
ঘূর্ণিঝড় রেমাল তাণ্ডব চালিয়েছে সাতক্ষীরা উপকূলে। নদীতে জোয়ারের পানি বেড়েছে ৩-৪ ফুট পর্যন্ত। প্রচণ্ড ঝড়ে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে সাতক্ষীরার ২ উপজেলা। উপকূল রক্ষা বেড়িবাঁধের একাধিক পয়েন্টে ফাটল ধরেছে।
এ দিকে কয়রা উপজেলার গাবুরায় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে এক ব্যক্তির (৫০) মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ মে) রাত ৮টার দিকে রাস্তায় স্ট্রোক করে মৃত্যু হয় তার।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুর আলম।
তিনি বলেন, ‘ঝড় শুরু হলে গাবুরায় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে এক ব্যক্তি স্ট্রোক করে মারা গেছেন বলে স্থানীয়দের থেকে শুনেছি।’
এ দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখ যায়, জোয়ারের পানির তোড়ে রিং বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকার মাছের ঘের। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাছের আম। টানা বৃষ্টি আর জোয়ারের পানির চাপে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন বহু পরিবার। কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্ন রয়েছে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা। ঘূর্ণিঝড়ে কিছু কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। কয়েকটি স্থানে সড়কের পাশের গাছ ভেঙে পড়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাইক্লোন শেল্টারে রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় এক লাখ মানুষ। তারা বেশিরভাগই নদী পাড়ের বাসিন্দা।
তবে সোমবার সকালে অনেকেই নিজ বাড়িতে যেতে শুরু করেছেন।




