ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রতিবাদের কলমের সাহসী কণ্ঠ \'আহমদ ছফা\'র আজ জন্মদিন

আরর্টিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
প্রতিবাদের কলমের সাহসী কণ্ঠ আহমদ ছফার আজ জন্মদিন । ছবি: সংগৃহীত

বাংলা সাহিত্যে তিনি ছিলেন এক ব্যতিক্রমী নাম। লেখক, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, কবি, অনুবাদক, গবেষক এবং সর্বোপরি একজন স্বাধীনচেতা চিন্তাবিদ। সত্য উচ্চারণে কখনো আপস করেননি। ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র কিংবা বুদ্ধিবৃত্তিক সংকট—সবকিছুই তিনি তুলে এনেছেন তাঁর লেখায়। বাংলা সাহিত্যের সেই শক্তিশালী কণ্ঠস্বর আহমদ ছফার জন্মদিন আজ।

১৯৪৩ সালের ৩০ জুন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আহমদ ছফা। শৈশব থেকেই সাহিত্য, ইতিহাস ও দর্শনের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল। উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখি শুরু করেন এবং অল্প সময়েই নিজস্ব চিন্তা ও সাহসী বক্তব্যের জন্য সাহিত্যাঙ্গনে আলাদা পরিচিতি পান।

সত্য বলার সাহস ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয়

আহমদ ছফা বিশ্বাস করতেন, একজন লেখকের প্রধান দায়িত্ব হলো সত্যকে নির্ভয়ে তুলে ধরা। জনপ্রিয়তা বা সমালোচনার ভয় তিনি কখনো করেননি। ক্ষমতার কাছে নতি স্বীকার না করে বরাবরই সমাজের অসঙ্গতি, বৈষম্য, ভণ্ডামি ও সাংস্কৃতিক সংকট নিয়ে লিখেছেন।

তাঁর লেখায় যেমন ছিল সাধারণ মানুষের জীবন, তেমনি ছিল রাষ্ট্র, রাজনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বুদ্ধিজীবী সমাজের গভীর বিশ্লেষণ।

যে বইগুলো আজও সমান জনপ্রিয়

আহমদ ছফার সাহিত্যকর্মের পরিধি ছিল বিস্তৃত। উপন্যাস, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনি, স্মৃতিকথা, শিশুতোষ রচনা—সব ক্ষেত্রেই তিনি রেখেছেন স্বতন্ত্র স্বাক্ষর।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে— অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী, ওঙ্কার, পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গপুরাণ, যদ্যপি আমার, গুরু, গাভী বিত্তান্ত, বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস, বাঙালি মুসলমানের মন, জাগ্রত বাংলাদেশ, নিখোঁজ সংবাদ, সূর্য তুমি সাথী, রাজনীতির লেখা ও প্রবন্ধসংগ্রহ (বিভিন্ন সংকলনে প্রকাশিত)।

আরও পড়ুন

এর মধ্যে 'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' বাংলা উপন্যাসের এক অনন্য সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে 'যদ্যপি আমার গুরু' বইয়ে তিনি ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাককে ঘিরে এক অসাধারণ স্মৃতিকথা লিখেছেন, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।

'বাঙালি মুসলমানের মন' কেন এত আলোচিত?

আহমদ ছফার সবচেয়ে আলোচিত প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর একটি 'বাঙালি মুসলমানের মন'। এই গ্রন্থে তিনি বাঙালি মুসলমান সমাজের ইতিহাস, মানসিকতা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক সংকট নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করেছেন।

প্রকাশের পর বইটি যেমন প্রশংসিত হয়, তেমনি নানা বিতর্কেরও জন্ম দেয়। তবে আজও এটি বাংলা ভাষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমাজ-ভাবনার বই হিসেবে বিবেচিত।

'গাভী বিত্তান্ত' এখনো প্রাসঙ্গিক

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা, প্রশাসনিক জটিলতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারকে ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় তুলে ধরেছেন 'গাভী বিত্তান্ত' উপন্যাসে। প্রকাশের বহু বছর পরও বইটি নতুন প্রজন্মের পাঠকদের কাছে সমানভাবে আলোচিত।

