ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

তিন দিনে বাড়তে পারে কয়েকটি নদীর পানি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন অববাহিকার নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু এলাকায় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার (৬ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী ইমন কল্যাণ দাস স্বাক্ষরিত প্রধান অববাহিকা ও বাপাউবো জোনভিত্তিক অববাহিকাসমূহের নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনার পানি বেড়েছে। তবে উভয় নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন-এ অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে, তবে বিপৎসীমার নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় পানি স্থিতিশীল রয়েছে এবং নদীগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় আগামী তিন দিন পানি স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি কমেছে। তবে কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিন নদীর পানি বাড়তে পারে।

উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদী নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি এক দিন কমে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে। অন্যদিকে আপার করতোয়া, আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা ও ঘাঘট নদীগুলো আগামী তিন দিন বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, ময়মনসিংহ অঞ্চলের জিঞ্জিরাম, সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। অন্যদিকে ঢাকা অঞ্চলের তুরাগ, টঙ্গীখাল, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর পানি আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এদিকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার নদীগুলো কিছু কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একই সময়ে নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি নদীতেও পানি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গোমতী, মুহুরি, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজার, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। এ সময় বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে এসব নদী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকা ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার (২ নভেম্বর) রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (২ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। সোমবার ভোররাত ৩টায় এটি ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮২ দশমিক ৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকলে সোমবার রাত নাগাদ প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। আরটিভি/এসকে
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়, বিপদে যেসব অঞ্চল
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে অবশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোর নাগাদ উপকূলে আঘাত হানতে পারে নতুন সৃষ্টি এই ঘূর্ণিঝড়টি।
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়, বিপদে যেসব অঞ্চল
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের আট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে শনিবার দুপুরে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। এদিকে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ অঞ্চলের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ১৯ মিনিটে। আগামীকাল সোমবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৬ মিনিটে। আরটিভি/এসআর
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চয় করছে নতুন নিম্নচাপ, আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন একটি নিম্নচাপ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করছে এটি। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে।
বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চয় করছে নতুন নিম্নচাপ, আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
বঙ্গোপসাগরে আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং ১ নভেম্বরের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট নিম্নচাপটি আগামী ছয় ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি পরে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের নতুন এই শঙ্কা দেখা দিল এমন এক সময়ে, যখন কয়েক দিন আগেই অর্ণবের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়েছে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা।  গত ২৮ অক্টোবর ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের বাপটলা ও বিশাখাপটনমের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়টি। ওই সময় বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও প্রতিবেশী ওড়িশায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। উপড়ে পড়ে অসংখ্য গাছ, প্লাবিত হয় ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি। মাছ ধরার কার্যক্রমে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পাশাপাশি পরিবহণ ও বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে।  সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস আরটিভি/এসআর
বঙ্গোপসাগরে আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
আরও পড়ুন
সুইজারল্যান্ডের রাইন নদী থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, বাংলাদেশি রুমমেট গ্রেপ্তার
কর্ণফুলীর উপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ
নদীতে ডুব দিয়ে পানি খাওয়ার পর যমুনাকে ‘দূষণমুক্ত’ বললেন বিজেপি নেতা
নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার আগেই মেঘনায় মা ইলিশ শিকার