ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়া সফরে ‘ডাকের হ্যাটট্রিক’ করলেন লিটন

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
স্টার্কের বলে আউট লিটন দাস। ছবি: ক্রিকইনফো

অস্ট্রেলিয়া সফরে লিটন দাস যেন ছন্দই খুঁজে পাচ্ছেন না। ব্যাটিংয়ে সমর্থকদের বারবার হতাশ করছেন এই টাইগার উইকেটকিপার। দুই ম্যাচের তিন ইনিংসেই শূন্য রানে ফেরেন তিনি। এ যেন ‘ডাক’-এর হ্যাটট্রিক।

প্রথম টেস্টে ডারউইনে এক ইনিংস ও ম্যাকাই টেস্টের দুই ইনিংসেই ডাক মেরেছেন লিটন। প্রথম ম্যাচে ১২ বল খেলে মিচেল স্টার্কের শিকার হন তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচেও প্রথম ইনিংসে পাঁচ বল খেলে অজি পেসারের কাছে উইকেট হারান লিটন। তৃতীয় ইনিংসেও একই পরিণতি।

ম্যাকাই টেস্টের দ্বিতীয় দিন ২৩তম ওভারে লিটন নিজের প্রথম বল খেলেন স্টার্কের বিরুদ্ধে। বেশ অস্বস্তি নিয়ে ওই ছয়টি বল সামাল দেন তিনি। এর আগে নাথান লায়নের বলে স্টার্কের ক্যাচ হন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৪৬ বলে ছয় চারে ৩১ রান করে আউট হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। দলীয় ৫১ রানে বাজে এক শট খেলে স্টার্কের সহজ ক্যাচ হন তিনি। ২৪ রানে তিন উইকেট হারানোর পর মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তার জুটি ছিল ২৭ রানের। চতুর্থ উইকেট হারানোর পর লিটন-মুশফিক জুটি বাঁধেন। কিন্তু লিটন তার ১০টি বলই স্টার্কের মুখোমুখি হন। প্রথম ৯ বল কোনোরকমে ঠেকাতে পারলেও পরের বলে তৃতীয় স্লিপে বেউ ওয়েবস্টারের ক্যাচ হন তিনি।

এর আগে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে তিন উইকেট হারিয়ে করে ৩৯ রান। ২৩ রানে শান্ত ও চার রানে মুশফিক অপরাজিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে অলআউট করে ১৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমেছিল তারা।

কিন্তু শুরুতেই স্টার্কের তোপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে অজি পেসারের কাছে টানা দুটি উইকেট হারায় সফরকারীরা। প্রথম দুই ওভারে পাঁচ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে স্টার্ক সাদমান ইসলামকে (১) পয়েন্টে মার্নাস লাবুশেনের ক্যাচ বানান। পরের বলে মুমিনুল হকের অফস্টাম্প ভেঙে দেন। পাঁচ রানে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে সফরকারীরা।

শান্ত এসে মারমুখী ব্যাটিং করেন। এর মধ্যে নবম ওভারে স্টার্ককে টানা দুটি চার মারেন তিনি। প্রায় একশ স্ট্রাইক রেটে রানের গতি বাড়ান অধিনায়ক। কিন্তু তানজিদ হাসান তামিম বেশিক্ষণ তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি। অষ্টম ওভারে প্যাট কামিন্সের বলে বাউন্ডারির সামনে স্টার্কের ক্যাচ হন তিনি। ৩৪ বলে ৯ রান আসে এক নম্বরে নামা ব্যাটারের কাছ থেকে। ডারউইনে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর টানা দুটি ইনিংসে ডাক মারেন তানজিদ, এবার রানের খাতা খুললেও দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সাত উইকেট হারিয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ৭৩ রান। ক্রিজে আছেন তাইজুল ইসলাম ও মুশফিকুর রহিম।

এর আগে টেস্টে বাংলাদেশি পেসার হিসেবে সেরা বোলিং করেছেন শরিফুল ইসলাম। সাত উইকেট নিয়েছেন তিনি, দিয়েছেন ৪৮ রান। প্রথম ইনিংসে ৬৪ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ।

