ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

২০২১ সালে ওয়্যারলেস সেট নিয়ে আসার পরিকল্পনা আইফোনের

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৭:৩৪ পিএম

আন্তর্জাতিক মোবাইল ফোন সেট বিশ্লেষক মিং-চি কুও বলেছেন, অ্যাপল ২০২১ সালে একটি ‘সম্পূর্ণ ওয়্যারলেস’ আইফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেছেন আইফোন নির্মাতারা ইউএসবি-সি-তে স্যুইচ না করে, বরং পুরো পোর্ট সিস্টেমটি তাদের নতুন মডেল থেকে ফেলে দেয়ার চিন্তা করছে।

কুও এর মতে, আইফোন তাদের সবশেষ ফোন থেকে ২০২১ সালে বের করতে যাওয়া ফোনটির মধ্যে বিশাল পার্থক্য তৈরি করবে।

এদিকে আইফোন এক বিবৃতিতে ২০২০ সালে প্রকাশ করতে যাওয়া নতুন পাঁচটি মডেলের কথা বলেছে। পাঁচটি মডেলের মধ্যে একটিতে রয়েছে ৭.৭ইঞ্চি হাই-এন্ড আইফোন, ২টি ৬.১ইঞ্চি আইফোন, একটি এন্ট্রি-লেভেল ৫.৪ইঞ্চি আইফোন যার প্রত্যেকটিতে রয়েছে সাব-৬গিগাহার্জ এবং ৫জি এমএমওয়েভ।

কুও আশা করছেন ২০২০ সালর প্রথমার্ধে আইফোন এসই মডেলের নতুন ফোন বাজারে নিয়ে আসবে। তিনি আশা করছেন, ফোনটিতে ৪.৭ইঞ্চি ডিসপ্লে থাকবে, আইফোন-৮ এর ডিজাইন সম্বলিত এবং সিঙ্গেল ক্যামেরা থাকবে।

তবে সম্প্রতি, জে.পি. মরগান এক রিপোর্টে দাবি করেছেন, ২০২১ সালে অ্যাপল কীভাবে আইফোন প্রকাশ করবে তারা তা যেকোনো সময় পরিবর্তন করতে পারে।