রবীন্দ্রনাথ থেকে লালন—সবখানেই ছিল তাঁর আগ্রহ

আহমদ ছফা শুধু কথাসাহিত্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন, বাঙালির ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয় নিয়েও গভীরভাবে লিখেছেন। তাঁর লেখায় ইতিহাস, দর্শন ও সমাজচিন্তার এক অনন্য সমন্বয় দেখা যায়।

পুরস্কারের চেয়ে বড় ছিল পাঠকের ভালোবাসা

জীবদ্দশায় আহমদ ছফা অনেক সম্মাননা পেলেও তিনি কখনো পুরস্কারের জন্য লেখেননি। স্বাধীন চিন্তা, যুক্তিবাদ এবং সাহসী অবস্থানের কারণে তিনি সব সময়ই ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রে।

২০০১ সালের ২৮ জুলাই ঢাকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তবে তাঁর মৃত্যু হলেও তাঁর চিন্তা, দর্শন ও সাহিত্য আজও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

আজও কেন প্রাসঙ্গিক আহমদ ছফা?

সমাজ, রাজনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং মানুষের মুক্তচিন্তা নিয়ে তাঁর প্রশ্নগুলো আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। নতুন প্রজন্মের কাছে আহমদ ছফা শুধু একজন সাহিত্যিক নন; তিনি একজন চিন্তার দিশারি, যিনি সত্যকে নির্ভয়ে বলার সাহস শিখিয়েছেন।

তাঁর জন্মদিনে বাংলা সাহিত্যপ্রেমীরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন এই প্রখ্যাত লেখক ও চিন্তাবিদকে। তাঁর লেখা নতুন পাঠকদের হাতে পৌঁছাক, তাঁর মুক্তচিন্তার আলো আরও বিস্তৃত হোক—জন্মদিনে এটাই প্রত্যাশা।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ সাহিত্যিক পেলেন দোনাগাজী পদক
চাঁদপুরের সংগঠন ‘চর্যাপদ একাডেমি সাহিত্য উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখায় সাত সাহিত্যিককে দোনাগাজী পদক দেওয়া হয়।
৭ সাহিত্যিক পেলেন দোনাগাজী পদক
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই
কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রকাশক কাদের বাবু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।  তিনি রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। আমীরুল ইসলামের বড় ভাই কামাল আহমেদ ও ‘ছোটদের সময়’ সম্পাদক শিশুসাহিত্যিক মামুন সারওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। আমীরুল ইসলামের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। তার প্রকাশিত সব বইই শিশুসাহিত্যের। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে শিশুদের জন্য গল্প, ছড়া ও নানা ধরনের সৃজনশীল লেখা লিখেছেন তিনি। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন আমীরুল ইসলাম। তিনি চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আরটিভি/টিআর
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই
লাইফ সাপোর্টে শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম
বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।
আমীরুল ইসলাম-ছবি: সংগৃহীত
‘নজরুলের চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকের হৃদয়েও পৌঁছে দিতে হবে’
অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ বলেছেন, নজরুলকে কেবল বাঙালির কবি হিসেবে বন্দি না রেখে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার যে সুযোগ কবি নজরুল ইন্সটিটিউটের ২০২৫ সালের কমিটির মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, তা যেন বিন্দুমাত্র ম্লান না হয়। অনুবাদক হিসেবে আমাদের কাজ হলো নজরুলের সেই অম্লান চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকদের হৃদয়েও জ্বেলে দেওয়া। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে বাংলা একাডেমিতে সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আলমগীর বলেন, কবিতা, গান, উপন্যাস, ছোটোগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, চিঠিপত্র এবং অভিভাষণ—সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় নজরুল এক স্বতন্ত্র ও অবিস্মরণীয় স্বাক্ষর রেখে গেছেন। সাম্য, মানবতা, বিদ্রোহ ও প্রেমের কবি, এবং তার এই কালজয়ী সাহিত্যকর্মকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়ার প্রধান মাধ্যম হলো-এর মানসম্মত ও বস্তুনিষ্ঠ অনুবাদ। দুর্ভাগ্যবশত, নজরুলের সমসাময়িক অনেক বিশ্বসাহিত্যিক যেভাবে বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন, নজরুল সেখানে অনেকটাই উপেক্ষিত রয়ে গেছেন। তার সাহিত্যের যে গভীরতা ও বৈশ্বিক আবেদন, সেই তুলনায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার পরিচিতি এখনো সীমিত। আরও পড়ুন মনসুর আজিজের অষ্টাদশপদী কবিতা: বাংলা কবিতার নতুন সম্ভাবনা একাডেমির সহপরিচালক ড. মাহবুবা রহমান সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা। নজরুল সাহিত্য অনুবাদের অভিজ্ঞতা ও অনুধ্যান শীর্ষক বক্তৃতা রাখেন অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাহিত্যিক ও অনুবাদক রাজু আলাউদ্দিন এবং নজরুল গবেষক ও অনুবাদক ইরশাদ আহমেদ শাহীন। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, নজরুল আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সাহিত্য বাংলা ভাষার গর্বই শুধু নয় বরং একইসঙ্গে বিশ্বসভ্যতার সম্পদ। তার সাহিত্যকর্মকে অনুবাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আরও পড়ুন সাহিত্যদেশ: রুচিশীল সাহিত্যচর্চার আশাব্যঞ্জক যাত্রা সভাপ্রধানের বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, নজরুল-বর্ষে আমরা নজরুল বিষয়ক গবেষণা ও অনুবাদকর্মের দিকে ফিরে তাকাতে চাই। ভবিষ্যতে নজরুল-রচনা অনুবাদের পরিধি গুণে-মানে আরও বিস্তৃত হবে এবং বিশ্বপাঠক নজরুলের সাহিত্যকর্মের নিবিড় পরিচয় লাভ করবেন। পরে অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী টিটো মুন্সী। নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফেরদৌস আরা, শহীদ কবির পলাশ ও শাহীনুর রেজা। আরটিভি/এমএম
‘নজরুলের চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকের হৃদয়েও পৌঁছে দিতে হবে’
সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’
প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার রচনা ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’ নিয়ে শ্রুতি পাঠের আয়োজন করেছে ধ্রুপদী আর্ট সেন্টার। শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। ৪৫ মিনিটব্যাপী শ্রুতি পাঠটির নির্দেশনায় থাকবেন সামিউন জাহান দোলা। ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’ সেলিম আল দীনের প্রেমভাবনার এক অন্তরঙ্গ ও কাব্যিক অনুধ্যান। রচনাটিতে প্রেমকে শুধু প্রণয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি; বরং মানুষ, প্রকৃতি, স্মৃতি ও জগতের সঙ্গে মানুষের চিরন্তন সংযোগের গভীর অনুভব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আরও পড়ুন কারিনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন, যা জানা গেল আয়োজকদের ভাষ্য, রচনাটিতে প্রতিটি সম্পর্ক ও বন্ধন কীভাবে মানুষের মনে চিহ্ন রেখে যায়, ভাঙন কীভাবে কখনো কখনো নতুন সংযোগের আরেক রূপ হয়ে ওঠে এবং প্রেম কীভাবে আত্মার সীমা অতিক্রম করেও টিকে থাকে—সেসব অনুভূতিরই কাব্যিক প্রকাশ ঘটেছে। সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ শ্রুতি পাঠের মধ্য দিয়ে তার সাহিত্যকর্মের একটি বিশেষ দিক দর্শক-শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। শ্রুতি পাঠের পাশাপাশি আয়োজনে সেলিম আল দীনকে নিয়ে স্মৃতিচারণামূলক আলোচনায় অংশ নেবেন নির্মাতা ও অভিনেতা আফজাল হোসেন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. ইউসুফ হাসান অর্ক, মানবাধিকার নাট্যকর্মী জাহিদুল আলম হিটো এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী শুসমিন আফসানা। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে ধ্রুপদী আর্ট সেন্টার। এতে সহযোগিতা করছে ফেনীর সেলিম আল দীন কেন্দ্র। আরটিভি/জেএমএ
সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’
আরও পড়ুন
আহমদ ছফার কবর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত