ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

হেফাজতের নতুন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেলেন যারা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ নভেম্বর ২০২০, ০৭:০৯ পিএম
হেফাজতের নেতৃবৃন্দ

কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন ‘হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের’ নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পুরনো অনেকে থাকলেও নতুন অনেকে যুক্ত হয়েছেন।

রোববার কাউন্সিলে নতুন আমির নির্বাচিত করা হয় আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে। আর মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী। এছাড়া ১৫১ জনের কেন্দ্রীয় কমিটিও ঘোষণা করা হয়।

নতুন কমিটিতে সাবেক আমির আল্লামা শফীর অনুসারী হিসেবে পরিচিতদের অনেককেই বাদ দেয়া হয়েছে।

এক নজরে হেফাজতের ১৫১ জনের কেন্দ্রীয় কমিটি

প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে চারজনকে। তারা হলেন, আল্লামা মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী, আল্লামা আব্দুস সালাম চাটগামী, আল্লামা আব্দুল হালিম বোখারী, আল্লামা সুলতান যওক নদভী।

আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী আমির ও নায়েবে আমীর করা হয়েছে মাওলানা নূরুল ইসলাম জিহাদি, মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জ্বী, মাওলানা নূরুল ইসলাম ওলিপুরী, মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, মুফতি আহমদ উল্লাহ, মাওলানা শেখ আহমদ, মাওলানা আব্দুল হামিদ, মাওলানা আরশাদ রহমানী।

এছাড়া মহাসচিব হয়েছেন আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী। যুগ্মমহাসচিব হয়েছে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা লোকমান হাকিম ও মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির।

সহকারী মহাসচিব হয়েছেন মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন খুলনা, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা আব্দুল বাসেত খান, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফাতেহপুরী, মাওলানা মুফতি আজহারুল ইসলাম, মুফতি রহিমুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজি, মাওলানা মূসা বিন ইজহার, মাওলানা জাফর আহমদ ভাটুয়া, মাওলানা হাবিবুল্লাহ আজাদী, মাওলানা শফিক উদ্দিন, মাওলানা জসিমুদ্দিন লালবাগ, মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমাদ, মাওলানা হাসান জামিল।

সাংগঠনিক সম্পাদক- মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক- মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা মাসউদুল করীম টঙ্গী, মাওলানা মীর মুহাম্মদ ইদ্রিস, মাওলানা শামসুল ইসলাম জিলানী, মুফতি ওমর ফারুক, মাওলানা আতাউল্লাহ আমেনী ঢাকা, মাওলানা তাফহিমুল হক হবিগঞ্জ, মাহমুদুল আলম রংপুর।

অর্থ সম্পাদক- মুফতি মুনির হোসাইন কাসেমী, সহকারী অর্থ সম্পাদক- মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ ফয়সাল, মাওলানা লোকমান মাজহারী, মাওলানা মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস হামেদী।

প্রচার সম্পাদক- মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, সহকারী প্রচার সম্পাদক- মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াকুব ওসমানী, মাওলানা ফয়সাল অঅহমদ মোহাম্মদপুর ঢাকা, মুফতি শরীফুল্লাহ, মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান নারায়ণগঞ্জ, হাফেজ সায়েম উল্লাহ।

শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক- মুফতি হারুন ইজহার। সহকারী শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক- মাওলানা জুনায়েদ বিন জালাল। সাহিত্য ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক- মাওলানা হারুন আজিজী নদভী, মাওলানা মাহবুবুর রহমান হামিদ।

সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- মুফতি কুতুবুদ্দিন নানুপুরী, সহকারী সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, মাওলানা হাফেজ সালামত উল্লাহ।

আইন বিষয়ক সম্পাদক- অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহিদুল পাশা চৌধুরী, সহকারী আইন বিষয়ক সম্পাদক- অ্যাডভোকেট নিজামুদ্দিন।

দাওয়াহ সম্পাদক- মাওলানা নাজমুল হাসান, সহকারী দাওয়াহ সম্পাদক- মাওলানা মুশতাকুন্নবী, আহমদ আলী কাসেমী। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক- মাওলানা ওবায়দুর রহামান খান নদভী।

ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক- মুফতি মুহাম্মদ আলী। সহকারী ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক- মাওলানা জাকারিয়া মাদানী, মাওলানা গাজী ইয়াকুব। ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক- মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ খুবায়েব।

সহকারী ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক- মাওলানা জিয়াউল হুসাইন। আন্তর্জাতিক সম্পাদক- হেলাল উদ্দিন নানুপুরী, সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক- আনোয়া শাহ আজহারী, আব্দুল কাদের সালেহ, মাওলানা আব্দুস সালাম পাটওয়ারী, মাওলানা শুয়াইব আহমদ, মাওলানা রফিক আহমদ, মাওলানা গোলাম কিবরিয়া।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক- মাওলানা ড. নুরুল আবছার আজহারী, সহকারী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক- মুফতি হুমায়ুন কবির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

দফতর সম্পাদক- মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ তৈয়ব, সহকারী, দফতর সম্পাদক- আবু তাহের ওসমানী, মাওলানা সিদ্দিকুল ইসলাম তোফায়েল।

সদস্য- মাওলানা আবু তাহের নদভী পটিয়া, মুফতি কেফায়েত উল্লাহ হাটহাজারী, মাওলানা আজিজুল হক আল মাদানী, মাওলানা আলী ওসমান, মুফতি বশিরুল্লাহ, মুহাম্মদ শফি, আবুল হোসাইন সাতকানিয়া, হাফেজ ইলিয়াস হামেদী, আনওয়ারুল আলম চিরিঙ্গা, শেখ মুজিবুর রহমান, আব্দুর রহমান কাসেমী বিবাড়িয়া, কারী জহিরুল ইসলাম, জামিল আহমদ চৌধুরী মৌলভীবাজার, বশির আহমদ মুন্সিগঞ্জ, তাফাজ্জুল হক আজিজ সুনামগঞ্জ, আলী আকবর সাভার, আবু আব্দুর রহিম নরসিংদী, আব্দুল কুদ্দুস মানিকনগর, মুফতি আবু সাঈদ, এনামুল হক আলমাদানী, আব্দুল মুবিন, মুহাম্মদ উল্লাহ জামি, রফিকুল ইসলাম মাদানী, হাফেজ শুয়াইব মাক্কি, নূর হুসাইন নুরানী, মাওলানা আব্দুল মান্নান আম্বরশাহ, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী, মাওলানা রাশেদ বিন নূর, মাওলানা সাঈদ নূর।

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনায় কেটে গেলো একটি বছর। অনেক উত্থান-পতন পেরিয়ে অতীতের খাতায় জমা হলো ২০২০ সাল। বিগত সময়ে সকল দুঃখ, কষ্ট, হতাশা, গ্লানি ও বেদনা ভুলে বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন আশা নিয়ে বরণ করে নিলো ২০২১ সালকে।  বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, পদ্মা সেতু চালু, সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ নানা কারণে ২০২১ গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর। উন্নয়নে নেয়া নানা উদ্যোগ পূর্ণ হবে, অগ্রগতির পথে সব জটিলতা দূর হবে- আজ এটাই সবার প্রত্যাশা। মহামারির ধাক্কা সামলে নিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।  ইংরেজি নতুন বছর ২০২১-এ দেশের মানুষ নতুন করে জীবন সাজানোর স্বপ্ন দেখেন। ফেলে আসা দুঃখ-বেদনা ভুলে নতুন করে এগিয়ে যেতে চান সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাই আজ হৃদয়ে হৃদয়ে বেজে ওঠে একটাই প্রার্থনা- নতুন বছরটি যেন ভালো কাটে। নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনা, নতুন প্রেরণা নিয়ে এগিয়ে চলা। পেছনে ফেলে আসা বছরের সকল গ্লানিকে দূরে ঠেলে নতুন উদ্যমে সাহস নিয়ে পথচলা। সভ্যতার ইতিহাস বলে, অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার এই স্পৃহাই মানুষকে নিয়ে এসেছে এতদূর। তাই নতুন বছরে নতুন স্বপ্ন বুকে নিয়ে এগিয়ে যাবে বিশ্বের অন্যান্য জাতির মতো বাঙালিরাও। এফএ
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
ভারতের আসাম প্রদেশে ৭০০ মাদরাসাকে স্কুলে রূপান্তর করবে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিজেপি সরকার বলছে, মসজিদের ঈমামের চেয়ে ভারতে ডাক্তার, পুলিশ, আমলা ও শিক্ষক বেশি প্রয়োজন। তাই মাদরাসার সিলেবাসকে নিম্নমানের শিক্ষা আখ্যায়িত করে স্কুলে রূপান্তরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।  এই সংক্রান্ত একটি বিল বৃহস্পতিবার আসামের আইনসভায় পাস হয়েছে। আসামের শিক্ষামন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বাস শর্মা প্রাদেশিক আইনসভাকে জানিয়েছেন, নতুন বছরের এপ্রিলের মধ্যে ৭০০ এর অধিক মাদরাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে সেখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর গার্ডিয়ান। হেমন্ত বিশ্বাসের দাবি মাদ্রাসায় পার্থিব বা বৈষয়িক কোনো বিষয় পড়ানো হয় না। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বিষয়টিকে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ট দেশে মোদি সরকারের মুসলিমবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। ওয়াজেদ আলী চৌধুরী নামে কংগ্রেসের একজন আইনপ্রণেতা বলেন, ‘এটা মুসলিমদের শেকড় উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত।’ এফএ
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার দীর্ঘদিন পরেও স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে কিছু মানুষ ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকে তারা ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসেবে মিথ্যার করছেন। সম্প্রতি তুর্কির এক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তুর্কির মন্ত্রী বলেছিলেন- ভারতের প্রয়োচনায় বাঙালিরা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছেন। তারা ভাবেন ইসলামকে ধ্বংস করেছি আমরা। সেই সুর আবারও গাইছে, যা ২৩ বছর শুনেছি। এসব বিষয় নিয়ে তর্কির ওই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় আধাঘণ্টা ঝগড়া হয়েছিল বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গবেষণা গ্রন্থ ‘নৌ যুদ্ধ একাত্ত’-এর মোড়ক উন্মোচনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই বলে মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারছি না। এজন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আগামী দুই থেকে তিন মাসের ভেতর ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’ নামে একটি গল্প রেকর্ডিং করা হবে। স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা কি করেছেন এবং সহযোদ্ধারা কি দেখেছেন সেটি রেকর্ড করা হবে। এতে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাটা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে চালিয়ে ইসলামপন্থী দেশগুলোর মগজ ধোলাই করেছে, যেন বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে কিছুই করেনি। ভারত এসে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লিখিত জবাব দিতে হবে। এসআর/এফএ  
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক হত্যকান্ডে জড়িত এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শহরের চন্ডিবের খাঁ বাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৮ঘন্টা পর পুলিশ ঘটনার মুলহোতা এবং শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ইমন পৌর শহরের ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার আড়াই বেপারীর বাড়ির মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।  আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন।  জানা গেছে, শহরের দুর্জয় মোড়ের পূর্ব পাশে গত সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত শ্রমিক সুনামগঞ্জের বিশম্ভপুর উপজেলার বাঘগাঁও গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর নিহত এহসানুল তার এক চাচাসহ তারা দু’জন গত দু’সপ্তাহ আগে ভৈরবে কাজের সন্ধানে এসে ছিলেন। পরে কয়েক দিন শ্রমিকের কাজ করে কিছু টাকা জমান। পরে জমানো টাকা নিয়ে গত সোমবার রাতে তারা দুর্জয় মোড় থেকে বাড়ী যাবার সময় বাসে উঠার আগে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এহসানুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ঘটনায় পরের দিন মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজিত শত শত কয়লা শ্রমিকরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ফেরিঘাট থেকে মিছিল নিয়ে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় প্রদক্ষিণ করে ভৈরব থানায় প্রবেশ করে। পরে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায় এবং কাজে যোগ দেয়।  এছাড়াও এদিন (মঙ্গলবার) রাতেই নিহতের চাচা আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দু’জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নামে এবং প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জিএ
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুর ১১ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ঝিল এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ছুরি, চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শনিবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি নুরুকে খুঁজতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তার সহযোগীরা। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় আটক করা হয় নুরুর সেকেন্ড ইন আজমকে।  আটককৃতদের মধ্যে হামলার ঘটনায় কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আকবরশাহ থানার ওসি জহির হোসেন।   পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে আকবর শাহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝিল এলাকায় সরকারী পাহাড়া কেটে আলিশান বাড়ী, সেমিপাকা ঘর, মসজিদ, এতিমখানা ও গরু-ছাগলের খামার তৈরি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। জিএ
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
আরও পড়ুন
সরকারের সঙ্গে ভাস্কর্য নিয়ে আলোচনা চায় হেফাজত
কোনো অরাজকতা করতে দেব না: ভাস্কর্য স্থাপনে হেফাজতের হুঁশিয়ারির জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভাস্কর্যবিরোধী মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ
হেফাজতের নতুন আমির বাবুনগরী, মহাসচিব কাসেমী (ভিডিও)