আট উইকেটে ১৬৫ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দিনের অষ্টম ওভারে সেট ব্যাটার ক্যামেরন গ্রিনকে ফেরান শরিফুল। বাংলাদেশ এলবিডব্লিউর আবেদন করেছিল। কিন্তু কুমার ধর্মসেনা আউট না দিলে রিভিউ নেয় তারা। শরিফুলের ইনসুইং ইয়র্কার গ্রিনের পায়ের আঙুলে লেগে তাকে ছিটকে ফেলে দেয়। বলটি ডিপ থার্ডে গড়িয়ে গেলে তারা একটি লেগ বাই রান নেয়। রিভিউয়ে সফল হয় বাংলাদেশ। ১০৫ বলে ১০ চারে ৬৭ রানে থামেন গ্রিন।

আরও পড়ুন

তারপর নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজেলউড ২৪ রানের জুটি গড়ে ব্যবধান বাড়াতে থাকেন। লায়ন ৬২ বলে চারটি চার ও এক ছয়ের মারে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন। হ্যাজেলউডকে ছয় রানে সাদমান ইসলামের ক্যাচ বানান তাইজুল ইসলাম।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ / রাতুলের গোলে গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ
শিরোপার লড়াই থেকে আর মাত্র একধাপ দূরে বাংলাদেশ। আফ্রিকার গ্যাবনকে হারিয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে প্লেট পর্বের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সেমিফাইনালে আজারবাইজানের বাকুতে গ্যাবনকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দল। ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়া গোলটি এসেছে ১৪ মিনিটে। রাতুলের করা সেই একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলাররা। এখন তাদের সামনে অপেক্ষা করছে শিরোপার লড়াই। আরটিভি/এসআর
রাতুলের গোলে গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ
সেঞ্চুরির পর সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন সাদমান
টেস্টে ক্রিকেটে নিয়মিত রান করেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। কিন্তু ভালো শুরু করে বড় ইনিংস খেলতে না পারায় অনেক সমালোচনার শিকার হয়েছেন তিনি। তবে এসব সমালোচনাকে মাথায় নিতে চান না মিরপুর টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকানো টাইগার ওপেনার। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। নিজের প্রস্তুতি নিয়ে সাদমান বলেন, গত কিছুদিন আমি এটা নিয়ে অনেক কাজ করছি। আমার কাছে মনে হচ্ছিল ফিটনেস ইস্যু হতে পারে। আমি ফিটনেস নিয়ে ভালো কাজ করছি, হয়তো ব্যাটিংয়েও সমস্যা ছিল। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। আশরাফুল ভাই ছিলেন, সালাউদ্দিন স্যার ছিলেন। তারাও বলেছেন, কিছু কাজ করলে হয়তো ভালো সাফল্য আসতে পারে। মিরপুরের উইকেটে ব্যাটিংয়ের চ্যালেঞ্জও মাথায় রাখতে হয় বলে মনে করেন সাদমান। তবে উইকেট নিয়ে আগেভাগে বেশি চিন্তা না করে বল বুঝে খেলার পরিকল্পনাতেই আস্থা রেখেছেন তিনি।  তার ভাষায়, উইকেট নিয়ে প্রথম থেকেই চিন্তা করিনি। যে বল আসবে, সেটাই খেলব—এটাই সবসময় পরিকল্পনা ছিল। আমরা দেখেছি, মিরপুরের উইকেটে সকালবেলা বা দিনের শেষে ব্যাটারদের একটু সমস্যায় ফেলে। ক্রিকেট জীবনে এসব আসবেই। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা নিয়ে কাজ করলেও সমালোচনা তার প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে দিতে চান না সাদমান। তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়মিত অনুশীলন, পরিশ্রম এবং নিজের প্রক্রিয়ায় স্থির থাকা।  এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমালোচনা আসবেই জীবনে। আমি এসব নিয়ে খুব কম চিন্তা করি। আমার কাজ খেলা, প্র্যাকটিস করা, হার্ডওয়ার্ক করা। আমি সবসময় এই প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকার চেষ্টা করি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রান পাওয়াকে পরিশ্রমের পাশাপাশি ভাগ্যের সঙ্গেও মিলিয়ে দেখছেন সাদমান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বড় ইনিংস খেলতে না পারার যে ঘাটতি ছিল, তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যেতে চান তিনি।  টাইগার ওপেনার বলেন, আমার কাজ খেলা, আমি খেলি। কে কখন আসবে, কোন দল আসবে, এটা হয়তো আল্লাহ আমাকে এভাবে রেখেছেন যে ওদের সঙ্গে রান করতে হবে। পুরোটাই হার্ডওয়ার্ক আর লাক। আরটিভি/এসআর