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফেসবুক থেকে ২৬ কোটি ৭০ লাখ তথ্য ফাঁস
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে ২৬ কোটি ৭০ লাখ ব্যবহারকারীর আইডি, ফোন নম্বরসহ  স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে। এসব তথ্য স্প্যামিং ও ফিশিংয়ের মতো প্রতারণামূলক কাজে ব্যবহার হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। এবারের তথ্য ফাঁসে যাদের অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য সরানো হয়েছে, তাদের বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। যুক্তরাজ্যের গবেষণা প্রতিষ্ঠান কম্পারিটেকের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ বব ডিয়াচেঙ্কো সম্প্রতি ফেসবুক থেকে ফাঁস হওয়া তথ্যের ডেটাবেইস খুঁজে পান। ৪ ডিসেম্বর ওই ডেটাবেইস অনলাইনে ইনডেক্স করা হয়। তবে এখন ওই ডেটাবেইস সরিয়ে ফেলা হয়েছে। কম্পারিটেকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ডেটাবেইস সরিয়ে ফেলার আগ পর্যন্ত একটি হ্যাকার ফোরামে ডাউনলোডযোগ্য ফাইল হিসেবে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল। এর আগে চলতি বছরই বেশ কয়েকবার ফেসবুকের তথ্য ফাঁস হয়েছে। গত নভেম্বরেই ফেসবুক ও টুইটার থেকে ক্ষতিকর থার্ড পার্টি অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটে। হাজারো ফেসবুক গ্রুপ সদস্যদের তথ্য ফাঁস নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় প্রতিষ্ঠানটিকে। --------------------------------------------------------------- আরো পড়ুন: ইন্সটাগ্রামের নতুন নিয়ম --------------------------------------------------------------- গত সেপ্টেম্বর মাসে লাখো ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে থাকা মোবাইল নম্বর একটি অনলাইনে ডেটাবেইসে পাওয়া যায়। ওই ডেটাবেইসে ব্যক্তিগত তথ্য, নাম, পরিচয় ও নানা স্পর্শকাতর তথ্য ছিল। গত এপ্রিল মাসে আপগার্ডের নিরাপত্তা গবেষকেরা ৫৪ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর মন্তব্য, লাইকসহ নানা তথ্য আমাজনের ক্লাউড সার্ভারে খুঁজে পান। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুকের সাম্প্রতিক এ তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ফেসবুকের তথ্য সুরক্ষায় নেওয়া ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছে। এ ছাড়া ব্যবহারকারী ফেসবুকে কী কী তথ্য দেবেন তা নিয়েও দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। এমকে
ফেসবুক থেকে ২৬ কোটি ৭০ লাখ তথ্য ফাঁস
ভারতের বাজারে শীর্ষস্থান হারাতে পারে শাওমি
চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা শাওমি আশাবাদী যে তারা আগামী বছরও ভারতীয় স্মার্টফোন বাজারে প্রথম স্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে, তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২০ সালে দেশটি অন্যরকম প্রতিদ্বন্দ্বী দেখতে পারে। ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশন (আইডিসি) এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১২ সালের প্রথম দিকে জিয়াওমির বাজার অংশ ছিল ৩০.৬শতাংশ। যা স্যামসাং এর থেকে অনেক বেশি এগিয়ে ছিল। কিন্তু বছরের অর্ধেকের শেষের দিকে এসে কোম্পানিটির শেয়ার নেমে আসে ২৭.