
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ ১৪টি শিরোপার মালিক রিয়াল মাদ্রিদ। তাই ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের শীর্ষ আসরটির রাজা হিসেবে লস-ব্লাঙ্কোসদের বরণ করে সমর্থকরা।
মৌসুমে শুরুতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনাকে হারিয়ে স্প্যানিশ সুপার কোপায় শিরোপা উল্লাস শুরু করেছিল ভিনিসিয়াস-রদ্রিগোরা। চলতি মাসে স্প্যানিশ লা লিগার শিরোপা ঘরে তুলেছে আনচেলত্তি বাহিনী। এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ১৫তম শিরোপায় চোখ মদ্রিচ-ক্রুসদের।
তবে শিরোপা লড়াইয়ে রিয়ালের নির্ভরতার প্রতীক গোলকিপার লুনিনের খেলা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। তার জায়গা দেখা যেতে পারে থিবো কুর্তোয়াকে। প্রস্তুত আছে কেপা আরিজাবলাগও। স্কোয়াডে তারকা সংখ্যায় ডর্টমুন্ড থেকে ঢের এগিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ।
ফাইনালের আগে শিষ্যদের জাগিয়ে তুলতে কার্লো আনচেলত্তির ভাষ্য, ‘এ সপ্তাহ হতে যাচ্ছে উপভোগের। প্রতিপক্ষ দল এবং ফাইনালের চ্যালেঞ্জ আমরা উপভোগ করতে চাই।’ এসি মিলানের হয়ে তিন এবং রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে দুটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে এরই মধ্যে আসরের সফলতম কোচ এ ইতালিয়ান। ষষ্ঠ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় থেকে মাত্র এক কদম দূরে বর্ষীয়ান এ কোচ। ফাইনাল সম্পর্কে আনচেলত্তি আরও বলেন, ‘যে কোনো প্রতিযোগিতার ফাইনালে নাম লেখানোটাই সাফল্য। যে কোনো বড় ম্যাচের আগের চিত্রটা একই রকম থাকে। এখানে ভয়-শঙ্কার সঙ্গে উপভোগের বিষয়ও থাকে। আমরা জটিলতা আসার আগে উপভোগ করতে চাই।’
এদিকে ১৯৯৭ সালের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা ছুঁয়ে দেখা হয়নি বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের। ২০১৩ সালে ফাইনালে খেললেও সেবার রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় জার্মান ক্লাবটিকে।
এবারের মৌসুমে সবাইকে চমকে দিয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন্স ফাইনালের পা রেখেছে ডর্টমুন্ড। ম্যাট হুমেলস-মার্কো রুয়েস-নিকোলাস ফুলক্রুগরা আর একবার জ্বলে উঠতে পারলে, ২৭ বছর পর ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পুনরুদ্ধার করতে পারবে ডর্টমুন্ড।
রিয়ালের চ্যালেঞ্জ গ্রহণে প্রস্তুত বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের কোচ এডেন তেরজিকের মন্তব্য, ‘আট চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ অপরাজিত। ১০ বছরে পাঁচ ট্রফি, মোট ১৪ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়া দারুণ এক রেকর্ড। কিন্তু ভেঙে দেওয়ার জন্যই যে কোনো রেকর্ডের জন্ম হয়।’ যোগ করেন, ‘নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখছি যে, বড় কিছু অর্জনের সামর্থ্য আমাদের আছে। ডর্টমুন্ডে ট্রফি নিয়ে আসার জন্য আমরা অনেক ঘাম ঝরিয়েছি।’




