
রাশিয়া বিশ্বকাপ শুরুর আগে কেউই তাদের ফেবারিট হিসেবে গোনায় ধরেনি। কিন্তু গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরা বিশ্বকাপের শুরু থেকে যেভাবে খেলছে তাতে তাদেরকে ফেবারিটের তালিকায় তুলে না আনাটাই হবে অপরাধ।
আর তার প্রমাণ তারা রেখেছে দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই। এদিন তারা নবাগত দল পানামাকে নিয়ে রীতিমত ছেলে খেলায় মেতে ওঠে। আর এ খেলায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম এবং তৃতীয় ইংলিশ খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন।
আর এ হ্যাটট্রিকের মধ্য দিয়ে এবারের বিশ্বকাপের গোল্ডের বুটের দৌড়ে সবাইকে পেছনে ফেলে পাঁচ গোল দিয়ে উঠে এলেন শীর্ষে। তার পিছনে চার গোল নিয়ে আছেন পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও বেলজিয়ামের রোমালু লুকাকু।
ম্যাচের ২২ ও ৪৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে প্রথম দুটি গোল করেন এবং ৬২ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে শটটা নিয়েছিলেন রুবেন লফটাস-চেক, কেনের গোড়ালিতে লেগে সেটা জড়িয়ে যায় জালে আর এর মাধ্যমেই তৃতীয় ইংলিশ হিসেবে বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
এর আগে ১৯৬৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন জিওফ হার্স্ট। বিশ্বকাপের ফাইনালে একমাত্র হ্যাটট্রিককারী ফুটবলারও তিনি। এরপর ১৯৮৬ বিশ্বকাপে পোল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন গ্যারি লিনেকার।
এছাড়া ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের পর হ্যারিকেন দ্বিতীয় ফুটবলার যিনি নিজের প্রথম বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচেই অন্তত দুটি করে গোল করার রেকর্ড গড়েছেন। ১৯৭৪ বিশ্বকাপে পোল্যান্ডের গ্রেগর ল্যাটো প্রথম দুই ম্যাচেই দুটি করে চারটি গোল করেছিলেন। সেবার তিনি হয়েছিলেন গোল্ডেন বুট বিজয়ী ফুটবলার। হ্যারিকেনও তাহলে কী এবার গোল্ডেন বুট জয় করে নেবেন? সেটা সময়ই বলে দিবে।
তবে ১৯৬৬ সালে রজার হান্ট ও ১৯৮৬ সালে লিনেকারের পর প্রথম ইংল্যান্ড খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে তিন বা এর বেশি গোল করলেন টটেনহামের এই ফরোয়ার্ড।
এএ




