
১৯৮৪ সালে রথম্যান্স এশিয়া কাপ নামে এই সংযুক্ত আরব আমিরাতেই যাত্রা শুরু এশিয়া কাপের। দেখতে দেখতে ১৩টি আসর শেষ হয়েছে। আজ বিকেলে বাংলাদেশ-শ্রীলংকার ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াবে ১৪তম আসরের।
এবারের টুর্নামেন্টে শিরোপার দাবিদার হিসেবে সবার ওপরে পাকিস্তানকেই রাখছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। তবে পাকিস্তানকে প্রাধান্য দিলেও তাদের নিয়ে ভরসাও করেন না অনেকে। কারণ ক্রিকেট যতটা আনপ্রেডিক্টেবল তার থেকে অনেক বেশি আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তান ক্রিকেট দল। ফেভারিটের তালিকায় দ্বিতীয়স্থানে রয়েছে ভারত। তৃতীয় হিসেবে রয়েছে শ্রীলংকা। তবে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান জহির আব্বাস কিন্তু বাংলাদেশকেও শিরোপার দাবিদার হিসেবেই দেখছেন।
দীর্ঘ ২৩ বছর পর আজ আবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ম্যাচ খেলতে নামছে বাংলাদেশ। সবশেষ সেই ১৯৯৫ সালে খেলেছিল লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। আরব আমিরাতের মাঠে বাংলাদেশের সাকিব, তামিমদের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি ২০ লিগ খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও বর্তমান দলের কেউই আরব আমিরাতে এ রআগে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেননি।
আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ইংল্যান্ডে। সে হিসেব করেই এবারের এশিয়া কাপ করা হয়েছে ওয়ানডে ফরম্যাটে। ৬টি দল ১৪দিনে ১৩টি ম্যাচে মুখোমুখি হবে আরব আমিরাতের দু’টি মাঠে। এরমধ্যে গ্রুপপর্বে টানা ছয় দিনে ছয়টি ম্যাচ। বি-গ্রুপে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার সঙ্গে রয়েছে আফগানিস্তান। এ-গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গী বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা হংকং। গ্রুপপর্বে সব দলই খেলবে দুটি করে ম্যাচ।
-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : লড়াই শুরু বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে
-------------------------------------------------------
দুই গ্রুপ থেকে দুটি করে দল উঠবে সুপার ফোর পর্বে। সেখানে চার দলই পরস্পরের মুখোমুখি হবে। প্রতিটি দল খেলবে তিনটি করে ম্যাচ। সুপার ফোরের শীর্ষ দুই দল ২৮ সেপ্টেম্বর মুখোমুখি হবে ফাইনালে। খেলা হবে দুবাই ও আবুধাবিতে।
এশিয়া কাপে সবচেয়ে বেশি (৫বার) স্বাগতিক হওয়ার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। এরপরই রয়েছে শ্রীলংকা (৪বার), তৃতীয় স্থানে রয়েছে আরব আমিরাত (৩বার), আর ভারত ও পাকিস্তান একবার করে। এবারের আসরটি যদিও ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকায় এটিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় আরব আমিরাতে।
তবে ১৪টি আসরের মধ্যে সর্বাধিক ৬টি শিরোপা নিজেদের ঘরে তুলেছে ভারত। এরপর শ্রীলংকা (৫বার) আর পাকিস্তান শিরোপা ঘরে তুলেছে (২বার)। বাংলাদেশ দু’বার শিরোপার দ্বারপ্রান্তে গেলেও ২০১২ সালে ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২ রানে এবং ২০১৬ সালে ভারতের কাছে ৮ উইকেটে পরাজিত হয়ে শিরোপার স্বপ্নভঙ হয়। যদিও ১৩তম আসরটি ছিল টি-টোয়েন্টি।
আরও পড়ুন :
এএ




