ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কওমি মাদ্রাসা নীতিমালা ও হাফেজিয়া বোর্ড গঠন থেকে সরকারকে বিরত থাকার আহ্বান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কওমি মাদ্রাসা স্থাপনের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন এবং হাফেজিয়া মাদ্রাসার জন্য পৃথক কেন্দ্রীয় বোর্ড গঠনের সরকারি উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের উদ্যোগ বিদ্যমান আইন, কওমি শিক্ষাব্যবস্থার স্বকীয়তা এবং দীর্ঘদিনের স্বতন্ত্র পরিচালনা কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

শনিবার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিত সংগঠনের এক জরুরি সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতি দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী (পীর সাহেব দেওনা)।

বিবৃতিতে বলা হয়, জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬-এর সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (মাদ্রাসা-২) মো. রাহাত খান (৭ জুলাই, ২০২৬) স্বাক্ষরিত এক পত্রে কওমি মাদ্রাসা স্থাপনের নীতিমালা প্রণয়ন এবং দেশের সব হাফেজিয়া মাদ্রাসার জন্য একটি কেন্দ্রীয় বোর্ড গঠনের বিষয়ে আলোচনা করতে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান, কো-চেয়ারম্যান এবং এর অধীন ছয়টি বোর্ডের সভাপতি বা প্রতিনিধিদের ৯ জুলাই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে সংগঠনের দাবি, আল-হাইআতুল উলয়া ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোর প্রতিনিধিরা ওই সভায় অংশগ্রহণে অসম্মতি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন



কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দারুল উলুম দেওবন্দের শিক্ষা-দর্শনের আলোকে পরিচালিত কওমি মাদ্রাসাগুলো বহু দশক ধরে সরকারি অনুদান ছাড়াই মক্তব থেকে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে বিভিন্ন স্বীকৃত বোর্ডের মাধ্যমে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ, সনদ প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, পরিদর্শন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। হেফজ বিভাগও এসব বোর্ডের অধীন একটি মৌলিক ও অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে তারা উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা-সংক্রান্ত আইন কওমি মাদ্রাসার স্বকীয়তা ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যকে আইনি সুরক্ষা দিয়েছে। একই আইনের আওতায় আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ সমন্বয়কারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। ফলে বিদ্যমান কাঠামো বহাল থাকা অবস্থায় পৃথক হাফেজিয়া বোর্ড গঠনের যৌক্তিকতা নেই বলে সংগঠনটির মত।

সংগঠনটি আরও জানায়, প্রাইভেট কিছু হেফজখানা সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান আছে, এর মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের নৈতিক অবক্ষয়ের মহামারির সময়ে কিছু দ্বীনি খেদমত চালু আছে। এ শ্রেণির প্রাইভেট মাদ্রাসাসমূহ স্বীকৃত যেকোন বোর্ডের অনুমোদন জরুরি, ‘কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ’-এর সুপারিশ বেফাকসহ অন্যান্য বোর্ড কর্তৃপক্ষ সে সব হেফজখানাকে বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে একীভূত করার জোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, কওমি মাদ্রাসা স্থাপনের নীতিমালা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার জন্য পৃথক কেন্দ্রীয় বোর্ড গঠন করা প্রচলিত আইনের সাথে সাংঘর্ষিক, এধরণের উদ্যোগে দেশের সব কওমি উলামায়ে কেরামকে হতাশ ও মর্মাহত করেছে। কুরআন শিক্ষায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা পাশ্চাত্যের কুরআন শূন্য করার একটি পুরানা কৌশল। বিশেষ করে ৮ অক্টোবর, ২০১৮ সালের ৪৮ নং কওমি মাদ্রাসা আইনটি সংশোধনের অজুহাতে বাতিল করার একটি সু-গভীর চক্রান্ত। বাংলাদেশে একটি ইসলাম বিদ্বেষী মহল এভাবে কওমি মাদ্রাসা স্থাপন ও কুরআন হিফজ করাকে বন্ধ করার অপকৌশল হিসাবে কওমি মাদ্রাসা স্থাপনের নতুন নীতিমালার মাধ্যমে দ্বীনি শিক্ষার প্রচার-প্রসার সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন করে এমন কিছু শর্ত জুড়ে দেবে, যা দ্বীনি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা বাধাগ্রস্ত হবে মর্মে আশঙ্কা করা হচ্ছে এবং কুরআন হেফজ করার যে চিরাচরিত নীতির পরিপন্থি, কুরআন হেফজ করার সাথে অন্যান্য বিষয় শিখানো শর্ত আরোপ করলে হেফজ করা দারুণভাবে বিঘ্নিত হবে। এমতাবস্থায় সরকার হাফেজিয়া মাদ্রাসার জন্য পৃথক বোর্ড করে হেফজ শিক্ষার্থীদের একই সাথে যদি বাংলা, অঙ্ক, ইংরেজি অন্যান্য বিষয় পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করে দেয় তাহলে হেফজ শিক্ষার ধারাবাহিকতা বন্ধ হয়ে যাবে। পবিত্র কুরআন শিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারের এধরণের অযাচিত হস্তক্ষেপে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়ে অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।

সবশেষে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি কওমি মাদ্রাসার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য, বিদ্যমান আইন এবং প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা কাঠামোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে পৃথক হাফেজিয়া বোর্ড গঠন ও নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানায়।

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী, সহ-সভাপতি মাওলানা আলি আজম, মহাসচিব মাওলানা মুস্তাকিম বিল্লাহ হামিদী, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি দ্বীন মুহাম্মদ আশরাফ, যুগ্ম মহাসচিব মেরাজুল হক মাজহারীসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং স্থানীয় আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন
মিষ্টি–গাজী নজরুলের আগে বিতর্কে জড়ানো এমপিদের শেষ পরিণতি যা হয়েছিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরুর পরে এ পর্যন্ত দুইজন সংসদ সদস্য ভিন্ন কারণে বিতর্কে জড়ালেন।
মিষ্টি–গাজী নজরুলের আগে বিতর্কে জড়ানো এমপিদের শেষ পরিণতি যা হয়েছিল
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালকের ৫১ কোটি টাকার আমানত, বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক সুকুমার রায়। ২০১৭ সালে চাকরি থেকে অবসর নেন সরকারের তৃতীয় গ্রেডের এই কর্মকর্তা। সরকারি হিসাব অনুসারে চাকরির শেষ সময়ে তার মাসিক বেতন-ভাতা মিলিয়ে ছিল প্রায় ৯০ হাজার টাকা। এই বেতনের চাকরি করে গড়েছেন সম্পদের এক মহা সাম্রাজ্য।  সম্প্রতি এক অনুসন্ধানে তার নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, জমি ও ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শুধু সোনালী ব্যাংকেই সুকুমার রায়ের নামে কমপক্ষে ৫১ কোটি টাকা আমানত রয়েছে। নিজের নামে রয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার টাকার সঞ্চয়পত্র। এছাড়া ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রামদিয়া মৌজায় তার নামে ২২০ শতাংশ ও ৩০ শতাংশ—দুটি জমির তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকার পল্টন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট এবং ফরিদপুর সদর এলাকায় আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। সুকুমার রায় খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক পদ থেকে ২০১৭ সালে অবসরে যান। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অবসরের পর তিনি এককালীন প্রায় ৮০ লাখ টাকা পেনশন পেয়েছেন। চাকরিজীবনে তার মোট বেতন-ভাতা ছিল প্রায় ১ কোটি টাকা।  অর্থাৎ চাকরিকালীন আয় ও পেনশন মিলিয়ে একজন তৃতীয় গ্রেডের কর্মকর্তার সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা আয় করতে পারেন। কিন্তু তার ব্যাংক হিসাবে কমপক্ষে ৫১ কোটি টাকা আমানত রেখেছেন বলে জানা গেছে এত টাকা ও জমি তিনি কোন প্রদীপের আলো আয় করেছেন তার কোনো সঠিক ব্যাখ্যা নেই। সুকুমার রায়ের আয়কর নথিতেও কোনো তথ্য নেই এসব সম্পদের। এসব অভিযোগের বিষয়ে দেশের বেসরকারি এক গণমাধ্যমকে সুকুমার জানিয়েছেন, ‘আমার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ আছে। তাতে আপনাদের কী? আপনি খুঁজে দেখেন আমার আরো অনেক সম্পদ রয়েছে।’ এরপর তিনি ফোন কেটে দেন। এদিকে সুকুমার রায়ের স্ত্রী বনশ্রী বোস নিজেকে একজন গৃহিণী হিসেবে নিজেকে দাবি করলেও তার নামে থাকা সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে রয়েছে ২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার আমানত। এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকেও রয়েছে তার হিসাব যার নাম্বার ০১৯০৩১৫২৭৩-৮১১। এই হিসাবটি খুলতে তিনি নিজেকে পরিচয় দিয়েছেন চাকুরিজীবী হিসেবে। কিন্তু কোথায় চাকরি করেন সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেননি। জানা গেছে, বনশ্রী বোসের নামে রয়েছে ৫৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। এরমধ্যে ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র আমানত রয়েছে ৫ লাখ টাকার। এছাড়া পরিবার সঞ্চয়পত্র হিসেবে রয়েছে ৩০ লাখ টাকা। ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক আমানত হিসেবে আরো রয়েছে ১০ লাখ টাকা। বনশ্রী বোসের নামে রয়েছে ফরিদপুর সদরের শ্রীঅংগন দক্ষিণ পল্লী এলাকায় বাড়ি। এ ছাড়াও বনশ্রী বোসের সোনালী ব্যাংকের ৪টি অ্যাকাউন্টের তথ্য থেকে জানা গেছে, হিসাব নাম্বার ২০১১০৫০৫০০০৭৪০ এর বিপরীতে ২ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) হিসেবে রয়েছে। ২০১১০৫০৫০০০৮১৩ হিসাব নাম্বারের বিপরীতে রয়েছে আরো ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার এফডিআর। ২০১১০৫০৫০০০১৯১ হিসাব নাম্বারের বিপরীতে রয়েছে ১১ কোটি টাকা এবং ২০১১০৫০৫০০০২১৭ হিসাবে আছে আরো ১০ কোটি টাকার এফডিআর। এসব এফডিআর করার সময়ে দেখানো হয়েছে বাবার বাড়ি থেকে প্রাপ্ত সম্পদ এবং জমি বিক্রয়ের টাকা। কিন্তু বনশ্রী বোসের ট্যাক্স ফাইলে নেই এসব সম্পদের কোনো বিবরণ। সুকুমারের স্ত্রী ছাড়াও তার সুকুমার রায়ের বড় ছেলে সৌমেন রায়ের অ্যাকাউন্টেও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জানা গেছে, সৌমেন রায়ের অ্যাকাউন্টে ৪০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে তার মা বনশ্রী বোসের আইএফআইসি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে। ফলে খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক এই পরিচালকে বিপুল সম্পদের তথ্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। গণমাধ্যমের খবর প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার কথা জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ। আরটিভি/এসআর
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালকের ৫১ কোটি টাকার আমানত, বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি বহনকারী রুশ বিমানের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছে ঢাকাভিত্তিক পাকিস্তান হাইকমিশন।
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান
আরও পড়ুন
স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে
এলপিজির বাজার তদারকিতে যেসব নির্দেশনা দিল সরকার
‘জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে’
পরাজিত শক্তি সন্ত্রাস সৃষ্টি করে সরকারকে ব্যর্থ করার পাঁয়তারা করছে: রিজভী