ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কিশোরদের জন্য এআই চরিত্রের ব্যবহার বন্ধ করছে মেটা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কিশোর ব্যবহারকারীদের জন্য এআই চরিত্র ব্যবহারের সুবিধা সাময়িকভাবে বন্ধ করছে মেটা। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ সব অ্যাপে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। কিশোরদের জন্য নতুন ও নিরাপদ অভিজ্ঞতা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এই সুবিধা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে কিশোরদের জন্য তাদের বিদ্যমান এআই চরিত্রগুলোর ব্যবহার স্থগিত করা হচ্ছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। মেটার সব অ্যাপেই এটি প্রযোজ্য হবে।

মেটা এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে, কিশোরদের জন্য আলাদা ও হালনাগাদ এআই অভিজ্ঞতা তৈরির কাজ চলছে। সেই নতুন সংস্করণ প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত কিশোর ব্যবহারকারীরা এআই চরিত্রে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতিষ্ঠানটির ভাষায়, শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ।

নতুন এআই চরিত্রগুলো চালু হলে সেখানে অভিভাবক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকবে। অর্থাৎ অভিভাবকেরা চাইলে সন্তানের এআই ব্যবহারে সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন। তবে এই নতুন সংস্করণ ঠিক কবে চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানায়নি মেটা।

গত অক্টোবর মাসে মেটা প্রথমবারের মতো অভিভাবক নিয়ন্ত্রণের কিছু ফিচারের ঝলক দেখিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল কিশোরদের এআই চরিত্রের সঙ্গে ব্যক্তিগত চ্যাট বন্ধ করে দেওয়ার সুযোগ। সেই উদ্যোগ আসে মেটার ‘ফ্লার্টি’ বা অতিরিক্ত বন্ধুত্বপূর্ণ চ্যাটবট আচরণ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ার পর। তবে শুক্রবার মেটা জানিয়েছে, ওই অভিভাবক নিয়ন্ত্রণ ফিচারগুলো এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি।

মেটা আগে জানিয়েছিল, কিশোরদের জন্য তাদের এআই অভিজ্ঞতা তৈরি হবে পিজি–১৩ চলচ্চিত্র রেটিং অনুসরণ করে। অর্থাৎ যেসব বিষয় ১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য অনুপযুক্ত সেগুলো এড়িয়ে চলা হবে। এর মাধ্যমে কিশোরদের অনুপযুক্ত বা সংবেদনশীল কনটেন্ট থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি বেড়েছে। বিশেষ করে চ্যাটবটের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন নীতিনির্ধারকেরা। গত আগস্টে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটার কিছু এআই নীতিমালার কারণে কিশোরদের সঙ্গে উসকানিমূলক বা অনুপযুক্ত কথোপকথনের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। এরপর থেকেই মেটার এআই সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, কিশোরদের জন্য এআই চরিত্র ব্যবহারে বিরতি দেওয়া মেটার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে একদিকে যেমন নিরাপত্তা ঝুঁকি কমবে, অন্যদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও অভিভাবকদের উদ্বেগ প্রশমিত হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে কিশোরদের জন্য এআই অভিজ্ঞতা কীভাবে তৈরি করা হবে এবং সেই অভিজ্ঞতা কতটা নিরাপদ হবে— সেদিকেই এখন সবার নজর।

