
গত ১৩ বছর ধরেই বৈধ অবৈধর তকমা জুড়েছে তার বোলিং অ্যাকশনে। প্রথমবার হয়েছিল ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজে। তখন নিয়ম ভিন্ন থাকায় দ্রুতই ফিরে যান ক্রিকেটে। তবে ২০১৪ সালে নতুন নিয়মে আবার রিপোর্টেড হন দুবার। যার কারনে নিয়মানুসারে ১২ মাস নিষিদ্ধ থাকেন বোলিংয়ে। সবশেষ গত বছরের ১৮ অক্টোবর আবুধাবিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তৃতীয় ওয়ানডের সময় সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনে পড়েন।
অবশেষে তৃতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিংয়ের বৈধতা ফিরে পেলেন পাকিস্তানের দ্য প্রফেসর খ্যাত অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ।
গত বছরের অক্টোবর মাসে আবুধাবিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডের পর তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আম্পায়াররা। ১৪ দিনের মধ্যে অ্যাকশন পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা থাকায় গত বছরের ১ নভেম্বর ইংল্যান্ডের লাফবোরো ইউনিভার্সিটিতে পরীক্ষা দেন এই অলরাউন্ডার। পর্যবেক্ষণের পর তার বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি পাওয়া যায়।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : সুয়ারেজ-কাভানির হাত ধরে শিরোপা চায় উরুগুয়ে
--------------------------------------------------------
রিপোর্টে বলা হয় হাফিজের বেশির ভাগ ডেলিভারির সময় ১৫ ডিগ্রির বেশি কনুই ভাঙে। আইসিসির নিয়মানুযায়ী ১৫ ডিগ্রির বেশি কনুই ভেঙে বোলিং করলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হয়। ফলে তৃতীয়বারের মতো বোলিংয়ে নিষিদ্ধ হন হাফিজ।
জানা যায়, হাফিজকে ওই কমিটির সামনে চার ওভার বোলিং করতে হয়েছিলো। তবে বোলিং অ্যাকশন কোনও সমস্যা পাওয়া যাবে না এবং পুনরায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন দ্যা প্রফেসর খ্যাত হাফিজ।
৩৭ বছর বয়সি হাফিজ গত কয়েক মাস বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কাজ করেছেন। গত ১৭ এপ্রিল লাফবরো বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারো অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন। কাল সেই পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেছে আইসিসি। যেখানে আরো একবার তার বোলিং অ্যাকশন বৈধতা পেল।
আইসিসির বিবৃতিতে জানানো হয়, হাফিজের বোলিং অ্যাকশন পুনঃপরীক্ষায় দেখা গেছে তা বৈধ। তাই এখন থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই অফ স্পিনার বোলিং করতে পারবেন।
বোলিং বৈধতা পাওয়ায় এখন আবার হাফিজের অলরাউন্ড সার্ভিস পাবে পাকিস্তান। এটি পাকিস্তানের জন্য সুখবরই বটে।
আরও পড়ুন :
এএ




