কোটি ৭৫ লাখ), আব্দুল সামাদ (৪ কোটি ২০ লাখ), আরিয়ান জুয়াল (৩০ লাখ), আকাশ দীপ (৮ কোটি), হিম্মত সিং (৩০ লাখ), সিদ্ধার্থ (৭৫ লাখ), দিগ্বেশ সিং (৩০ লাখ), শাহবাজ আহমেদ (২ কোটি ৪০ লাখ), আকাশ সিং (৩০ লাখ), শামার জোসেফ (৭৫ লাখ), প্রিন্স যাদব (৩০ লাখ), যুবরাজ চৌধুরী (৩০ লাখ), রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকর (৩০ লাখ), আরশিন কুলকার্নি (৩০ লাখ) ও ম্যাথিউ ব্রিটজকে (৭৫ লাখ)।

পাঞ্জাব কিংস

রিটেইন করা ক্রিকেটার: শশাঙ্ক সিং (সাড়ে ৫ কোটি) ও প্রভসিমরান সিং (৪ কোটি)।

নিলাম: আর্শদ্বীপ সিং (১৮ কোটি), শ্রেয়াস আইয়ার (২৬ কোটি ৭৫ লাখ), যুজবেন্দ্র চাহাল (১৮ কোটি), মার্কাস স্টোইনিস (১১ কোটি), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৪ কোটি ২০ লাখ), নেহাল ওয়াধেরা (৪ কোটি ২০ লাখ), হারপ্রীত ব্রারার ( দেড় কোটি), বিষ্ণু বিনোদ (৯৫ লাখ), বিজয়কুমার ভিশক (১ কোটি ৮০ লাখ), যশ ঠাকুর (১ কোটি ৬০ লাখ), মার্কো জানসেন (৭ কোটি), জশ ইঙ্গলিস (২ কোটি ৬০ লাখ), লকি ফার্গুসন (২ কোটি), আজমতুল্লাহ ওমরজাই (২ কোটি ৪০ লাখ), হারনুর পান্নু (৩০ লাখ), কুলদীপ সেন (৮০ লাখ), প্রিয়াংশ আর্য (৩ কোটি ৮০ লাখ), অ্যারন হার্ডি (১ কোটি ২৫ লাখ), মুশির খান (৩০ লাখ টাকা), সূর্যনাশ সেজে (৩০ লাখ), জাভিয়ার বার্টলেট (৮০ লাখ), পাইলা অবিনাশ (৩০ লাখ) ও প্রভিন দুবে (৩০ লাখ)।

গুজরাট টাইটানস

রিটেইন: রশিদ খান (১৮ কোটি), শুভমান গিল (১৬ কোটি ৫০ লাখ), সাই সুদর্শন (৮ কোটি ৫০ লাখ), রাহুল তেওয়াতিয়া (৪ কোটি) ও শাহরুখ খান (৪ কোটি)।

নিলাম: কাগিসো রাবাদা (১০ কোটি ৭৫ লাখ), জস বাটলার (১৫ কোটি ৭৫ লাখ), মোহাম্মদ সিরাজ (১২ কোটি ২৫ লাখ), প্রসিধ কৃষ্ণা (৯ কোটি ৫০ লাখ), নিশান্ত সিন্ধু (৩০ লাখ), মহিপাল লোমর (১ কোটি ৭০ লাখ), কুমার কুশাগরা (৬৫ লাখ), অনুজ রাওয়াত (৩০ লাখ), মানব সুথার (৩০ লাখ), ওয়াশিংটন সুন্দর (৩ কোটি ২০ লাখ), জেরাল্ড কোয়েৎজি (২ কোটি ৪০ লাখ), আরশাদ খান (১ কোটি ৩০ লাখ), গারনুর ব্রারার (১ কোটি ৩০ লাখ), শারফেন রাদারফোর্ড (২ কোটি ৬০ লাখ), সাই কিশোর (২ কোটি), ইশান্ত শর্মা (৭৫ লাখ), জয়ন্ত যাদব (৭৫ লাখ), গ্লেন ফিলিপস (২ কোটি), করিম জানাত (৭৫ লাখ) ও কুলবন্ত খেজরোলিয়া (৩০ লাখ)।