১শতাংশে। সাইবার মিডিয়া রিসার্চার, প্রভু রাম বলেন, ভারতের বাজারে বর্তমানে অনেক বেশি ফোন কোম্পানি তৈরি হয়েছে। ফোনগুলো অসাধারণ সব মডেল খুব কম বাজেটের মধ্যে বাজারে নিয়ে আসছে। প্রতিযোগিতার এ বাজারে জিয়াওমিকে ক্রমবর্ধমান বাজার এবং বাজারের শেয়ার হ্রাস সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। মার্কেট রিসার্চ ফার্ম টেকআরসি-র প্রতিষ্ঠাতা এবং চিফ অ্যানালিস্ট ফয়সাল কাওসা বলেছেন, আমাদের অনুমান অনুসারে, ২০২০ সালে স্মার্টফোনগুলোর বিক্রয়ের ৪৯ শতাংশ বেসিক সেগমেন্টে হবে (৫,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা) যেখানে শাওমি এখনও শক্তিশালী রয়েছে। কিন্তু (১০,০০০ থেকে ২৫,০০০) এর মধ্যে আমরা অনেক ফোনের কোম্পানি দেখেছি যারা খুব ভালো মানের ফোন তৈরি করে ব্যবহারকারীদের হাতের নাগালে নিয়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমআই যেসব ফোন তৈরি করে মানুষের কাছে দিচ্ছে সেই একই মানের ফোন অনেকটা কাছাকাছি দামের মধ্যে অন্যান্য কোম্পানিগুলোও বের করছে। তবে তাদের মতে, ২০২০ সালের শীর্ষস্থানীয় কথা চিন্তা করলে অনুমান করে বলা যায় স্যামসাং এগিয়ে আসবে।     আবার কিছু বিশেষজ্ঞ এমন অনুমানের বিরোধীতা করে বলেন, কে প্রথম অবস্থানে যাবে সেটা ঠিক এখনি বলা যাবে না। এটি জানতে হলে আমাদের আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে।   এমএইচ/ এমকে
ভারতের বাজারে শীর্ষস্থান হারাতে পারে শাওমি
স্যামসাং নিয়ে এলো নতুন ফোন ‘M30S’
অনেক আগে থেকেই মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের কাছে স্যামসাং একটি পছন্দের ব্র্যান্ড। স্যামসাং ফোন ব্যবহার করেনি এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। তবে মাঝখানে কিছু অপ্রত্যাশিত পারফরমেন্স এবং বেশি দামের কারণে স্যামসাং তাদের প্রত্যাশিত কাস্টমার হারিয়ে ফেললেও এখন তারা আবারও তাদের আগের জায়গায় ফিরে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ২০১৯ সালেই স্যামসাং তাদের নতুন সিরিজের স্বল্প বাজেটের ফোন নিয়ে মাঠে নেমেছে যা ইতিমধ্যেই অনেকের কাছেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার স্যামসাং বাজারে নিয়ে এলো স্যামসাং ‘M30S’। সম্প্রতি এই ফোন বাংলাদেশের বাজারে এসেছে।   স্যামসাং তাদের পুরনো ডিজাইনটি এই মডেলেও ধরে রেখেছে। ফোনটির আউটলুকে সামনে থাকছে ইউ শেপ নচ। তবে পেছনে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ ‘M30’ থেকে ‘M30S’ এর জায়গা একটু পরিবর্তন করা হয়েছে। ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ছয় হাজার মিলিয়ন পাওয়ার ব্যাটারি। এই ডিভাইসটির ওজন মাত্র ১৮৮ গ্রাম। ওপাল ব্ল্যাক, পার্ল হোয়াইট এবং সেফিয়ার ব্লু নামে তিনটি রঙে ফোনটি বের করা হয়েছে। ডিভাইসটিতে ফিঙ্গার প্রিন্ট আনলক এবং ফেস আনলক উভয় ব্যবস্থাই রাখা হয়েছে। এছারাও আরও থাকছে এক্সটারনাল এসডি কার্ড স্লট এবং টাইপ সি পোর্ট। ‘M30’ এবং ‘M30S’ এর ডিসপ্লে এর মধ্যে বেশি পার্থক্য থাকছে না। থাকছে ৬.৪ ইঞ্চি এর ফুল এইচডি সুপার এমুলেট প্যানেল। হরাইজন ডিসপ্লে বেশ কিছু কাস্টমাইজেশন সহ রাখা হয়েছে। তবে ‘M30’ এবং ‘M30S’ এর মধ্যে পার্থক্য রাখা হয়েছে হার্ডওয়্যারে। ‘M30’ তে ব্যাবহার করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৮.১(ওরিও) এবং ‘M30S’ এ ব্যবহার করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৯.০(পাই)। ‘M30’ তে থাকছে ২/১.৮গিগাহার্জ ওকটাকোঁড় প্রসেসর এবং ‘M30S‘ এ থাকছে ৪/২.৩ গিগাহার্জ ওকটাকোঁড় প্রসেসর। তবে ‘M30S’ এ পরিবর্তিত চিপ সেট হিসেবে থাকছে এক্সিনস ৯৬১১ প্রসেসর যা গ্যালাক্সি ‘A50S’ এর মতোই। ‘M30’ তে দেয়া হয়েছে ওয়ান ইউআই ভার্সন ১.৫। ‘M30’ তে রাখা হয়েছে ৩ জিবি র‍্যাম ও ৩২ জিবি রম এবং ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪রম আবার ‘M30S’ এ রাখা হয়েছে ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি রম এবং ৬ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি রম। এবার যাওয়া যাক ক্যামেরায়। পেছনে থাকছে তিনটি ক্যামেরা। প্রথমে রাখা হয়েছে ৪৮ মেগা পিক্সেলের মেইন ক্যামেরা এরপর রয়েছে ৮ মেগা পিক্সেলের আলট্রা ওয়াইড ক্যামেরা এবং সবশেষে রাখা হয়েছে ৫ মেগা পিক্সেলের ডেপ্ত সেন্সর। সামনে রাখা হয়েছে ১৬ মেগা পিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে হেভি ইউজ না করলে খুব ব্যবহার করা যাবে এই ফোনটি। তবে গেমারদের জন্য খারাপ খবর, এই ফোন দিয়ে হেভি গেম বেশি সময় ধরে খেলা যাবে না। এমএইচ/এমকে
