
মাত্র ১৮ বছর বয়সেই ফুটবল বিশ্বে ইতিহাস গড়ে ফেললেন বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। জার্মান ভিত্তিক পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্রান্সফারমার্কেটের সর্বশেষ অক্টোবরের হালনাগাদ অনুযায়ী, ইয়ামালের বাজারমূল্য এখন দাঁড়িয়েছে ২০০ মিলিয়ন ইউরো, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ।
১৮ বছর বয়সে ক্লাব ও দেশের হয়ে জিতেছেন দুইটি লা লিগা শিরোপা এবং স্পেনের হয়ে ইউরো ট্রফির শিরোপা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে যৌথভাবে রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের জুড বেলিংহাম, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ড, যাদের বাজারমূল্য প্রতিজন ১৮০ মিলিয়ন ইউরো। রিয়ালের আরেক ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র আছেন পঞ্চম স্থানে, যার বাজারমূল্য ১৫০ মিলিয়ন ইউরো, যা আগের তুলনায় কমেছে ২০ মিলিয়ন।
ষষ্ঠ থেকে নবম স্থানে রয়েছেন বার্সেলোনার পেদ্রি, বায়ার্ন মিউনিখের জামাল মুসিয়ালা, আর্সেনালের বুকায়ো সাকা এবং লিভারপুলের আলেক্সান্ডার ইসাক, প্রত্যেকের বাজারমূল্য ১৪০ মিলিয়ন ইউরো। সেরা দশের শেষ নাম ফ্লোরিয়ান ভির্টজ, যার বাজারমূল্য ১৩০ মিলিয়ন ইউরো।
ফুটবল জগতে এক যুগের রাজত্ব শেষ হলো দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। সর্বশেষ ট্রান্সফারমার্কেটের তালিকায় তারা সেরা ১০০-এর মধ্যে নেই।
উল্লেখযোগ্য, বিশ্বের ১০০ সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ের মধ্যে ইউরোপের বড় পাঁচ লিগ ছাড়া কেবল একজন খেলোয়াড় স্থান পেয়েছেন। তিনি হলেন তুরস্কের গালাতাসারাইয়ের ফরোয়ার্ড ভিক্টর ওসিমেন, যার বাজারমূল্য ৭৫ মিলিয়ন ইউরো, এবং তিনি আছেন ৪৪তম স্থানে।
বিশ্বের ১০০ সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ের তালিকায় সবচেয়ে বেশি আছে আর্সেনালের মোট ১০ জন, যাদের সম্মিলিত বাজারমূল্য ৮২০ মিলিয়ন ইউরো। একই সংখ্যক খেলোয়াড় আছে পিএসজিতেও (১০ জন), তবে তাদের সম্মিলিত মূল্য একটু কম ৮০৫ মিলিয়ন ইউরো। এরপর রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ (৯ জন), বার্সেলোনা (৮), লিভারপুল (৮), ম্যানচেস্টার সিটি (৮), চেলসি (৭), বায়ার্ন মিউনিখ (৬), নিউক্যাসল (৫) ও ইন্টার মিলান (৪)।
আরটিভি/এসকে




