ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

হোয়াটসঅ্যাপের কাছে ভুয়া খবর ছড়ানোর কৈফিয়ত চেয়েছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০১৮, ০১:০৮ পিএম

ভারতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছড়ানো গুজবের জেরে একের পর এক গণপিটুনির ঘটনার পর সরকার কার্যত জনপ্রিয় এ ম্যাসেজিং প্ল্যাটফর্মটির কাছে কৈফিয়ত চেয়েছে।

জবাবে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ সরকারকে চিঠি লিখে জানিয়েছে, যেভাবে একটার পর একটা হিংসার ঘটনা ঘটছে তাতে তারাও 'আতঙ্কিত' - এবং সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তারা এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।

এর উদ্দেশ্যে শুধু ভারতের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ একটি নতুন লেবেল পরীক্ষা করছে বলেও জানিয়েছে।

তবে ভারতে তুমুল জনপ্রিয় এই ম্যাসেজিং প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে ভুয়া খবর ছড়ানো কীভাবে ঠেকানো সম্ভব তা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট ঐকমত্য নেই-যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন হোয়াটসঅ্যাপও এখানে দায় এড়াতে পারে না।

----------------------------------------------------
আরও পড়ুন : উগান্ডায় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কর!
----------------------------------------------------

গত কয়েকদিনে ছেলেধরা বা ওই জাতীয় গুজব ছড়িয়ে পিটিয়ে মানুষ মেরে ফেলার মতো ঘটনা ঘটেছে অন্ধ্র, মহারাষ্ট্র, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, ছত্তিশগড়, গুজরাট, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানার মতো বহু রাজ্যে-আর প্রায় সব ক্ষেত্রেই গুজব ছড়ানোর মাধ্যম ছিল হোয়াটসঅ্যাপ।

চ্যানেলে চ্যানেলে চলছে তুমুল আলোচনা-গণপিটুনি বা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর অজুহাত হিসেবে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজকে।

ভুয়া ম্যাসেজের সমস্যাটা বোঝা যাচ্ছে, কিন্তু যেখানে বিশ কোটিরও বেশি ভারতীয় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন এবং ওই প্ল্যাটফর্মে তারা দৈনিক তেরোশো কোটিরও বেশি ম্যাসেজ আদান-প্রদান করেন- সেখানে সমাধানটা ঠিক কী হবে সেই উত্তরটা এখনও জানা নেই।

এই পটভূমিতেই ভারত সরকারের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সোমবার হোয়াটসঅ্যাপকে চিঠি লিখে বলেছিল, তারা যেন 'বিস্ফোরক খবর' ছড়ানো ঠেকাতে ব্যবস্থা নেয়।

ভারতের দ্য সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটির গবেষণা-প্রধান সুমন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ও মনে করেন প্রচলিত আইনও বলে এক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ কিন্তু তাদের হাত মুছে ফেলতে পারে না।

তিনি বলছেন, এই ধরনের সমস্যার একটা টেকনিক্যাল নাম আছে, ইন্টারমিডিয়ারি লায়াবিলিটি। হোয়াটসঅ্যাপ এখানে ইন্টারমিডিয়ারি বা মধ্যস্থ প্ল্যাটফরম-সেটাকে ব্যবহার করে কোনও ঘটনা ঘটানো হলে তাতে তাদের কতটা বা কীরকম দায়বদ্ধতা থাকবে, সে ব্যাপারে পরিষ্কার আন্তর্জাতিক আইনও আছে।

তিনি আরও বলেন, হোয়াটসঅ্যাপ যেহেতু একটা ডিজিটাল ম্যাসেজিং প্ল্যাটফর্ম, তাই ধরেই নেওয়া যায় কোনও নম্বর বা অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও বার্তা কোথায় যাচ্ছে, তার একটা সার্বিক ছবি তাদের কাছে আছে। ফলে প্রশাসন বা পুলিশ যখন তাদের বলে অমুক বার্তাটা হেইট স্পিচ বা তমুক বার্তা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, তখন হোয়াটসঅ্যাপের বলার কোনও অবকাশ নেই তারা জানে না সেটা কে কাকে পাঠিয়েছে!