স্যামসাং নিয়ে এলো নতুন ফোন  ‘M30S’
চীনে মোবাইল ফোন ব্যবহারে ফেস স্ক্যান বাধ্যতামূলক
চীনে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের নতুন মোবাইল ফোন সংযোগ নেয়ার সময় ফেস স্ক্যান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশটিতে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিধিমালাটি সেপ্টেম্বরে ঘোষণা করা হলেও এটি কার্যকর হওয়া শুরু হয়েছে রোববার থেকে।সরকার বলেছে, তারা সাইবারস্পেসের নাগরিকদের বৈধ অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষা করতে চায়।  তবে এর আগেও চীন তাদের জনসংখ্যা গণনার জন্য এই ফেস স্ক্যান প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিল।   চীনে আগে নতুন মোবাইল বা মোবাইল ডেটা চুক্তিতে সাইন আপ করার সময়, ব্যবহারকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে হতো এবং তাদের ছবি তুলতে হতো। তবে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় পরিচয়পত্র এর পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের ফেস স্ক্যান করাতে হবে। চীন সরকার কয়েক বছর ধরে এ নিয়ম প্রয়োগের চেষ্টা করে আসছে যাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা প্রত্যেকে তাদের আসল নাম-পরিচয় সরকারের অধীনে রাখে। তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে বিরুপ প্রভাব দেখা গেছে। অনেকেই বলছেন, এমন নিয়ম কানুনের ফলে জনসাধারণের উপর সরকারের নজরদারী আরও কঠোরভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। আবার অনেকে বলছেন, এই নিয়মটি জনগণের সম্মতি ছাড়াই কার্যকর করা হচ্ছে। তবে চীন সরকার কারও কথায় কান না দিয়ে এই নিয়ম কার্যকরে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।   এমএইচ/এমকে
চীনে মোবাইল ফোন ব্যবহারে ফেস স্ক্যান বাধ্যতামূলক
ইন্সটাগ্রামের নতুন নিয়ম
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইন্সটাগ্রাম জানিয়েছে, নতুনভাবে কেউ যদি ইন্সটাগ্রামে নিবন্ধন করতে চায় তাহলে তাকে সর্বনিম্ন ১৩ বছরের হতে হবে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো ইন্সটাগ্রামকে মার্কিন আইন এর সাথে সামঞ্জস্য করা। পাশাপাশি তাদের নিজস্ব নীতিমালাতেও উল্লেখ আছে যে, সর্বনিম্ন ১৩ বছরের নিচে কেউ ইন্সটাগ্রামে নিবন্ধন করতে পারবে না। এক ইন্সটাগ্রাম ব্লগে এ সম্পর্কে বলা হয়, এই নিয়মের ফলে ইন্সটাগ্রামে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের নিবন্ধন করা থেকে বিরত রাখা যাবে পাশাপাশি এর ফলে নিবন্ধন করা তরুণরাও নিরাপদ থাকবে। সংস্থাটি জানিয়েছে নতুন এ নিয়মে কারও বয়স সম্পর্কে কেউ কোনও তথ্য পাবে না। তবে সংস্থাটি কিভাবে ব্যবহারকারীদের সঠিক বয়স নির্ধারণ করবে সেটি এখনও তারা নিশ্চিত করেনি। টেকক্রাঞ্চের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের একদিনের পরে এই ঘোষণাটি প্রকাশিত হয়েছে যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করার ক্ষেত্রে অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মতো নিয়ম অনুসরণ করেনি। এর ফলে ইন্সটাগ্রাম শিশু অনলাইন গোপনীয়তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফেসবুক এবং ইন্সটাগ্রাম উভয় সংস্থার একই মোডারেটর হওয়ায় তারা যেকোনো সন্দেহভাজন ১৩ বছরের নিচে যেকারো একাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারবে।   আরো পড়ুন টিকটক যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারকারীদের বিপুল পরিমাণ তথ্য চীনকে দিয়েছে এমএইচ/এমকে
ইন্সটাগ্রামের নতুন নিয়ম
আরও পড়ুন
কী আছে আইফোন ১১-তে?
৬৯৯ ডলারে পাওয়া যাবে তিন ক্যামেরার আইফোন ১১
নতুন চমক নিয়ে আইফোন ১১ আসছে সেপ্টেম্বরে
তবে কি আইফোনের দিন ফুরিয়ে এলো?