ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশি ও ভারতীয় রাষ্ট্রপরিচালিত বেতার সম্প্রচার বিনিময় শুরু

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১১:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি ও ভারতীয় রাষ্ট্র পরিচালিত বেতার উভয় দেশে বাংলাদেশ বেতার ও আকাশবাণী শ্রোতাদের শুনার সুবিধার্থে সম্প্রচার বিনিময় শুরু করেছে। বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভাদকার আজ মঙ্গলবার দুপুরে নয়াদিল্লীতে বাংলাদেশ বেতার ও প্রসার ভারতীর মধ্যে অনুষ্ঠান বিনিময় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।

বাংলাদেশ তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ বেতার এখন সারা ভারতে শোনা যাচ্ছে এবং আকাশবাণী এখন বাংলাদেশে শোনা যাবে।’ এতে বলা হয়, বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার কার্যক্রমের বিষয়ে ২০১৮ সালের এপ্রিলে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তবে এতদিন সেটি বাস্তবায়িত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এর ফলে এখন থেকে দু’দেশের শ্রোতা বিশেষত ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গের জনগণ ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) সেবা ব্যবহারের মাধ্যমে ভারতের বাকি অংশগুলোতে বাংলাদেশ বেতারের কর্মসূচি শুনতে পাবে। তারা জানান, কলকাতার লোকজন এখন থেকে বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠান আকাশবাণী চ্যানেলে কলকাতায় এফএম ১০০.১ মেগাহার্টজ, আগরতলায় এফএম ১০১.৬ মেগাহার্টজ এবং আকাশবাণী অ্যাপ ও ডিটিএইচের মাধ্যমে শুনতে পারবে। সারা ভারতে ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে৭টা একযোগে সম্প্রচার শুরু হলো। একইসময়ে আকাশবাণীর অনুষ্ঠান বাংলাদেশ বেতারের এফএম ১০৪ মেগাহার্টজে সম্প্রচার শুরু হলো।

তবে বিশ্বজুড়ে শ্রোতারা এখন থেকে www.newsonair.com অ্যাপস ডাউনলোড করে বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠানগুলো উপভোগ করতে পারবেন।
ড. হাছান মাহমুদ তথ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পরে চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে বেতারের অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের শুরুতে ড. হাছান মাহমুদ তার স্বাগত বক্তব্যে ভারত ও বাংলাদেশের দু’টি জনসেবা সম্প্রচারকের মধ্যে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলো সম্পাদন করার জন্য ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। মন্ত্রী এসময় ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সময়কালে দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামীতে উভয় দেশের স্বার্থে দু’টি প্রতিবেশী মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কগুলো আরও গভীর হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের প্রযুক্তিগত, সাংস্কৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানকে বৃদ্ধি করতে গণমাধ্যম এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিকে আরও ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রযোজনার জন্য ভারত-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ কর্মসূচির বিষয়ে হাছান মাহমুদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, চলচ্চিত্রটির নির্মাণ কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন হবে।

ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভাদকার তার ভাষণে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ‘অর্গানিক রিলেশন্স’ রয়েছে এবং ভবিষ্যতে বন্ধুত্বের এই বন্ধন আরও জোরদার হবে, কারণ উভয় দেশের মধ্যে রয়েছে একটি ভৌগোলিক নৈকট্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যগত সম্পর্ক। তিনি মতামত ব্যক্ত করে বলেন, যৌথ সহযোগিতার মাধ্যমে জীবন ও প্রকৃতি বাঁচাতে মানুষকে পরিবেশ সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন করে তুলতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দুই নেতার শাসনামলে বাংলাদেশ ও ভারত দুর্দান্ত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দিকে মোড় নিয়েছে।

বৈঠকে মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার রকিবুল হক, বেতারের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন-বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এসময় ভারতীয় মন্ত্রীর সঙ্গে তথ্য ও বহিঃপ্রচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও উপস্থিত ছিলেন।

পরে, এক মুক্ত আলোচনায়, দু’দেশের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উভয় দেশের গণমাধ্যমের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর দিকে আলোকপাত করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটিকে আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলার জন্য ভারতের সহযোগিতা চাইলে, ভারতীয় পক্ষ এই লক্ষ্যে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করতে সম্মত হন।

পরে, বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন-বিএফডিসি এবং ভারতের এনএফডিসি’র মধ্যে যৌথ চলচ্চিত্র প্রযোজনার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন-বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজ্ নুজহাত ইয়াসমিন এবং ভারতের এনএফডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিসিএ কল্যাণী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ চার দিনের সরকারি সফরে এখন ভারতে আছেন, এখানে আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেয়ার আগে আজ বিকেলে তিনি বিবেকানন্দ আন্তর্জাতিক ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে গোলটেবিল আলোচনায় বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে মর্যাদাপূর্ণ রাইসিনা সংলাপ-২০২০-এ অংশগ্রহণকারীদের সম্মানে তার দেয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন। আজ শুরু হওয়া মর্যাদাপূর্ণ এই ‘রাইসিনা ডায়লগ-২০২০-এ হাছান মাহমুদ যোগ দিয়েছিলেন। দুইদিনের এই অনুষ্ঠানে বিশ্বের সাতজন সাবেক রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানসহ ৭০০ জন অতিথি অংশ নিচ্ছেন।

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটি পরিদর্শন করবেন। শুক্রবার তিনি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে হায়দরাবাদ ত্যাগ করবেন।

এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনায় কেটে গেলো একটি বছর। অনেক উত্থান-পতন পেরিয়ে অতীতের খাতায় জমা হলো ২০২০ সাল। বিগত সময়ে সকল দুঃখ, কষ্ট, হতাশা, গ্লানি ও বেদনা ভুলে বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন আশা নিয়ে বরণ করে নিলো ২০২১ সালকে।  বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, পদ্মা সেতু চালু, সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ নানা কারণে ২০২১ গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর। উন্নয়নে নেয়া নানা উদ্যোগ পূর্ণ হবে, অগ্রগতির পথে সব জটিলতা দূর হবে- আজ এটাই সবার প্রত্যাশা। মহামারির ধাক্কা সামলে নিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।  ইংরেজি নতুন বছর ২০২১-এ দেশের মানুষ নতুন করে জীবন সাজানোর স্বপ্ন দেখেন। ফেলে আসা দুঃখ-বেদনা ভুলে নতুন করে এগিয়ে যেতে চান সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাই আজ হৃদয়ে হৃদয়ে বেজে ওঠে একটাই প্রার্থনা- নতুন বছরটি যেন ভালো কাটে। নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনা, নতুন প্রেরণা নিয়ে এগিয়ে চলা। পেছনে ফেলে আসা বছরের সকল গ্লানিকে দূরে ঠেলে নতুন উদ্যমে সাহস নিয়ে পথচলা। সভ্যতার ইতিহাস বলে, অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার এই স্পৃহাই মানুষকে নিয়ে এসেছে এতদূর। তাই নতুন বছরে নতুন স্বপ্ন বুকে নিয়ে এগিয়ে যাবে বিশ্বের অন্যান্য জাতির মতো বাঙালিরাও। এফএ
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
ভারতের আসাম প্রদেশে ৭০০ মাদরাসাকে স্কুলে রূপান্তর করবে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিজেপি সরকার বলছে, মসজিদের ঈমামের চেয়ে ভারতে ডাক্তার, পুলিশ, আমলা ও শিক্ষক বেশি প্রয়োজন। তাই মাদরাসার সিলেবাসকে নিম্নমানের শিক্ষা আখ্যায়িত করে স্কুলে রূপান্তরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।  এই সংক্রান্ত একটি বিল বৃহস্পতিবার আসামের আইনসভায় পাস হয়েছে। আসামের শিক্ষামন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বাস শর্মা প্রাদেশিক আইনসভাকে জানিয়েছেন, নতুন বছরের এপ্রিলের মধ্যে ৭০০ এর অধিক মাদরাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে সেখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর গার্ডিয়ান। হেমন্ত বিশ্বাসের দাবি মাদ্রাসায় পার্থিব বা বৈষয়িক কোনো বিষয় পড়ানো হয় না। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বিষয়টিকে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ট দেশে মোদি সরকারের মুসলিমবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। ওয়াজেদ আলী চৌধুরী নামে কংগ্রেসের একজন আইনপ্রণেতা বলেন, ‘এটা মুসলিমদের শেকড় উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত।’ এফএ
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার দীর্ঘদিন পরেও স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে কিছু মানুষ ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকে তারা ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসেবে মিথ্যার করছেন। সম্প্রতি তুর্কির এক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তুর্কির মন্ত্রী বলেছিলেন- ভারতের প্রয়োচনায় বাঙালিরা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছেন। তারা ভাবেন ইসলামকে ধ্বংস করেছি আমরা। সেই সুর আবারও গাইছে, যা ২৩ বছর শুনেছি। এসব বিষয় নিয়ে তর্কির ওই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় আধাঘণ্টা ঝগড়া হয়েছিল বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গবেষণা গ্রন্থ ‘নৌ যুদ্ধ একাত্ত’-এর মোড়ক উন্মোচনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই বলে মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারছি না। এজন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আগামী দুই থেকে তিন মাসের ভেতর ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’ নামে একটি গল্প রেকর্ডিং করা হবে। স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা কি করেছেন এবং সহযোদ্ধারা কি দেখেছেন সেটি রেকর্ড করা হবে। এতে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাটা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে চালিয়ে ইসলামপন্থী দেশগুলোর মগজ ধোলাই করেছে, যেন বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে কিছুই করেনি। ভারত এসে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লিখিত জবাব দিতে হবে। এসআর/এফএ  
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক হত্যকান্ডে জড়িত এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শহরের চন্ডিবের খাঁ বাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৮ঘন্টা পর পুলিশ ঘটনার মুলহোতা এবং শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ইমন পৌর শহরের ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার আড়াই বেপারীর বাড়ির মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।  আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন।  জানা গেছে, শহরের দুর্জয় মোড়ের পূর্ব পাশে গত সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত শ্রমিক সুনামগঞ্জের বিশম্ভপুর উপজেলার বাঘগাঁও গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর নিহত এহসানুল তার এক চাচাসহ তারা দু’জন গত দু’সপ্তাহ আগে ভৈরবে কাজের সন্ধানে এসে ছিলেন। পরে কয়েক দিন শ্রমিকের কাজ করে কিছু টাকা জমান। পরে জমানো টাকা নিয়ে গত সোমবার রাতে তারা দুর্জয় মোড় থেকে বাড়ী যাবার সময় বাসে উঠার আগে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এহসানুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ঘটনায় পরের দিন মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজিত শত শত কয়লা শ্রমিকরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ফেরিঘাট থেকে মিছিল নিয়ে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় প্রদক্ষিণ করে ভৈরব থানায় প্রবেশ করে। পরে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায় এবং কাজে যোগ দেয়।  এছাড়াও এদিন (মঙ্গলবার) রাতেই নিহতের চাচা আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দু’জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নামে এবং প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জিএ
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুর ১১ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ঝিল এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ছুরি, চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শনিবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি নুরুকে খুঁজতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তার সহযোগীরা। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় আটক করা হয় নুরুর সেকেন্ড ইন আজমকে।  আটককৃতদের মধ্যে হামলার ঘটনায় কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আকবরশাহ থানার ওসি জহির হোসেন।   পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে আকবর শাহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝিল এলাকায় সরকারী পাহাড়া কেটে আলিশান বাড়ী, সেমিপাকা ঘর, মসজিদ, এতিমখানা ও গরু-ছাগলের খামার তৈরি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। জিএ
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
আরও পড়ুন
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
‘গঠনমূলক সমালোচনা হচ্ছে বিউটি অব ডেমোক্রেসি’ 
টিআরপি নির্ণয়ের পদ্ধতি তৈরিতে কমিটি গঠন করা হবে: তথ্যমন্ত্রী (ভিডিও)
জিয়াউর রহমান বিচক্ষণ-ধূর্ত ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন: তথ্যমন্ত্রী