
টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে ১০০ উইকেট পেয়েছিলেন মোহাম্মদ রফিক। ২০০০ সালে টাইগারদের প্রথম টেস্টে অভিষেক হয়েছিল বাম-হাতি এই স্পিনারের। ২০০৮ সালে বিপক্ষে ৩৩তম ম্যাচের ৪৮তম ইনিংসে এই কীর্তি গড়েন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই ম্যাচে নামার আগেই অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন কিংবদন্তি এই বোলার। ২০০৭ সালের ক্রিকেটের সবচেয়ে রাজকীয় ফরম্যাটে অভিষেক করেন সাকিব আল হাসান। ক্যারিয়ারের ২৮তম ম্যাচে ও ৪৬তম ইনিংসে নিজের শততম উইকেট তুলে নিয়ে রফিককে ছাড়িয়ে যান এই স্পিনিং অলরাউন্ডার। এবার দেশের হয়ে দ্রুততম উইকেটের সেঞ্চুরি অর্থাৎ ১০০ উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন তাইজুল ইসলাম।
আগামী শুক্রবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে নামছে বাংলাদেশ দল। এই ম্যাচেই দলের অধিনায়ক সাকিবকে পেছনে ফেলার সুযোগ এসেছে তাইজুলের সামনে।
চলতি সিরেজের প্রথম ম্যাচে নিজের ক্যারিয়ারের ২২তম টেস্টের ৪০তম ইনিংসে বল করেছেন এই বাম-হাতি স্পিনার। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে ম্যাচের দুই ইনিংস মিলিয়ে তুলে নেন ৭টি উইকেট। এই পর্যন্ত উইকেট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪টি। অর্থাৎ আরও ৬টি উইকেট তুলতে পারলেই হয়ে টাইগারদের হয়ে যাবেন দ্রুততম শত উইকেট তুলে নেয়ার মালিক।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের এই ম্যাচে যদি সাতটি বা তার বেশি উইকেট শিকার করতে সক্ষম হন সেক্ষেত্রে আরও একটি মাইলফলক গড়ার সুযোগ রয়েছে ২৬ বছর বয়সী এই স্পিনারের কাছে। টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়ে যাবেন তাইজুল।
বাংলাদেশের হয়ে সাদা পোশাকে সর্বোচ্চ ২০১ উইকেটের মালিক সাকিব। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ১০০ উইকেট নেয়া রফিক। কয়েক দিন আগে ৭৮ উইকেট নেয়া মাশরাফি বিন মুর্তজাকে টপকিয়ে তৃতীয় স্থান এখন তাইজুলের দখলে।
আরও পড়ুন :
ওয়াই