সেঞ্চুরির পর সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন সাদমান
মিরপুর টেস্ট / তাইজুলের জোড়া আঘাতে স্বস্তি নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করল বাংলাদেশ
আলোর স্বল্পতা ও বেরসিক বৃষ্টির কারণে আগেভাগে শেষ হয়েছে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা। শেষ দিকে মিরাজ ও তাইজুলের জোড়া শিকারে পরিস্থিতি বদলে লড়াইয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ। ৪ উইকেটে ১৩৪ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। তারা পিছিয়ে ১৩৮ রানে।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা স্বাগতিকরা ২৭২ রানে গুটিয়ে গেছে। তার পর ব্যাট হাতে দারুণ জবাব দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় সেশনের ‍শুরুতে হাসান মাহমুদের বলে একটি উইকেট হারালেও জন ক্যাম্পবেলের ফিফটিতে ১ উইকেটে ৮৯ রান নিয়ে চায়ের বিরতিতে যায় দুই দল।  মেঘলা আকাশের কারণে বিরতিটা আগেভাগেই নিতে হয়েছে। তার পর বৃষ্টির কারণে দেরিতে শুরু হয় খেলা।  বিরতির পর মাঠে ফিরেই ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের পর তাইজুল ইসলামের জোড়া আঘাতে মিরপুর টেস্টে চাপে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।  বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ থাকার পর ৩১তম ওভারে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মিরাজ। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৭৮ বলে ৫৪ রান করা জন ক্যাম্পবেলকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ক্যাম্পবেলের ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা। তার পর ইনিংসের ৩৬তম ওভারে পরপর দুই ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান তাইজুল ইসলাম। প্রথমে কাভেম হজকে ৭ রানে ফিরিয়ে দেন তিনি। এরপর কোনো রান না করেই তাইজুলের শিকার হন আমির জাঙ্গু। তাতে মিরাজের পর তাইজুলের এই জোড়া আঘাতে ম্যাচে শক্তভাবে ফেরে বাংলাদেশ। ছোটখাটো ধসের পর অবশ্য কোনও ঝামেলা ছাড়াই দিন পার করেন তেজনারায়ণ চন্দরপল (৪৩) ও জাস্টিন গ্রিভস (১৫)। তাইজুল ৪৪ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে নিয়েছেন হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।  আরটিভি/এসআর
তাইজুলের জোড়া আঘাতে স্বস্তি নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করল বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ / মন্টেনেগ্রোর জালে ১ হালি দিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের কিশোররা।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেছেন পাভেল। বাকি দুটি গোল এসেছে বায়জিদ ও শাবকের পা থেকে। এদিন ম্যাচের ৯ মিনিটেই বায়জিদের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ২৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পাভেল। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশের যুবারা।  ৩৪ মিনিটে শাবক গোল করার দুই মিনিট পর, ৩৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন পাভেল। চার গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশের কিশোররা। এই জয়ে প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে উঠেছে দলটি। আরটিভি/এসআর
মন্টেনেগ্রোর জালে ১ হালি দিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ
বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের সাবেক ক্রীড়াশিক্ষক বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
আরও পড়ুন
নিউজিল্যান্ড-ভারতের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
চড়া মূল্যে ব্লু স্টারে মেহেদী, পাত্তা পেলেন না রিশাদ
ডি থ্রি টুর্নামেন্টের নিলাম শুরু
ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা