
ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা) প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে টানা তৃতীয় বছর বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডোপপাপী দেশের মর্যাদা পেয়েছে ভারত। ২০২৪ সালে ভারতের ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (নাডা) মোট ৭ হাজার ১১৩টি মূত্র ও রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছে, যার মধ্যে ২৬০টি নমুনায় নিষিদ্ধ পদার্থ পাওয়া গেছে।খবর জিও নিউজের।
এই তথ্য ভারতের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত বছর ডোপিংয়ের সবচেয়ে বেশি কেস ছিল অ্যাথলেটিক্স বিভাগে (৭৬টি), তার পর ভারোত্তোলন (৪৩টি) এবং কুস্তিতে (২৯টি)। চলতি বছরের জুলাইয়ে অনূর্ধ্ব-২৩ কুস্তির চ্যাম্পিয়ন ও প্যারিস অলিম্পিক কোয়ার্টার-ফাইনালিস্ট রীতিকা হুডাও ডোপ টেস্টে পজিটিভ হন এবং সাময়িক নিষিদ্ধ হন।
বিশ্বব্যাপী ডোপিং কেসের তালিকায় ভারতের পরে রয়েছে ফ্রান্স (৯১টি), ইতালি (৮৫টি), রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র (৭৬টি করে), জার্মানি (৫৪টি) এবং চীন (৪৩টি)।
নাডা বুধবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতে অ্যান্টি-ডোপিং ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছে। কেবলমাত্র পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো হয়নি, শিক্ষার মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করেও ডোপিং প্রতিরোধে কাজ করা হচ্ছে। চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭ হাজার ৬৮টি পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১০টি পজিটিভ কেস পাওয়া গেছে।
তবে ভারতের ক্রীড়াঙ্গনে ডোপিংয়ের এই ‘হ্যাটট্রিক’ বিষয়টি গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের সুনাম রক্ষায় এই সমস্যা সমাধানে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ পেয়েছে।
আরটিভি/এসকে