এসব ক্ষেত্রে সচরাচর হোয়াটসঅ্যাপের জবাব হয়, অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশনের গোপনীয়তার জন্য তাদের হাত-পা বাঁধা।

আর ভারতের বর্তমান সরকার এখনও যেকোনো এনক্রিপশন নীতিমালাই চূড়ান্ত করে উঠতে পারেনি, সেটাও এখানে একটা বড় প্রতিবন্ধকতার কাজ করছে।

তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদও মনে করেন, ভারতের মতো মুক্ত গণতন্ত্রে একটা এনক্রিপশন নীতির খুব দরকার।

কিন্তু ঘটনা হলো তিন বছর আগে একটা খসড়া নীতিমালা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর সরকারও এখনও নতুন খসড়া পেশই করতে পারেনি। প্রয়োজনটা সরকারও বুঝছে, কিন্তু কাজ এগোচ্ছে না।

তবে কাশ্মীর হোক বা তামিলনাড়ু-এখনও ভারতের যে প্রান্তেই যখনই কোনও উত্তেজনা মাথা চাড়া দেয়- প্রথম আঘাতটা পড়ে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক-টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়াতেই।

সুমন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মনে করেন, একটা দেশের আইন মেনে এখানে হোয়াটসঅ্যাপকেও দরকারে তাদের প্রযুক্তি বদলাতে হবে।

তিনি বলছেন, হোয়াটসঅ্যাপ বলে থাকে তারা কারও মেসেজ পড়তে চায় না, সেন্সর করতে চায় না-সে কারণেই অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপ্ট করার অনুমতি দিয়ে থাকে। ভালো কথা, কিন্তু মেসেজটা কী তা না-জেনেও কিন্তু সেই বিশেষ মেসেজটা ডিজিট্যালি আইডেন্টিফাই করা খুবই সম্ভব।

সরকারকে লেখা চিঠিতে হোয়াটসঅ্যাপ বলেছে, তারা ভারতে এমন লেবেল চালু করতে চাইছে যাতে বোঝা যাবে একটা বার্তা কেউ নিজে লিখেছেন-নাকি স্রেফ ফরোয়ার্ড করেছেন।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভুয়া তথ্য ঠেকাতে এটুকুই যথেষ্ট নয়-সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে আরও কিছু টেকনিক্যাল ব্যবস্থা তাদের গ্রহণ করতেই হবে।

সূত্র-বিবিসি বাংলা

আরও পড়ুন :

ভুয়া খবর ঠেকাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানি কিনছে ফেসবুক

কেএইচ/জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
পকেটে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স বিস্ফোরণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের এক ব্যক্তি। এসময় ওই ফোনে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ভারতের প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম গেজেটস নাউ জানিয়েছে, জ হিলার্ড নামের এক ব্যক্তি ২০ দিন আগে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স কিনেন। কিন্তু এটা হঠাৎ তার পকেটে বিস্ফোরিত হয় এবং আগুন ধরে যায়। হিলার্ড জানান, ডিসেম্বরের ১২ তারিখ এই ঘটনা ঘটে। ওইদিন তিনি দুপুরের খাবার খেতে বাইরে যান। হঠাৎ তিনি বুঝতে পারেন, তার প্যান্টের পেছন পকেট থেকে বাজে গন্ধ আসছে। এসময় তিনি তাপ অনুভব করেন এবং এরপরই ধোঁয়া দেখতে পান। যে কারণে বুঝতে দেরি হয়নি যে তার আইফোনে আগুন ধরে গেছে। এ সম্পর্কে হিলার্ড বলেন, আমি তাপ অনুভব করা এবং ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার পর দ্রুত স্থান ত্যাগ করি, যেহেতু ওই জায়গায় একজন মেয়ে ছিল। এরপর আমি বোর্ড রুমে গিয়ে দ্রুত প্যান্ট খুলে ফেলি। আমার আর্তনাদ শুনে কয়েকজন এসে আগুন নেভায়। এই ঘটনার পর হিলার্ড অ্যাপল কেয়ারে যোগাযোগ করেছেন। হিলার্ড দাবি করেন, অ্যাপলের সুরক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। এরপর অ্যাপলের ওই কর্মকর্তা হিলার্ডকে বিস্ফোরিত ফোনের ছবি, ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক এবং কোনও আহতের ছবি থাকলে সেগুলো পাঠাতে বলেন। এসব প্রমাণ পাঠানোর পর কয়েকদিন পর নতুন আইফোন পান হিলার্ড। ডি/ এসএস
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ভোটগ্রহণ শেষে টানা ২০ ঘণ্টা পর চালু হলো মোবাইল ফোন ইন্টারনেট। রোববার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ইন্টারনেট চালু করা হয়। এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশে দেশজুড়ে সম্পূর্ণ মোবাইল ফোন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় মোবাইল অপারেটরগুলো। এছাড়া গেল বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রায় ১০ ঘণ্টা মোবাইল ইন্টারনেটে ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় খোলার পর শনিবার দুপুর পর্যন্ত তা চলছিল। এরপর শনিবার বিকেল ৩টা থেকে দ্বিতীয় দফায় থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। তখন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) জাকির হোসেন খান বলেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে, গুজব প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনায় মোবাইল ফোন অপারেটদের থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। ডি/জেএইচ
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
শিক্ষার্থীরা প্রায়ই স্কুল ফাঁকি দেয়। বাসা থেকে স্কুলের কথা বলে বের হলেও মাঝেমধ্যেই স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ায় তারা। আর এই সমস্যা সমাধানে নতুন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে চীনের স্কুলগুলো। তারা চিপযুক্ত ‘স্মার্ট ইউনিফর্ম’ বা স্মার্ট পোশাক চালু করেছে। এই পোশাক পরা শিক্ষার্থী কোথায় আছে তা জানতে পারবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফলে স্কুলড্রেস পরে স্কুলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে অন্য কোথাও গেলে তা ধরে ফেলতে পারবে তারা। চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদপত্র দ্য গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে এসব কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্ত বিষয়ক গণমাধ্যম দ্য ভার্জ। গণমাধ্যমটি জানায়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে চীনের স্কুলগুলো। চিপ ব্যবহার করা হলেও এই পোশাক ধোয়া যায়। এর কার্যক্রম ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে এবং এটা ৫০০ বার ধোয়া যাবে। এই পোশাকের আরও কিছু সুবিধা আছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো- কোনও শিক্ষার্থী ক্লাসে ঘুমিয়ে গেলে তা স্মার্ট পোশাকের মাধ্যমে শনাক্ত করা যাবে। বর্তমানে চীনের গুইজো প্রদেশের ১০টি স্কুলে স্মার্ট ইউনিফর্ম ব্যবহৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই পোশাক ব্যবহারকারী স্কুলের সংখ্যা বাড়তে পারে। ডি/কে
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
এ বছরের সবচেয়ে সুন্দর স্মার্টফোন যেগুলো
আর মাত্র দুদিন। এরপরই শুরু হবে নতুন বছর। ২০১৮ সাল চিরতরে বিদায় নেয়ার আগে চলুন দেখে যাক এ বছরের সবচেয়ে সুন্দর স্মার্টফোনগুলো। এই তালিকা তৈরি করেছে ভারতের প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গেজেটস নাউ। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-নাইন প্লাস চলতি বছর সবচেয়ে সুন্দর স্মার্টফোনের তালিকায় শীর্ষে আছে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস-নাইন প্লাস। স্মার্টফোনটির ডিসপ্লের আকার ৬ দশমিক ২ ইঞ্চি। এর র‍্যাম ৬ গিগা এবং ইন্টারনাল স্টোরেজ ৬৪ গিগা। এছাড়া এতে ৪০০ গিগা পর্যন্ত বাড়তি স্টোরেজ কার্ড সংযুক্ত করার সুযোগ আছে। হুয়াওয়ে মেট-টুয়েন্টি প্রো হুয়াওয়ের এই স্মার্টফোনটির ডিজাইন অনেকটা স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-নাইন প্লাসের মতোই। তবে এই স্মার্টফোনটির স্ক্রিনের আকার ৬ দশমিক ৩৯ ইঞ্চি। এর র‍্যাম ৬ গিগা এবং ইন্টারনাল স্টোরেজ ১২৮ গিগা। এতে ২৫৬ গিগা পর্যন্ত ন্যানো মেমরি সংযুক্ত করা যাবে। হুয়াওয়ের এই স্মার্টফোনের ব্যাটারি ক্ষমতা ৪ হাজার ২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার। ওয়ানপ্লাস সিক্স-টি থান্ডার পার্পাল ওয়ানপ্লাস সিক্স-টি স্মার্টফোন বাজারে আসার কয়েক সপ্তাহ পরেই সিক্স-টি থান্ডার পার্পাল নিয়ে আসে প্রতিষ্ঠানটি। আর এটিই ২০১৮ সালের সবচেয়ে সুন্দর স্মার্টফোনের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এর র‍্যাম ৮ গিগা এবং ইন্টারনাল স্টোরেজ ১২৮ গিগা। আইফোন এক্সএস ম্যাক্স এ বছরের সুন্দর স্মার্টফোনগুলোর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে আছে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স। এই ফোনের ‘গোল্ড কালার’ ভার্সনটিকে মূলত সুন্দর ফোনের তালিকায় রাখা হয়েছে। এর র‍্যাম ৪ গিগা আর স্টোরেজ ৬৪, ২৫৬ ও ৫১২ গিগা। আইফোন এক্সআর আইফোন এক্সআরও এই তালিকার রয়েছে। এই মডেলের রেড, ইয়েলো, হোয়াইট, কোরাল, ব্ল্যাক ও ব্লু কালারের ফোন বাজারে এসেছে। এর মধ্যে সুন্দর হিসেবে ধরা হয়েছে ব্লু এবং রেড কালারের ফোনকে। ডি/জেএইচ
এ বছরের সবচেয়ে সুন্দর স্মার্টফোন যেগুলো
আবারও থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ
আবারও মোবাইলে ইন্টারনেটের থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। শনিবার দুপুর থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত এই নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখতে দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে কয়েকটি অপারেটরের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে। বিটিআরসি থেকে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশনায় বলা হয়েছে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত থ্রিজি ও ফোরজি বন্ধ থাকবে। এরই মধ্যে থ্রিজি ও ফোরজি বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ নির্দেশনার ফলে টুজি ইন্টারনেট সেবা চালু থাকবে। এ ইন্টারনেটে টেক্সট পাঠানো ও গ্রহণ করা গেলেও ছবি ও ভিডিও পাঠানো সম্ভব হবে না। ফলে ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার কারণে মোবাইল ফোনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করা কষ্টকর হয়ে যাবে। এর আগে ২৭ ডিসেম্বর রাত ১০টা থেকে ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের সব মোবাইল ফোনে থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হয়েছিল। এর আগে গতকাল শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের আহ্বানে বিকেল থেকে মোবাইল ফোনে অর্থ লেনদেন বন্ধের নির্দেশ জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটি ভোটের দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আরও পড়ুন : কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম এমকে
আবারও থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ
আরও পড়ুন
ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত
বছরের ফ্লপ একাদশের অধিনায়ক ধোনি, ভারতের আধিপত্য
সিকিমে আটকে পড়া তিন হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল সেনাবাহিনী
ক্ষমতায় গেলে জামায়াতকে সরকারে রাখা হবে না: ফখরুল