
উরুগুয়ে (স্পেনীয় ভাষায় Uruguay উরুগুয়াই) দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মধ্যে অবস্থিত একটি দেশ। এটি দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ (সুরিনাম ক্ষুদ্রতম)। উরুগুয়েতে নগরায়নের হার উচ্চ। প্রায় ৯০ ভাগ জনগণ শহরে বাস করেন। ৪০ ভাগেরও বেশি লোক রাজধানী মন্টেভিডিওতে বাস করেন। উরুগুয়ের বেশির ভাগ লোক ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত।
পর্যটন শিল্প উরুগুয়ের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। দেশটির ছবির মতো সুন্দর সমুদ্রসৈকতগুলোতে সারা বিশ্বের পর্যটকরা বেড়াতে আসেন। কৃষিকাজ ও গবাদি পশু পালন গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।
১৯৩০ সালে উরুগুয়ে থেকে শুরু হয়েছিল ফুটবল বিশ্বকাপের অভিযাত্রা। ১৪ বছর পর ফুটবলের সেরা আসর পূর্ণ করবে শতবর্ষ। এমন মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০৩০ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে। প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আমেরিকার এই দুই দেশই খেলেছিল। যে ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল স্বাগতিক উরুগুয়ে।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ফুটবল মাঠে পুরুষ সেজে ইরানের মেয়েরা
--------------------------------------------------------
.jpg)
যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের কথাও চিন্তা করছেন আর্জেন্টিনার নতুন প্রেসিডেন্ট মাউরিসিও মাক্রি। আগের প্রেসিডেন্ট ক্রিশ্চিনা কির্চনারের আমলে উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনার সম্পর্ক কিছুটা শীতল ছিল। তবে মাক্রি দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী। আর সেজন্য বিশ্বকাপের শতবার্ষিকীকে বেছে নিতে চান তিনি। সম্প্রতি উরুগুয়ে সফরে গিয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজনের চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না। এ ব্যাপারে উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট তাবারে ভাসকেজের সঙ্গে আলোচনাও করেছেন মাক্রি।
এখন দুই দেশের কর্ণধার হলেও একসময় মাক্রি আর ভাসকেজের ফুটবলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। মাক্রি ছিলেন আর্জেন্টিনার সেরা ক্লাব বোকা জুনিয়র্সের সভাপতি। অন্যদিকে ভাসকেজও উরুগুয়ের প্রোগ্রেসো ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এখন পর্যন্ত দক্ষিণ আমেরিকায় পাঁচটি বিশ্বকাপ হয়েছে; ব্রাজিলে দুইবার আর উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও চিলিতে একবার করে।
.jpg)
১৯৩০ সাল থেকে উরুগুয়ের রাজধানী মন্টেভিডিওতে এস্তাদিও সেন্টেনেরিয়ায় তাদের হোম গেম খেলে। উরুগুয়ের প্রথম সংবিধানের শতশত বার্ষিকী উদযাপনে এই স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করা হয় এবং প্রথমবারের মতো এর ধারণ ক্ষমতা ছিল ৯০,০০০ দর্শক বহন করার।
১৯৩০ সালের বিশ্বকাপ উরুগুয়ের এই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যার মধ্যে ৯৩,০০০ এরও বেশি দর্শক খেলা দেখেছিল। উরুগুয়েতে এস্তাদিও সেনটেনারিও স্টেডিয়ামটি ১০০ মিটার চওড়া এবং ১০০ মিটার লম্বা। যা পৃথিবীর বৃহত্তম স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে একটি।
বর্তমান দল
উরুগুয়ের বর্তমান দল যথেষ্ট ব্যালেন্সড। যেখানে রয়েছে লুইস সুয়ারেজ, এডিনসন কাভানি, ম্যাক্সি গমেজের মত তুখোড় ফরোয়ার্ড। ডিফেন্সে রয়েছে দিয়াগো গডিন। আর গোল পোস্টের নিচে রয়েছেন ফার্নান্দো মুসলেরার মতো বিশ্বস্ত হাত। তাই তাদের হারাতে যে কোনো দলকেই বেগ পেতে হবে।
.jpg)
|
ডাকনাম
|
:
|
দ্য স্কাই ব্লু
|
|
অ্যাসোসিয়েশন
|
:
|
অ্যাসোসিয়েশন উরুগুয়ে দ্য ফুটবল
|
|
কনফেডারেশন
|
:
|
কনমেবল (দক্ষিণ আমেরিকা)
|
|
হেড কোচ
|
:
|
অস্কার তাবারেজ
|
|
অধিনায়ক
|
:
|
দিয়াগো গডিন
|
|
সর্বাধিক ম্যাচ
|
:
|
ম্যাক্সি পেরেইরা (১২৪)
|
|
সর্বাধিক গোলদাতা
|
:
|
লুইস সুয়ারেজ (৫০)
|
|
হোম ভেন্যু
|
:
|
স্তাদিও সেন্টেনারিও, মন্টেভিডিও
|
|
বর্তমান র্যাংকিং
|
:
|
১৭
|
|
সেরা সাফল্য
|
:
|
বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ১৯৩০ ও ১৯৫০
|
|
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ
|
:
|
১৯৩০, ১৯৫০, ১৯৫৪, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৭০, ১৯৭৪,
১৯৮৬, ১৯৯০, ২০০২, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮
|
|
সেরা খেলোয়াড়
|
:
|
লুইস সুয়ারেজ
|
আরও পড়ুন :
এএ




