ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রতিবাদের কলমের সাহসী কণ্ঠ \'আহমদ ছফা\'র আজ জন্মদিন

আরর্টিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
প্রতিবাদের কলমের সাহসী কণ্ঠ আহমদ ছফার আজ জন্মদিন । ছবি: সংগৃহীত

বাংলা সাহিত্যে তিনি ছিলেন এক ব্যতিক্রমী নাম। লেখক, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, কবি, অনুবাদক, গবেষক এবং সর্বোপরি একজন স্বাধীনচেতা চিন্তাবিদ। সত্য উচ্চারণে কখনো আপস করেননি। ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র কিংবা বুদ্ধিবৃত্তিক সংকট—সবকিছুই তিনি তুলে এনেছেন তাঁর লেখায়। বাংলা সাহিত্যের সেই শক্তিশালী কণ্ঠস্বর আহমদ ছফার জন্মদিন আজ।

১৯৪৩ সালের ৩০ জুন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আহমদ ছফা। শৈশব থেকেই সাহিত্য, ইতিহাস ও দর্শনের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল। উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখি শুরু করেন এবং অল্প সময়েই নিজস্ব চিন্তা ও সাহসী বক্তব্যের জন্য সাহিত্যাঙ্গনে আলাদা পরিচিতি পান।

সত্য বলার সাহস ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয়

আহমদ ছফা বিশ্বাস করতেন, একজন লেখকের প্রধান দায়িত্ব হলো সত্যকে নির্ভয়ে তুলে ধরা। জনপ্রিয়তা বা সমালোচনার ভয় তিনি কখনো করেননি। ক্ষমতার কাছে নতি স্বীকার না করে বরাবরই সমাজের অসঙ্গতি, বৈষম্য, ভণ্ডামি ও সাংস্কৃতিক সংকট নিয়ে লিখেছেন।

তাঁর লেখায় যেমন ছিল সাধারণ মানুষের জীবন, তেমনি ছিল রাষ্ট্র, রাজনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বুদ্ধিজীবী সমাজের গভীর বিশ্লেষণ।

যে বইগুলো আজও সমান জনপ্রিয়

আহমদ ছফার সাহিত্যকর্মের পরিধি ছিল বিস্তৃত। উপন্যাস, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনি, স্মৃতিকথা, শিশুতোষ রচনা—সব ক্ষেত্রেই তিনি রেখেছেন স্বতন্ত্র স্বাক্ষর।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে— অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী, ওঙ্কার, পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গপুরাণ, যদ্যপি আমার, গুরু, গাভী বিত্তান্ত, বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস, বাঙালি মুসলমানের মন, জাগ্রত বাংলাদেশ, নিখোঁজ সংবাদ, সূর্য তুমি সাথী, রাজনীতির লেখা ও প্রবন্ধসংগ্রহ (বিভিন্ন সংকলনে প্রকাশিত)।

আরও পড়ুন

এর মধ্যে 'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' বাংলা উপন্যাসের এক অনন্য সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে 'যদ্যপি আমার গুরু' বইয়ে তিনি ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাককে ঘিরে এক অসাধারণ স্মৃতিকথা লিখেছেন, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।

'বাঙালি মুসলমানের মন' কেন এত আলোচিত?

আহমদ ছফার সবচেয়ে আলোচিত প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর একটি 'বাঙালি মুসলমানের মন'। এই গ্রন্থে তিনি বাঙালি মুসলমান সমাজের ইতিহাস, মানসিকতা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক সংকট নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করেছেন।

প্রকাশের পর বইটি যেমন প্রশংসিত হয়, তেমনি নানা বিতর্কেরও জন্ম দেয়। তবে আজও এটি বাংলা ভাষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমাজ-ভাবনার বই হিসেবে বিবেচিত।

'গাভী বিত্তান্ত' এখনো প্রাসঙ্গিক

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা, প্রশাসনিক জটিলতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারকে ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় তুলে ধরেছেন 'গাভী বিত্তান্ত' উপন্যাসে। প্রকাশের বহু বছর পরও বইটি নতুন প্রজন্মের পাঠকদের কাছে সমানভাবে আলোচিত।

রবীন্দ্রনাথ থেকে লালন—সবখানেই ছিল তাঁর আগ্রহ

আহমদ ছফা শুধু কথাসাহিত্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন, বাঙালির ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয় নিয়েও গভীরভাবে লিখেছেন। তাঁর লেখায় ইতিহাস, দর্শন ও সমাজচিন্তার এক অনন্য সমন্বয় দেখা যায়।

পুরস্কারের চেয়ে বড় ছিল পাঠকের ভালোবাসা

জীবদ্দশায় আহমদ ছফা অনেক সম্মাননা পেলেও তিনি কখনো পুরস্কারের জন্য লেখেননি। স্বাধীন চিন্তা, যুক্তিবাদ এবং সাহসী অবস্থানের কারণে তিনি সব সময়ই ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রে।

২০০১ সালের ২৮ জুলাই ঢাকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তবে তাঁর মৃত্যু হলেও তাঁর চিন্তা, দর্শন ও সাহিত্য আজও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

আজও কেন প্রাসঙ্গিক আহমদ ছফা?

সমাজ, রাজনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং মানুষের মুক্তচিন্তা নিয়ে তাঁর প্রশ্নগুলো আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। নতুন প্রজন্মের কাছে আহমদ ছফা শুধু একজন সাহিত্যিক নন; তিনি একজন চিন্তার দিশারি, যিনি সত্যকে নির্ভয়ে বলার সাহস শিখিয়েছেন।

তাঁর জন্মদিনে বাংলা সাহিত্যপ্রেমীরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন এই প্রখ্যাত লেখক ও চিন্তাবিদকে। তাঁর লেখা নতুন পাঠকদের হাতে পৌঁছাক, তাঁর মুক্তচিন্তার আলো আরও বিস্তৃত হোক—জন্মদিনে এটাই প্রত্যাশা।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন
সাহসী ও উদ্ভাবনী সাতিহ্যকর্মের জন্য এ বছর নোবেলে পেয়েছেন কানাডার লেখক অ্যান কারসন। সৃজনশীল সংলাপের মাধ্যমে সমসাময়িক সাহিত্যে প্রাচীন ঐতিহ্যকে নতুন করে ফুটিয়ে তোলা এবং তার উদ্ভাবনী ও বৈচিত্র্যময় লেখার আধুনিক সাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করায় তাকে এ বছর নোবেল দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সুইডিশ একাডেমি।
সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন
নজরুলের দর্শন আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক অবক্ষয়ের মহৌষধ: মার্কিন গবেষক
কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও রাজনৈতিক দর্শনকে আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক খণ্ডন এবং কাঠামোগত নৈতিক অবক্ষয় নিরাময়ের এক চূড়ান্ত রূপরেখা হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রখ্যাত মার্কিন রাজনীতিবিজ্ঞানী ও ইমেরিটাস অধ্যাপক উইনস্টন ই. ল্যাংলি। দীর্ঘ তিন দশকের গভীর গবেষণার ওপর ভিত্তি করে তিনি নজরুলের এই বৈশ্বিক উপযোগিতা তুলে ধরেন।
নজরুলের দর্শন আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক অবক্ষয়ের মহৌষধ: মার্কিন গবেষক
‘বাংলা একাডেমি ফন্ট’-এর উদ্বোধন
‘তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ’ প্রকল্পের আওতায় প্রস্তুতকৃত ‘বাংলা একাডেমি ফন্ট’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
‘বাংলা একাডেমি ফন্ট’-এর উদ্বোধন
বাংলাদেশ নজরুল আবৃত্তি পরিষদ-এর নতুন কমিটি ঘোষণা
বাংলাদেশ নজরুল আবৃত্তি পরিষদ-এর নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি শায়লা আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সৈয়দ আল জাবের নির্বাচিত হয়েছেন। পরবর্তী দুই বছর অর্থাৎ ২০২৬–২০২৮ মেয়াদে এ নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
বাংলাদেশ নজরুল আবৃত্তি পরিষদ-এর নতুন কমিটি ঘোষণা
নজরুলের অমর সৃষ্টি নিয়ে বিশেষ আয়োজন ‘চিরন্তন: আমারে দেব না ভুলিতে’ 
কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার (৪ অক্টোবর) মেলবোর্নের ড্যানডেনংয়ের ড্রাম থিয়েটারে ‘চিরন্তন: আমারে দেব না ভুলিতে’ নামে একটি স্মরণানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলবোর্ন সময় বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা থেকে ০২:৩০টা পর্যন্ত) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় ৩৬০জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন। মেলবোর্নপ্রবাসী নজরুলসংগীতশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কিউরেটর আদিলা নূরের পরিকল্পনা ও সৃজনশীল নির্দেশনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে গান, কবিতা, নৃত্য ও নাটকের মাধ্যমে বিদ্রোহী কবির সৃষ্টিশীলতা ও মানবিক দর্শনকে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল নজরুল রচিত নাটক ‘ঝিলিমিলি’ ও গীতিনাট্য ‘কাবেরী তীরে’-এর মঞ্চায়ন। অস্ট্রেলিয়ায় এই প্রথমবারের মতো নাটক দুটির মঞ্চায়ন হলো। এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি বিশেষ তাৎপর্য অর্জন করে। অনুষ্ঠানের সংগীত পরিচালক আদিলা নূর বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা নজরুলের সৃষ্টিশীলতার বহুমাত্রিক দিকগুলো তুলে ধরতে চেয়েছি। আমাদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তার সাম্য, ভালোবাসা ও মানবতার চিরন্তন বার্তা নতুন প্রজন্মকে আলোড়িত করবে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ। শেকড় থেকে দূরে বসবাসের কারণে আমাদের জন্য সেটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয় ‘সুর ও বাণীর অর্ঘ্য’ দিয়ে। এতে নজরুলের নির্বাচিত চারটি গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশিত হয়। স্থানীয় নৃত্যশিল্পী ক্রিস ও অনিলের দ্বৈত নৃত্যের মধ্য দিয়ে পর্বটি শুরু হয়। এ পর্বের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নজরুলের কবিতা ‘অভিশাপ’ ও গান ‘শূন্য এ বুকে’-এর সমন্বয়ে একটি বিশেষ পরিবেশনা, যেখানে তন্বীপ্রিয়া আবৃত্তি এবং আদিলা নূর সংগীত পরিবেশন করেন। ‘ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি’ গানের মধ্য দিয়ে পর্বটির সমাপ্তি ঘটে। ২০২৩ সালের নজরুল পুরষ্কারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইরশাদ আহমেদ শাহীন অনুষ্ঠানে নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও দর্শনের ওপর মূল বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, নজরুল শুধু বিদ্রোহী কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন মানবতা, সাম্য ও সামাজিক সম্প্রীতিরও শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। বাংলাদেশের বাইরে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর দর্শন পৌঁছে দিতে ‘চিরন্তন’-এর মতো আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মঞ্চস্থ হয় নজরুলের গীতিনাট্য ‘ঝিলিমিলি’। বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব বৃন্দাবন দাসের নির্দেশনায় এতে অভিনয় করেন বৃন্দাবন দাস, শাহানাজ খুশী, দিব্য জ্যোতি ও সৌতি মালবিকা। মেলবোর্নপ্রবাসী সংগীতশিল্পী অর্পণ ও আদিলা নূরের সংগীত পরিবেশনা নাট্য পরিবেশনাটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মঞ্চস্থ হয় ‘কাবেরী তীরে’ কাবেরী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এক প্রেমের গল্পকে কেন্দ্র করে রচিত নজরুলের গীতিনাট্য এটি। মেলবোর্নপ্রবাসী পূরবী চৌধুরীর নির্দেশনা ও কোরিওগ্রাফিতে পরিবেশিত এ আয়োজনে অংশ নেন একদল নৃত্যশিল্পী। একইসাথে, নজরুলসংগীতশিল্পী অজয় রায় ও আদিলা নূর সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি স্মারক সংকলনও প্রকাশিত হয়। এতে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের লেখা স্থান পায়। তাদের মধ্যে রয়েছেন সংগীতশিল্পী, শিক্ষক ও সংগঠক খায়রুল আনাম শাকিল; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারপারসন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রিয়াঙ্কা গোপ; সংগীতশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. লীনা তাপসী খান; ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়ার কলা ও সংস্কৃতি অনুষদের ডিন এবং ২০২৩ সালের নজরুল পুরষ্কারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইরশাদ আহমেদ শাহীন; আন্তর্জাতিক উন্নয়নকর্মী, শিক্ষাবিদ ও রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ড. চঞ্চল খান; এবং ছায়ানটের শিক্ষক ও সংগীতশিল্পী শারমিন সাথী ময়না। অনুষ্ঠানটি দর্শকদের উচ্ছ্বসিত করতালি ও স্ট্যান্ডিং ওভেশনের মাধ্যমে প্রশংসিত হয়। নজরুলের সৃষ্টির চিরকালীন প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরার পাশাপাশি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের বাঙালিদের সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক শেকড়ের সংযোগ আরও দৃঢ় করার বার্তাও উঠে আসে। আরটিভি/এসকে
নজরুলের অমর সৃষ্টি নিয়ে বিশেষ আয়োজন ‘চিরন্তন: আমারে দেব না ভুলিতে’ 
আরও পড়ুন
আহমদ ছফার কবর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত