কল্পনা, রিয়াজ, বাবু, শ্রাবণ ও লিজা! এরা শ্রীমঙ্গলের সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু। এদের কারও বাবা-মা আছে, কারও নেই। মৌলিক চাহিদা বঞ্চিত এরা। তাই বেঁচে থাকার জন্য রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষা করতে হয়।
এসব অবহেলিত পথশিশুকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে কাজ করে যাচ্ছে ‘মজার স্কুল’। স্কুলটি ২০১২ সালে চালু হয়। কিন্তু ২০১৫ সালে বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৭ সালে আবারও চালু হয়। বিভিন্ন খোলা মাঠে পলিথিন বিছিয়ে ক্লাস করানো হয়। এই স্কুলে যারা পড়তে আসে, তাদেরকে অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীর মতো নিয়মকানুন মানতে হয় না।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৯০
--------------------------------------------------------
ব্যতিক্রমধর্মী এই স্কুলে শিক্ষা দেয়া হয় মজার ছলে। গল্প, গান আর বিভিন্ন মজার খেলার মাধ্যমে তাদেরকে পড়ানো হয়। প্রতিদিন বিকেল তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত তাদের ক্লাস হয়। ক্লাসে আগ্রহ বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ক্লাস শেষে তাদেরকে নাস্তা দেয়া হয়।
স্কুলের শিক্ষক পিংকি দাশ ও আর্য দেবব্রত বলেন, এই শিশুদের পড়াশুনা করানোটা অন্য বাচ্চাদের চেয়ে কঠিন। প্রথম প্রথম তারা খুবই উচ্ছৃঙ্খল ছিল। এখন তারা শান্ত হয়েই ক্লাস করে।
স্কুলটির সমন্বয়কারী তাপস দাশ বলেন, এই পথশিশুদেরকে ভিক্ষাবৃত্তি পরিহার, মাদক ও অসৎকাজ হতে বিরত রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছি আমার। এখানে এসে তারা অনেক কিছু শিখতে পেরেছে। তাদের শেখার যথেষ্ট আগ্রহও আছে।
তিনি আরও বলেন, যদি আমাদের নিজস্ব একটি ক্লাসরুম ও আধুনিক শিক্ষা উপকরণ থাকতো, তবে তাদেরকে আরও সহজে পড়াতে পারতাম।
আরও পড়ুন:
- নেত্রীর কাছে রিপোর্ট জমা আছে, যোগ্য ব্যক্তিই নমিনেশন পাবেন
- খালেদার রায় নিয়ে বিশৃঙ্খলা হলে ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কে/পি