ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

প্রকাশিত হলো শিল্প-সাহিত্যের কাগজ ‘জলছবি’র আসাদ চৌধুরী সংখ্যা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
জলছবি’র আসাদ চৌধুরী সংখ্যা : ছবি সংগৃহীত

‘তবক দেওয়া পানের কবি’ খ্যাত আসাদ চৌধুরীকে নিয়ে শিল্প-সাহিত্যের কাগজ ‘জলছবি’র চলতি সংখ্যাটি প্রকাশ হয়েছে। সংখ্যাটিতে কবি জীবনের লেখালেখি, কবি হয়ে ওঠার গল্প ও তার মানস চেতনার বিস্তৃতি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। চার বছরের দীর্ঘ সাধনায় দেশের গুণী লেখক ও তরুণ প্রজন্মের সমৃদ্ধ লেখায় ৩২ ফর্মার সংখ্যায় নতুন এক আসাদ চৌধুরীকে আস্বাদন করতে পারবেন পাঠকরা।

শিল্পী হামিদুল ইসলামের চমৎকার প্রচ্ছদে সংখ্যাটিতে লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ও সাহিত্যিক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ, কে জি মোস্তফা, মুস্তাফা জামান আব্বাসী, আল মুজাহিদী, অসীম সাহা, অনুপম হায়াৎ , সেলিনা হোসেন, আনোয়ারা সৈয়দ হক, ড. খলিলুর রহমান, রেজাউদ্দিন স্টালিন, মাহমুদ কামাল, জাফরুল আহসান, বিলু কবির, মনি হায়দার, তপন বাগচী, জাকির আবু জাফর ও মনসুর আজিজসহ প্রায় শতাধিক লেখক।

এছাড়াও জীবদ্দশায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ও আবদুল গাফ্ফর চৌধুরীর লেখাও সংকলিত হয়েছে সংখ্যাটিতে।

আরও পড়ুন

আসাদ চৌধুরী সম্পর্কে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী লিখেছেন, আসাদ চৌধুরীর কবিতার জগৎটা আমাদের অপরিচিত নয়, কিন্তু সেই পরিচিতিকে যখন তিনি কবিতায় নিয়ে আসেন তখন মনে হয় ওপর থেকে একটা আবরণ সরে গেছে, চেনা জিনিসকেই নতুন করে চিনতে পারছি। সেটি প্রসন্ন এক অভিজ্ঞতা। এই প্রসন্নতা তাঁর সকল কাজেরই বৈশিষ্ট্য।

আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ লিখেছেন, ওর কবিতা সহজ। ওর কবিতা সরল। সেখানে আধুনিকতা আছে। আবার দেশজ, লোকজ, এই বাংলার সমস্ত কিছু তার কবিতার মধ্যে আছে। সত্য ন্যায় ও সুন্দরের জন্য ওর মাঝে একটা আকুতি আছে।

কে জি মোস্তফা লিখেছেন, কিছু কিছু মানুষ আছেন যাদের দেখলে মনটা আপনা-আপনি খুশিতে ভরে যায়। চারপাশ অকস্মাৎ আমোদিত হয়ে ওঠে। আসাদ চৌধুরী তাদেরই একজন।

মুস্তাফা জামান আব্বাসী লিখেছেন, খুব কম সংখ্যক লোকই আছেন যাদের কথা শোনার জন্যে সভা-সমিতিতে যেতে ইচ্ছে করে, কম লোকই আছেন যাদের সম্বন্ধে দু’কথা লিখতে ইচ্ছে করে। এমন একজন আসাদ চৌধুরী, সুস্মিত, সুভাষিত নির্মল হাসির একজন কবি, একজন লেখক, একজন নাগরিক। যতদিন দেখা হয়েছে প্রতিবার বিনিময় করেছি পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, মমতা ও উচ্ছ্বাস।

আরও পড়ুন

বর্ণাঢ্য এই সংখ্যার প্রকাশের পর জলছবি সম্পাদক ও কবি জামসেদ ওয়াজেদ বলেন, সামগ্রিক বাংলা সাহিত্য কবি আসাদ চৌধুরীর কাছে ঋণী । কবিতার প্রতি তার ভালোবাসা ও আত্মত্যাগ আমাদের উদ্বুদ্ধ করে তাকে নিয়ে এই সংখ্যাটি করতে। নিরঅহংকার এই কবি বুকে আগলে রাখতেন তার সকল অনুজ কবিকে। তার মিষ্টি ব্যবহার আর হাসিমাখা মুখের যাদুতে আমরা কুপোকাত হতাম।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে সরাসরি অংশগ্রহণ করা কবিকে নিয়ে সংখ্যাটি প্রকাশ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই এই সংখ্যার অংশগ্রহণকারী সকল লেখকদের প্রতি, যারা তাদের মূল‍্যবান লেখা দিয়ে সংখ্যাটি ঋদ্ধ করেছেন।

সংখ্যাটি পাওয়া যাচ্ছে শাহবাগ পাঠক সমাবেশ, আজিজ সুপার মার্কেটের কিশলয় প্রকাশনী, পলল প্রকাশনী ও জননান্তিকে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কবি মোহাম্মদ রফিকের জন্মদিন আজ, যার কবিতা কাঁপিয়ে দিয়েছিল এরশাদের শাসন
বাংলা কবিতার ইতিহাসে মোহাম্মদ রফিক এক অনন্য নাম।
কবি মোহাম্মদ রফিকের জন্মদিন আজ, যার কবিতা কাঁপিয়ে দিয়েছিল এরশাদের শাসন
কবি ও সাংবাদিক রথো রাফি মারা গেছেন
হৃদরোগসহ শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন কবি ও সাংবাদিক রথো রাফি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৫২। গত সোমবার থেকে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন রথো রাফি। দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন এই নিভৃতচারী কবি। তার ছোট ভাই মো. এহতেশামুল হক মৃত্যুর খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এহতেশাম বলেন, তিন দিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তাকে লাইফ সাপোর্টেও নেওয়া হয়েছিল। আগামীকাল শুক্রবার রথো রাফির মরদেহ জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় নেওয়া হবে। জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে দক্ষিন তারুয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার পাশে রথো রাফির মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন তার ভাই এহতেশামুল হক। রথো রাফি কবিতা ও অনুবাদে নিজস্ব ভাষাভঙ্গি তৈরি করেছিলেন। তার একমাত্র কাব্যগ্রন্থ ‘অক্ষর ও বালির পৃথিবী’। ৪৩২ পৃষ্ঠার এই বইয়ে স্থান পেয়েছিল দুই শতাধিক কবিতা। ১৯৯৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দুই দশকে লেখা কবিতাগুলোর সংকলন এটি। তার কবিতায় মানুষের জন্ম-মৃত্যুর দর্শন থেকে শুরু করে কৃষ্ণের বাঁশি ও যিশুর ক্রুশযাত্রার মতো নানা অনুষঙ্গ উঠে এসেছে। এছাড়া বিশ্বসাহিত্যের নানা কবির অনূদিত কবিতা রয়েছে তার।  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন তারুয়া গ্রামে ১৯৭৫ সালের ৩১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রথো রাফি। তার মা-বাবা আগেই মারা গেছেন। বাবা আবুল কাশেম আশুগঞ্জ হাজি আব্দুল জলিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক ছিলেন। মা জাহানারা বেগম সরকারি চাকরি করতেন। বর্তমানে তার দুই ভাই রয়েছে। পেশা ও কবিতার জগতে রথো রাফি হিসেবে সবার কাছে পরিচিত হলেও তার মূল নাম মো. মোজাম্মেল হক। তিনি অবিবাহিত ছিলেন।  আরটিভি/এমএম
কবি ও সাংবাদিক রথো রাফি মারা গেছেন
কবি শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন আগামীকাল
নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন আগামীকাল। ১৯২৯ সালের এই দিনে তিনি ঢাকার মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
কবি শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন আগামীকাল
প্রেম ও প্রতিবাদের কাব্যগ্রন্থ ‘একখণ্ড অখণ্ড আগুন’
কবি, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক জাহাঙ্গীর আলম সৈয়দ সমকালীন বাংলা সাহিত্যের এক সক্রিয় ও স্বতন্ত্র কণ্ঠ। স্বাধীনচেতা, মুক্তচিন্তক ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন মনোভাব তার সাহিত্যকর্মেও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
প্রেম ও প্রতিবাদের কাব্যগ্রন্থ ‘একখণ্ড অখণ্ড আগুন’
সাধু-গুরু ও লালন অনুসারীদের মিলনমেলা শেষ হচ্ছে আজ  
আবার দীর্ঘ এক বছরের অপেক্ষা। গুরু-সান্নিধ্য আর মরমি সাধনায় একাত্ম হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার লালন আখড়াবাড়িতে সমবেত হয়েছিলেন দেশ-বিদেশের হাজারো সাধু-গুরু ও লালন অনুসারী।
সাধু-গুরু ও লালন অনুসারীদের মিলনমেলা শেষ হচ্ছে আজ