
গত ১ মার্চ ফাইজান রাহমান নামে এক ব্যক্তি টুইটারে এক ক্ষুদে পাকিস্তানির বোলিং ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওতে তার বোলিং অ্যাকশন দেখে মনে হচ্ছে ওয়াসিম আকরামের মতো তার বোলিং অ্যাকশন। সে এক মিনিটের মধ্যে ১৭ বার বল করে সাতবারই উইকেটে লাগায়। বাকি ১০টি বলও ঠিক জায়গাতেই পড়ে।
এই বোলিং দেখে আকরাম টুইট করেছিলেন, এই ছেলেটা কোথায়? আমাদের দেশের শিরায় শিরায় প্রতিভার স্রোত বইছে। কিন্তু এই শিশুদের আবিষ্কার করার জন্য কোনও মঞ্চ নেই। এবার আমাদের কিছু করা উচিত। মজার তথ্য হল তার স্ত্রী শানিয়েরাও ট্যুইটারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লিখেছেন, আরেকজন ওয়াসিম আকরাম তৈরি হচ্ছে?
অবশেষে সেই ক্ষুদে পেসারের সন্ধান পেয়ে সাক্ষাতে তাকে বোলিং টিপসও দিয়েছেন ১৯৯২ এর বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম। মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) খুদে বালকের সঙ্গে ওয়াসিম আকরামের দুটি ছবি পোস্ট করে ক্রিকেট বিষয়য়ক ওয়েব সাইট ক্রিক ট্যাকার।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: সেই বিস্ময়কর বালকের সন্ধান পেলেন ওয়াসিম (ভিডিও)
--------------------------------------------------------
এর রেশ কাটতে না কাটতেই আরেক ক্ষুদে বোলারের খোঁজ পেয়েছেন অজি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন। পাকিস্তানের কোয়েটা প্রদেশের ছয় বছরের এ বালকের এমিলি মিকাল খান।
ভিডিওতে দেখা যায় এমিলি বিখ্যাত ওয়ার্নের মতোই ফ্লিপার, গুগলি, লেগ ব্রেক করতে পারে। এই এমিলি মিকাল খানের বোলিং ডেলিভারি এখন ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ম্যাজিশিয়ান শেন ওয়ার্ন ছয় বছরের প্রতিভার ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন। সেই সঙ্গে ডেলিভারির সময়ে বোলিং আর্ম একটু উঁচুতে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। স্বয়ং ওয়ার্ন পরামর্শ দিচ্ছেন উঠতি প্রতিভাকে, এমন নজির কিন্তু খুব একটা নেই।
ইন্টারনেটেই প্রথম মিকাল খানকে দেখেন শেন ওয়ার্ন। শুধু ওয়ার্নই নয় 'সুলতান অফ সুইং' বলে খ্যাত ওয়াসিম আকরামও প্রশংসা করেছেন মিকালের।
মাত্র ছয় বছর বয়সে কীভাবে মিকাল এই বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী হলেন তা ভেবে ক্লান্ত হচ্ছেন ক্রিকেটবোদ্ধারা।
আরও পড়ুন:
এএ/পি




