ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

তিন দিনে বাড়তে পারে কয়েকটি নদীর পানি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন অববাহিকার নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু এলাকায় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার (৬ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী ইমন কল্যাণ দাস স্বাক্ষরিত প্রধান অববাহিকা ও বাপাউবো জোনভিত্তিক অববাহিকাসমূহের নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনার পানি বেড়েছে। তবে উভয় নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন-এ অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে, তবে বিপৎসীমার নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় পানি স্থিতিশীল রয়েছে এবং নদীগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় আগামী তিন দিন পানি স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি কমেছে। তবে কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিন নদীর পানি বাড়তে পারে।

উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদী নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি এক দিন কমে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে। অন্যদিকে আপার করতোয়া, আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা ও ঘাঘট নদীগুলো আগামী তিন দিন বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, ময়মনসিংহ অঞ্চলের জিঞ্জিরাম, সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। অন্যদিকে ঢাকা অঞ্চলের তুরাগ, টঙ্গীখাল, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর পানি আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এদিকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার নদীগুলো কিছু কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একই সময়ে নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি নদীতেও পানি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গোমতী, মুহুরি, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজার, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। এ সময় বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে এসব নদী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, টানা বৃষ্টি থাকবে কতদিন
উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এটি ঘনীভূত হতে পারে—এমন পরিস্থিতিতে আগামী ৫ দিন দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  এতে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় আগামীকাল রোববার সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। এছাড়া আগামী মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে ও রাতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরদিন বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সময় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে ও রাতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। আরটিভি/এসএস
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, টানা বৃষ্টি থাকবে কতদিন
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, আঘাত হানতে পারে কোন অঞ্চলে
উত্তর আন্দামান সাগরে থাইল্যান্ড উপকূলের কাছে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এটি শক্তি সঞ্চয় করে আজ সন্ধ্যার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। পরবর্তী সময়ে শক্তি আরও বাড়লে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে ‘অর্ণব’, যে নামটি দিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নিউজ-১৮ বাংলা। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২১ বা ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণাবর্তটি আরও শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। পরে, এটি অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ থেকে আগামী সোমবার পর্যন্ত উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় বজ্রপাতের পাশাপাশি দমকা হাওয়াও বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে ওড়িশা, তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগড় ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় একটানা বৃষ্টি হচ্ছে। সৌরাষ্ট্র থেকে বঙ্গোপসাগর এবং সিকিম থেকে উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত অক্ষরেখার কারণে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে আজ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার হতে পারে। বৃষ্টির ফলে পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আজ পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। আরটিভি/এসএস
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, আঘাত হানতে পারে কোন অঞ্চলে
ঢাকায় বৃষ্টি হবে কিনা, যা জানাল আবহাওয়া অফিস
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঢাকায় বৃষ্টি হবে কিনা, যা জানাল আবহাওয়া অফিস
সাগরে লঘুচাপের আভাস, রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে
উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সাগরে লঘুচাপের আভাস, রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে
দেশের ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
দেশের আটটি জেলায় আগামী ৩৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দেশের ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
আরও পড়ুন
বিরোধী দলের কারণেই কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায়: পানিসম্পদ মন্ত্রী
গ্যাস নিয়ে বড় সুখবর 
পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
‘এখন কোথায় যায়া ঠাঁই নিমু! শেষ সম্বলটুকুও কাড়ি নিল রাক্ষসী’