ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিএনসিসিতে ১০ দিনের অভিযানে ৬৯১ স্থাপনায় এডিসের লার্ভা 

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২০, ০৫:০৮ পিএম
ডিএনসিসিতে ১০ দিনের অভিযানে ৬৯১ স্থাপনায় এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে, ছবি: সংগৃহীত

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) তৃতীয় পর্যায়ের ১০ দিনের চিরুনি অভিযান আজ শেষ হয়েছে।

গত ৮ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া তৃতীয় পর্যায়ের এ চিরুনি অভিযানে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৭৪টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে মোট ৬৯১টিতে এডিসের লার্ভা এবং ৭৭ হাজার ৩৩২টিতে এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এ পর্যন্ত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মোট ১০ লাখ ৪ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার চিরুনি অভিযানের শেষ দিনে ১২ হাজার ৬৭৩টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন ইত্যাদি পরিদর্শন করে মোট ৫৬টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৭ হাজার ৫৭৫টি স্থাপনায় এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এ সময়ে ৯টি মামলায় মোট ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আজ উত্তরা অঞ্চলে (অঞ্চল-১) মোট ১ হাজার ৪১০টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১১টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ১ হাজার ৭৮টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬টি মামলায় ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মিরপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-২) মোট ২ হাজার ৩২৬টি স্থাপনা পরিদর্শন করে দুটিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ৩২২টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

মহাখালী অঞ্চলে (অঞ্চল-৩) মোট ১ হাজার ৩৩৫টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ২০টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ৮২৪টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিসের লার্ভা পাওয়ায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তিনটি মামলায় মোট ৩৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মিরপুর-১০ অঞ্চলে (অঞ্চল-৪) মোট ১ হাজার ৪৯৫টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে দুটিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৭৮০টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। কারওয়ান বাজার অঞ্চলে (অঞ্চল-৫) মোট ২ হাজার ৩৮টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে ৮টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ১ হাজার ৪৭৯টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

হরিরামপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-৬) মোট ১ হাজার ২১৮টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৫টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ১ হাজার ৭১টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

দক্ষিণখান অঞ্চলে (অঞ্চল-৭) মোট ৭৯৬টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ২টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদেরকে সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ৬৫৬টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। উত্তরখান অঞ্চলে (অঞ্চল-৮) মোট ৯৬৪টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে কোথাও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়নি। তবে ৬৩৬টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

ভাটারা অঞ্চলে (অঞ্চল-৯) মোট ৪৯৯টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ৬টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ২৭৫টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। সাতারকুল অঞ্চলে (অঞ্চল-১০) মোট ৫৯২টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে কোথাও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়নি। এছাড়া ৪৫৪টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।
পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের ২১ অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ, থাকবে আরও তিনদিন
সারাদেশে শীতের তীব্রতা বাড়ার পাশাপাশি আজ শৈত্যপ্রবাহ আরও বিস্তৃত হয়েছে। খুলনা বিভাগের ১০ জেলাসহ ২১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে আজ মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা বিভাগের ১০ জেলাসহ মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী, পাবনার ঈশ্বরদী, নওগাঁর বদলগাছী, দিনাজপুর, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, কুড়িগ্রামের রাজারহাট, বরিশাল ও বরগুনার খেপুপাড়া অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কিছু কিছু এলাকায় তা অব্যাহত থাকতে পারে। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্য জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আরও তিনদিন শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। অপরদিকে গতকালের মতো আজও (মঙ্গলবার) চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। তবে তাপমাত্রা আজ আরও কমেছে। ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে তাপমাত্রা নেমে আজ হয়েছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ একই তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে শ্রীমঙ্গলেও। পি  
দেশের ২১ অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ, থাকবে আরও তিনদিন
আজ গ্যাস থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে গ্যাস পাইপলাইন স্থানান্তর ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকছে। বসুন্ধরা গলি থেকে নিউমার্কেট এলাকায় পাইপলাইন নির্মাণকাজ চলবে। এ কারণে বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকছে। সোমবার তিতাসের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বসুন্ধরা গলি থেকে নিউমার্কেট এলাকায় পাইপলাইন নির্মাণকাজ হবে। এ কারণে গাউছিয়া, নিউমার্কেট, বসুন্ধরা গলি, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, হাতিরপুল ও এর আশপাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।  তিতাস কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে। পি  
আজ গ্যাস থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়
কাল রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না
বসুন্ধরা গলি ও নিউমার্কেট এলাকায় পাইপলাইন নির্মাণ কাজের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাস থাকবে না। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গাউছিয়া, নিউমার্কেট, বসুন্ধরা গলি, নিউ এলিফ্যান্ট রোড ও হাতিরপুল সংলগ্ন এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আরো পড়ুন... কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে চাকরির সুযোগ গ্যাস-বিদ্যুতের বকেয়া বিল দিতে হবে ৩০ জুনের মধ্যেই: প্রতিমন্ত্রী পঞ্চাশ হাজার টাকা চেয়েছিল তিতাস গ্যাস: মসজিদ কমিটির সভাপতি (ভিডিও) এসি নয় গ্যাস লাইন থেকে বিস্ফোরণ : ফায়ার সার্ভিস (ভিডিও) পি  
কাল রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না
শিবচরে পল্লীবিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি থামছেই না 
মাদারীপুরের শিবচরে কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না পল্লীবিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি। গত রাতে নতুন করে বাঁশকান্দি ও ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়ন থেকে পল্লীবিদ্যুতের আরও দুটি ট্রন্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে উপজেলায় গেলো তিন মাসে ৭ ইউনিয়নে ১৯টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। ফলে এখনও একটি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রসহ অন্ধকারে রয়েছে কয়েকশ পরিবার।  এদিকে পল্লীবিদ্যুতের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে স্থানীয় থানা পুলিশকে অবহিত করার পরেও চুরি থামছে না। মাঝে মাঝেই ঘটছে ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা। গেলো ৩ মাসে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে পল্লীবিদ্যুতের ১৯টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। যার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। নতুন ট্রান্সফরমারের জন্য ভর্তুকির টাকা যোগাতে হিমশিম খাচ্ছে অনেক গরীব পরিবার। শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি, নিলখী, উমেদপুর, শিরুয়াইল, বরেহাতলা দক্ষিণ, ভান্ডারিকান্দি ও পার্শ্ববর্তী সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নসহ তিন মাসে ৮ ইউনিয়নে পল্লীবিদ্যুতের ১৯ ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এসব এলাকা অন্ধকারে থাকায় একদিকে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে সন্ধ্যা হলেই চুরি ডাকাতির আতঙ্কে থাকছে এলাকাবাসী। এখনও বহেরাতলার ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রসহ ভান্ডারিকান্দি ও বাঁশকান্দি এলাকার শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎবিহীন অন্ধকারের রয়েছে। কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়া বিদ্যুতের নতুন সংযোগ পাওয়ার প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের। মাদারীপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির (শিবচর জোনাল অফিস) ডিজিএম মোঃ আকমাল হোসাইন বলেন, গেলো দুই মাসে শিবচরে বিদ্যুতের ১৯টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। চুরি ঠেকাতে আমরা উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে লিখিতভাবে অবহিত করেছি। জনসচেতনতা বাড়াতে এলাকায় মাইকিং করেছি। ট্রান্সফরমার চুরির কারণে এখনও একটি মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রসহ প্রায় একশ পরিবারের মতো মানুষ অন্ধকারে রয়েছে। অনেক গ্রাহকই আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়া ভর্তুকির টাকা যোগাতে পারছেন না। মাদারীপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শিবচর সার্কেল) আবির হোসেন বলেন, শীত ও ঘনকুয়াশার কারণে সম্প্রতি শিবচরে পল্লীবিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরির একটি চক্র সক্রিয় হয়েছে। তারা বিভিন্ন জায়গায় চুরি করছে। চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারগুলো উদ্ধারসহ এই চক্রটিকে ধরার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ১৯ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শিবচর উপজেলায় বর্তমানে এক লাখ পাঁচ হাজার পল্লীবিদ্যুতের গ্রাহক রয়েছে। এদের মধ্যে ৩০০ শিল্প মিটার, ৮ হাজার বাণিজ্যিক মিটার ও ৯৬ হাজার ৭০০ আবাসিক মিটার ব্যবহারকারী রয়েছে। পি  
শিবচরে পল্লীবিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি থামছেই না 
নওগাঁয় ইটের প্রাচীরে ২১ মাস অবরুদ্ধ এক পরিবার 
নওগাঁর রাণীনগরে প্রায় ২১ মাস ধরে নিজ বসত বাড়িতে ঢুকতে না পেরে পরিবার নিয়ে অন্যের বাড়িতে বসবাস করছে এক অসহায় পরিবার। বৃদ্ধ দাদীসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কষ্টের মধ্যে মানবেতর জীবন যাপন করছে রিপন উদ্দিন শাহ। বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিয়ে বিচার না পেয়ে হতাশাগ্রস্ত ওই পরিবারের সদস্যরা একযোগে আত্মহত্যা করার পথ বেছে নিতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জানা গেছে, উপজেলার গোনা ইউনিয়নের ঘোষগ্রামের ইয়াছিন আলীর ছেলে রিপন উদ্দিন শাহ্ ঘোষগ্রাম মৌজার ৪৮২ খতিয়ানে ৬১৬ দাগের তার পৈতৃক সম্পত্তির ৩১ কাতে ৩ শতক জমির উপরে প্রায় ১০ বছর আগে টিন দিয়ে বাড়ি তৈরি করেন। বাকি জায়গায় নানান জাতের গাছপালা লাগিয়ে তার পরিবার ও বৃদ্ধ দাদীকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। তার দাদী আম্বিয়া বেগম জীবদ্দশায় নাতি রিপন ও তার বোনদের গত ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে রাণীনগর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ৫১৯৩ নং দলিলমূলে ৩ শতক জমি লিখে দেন।  শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল ও বসবাসের এক পর্যায়ে গত বছরের মার্চ মাসে রিপন শাহ্ তার পরিবারসহ আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায়। এই সুযোগে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক স্থানীয় প্রভাবশালী জিয়া উদ্দিনের ছেলে আব্দুল বারিক সরদার তার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে রিপনের বসতবাড়ির চারিদিকে ৫ থেকে ৭ ফিট উঁচু করে প্রাচীর দিয়ে ঘিরে ফেলেন। এক কাপড়ে বের হওয়া রিপন মই দিয়ে প্রাচীর টপকিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করলেও চারিদিকে ইটের প্রাচীর অবরুদ্ধ থাকায় তার নিজ বাড়িঘর ছেড়ে স্বজনদের নিয়ে অন্যের বাড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করছে।  ভুক্তভোগী রিপন বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মৌখিকভাবে জানালে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঘটনার সত্যতা পেয়ে বারিক উদ্দিনকে তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডেকে পাঠায়। কিন্তু তার ডাকে উপস্থিত না হয়ে বহিরাগত লোকজন নিয়ে প্রাচীরটি আরও মজবুত করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।  রিপনের পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিয়ে মানবিক আর্তনাত করেও অদ্যাবধি কোনো ফলাফল না পেয়ে স্থানীয় গনমাধ্যমকর্মীদের জানালে তারা ঘটনাস্থলে গেলে প্রভাবশালী বারিকের লোকজনরা ওই পরিবারে সদ্যসদের উপর চরাও হয়। এমনকি তারা স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন রকমের হুমকি-ধমকিও প্রদান করে। প্রভাবশালী আব্দুল বারিক সরদারের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-মামুন জানান, বিষয়টি জানার পর আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বারিক উদ্দিনকে জমির কাগজপত্র নিয়ে আসতে বললেও বারিক আসেনি। পি
নওগাঁয় ইটের প্রাচীরে ২১ মাস অবরুদ্ধ এক পরিবার 
আরও পড়ুন
টানা ১০ দিন বন্ধ মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট সেবা
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’