ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশব্যাপী আবারও শুরু হচ্ছে ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের প্রতিযোগিতা, আবেদন ৫ আগস্ট থেকে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম
দেশব্যাপী আবারও শুরু হচ্ছে ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের প্রতিযোগিতা। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ইন্টেরিয়র ডিজাইন খাতে পেশাগত উৎকর্ষ, সৃজনশীলতা ও মানসম্মত কাজকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দিতে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে আইডেব এক্সিলেন্স ইন ইন্টেরিয়র ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬।

এ উপলক্ষ্যে রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় এবং অংশগ্রহণ, মূল্যায়ন ও আয়োজনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ২০২৪ সালের জন্য নির্ধারিত প্রথম আসরটি ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত হয়। সেই আয়োজনে আবাসিক, করপোরেট, রিটেইল ও হসপিটালিটি- এই চার বিভাগে মোট ১১৭টি প্রকল্প জমা পড়ে। প্রথম আয়োজনের ব্যাপক সাড়া এবং অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবার আরও বৃহত্তর পরিসরে প্রতিযোগিতাটি আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রথম আসরের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া কিছু সীমাবদ্ধতা দূর করে বিচার প্রক্রিয়া, অংশগ্রহণ ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক আয়োজনকে আরও কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত www.idabaward.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকল্প জমা দেওয়া যাবে। বাংলাদেশের যেকোনো ইন্টেরিয়র ডিজাইনার এবং স্থপতি তাঁদের সম্পন্ন করা প্রকল্প নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে অনলাইনে জমা দিতে পারবেন। ওয়েবসাইটে প্রতিযোগিতার নির্দেশিকা, যোগ্যতার শর্ত, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, দেশি-বিদেশি জুরি বোর্ডের সদস্যদের পরিচিতি, মূল্যায়নের ধাপ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইডেব)-এর সভাপতি সৈয়দ কামরুল আহসান, অ্যাওয়ার্ড কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সাইফুল ইসলাম সরন, ভাইস প্রেসিডেন্ট স্থপতি সজীব জাহান, সুইস গ্লোবাল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসমাইল হোসেন, উপদেষ্টা শফিউল ইসলাম, আইডেব-এর নির্বাহী কমিটির সদস্য, সংগঠনের সদস্য, ইন্টেরিয়র ডিজাইন খাতের পেশাজীবী, সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা।

সংবাদ সম্মেলনে আইডেব সভাপতি সৈয়দ কামরুল আহসান বলেন, ‘বাংলাদেশের ইন্টেরিয়র ডিজাইন শিল্প গত তিন দশকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এখন এই শিল্পকে আরও সুসংগঠিত, নীতিনিষ্ঠ ও জবাবদিহিমূলক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। আইডেব এক্সিলেন্স ইন ইন্টেরিয়র ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আমরা চাই, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের মেধাবী ডিজাইনাররা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিতি লাভ করুন। পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতা পেশাগত মানোন্নয়ন এবং ক্লায়েন্টদের কাছে গুণগত ডিজাইনের গুরুত্ব তুলে ধরতেও ভূমিকা রাখবে।’

অ্যাওয়ার্ড কমিটির চেয়ারম্যান ও আইডেব-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সাইফুল ইসলাম সরন প্রতিযোগিতার সূচি, আবেদন প্রক্রিয়া, মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট ও স্থপতি সজীব জাহান দেশের সব ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ও স্থপতিকে তাঁদের সেরা কাজ নিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই আয়োজন শুধু পুরস্কার অর্জনের সুযোগ নয়, বরং দেশের ইন্টেরিয়র ডিজাইন চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

সুইস গ্লোবাল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসমাইল হোসেন বলেন, `বাংলাদেশে ইন্টেরিয়র ডিজাইন শিল্পের পরিধি ও সম্ভাবনা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। গত এক দশক ধরে আমরা এই শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। আমরা বিশ্বাস করি, এমন উদ্যোগ দেশের ডিজাইন শিল্পকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে সহায়ক হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আইডেব-এর উপদেষ্টা শফিউল ইসলাম, সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, সদস্য, দেশের ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, স্থপতি, সংশ্লিষ্ট নির্মাণ ও ইন্টেরিয়র পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