মেটার এই সিদ্ধান্ত দেখায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষা এখন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বড় অগ্রাধিকার হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে এআইভিত্তিক ফিচার চালুর আগে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও জোরদার হতে পারে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরটিভি/এএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশকে এআই হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নতুন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে শহর থেকে গ্রামকে ডিজিটাল সংযোগের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশকে এআই হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
হোয়াটসঅ্যাপ-টেলিগ্রামে নতুন নিয়ম, সমস্যায় পড়তে পারেন যেসব ব্যবহারকারী
প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, মেসেজিং অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল সিম বা ই-সিম ফোনে সক্রিয় রাখা বাধ্যতামূলক হতে পারে। এতে নিবন্ধিত সিম ছাড়া এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়তে পারেন।
হোয়াটসঅ্যাপ-টেলিগ্রামে নতুন নিয়ম, সমস্যায় পড়তে পারেন যেসব ব্যবহারকারী
আয়কর রিটার্নের যেসব ভুল সংশোধনের সুযোগ পাবেন, মানতে হবে যেসব শর্ত
আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার পর আয়ের হিসাব, কর অব্যাহতি বা কর ক্রেডিটের তথ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভুল ধরা পড়লে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে এ জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ও শর্ত মানতে হবে। মূল রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হলে সংশোধনের সুযোগ থাকবে না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে করদাতারা নিজেদের দাখিল করা আয়কর রিটার্ন সংশোধন করতে পারবেন। তাই রিটার্ন জমা দেওয়ার পর কোনো ভুল চোখে পড়লে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আয়কর রিটার্নে মূলত তিন ধরনের ভুল সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। এগুলো হলো— ১. প্রদর্শিত আয়ের ভুল: রিটার্নে আয়ের পরিমাণ উল্লেখ করতে গিয়ে ভুল হলে তা সংশোধনের আবেদন করা যাবে। ২. কর অব্যাহতি বা কর ক্রেডিটের ভুল: কর অব্যাহতি কিংবা কর ক্রেডিট দাবি করার ক্ষেত্রে ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। ৩. অন্যান্য যৌক্তিক ভুল: উপরোক্ত বিষয়গুলোর বাইরে গ্রহণযোগ্য কোনো কারণে রিটার্নে ভুল হলে সেটিও সংশোধনের আওতায় আসতে পারে। রিটার্ন সংশোধনের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী- মূল রিটার্ন জমা দেওয়ার তারিখ থেকে ১৮০ দিন পার হয়ে গেলে সংশোধনের সুযোগ থাকবে না। একই করবর্ষের রিটার্ন একবার সংশোধন করার পর দ্বিতীয়বার সংশোধন করা যাবে না। মূল রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হলে তা আর সংশোধন করা যাবে না। ফলে রিটার্ন জমা দেওয়ার পর ভুল শনাক্ত হলে দেরি না করে সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু করা প্রয়োজন। অনলাইনে যেভাবে সংশোধিত রিটার্ন জমা দেবেন করদাতাদের সুবিধার্থে অনলাইনে সংশোধিত আয়কর রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থা রয়েছে। এ জন্য এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট রিটার্ন সংশোধনের অপশন ব্যবহার করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করতে হবে। সংশোধনের ফলে করের পরিমাণ বেড়ে গেলে নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে। এ ছাড়া প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জরিমানাও দিতে হতে পারে। টিআইএনধারীর তুলনায় রিটার্ন জমা কম প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত প্রায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার করদাতা আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে, দেশে কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএনধারীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, টিআইএনধারীর তুলনায় রিটার্ন জমা দেওয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একই সঙ্গে রিটার্নে সঠিক তথ্য দেওয়া এবং ভুল হলে আইন অনুযায়ী তা সংশোধন করা করদাতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সতর্কতা: রিটার্ন সংশোধনের সময়সীমা ও যোগ্যতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করবর্ষের প্রযোজ্য আইন এবং এনবিআরের সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করে নেওয়া উচিত। আরটিভি/এসকে
আয়কর রিটার্নের যেসব ভুল সংশোধনের সুযোগ পাবেন, মানতে হবে যেসব শর্ত
২০ বছর ধরে জমানো ৫৩টি আইফোন নিয়ে অ্যাপল স্টোরে এক ভক্ত
প্রথম প্রজন্মের আইফোন থেকে সর্বশেষ মডেল দুই দশকের সংগ্রহ নিয়ে অ্যাপল স্টোরে হাজির দুবাইপ্রবাসী মোহাম্মদ শাকা। নতুন ফোল্ডেবল আইফোন কিনতে গিয়ে নজর কাড়েন সবার।
২০ বছর ধরে জমানো ৫৩টি আইফোন নিয়ে অ্যাপল স্টোরে এক ভক্ত
ঘরে বসেই টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে, জেনে নিন নিয়ম
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ভিসার আবেদন কিংবা বিভিন্ন দাপ্তরিক প্রয়োজনে অনেকেই ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) বা টিন সার্টিফিকেট করেছেন। তবে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন না থাকলেও টিআইএন সক্রিয় থাকায় আয়কর রিটার্ন দাখিলসহ বিভিন্ন বিষয়ে জটিলতায় পড়তে পারেন করদাতারা। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে টিআইএন বাতিলের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হয়।  টিআইএন হলো করদাতার পরিচিতি শনাক্ত করার জন্য নির্ধারিত একটি অনন্য নম্বর। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আয়কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। তবে টিআইএন থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে পারে। তাই শুধু টিআইএন ব্যবহার না করার কারণে সেটি বাতিল করা যাবে এমনটি নয়। বাতিলের জন্য নির্দিষ্ট কারণ ও শর্ত পূরণ করতে হয়। যেসব কারণে টিআইএন বাতিলের আবেদন করা যায় ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে: কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট টিআইএন বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে। একাধিক টিআইএন তৈরি হলে: একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে ভুলবশত একাধিক টিআইএন তৈরি হলে প্রয়োজনীয় একটি রেখে অন্যটি বাতিলের আবেদন করা যায়। টিআইএন রাখার প্রয়োজন না থাকলে: নির্দিষ্ট কোনো কাজের জন্য টিআইএন নেওয়ার পর সেটির আর প্রয়োজন না থাকলে প্রযোজ্য শর্ত পূরণ করে বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে। আয় করযোগ্য সীমার নিচে নেমে গেলে: কোনো ব্যক্তির আয় কমে গেলে এবং আইন অনুযায়ী টিআইএন রাখার প্রয়োজন না থাকলে, পরিস্থিতি বিবেচনায় বাতিলের আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক: দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থান এবং বাংলাদেশে করযোগ্য আয় না থাকার মতো পরিস্থিতিতে টিআইএন বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধান ও অন্যান্য শর্ত যাচাই করা জরুরি। করদাতার মৃত্যু হলে: কোনো করদাতা মারা গেলে তার টিআইএন বাতিলের প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হয়। মৃত ব্যক্তির নামে ব্যবসা বা অন্য কোনো কার্যক্রম চালু থাকলে আলাদা বিষয় বিবেচনা করতে হবে। যেভাবে টিআইএন বাতিলের আবেদন করবেন টিআইএন বাতিলের আবেদন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করতে হয়। অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে কি না এবং কোন পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর অফিস থেকে নিশ্চিত হওয়া উচিত। আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণত নিচের বিষয়গুলো প্রস্তুত রাখতে হয়-  ১. নিজের টিআইএন নম্বর ও ব্যক্তিগত পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য। ২. জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি। ৩. টিআইএন বাতিলের যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করে আবেদনপত্র। ৪. ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে থাকলে তার প্রমাণপত্র, যদি প্রযোজ্য হয়। ৫. সংশ্লিষ্ট কর অফিস চাইলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি। অনলাইনে আবেদন করতে হলে প্রথমে এনবিআরের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ই-সেবা ও নির্দেশনা যাচাই করতে হবে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করার নির্দিষ্ট ব্যবস্থা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদন পর্যালোচনার সময় অতিরিক্ত কাগজপত্রও চাওয়া হতে পারে। এ ছাড়া অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল বা কর অফিসে যোগাযোগ করে আবেদন জমা দেওয়ার পদ্ধতি জেনে নেওয়া যেতে পারে। আবেদন জমা দিলেই টিআইএন বাতিল হয়ে যায় না, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন। টিআইএন বাতিলের পর কী হবে? টিআইএন বাতিলের আবেদন অনুমোদিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বাতিলের আগে আগের কোনো আয়কর রিটার্ন, বকেয়া কর বা অন্যান্য আইনগত দায় থাকলে সেগুলো নিষ্পত্তির প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে শুধু রিটার্ন দাখিলের ঝামেলা এড়াতে তাড়াহুড়ো করে টিআইএন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। নিজের বর্তমান আয়, সম্পদ, ব্যবসা এবং ভবিষ্যতে টিআইএন প্রয়োজন হতে পারে কি না, তা বিবেচনা করা জরুরি। টিআইএন বাতিলের নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এনবিআরের সরকারি ওয়েবসাইট nbr.gov.bd অথবা সংশ্লিষ্ট কর অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে। প্রয়োজনে কর বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াও ভালো। আরটিভি/এসকে
ঘরে বসেই টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে, জেনে নিন নিয়ম
আরও পড়ুন
ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা
আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারে গিয়ে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দিলেন আল্টিমেটাম
আল্টিমেটাম পার হওয়ায় উপাচার্যকে তালাবদ্ধ করলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা
মিউজ এআই চালুর পর মেটার শেয়ারের দাম আকাশচুম্বী