দিল্লি ক্যাপিটালস

রিটেইন: অক্ষর প্যাটেল (সাড়ে ১৬ কোটি), কুলদীপ যাদব (১৩ কোটি ২৫ লাখ), ত্রিস্টান স্টাবস (১০ কোটি) ও অভিষেক পোরেল (৪ কোটি)।

নিলাম: মিচেল স্টার্ক (১১ কোটি ৭৫ লাখ), লোকেশ রাহুল (১৪ কোটি), হ্যারি ব্রুক (৬ কোটি ২৫ লাখ), জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক (৯ কোটি), নটরজন (১০ কোটি ৭৫ লাখ), করুণ নায়ার (৫০ লাখ), সামির রিজভী (৯৫ লাখ), আশুতোষ শর্মা (৩ কোটি ৪০ লাখ), মোহিত শর্মা (২ কোটি ২০ লাখ), ফাফ ডু প্লেসি (২ কোটি), মুকেশ কুমার (৮ কোটি ), দর্শন নালকান্দে (৩০ লাখ), বিপ্রজ নিগম (৫০ লাখ), দুসমান্ত চামেরা (৭৫ লাখ), ডোনোভান ফেরেরা (৭৫ লাখ), অজয় মন্ডল (৩০ টাকা), মন্বন্ত কুমার (৩০ লাখ), ত্রিপুরানা বিজয় (৩০ লাখ) ও মাধব তিওয়ারি (৪০ লাখ)।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

রিটেইন: বিরাট কোহলি (২১ কোটি), রজত পাতিদার (১১ কোটি) ও যশ দয়াল (৫ কোটি)।

নিলাম: লিয়াম লিভিংস্টোন (৮ কোটি ৭৫ লাখ), ফিল সল্ট (সাড়ে ১১ কোটি), জিতেশ শর্মা (১১ কোটি), জশ হ্যাজেলউড (সাড়ে ১২ কোটি), রশিখ দার (৬ কোটি), সুয়াশ শর্মা (২ কোটি ৬০ লাখ), ক্রুনাল পান্ডিয়া (৫ কোটি ৭৫ লাখ), ভুবনেশ্বর কুমার (১০ কোটি ৭৫ কোটি), স্বপ্নিল সিং (৫০ লাখ), টিম ডেভিড (৩ কোটি), রোমারিও শেফার্ড (দেড় কোটি), নুয়ান থুশারা (১ কোটি ৬০ লাখ), মনোজ ভন্ডগ (৩০ লাখ), জ্যাকব বেথেল (২ কোটি ৬০ লাখ), দেবদত্ত পাডিক্কল (২ কোটি), স্বস্তিক চিকারা (৩০ লাখ), লুঙ্গি এনগিদি (১ কোটি), অভিনন্দন সিং (৩০ লাখ) ও মোহিত রাড়ে (৩০ লাখ)।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

রিটেইন: প্যাট কামিন্স (১৮ কোটি), অভিষেক শর্মা (১৪ কোটি), নিতিশ রেড্ডি (৬ কোটি), হেনরিক ক্লাসেন (২৩ কোটি) ও ট্রাভিস হেড (১৪ কোটি)।

নিলাম: মোহাম্মদ শামি (১০ কোটি), হার্ষাল প্যাটেল (৮ কোটি), ঈশান কিশান (১১ কোটি ২৫ লাখ), রাহুল চাহার (৩ কোটি ২০ লাখ), অ্যাডাম জাম্পা (২ কোটি ৪০ লাখ), অথর্ব তাইদে (৩০ লাখ), অভিনব মনোহর (৩ কোটি ২০ লাখ), সিমারজিৎ সিং (দেড় কোটি), জিশান আনসারি (৪০ লাখ), জয়দেব উনাদকাট (১ কোটি), ব্রাইডন কার্স (১ কোটি), কামিন্দু মেন্ডিস (৭৫ লাখ), অনিকেত ভার্মা (৩০ লাখ), ঈশান মালিঙ্গা (১ কোটি ২০ লাখ), শচীন বেবি (৩০ লাখ)।

রাজস্থান রয়্যালস:

রিটেইন: সঞ্জু স্যামসন (১৮ কোটি), যশস্বী জয়সওয়াল (১৮ কোটি), রিয়ান পরাগ (১৪ কোটি), ধ্রুব জুরেল (১৪ কোটি), শিমরন হেটমায়ার (১১ কোটি) ও সন্দীপ শর্মা (৪ কোটি)।

নিলাম: জোফরা আরচার (সাড়ে ১২ কোটি), মহেশ থিকশানা (৪ কোটি ৪০ লাখ), ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (৫ কোটি ২৫ লাখ), আকাশ মাধওয়াল (১ কোটি ২০ লাখ), কুমার কার্তিক (৩০ লাখ), নীতীশ রানা (৪ কোটি ২০ লাখ), তুষার দেশপান্ডে (সাড়ে ৬ কোটি), শুবম দুবে (৮০ লাখ), যুধবীর সিং (৩৫ লাখ), ফজলহক ফারুকি (২ কোটি), বৈভব সূর্যবংশী (১ কোটি ১০ লাখ), কোয়ানা মাফাকা (দেড় কোটি), কুনাল রাঠোর (৩০ লাখ) ও অশোক শর্মা (৩০ লাখ)।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

রিটেইন: জাসপ্রিত বুমরাহ (১৮ কোটি), সূর্যকুমার যাদব (১৬ কোটি ৩৫ লাখ), হার্দিক পান্ডিয়া (১৬ কোটি ৩৫ লাখ), রোহিত শর্মা (১৬ কোটি ৩ লাখ) ও তিলক ভার্মা (৮ কোটি)।

নিলাম: ট্রেন্ট বোল্ট (সাড়ে ১২ কোটি), নমন ধীর (৫ কোটি ২৫ লাখ), রবিন মিঞ্জ (৬৫ লাখ), কর্ণ শর্মা (৫০ লাখ), রায়ান রিকেল্টন (১ কোটি), দীপক চাহার (৯ কোটি ২৫ লাখ), আল্লাহ গজনফার (৪ কোটি ৪০ লাখ), উইল জ্যাকস (৫ কোটি ২৫ লাখ), অশ্বনি কুমার (৩০ লাখ), মিচেল স্যান্টনার (২ কোটি), রিস টপলি (৭৫ লক্ষ), কৃষ্ণা শ্রীজিৎ (৩০ লাখ), রাজ অঙ্গাদ বাওয়া (৩০ লাখ), সত্যনারায়ণ রাজু (৩০ লাখ), বেভন জ্যাকবস (৩০ লাখ), অর্জুন টেন্ডুলকার (৩০ লাখ), লিজাদ উইলিয়ামস (৭৫ লাখ) ও ভিগনেশ পুথুর (৩০ লাখ)।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপিএল ২০২৫ / নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে বিপিএলের ১১তম আসরে শুভসূচনা করেছে গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল রংপুর রাইডার্স। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিলেটকে ৩৪ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ব্যাক টু ব্যাক জয় পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের দলটি। চার উইকেট তুলে নিয়ে এই জয়ের অন্যতম নায়ক নাহিদ রানা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় রংপুর রাইডার্স। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সিলেট। ৩ বলে ২ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন জর্জি মানজি। তিনে ব্যাট করতে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকির হাসানও। ১২ বলে ১৮ রান করে বোল্ড আউট হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি পল স্ট্রালিংও। ৫ বলে ৬ রান করে এই আইরিশ ব্যাটার আউট হলে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় সিলেট। তবে জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার রনি তালুকদার। দুজনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে সিলেট।  কিন্তু ১৫তম ওভারে রনি তালুকদারকে বোল্ড করেন খুশদিল শাহ। এর আগে ৩৬ বলে ৪১ রান করেন রনি। পরের বলে আরিফুল হককে ডাক আউট করে রংপুরকে খেলায় ফেরান খুশদিল শাহ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন জাকের আলী। তবে ১৬তম ওভারে দ্বিতীয় বলে ২৪ রান করে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে ফিরিয়ে উল্লাস শুরু করে পেসার নাহিদ রান। এরপর তানজিম হাসান সাকিব (৩), নাহিদুজ্জামান (১) এবং শিনওয়ারি ৮ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত রিস টপলি ৫ রানে এবং আল আমিন ৩ রানে অপরাজিত থাকলেও নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় সোহান-মাহেদীরা। রংপুর রাইডার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন নাহিদরা। এ ছাড়াও খুশদিল শাহ ও সাইফউদ্দিন দুটি করে উইকেট নেন। আর এক উইকেট নেন কামরুল হাসান। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল রংপুর। আরটিভি/এসআর/এআর  
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
জয় দিয়ে বছরটা রাঙিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বছরের শেষ ম্যাচে কষ্টার্জিত হলেও জয়ে ফিরল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বসুন্ধরা কিংস ফেডারেশন কাপ শুরু করেছিল ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে জয় দিয়ে। মাঝখানে ফর্টিস এফসির কাছে হেরেছে। আজ কিংস অ্যারেনায় নিজেদের গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ঘরের মাঠে কিংস অ্যারেনায় জয়ে পেতে মরিয়া বসুন্ধরা ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায়। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে তপু বর্মণের গোলে এগিয়ে গেলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বসুন্ধরার উল্লাস। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই পুলিশ সমতা ফেরে আল আমিনের গোলে। তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের ১১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল ফেরেইরার গোলে আবারও এগিয়ে যায় কিংস। ২৫ মিনিটে গোলরক্ষক রাকিবুল তুষার ও সাগর মিয়ার ভুমিকায় পুলিশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায়। ৩৪ মিনিটে রাকিবকে আরেকবার হতাশ করেন গোলরক্ষক তুষার। প্রথমার্ধের খেলা ২–১ ব্যবধানে থেকে শেষ করে দুই দল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩–১ করেন কিংসের আরেক ব্রাজিলিয়ান জোনাথন ফার্নান্দেজ। ৫৪ মিনিটে পুলিশের আল আমিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩–২ করে খেলা জমিয়ে তুলেছিলেন। তবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কিংসকে চোখ রাঙালেও শেষ পর্যন্ত দারুণ কিছু করতে পারেনি পুলিশ। এ ম্যাচে পুলিশ হারলেও চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা দলটির স্ট্রাইকার আল আমিনের ২টি গোলই নজর কেড়েছে। অষ্টম মিনিটে ঈসা ফয়সালের ক্রস থেকে আল আমিনের প্রথম গোলটি ছিল সুযোগের সন্ধানে থাকার ফল। প্রিমিয়ার লিগে ৬ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা আল আমিনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল অসাধারণ। সৈয়দ কাজেমের ডিফেন্সচেরা থ্রু ধরে কিংসের গোলকিপার মেহেদী হাসানকে কাটাতে গিয়ে বাঁ পাশে সরে গেলেও বেশ কঠিন অ্যাঙ্গেল থেকে বল জালে পাঠান আল আমিন।  কুমিল্লার ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দিনের অন্য খেলায় জয় কুমারের জোড়া গোলে বড় জয় পেয়েছে ফর্টিস এফসি। ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে তারা হারিয়েছে ৩–০ গোলে।  আরটিভি/এমএম
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রাইডার্স। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রংপুর। সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন আল আমিন হোসেন ও তানজিম সাকিব। এ ছাড়াও সাইমুল্লাহ শিনওয়ারি ও রিস টপলি এক করে উইকেট নেন। আরটিভি/এসআর/এআর  
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গিয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে। এই সময় ধারাভাষ্য কক্ষে বেশ কিছু সময় পার করেন তিনি।   মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা টাইগার্স এবং চট্টগ্রাম কিংসের মধ্যকার ম্যাচের কিছু সময় ধারাভাষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ধারাভাষ্য কক্ষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক। এরপর কিছুক্ষণ বাংলায় ধারাভাষ্য দেন তিনি। এসময় খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের টার্গেট তাড়া করছিল চট্টগ্রাম। ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রেস বক্সে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন ফারুক। সেখানে ধারাভাষ্য করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ফারুককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বল-টু-বল ধারাভাষ্য করতে হয়নি। আমি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’ আরটিভি/এমএম
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচে চিটাগংকে ৩৭ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচের দ্বিতীয় প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে এসে ১ বলে ১৫ রান খরচ করে রেকর্ড গড়েছেন ওশানে থমাস। তবে তার একটি নো বলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন খুলনার কোচ তালহা জুবায়ের। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনার দেওয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন নাইম শেখ। তবে নো বল হওয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন। আর নো বলের ভিডিওটা টিভিতে না দেখানোই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তালহা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে খুলনার কোচ বলেন, প্রথম বলে দেখলাম উইকেট পড়েছে গেছে; তারপর দেখি যে নো বল। আমার ওই নো বল নিয়ে একটি সন্দেহ আছে। কারণ, আমি এটি রিপ্লেতে দেখতে পারিনি। এটা দেখানো উচিত ছিল। আমি এটি দেখতে চাইব। এক বলে ১৫ রান দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, এরকম আগে দেখিনি নো বল ওয়াইড আবার নো বল, ফ্রি হিট। আর হয়তো থমাসও শুরুটা ভালো করতে পারেনি। আর এমনিতেই ওর নো বল দেওয়ার প্রবনতা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়েও প্রায় নো বল করতে দেখা যায়। নো বল দেওয়ার জন্য থমাসের ফিটনেসকে দায়ী করেছেন তালহা। তার ভাষ্য, আসলে ওর যে ফিটনেস সেটা পেস বোলার হিসেবে ঠিক নেই। আর নিজের ফিটনেস এবং রানিং নিয়ে হয়তো এর আগে কোনো কাজ করেনি। তাই নো বল দেওয়ার প্রবনতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ১ বলে ১৫ রান এটা নতুন। নাইম ইসলামের বিপক্ষে ওশান থমাস ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ লুফে নেন তিনি। আম্পায়ারের কলে সেটা ছিল নো বল। ফ্রি-হিটের পরের বলে ছিল ডট। সেটা ছিল লিগ্যাল ডেলিভারি। এরপরেই আসে ওশান থমাসের লিগ্যাল ডেলিভারির জন্য লম্বা সংগ্রাম। নো বলে ৬ রান হজম করেছেন। এরপর দুই ওয়াইড বল। পরের নো বলে হজম করেছেন ৪ রান। ততক্ষণে চলে এসেছে ১৪ রান। স্কোরবোর্ডে ১ বলের পাশে ১৫ রান। শেষ পর্যন্ত বৈধ বল ওশান থমাস করেছেন। সেটায় ছিল ডট। তারপর ফের একটা নো-বল। সেই বলেও ক্যাচ হয়েছিলেন নাইম। দ্বিতীয়বার জীবন পান ওই এক ওভারেই। ফ্রি-হিটের পর অবশ্য নিজেকে আর বাঁচাতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। বোসিস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। এর আগে এক বলে ১৩ রান নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন কীর্তি গড়েছিলেন ভারতের এই ওপেনার। অবশ্য সেবার ৭ রান তিনি পেয়েছিলেন নো-বল থেকে আর ১টা ছিল ছক্কার মার। এর আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এর ম্যাচে ১ বলে ১৪ রান তুলেছিলেন ওশান থমাস। আরটিভি/ এসআর  
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
আরও পড়ুন
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
টস জিতে খুলনাকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল চিটাগং
ঢাকাকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বরিশালের কাছে হেরে যে আক্ষেপে পুড়ছেন বিজয়