প্রসঙ্গত, আইডেব এক্সিলেন্স ইন ইন্টেরিয়র ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬- এর সার্বিক আয়োজন করছে ইন্টেরিয়র ডিজাইনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইডিএবি) এবং আয়োজনের পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ডিজাইন ডক্টর্স স্টুডিও।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং স্থানীয় আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন
মিষ্টি–গাজী নজরুলের আগে বিতর্কে জড়ানো এমপিদের শেষ পরিণতি যা হয়েছিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরুর পরে এ পর্যন্ত দুইজন সংসদ সদস্য ভিন্ন কারণে বিতর্কে জড়ালেন।
মিষ্টি–গাজী নজরুলের আগে বিতর্কে জড়ানো এমপিদের শেষ পরিণতি যা হয়েছিল
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালকের ৫১ কোটি টাকার আমানত, বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক সুকুমার রায়। ২০১৭ সালে চাকরি থেকে অবসর নেন সরকারের তৃতীয় গ্রেডের এই কর্মকর্তা। সরকারি হিসাব অনুসারে চাকরির শেষ সময়ে তার মাসিক বেতন-ভাতা মিলিয়ে ছিল প্রায় ৯০ হাজার টাকা। এই বেতনের চাকরি করে গড়েছেন সম্পদের এক মহা সাম্রাজ্য।  সম্প্রতি এক অনুসন্ধানে তার নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, জমি ও ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শুধু সোনালী ব্যাংকেই সুকুমার রায়ের নামে কমপক্ষে ৫১ কোটি টাকা আমানত রয়েছে। নিজের নামে রয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার টাকার সঞ্চয়পত্র। এছাড়া ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রামদিয়া মৌজায় তার নামে ২২০ শতাংশ ও ৩০ শতাংশ—দুটি জমির তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকার পল্টন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট এবং ফরিদপুর সদর এলাকায় আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। সুকুমার রায় খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক পদ থেকে ২০১৭ সালে অবসরে যান। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অবসরের পর তিনি এককালীন প্রায় ৮০ লাখ টাকা পেনশন পেয়েছেন। চাকরিজীবনে তার মোট বেতন-ভাতা ছিল প্রায় ১ কোটি টাকা।  অর্থাৎ চাকরিকালীন আয় ও পেনশন মিলিয়ে একজন তৃতীয় গ্রেডের কর্মকর্তার সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা আয় করতে পারেন। কিন্তু তার ব্যাংক হিসাবে কমপক্ষে ৫১ কোটি টাকা আমানত রেখেছেন বলে জানা গেছে এত টাকা ও জমি তিনি কোন প্রদীপের আলো আয় করেছেন তার কোনো সঠিক ব্যাখ্যা নেই। সুকুমার রায়ের আয়কর নথিতেও কোনো তথ্য নেই এসব সম্পদের। এসব অভিযোগের বিষয়ে দেশের বেসরকারি এক গণমাধ্যমকে সুকুমার জানিয়েছেন, ‘আমার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ আছে। তাতে আপনাদের কী? আপনি খুঁজে দেখেন আমার আরো অনেক সম্পদ রয়েছে।’ এরপর তিনি ফোন কেটে দেন। এদিকে সুকুমার রায়ের স্ত্রী বনশ্রী বোস নিজেকে একজন গৃহিণী হিসেবে নিজেকে দাবি করলেও তার নামে থাকা সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে রয়েছে ২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার আমানত। এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকেও রয়েছে তার হিসাব যার নাম্বার ০১৯০৩১৫২৭৩-৮১১। এই হিসাবটি খুলতে তিনি নিজেকে পরিচয় দিয়েছেন চাকুরিজীবী হিসেবে। কিন্তু কোথায় চাকরি করেন সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেননি। জানা গেছে, বনশ্রী বোসের নামে রয়েছে ৫৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। এরমধ্যে ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র আমানত রয়েছে ৫ লাখ টাকার। এছাড়া পরিবার সঞ্চয়পত্র হিসেবে রয়েছে ৩০ লাখ টাকা। ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক আমানত হিসেবে আরো রয়েছে ১০ লাখ টাকা। বনশ্রী বোসের নামে রয়েছে ফরিদপুর সদরের শ্রীঅংগন দক্ষিণ পল্লী এলাকায় বাড়ি। এ ছাড়াও বনশ্রী বোসের সোনালী ব্যাংকের ৪টি অ্যাকাউন্টের তথ্য থেকে জানা গেছে, হিসাব নাম্বার ২০১১০৫০৫০০০৭৪০ এর বিপরীতে ২ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) হিসেবে রয়েছে। ২০১১০৫০৫০০০৮১৩ হিসাব নাম্বারের বিপরীতে রয়েছে আরো ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার এফডিআর। ২০১১০৫০৫০০০১৯১ হিসাব নাম্বারের বিপরীতে রয়েছে ১১ কোটি টাকা এবং ২০১১০৫০৫০০০২১৭ হিসাবে আছে আরো ১০ কোটি টাকার এফডিআর। এসব এফডিআর করার সময়ে দেখানো হয়েছে বাবার বাড়ি থেকে প্রাপ্ত সম্পদ এবং জমি বিক্রয়ের টাকা। কিন্তু বনশ্রী বোসের ট্যাক্স ফাইলে নেই এসব সম্পদের কোনো বিবরণ। সুকুমারের স্ত্রী ছাড়াও তার সুকুমার রায়ের বড় ছেলে সৌমেন রায়ের অ্যাকাউন্টেও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জানা গেছে, সৌমেন রায়ের অ্যাকাউন্টে ৪০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে তার মা বনশ্রী বোসের আইএফআইসি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে। ফলে খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক এই পরিচালকে বিপুল সম্পদের তথ্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। গণমাধ্যমের খবর প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার কথা জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ। আরটিভি/এসআর
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালকের ৫১ কোটি টাকার আমানত, বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি বহনকারী রুশ বিমানের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছে ঢাকাভিত্তিক পাকিস্তান হাইকমিশন।
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান
আরও পড়ুন
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর
অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ-চীন
সরকার শিক্ষা খাতে জিডিপির পাঁচ ভাগ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে: ড. মাছুমা হাবিব
পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্পখাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা