ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শীতের দাপট কতদিন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পৌষের শেষের দিকে জেঁকে বসেছে শীত, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। গত ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে ছিল মৌসুমের সর্বনিম্ন ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের উত্তর ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাজশাহীতে হিমেল হাওয়ার সঙ্গে কুয়াশা কম থাকলেও শীতের তীব্রতা বেড়ে জনজীবন স্থবির হয়েছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের শীতের ভোগান্তি বেড়েছে। ঠান্ডাজনিত রোগে রাজশাহীর হাসপাতালগুলোতে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

চুয়াডাঙ্গায় টানা শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন কষ্টে, কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ ও শীতজনিত সমস্যায় মানুষ সকালে কাজের তাগিদে বাইরে বের হচ্ছে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, আগামী রবিবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শৈত্যপ্রবাহ পুরোপুরি শেষ হবে না এবং শীতের তীব্রতা জানুয়ারি মাস জুড়ে থাকবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙ্গামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ চলছে। মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.৫ ডিগ্রি, পাবনায় ৮.৫, যশোরে ৯.২, পঞ্চগড়ে ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অন্যদিকে, কক্সবাজারের টেকনাফে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় রেকর্ড হয়েছে দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, জানুয়ারি মাসে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে একটি হতে পারে তীব্র।

আরও পড়ুন

আগামী পাঁচ দিনে দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে, মাঝে মাঝে কুয়াশা পড়তে পারে। যা বিমান চলাচল ও সড়ক যোগাযোগে সাময়িক ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। কুয়াশার কারণে শীতের অনুভূতি বাড়বে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উপকূলীয় তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা কমার আশঙ্কা
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
উপকূলীয় তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা কমার আশঙ্কা
দুপুরের মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস
দেশের পাঁচ অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে বজ্রবৃষ্টিসহ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
দুপুরের মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস
সকালের মধ্যে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
দেশের পাঁচটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সকালের মধ্যে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
যেসব বিভাগে বৃষ্টি-বজ্রপাতের সম্ভাবনা জানাল আবহাওয়া অফিস
দেশের তিন বিভাগে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
যেসব বিভাগে বৃষ্টি-বজ্রপাতের সম্ভাবনা জানাল আবহাওয়া অফিস
ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হতে পারে ২০২৬
প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হয়ে ওঠা ‘সুপার এল নিনো’র প্রভাবে ২০২৬ সাল ইতিহাসের উষ্ণতম বছরে পরিণত হতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পরিচালক কার্লো বুয়োনতেম্পো। একই সঙ্গে ২০২৭ সালেও তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড গড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন বুয়োনতেম্পো। তিনি বলেন, অতীতের এল নিনো ঘটনাগুলোর ধরন অনুসরণ করলে ২০২৬ সালে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হতে পারে। এমনকি ২০২৭ সালেও নতুন রেকর্ড হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে আবহাওয়াবিদরা কয়েক মাস ধরেই সতর্ক করে আসছেন, এবারের এল নিনো সম্ভবত এযাবৎকালের অন্যতম শক্তিশালী ঘটনায় পরিণত হতে পারে। বছরের শেষ দিকে এটির সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকলেও এরই মধ্যে তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ডের তথ্য পাওয়া গেছে। কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘নিনো ৩.৪’ অঞ্চলে গত মাসে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা ওই অঞ্চলের জন্য সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এল নিনো পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্থাটির তথ্যমতে, এ তাপমাত্রা ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনো ঘটনাগুলোর সর্বোচ্চ তাপমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে এবারের এল নিনো এযাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী কি না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনো আসেনি বলে জানিয়েছেন বুয়োনতেম্পো। তাঁর ভাষায়, জুনে শুরু হওয়া এবারের ঘটনাটি ‘অত্যন্ত ব্যতিক্রমী’। সামগ্রিক জলবায়ু আগের তুলনায় অনেক বেশি উষ্ণ থাকায় এর প্রভাবও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, প্রশান্ত মহাসাগরে সঞ্চিত তাপ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি মানুষের কর্মকাণ্ডজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এর ফলে ২০২৭ সালও ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হয়ে ওঠার ঝুঁকিতে রয়েছে। এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা, যার ফলে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, খরা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঘটনা তীব্র হতে পারে। তবে এল নিনোর প্রকৃত শক্তি ও বৈশ্বিক তাপমাত্রার ওপর এর প্রভাব নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তার ওপর। আরটিভি/এসকে
ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হতে পারে ২০২৬
আরও পড়ুন
ফের ভারী বৃষ্টির আভাস, কতদিন থাকবে জানালেন আবহাওয়াবিদ
দেশে আবারও ভূমিকম্পের শঙ্কা, আন্তর্জাতিক আবহাওয়াবিদের সতর্কবার্তা