ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

থার্টি ফার্স্ট নাইটে রাজধানীতে সব ধরনের অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৪:০৮ পিএম
ফাইল ছবি

ইংরেজি নববর্ষে উপলক্ষে প্রকাশ্য স্থানে কোনো ধরনের সভা-জমায়েত বা উৎসব করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় নগরবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে অংশগ্রহণ করবে। এ আনন্দ উৎসব উদযাপনের নামে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি নিজস্ব সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ঐতিহ্য বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে থাকে। কতিপয় ব্যক্তি আনন্দের আতিশয্যে পটকাবাজি, আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো, অশোভন আচরণ, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালানোর মাধ্যমে রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে অনাকাঙিক্ষত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়।

ক্ষেত্র বিশেষে প্রকাশ্যে অভদ্রজনোচিত আপত্তিকর আচরণ করে থাকে। এ সব নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থী কর্মকাণ্ড একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি করে। ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ মেনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের ১২ নির্দেশনা হলো-

১. ঢাকা মহানগরের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, রাস্তায় এবং প্রকাশ্যে স্থানে কোন ধরনের সভা-জমায়েত বা উৎসব করা যাবে না।

২. উন্মুক্ত স্থানে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান, সমাবেশ, নাচ, গান ও কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।

৩. কোথাও কোনো ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো বা ক্রয় বিক্রয় করা যাবে না।

৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পরে বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবে।

৫. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে স্ব-স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন এবং রাত ৮টার পর প্রবেশের ক্ষেত্রে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে।

৬. গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতরা প্রবেশ করতে পারবে না। তবে ওই এলাকায় বসবাসরত সম্মানিত নাগরিকরা নির্ধারিত সময়ের পর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং দিয়ে পরিচয় প্রদান-সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবে।

৭. একইভাবে উপর্যুক্ত সময়ে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যে সব নাগরিক বসবাস করেন না তাদের বর্ণিত এলাকায় গমনের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হলো।

৮. হাতিরঝিল এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কোনো সমাবেশ বা অনুষ্ঠান করা যাবে না এবং কোনো যানবাহন থামিয়ে অথবা পার্কিং করে কেউ অবস্থান করতে পারবে না।

৯. গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত সম্মানিত নাগরিকদের ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে স্ব-স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করা হলো।

১০. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকা মহানগরীর কোনো বার খোলা রাখা যাবে না।

১১. আবাসিক হোটেলগুলো সীমিত আকারে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান করতে পারবে।

১২. ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা হতে ১ জানুয়ারি ভোর ৫ টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সব প্রকার লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না।

এ ছাড়াও সম্মানিত নগরবাসীকে নিম্নোক্ত ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো।

১. ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে পরদিন ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় যানবাহনযোগে প্রবেশের জন্য কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।

২. রাত ৮টা থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে মহাখালী এলাকা-ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নম্বর রোড ক্রসিং, চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিং, ঢাকা গেট, শুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, ডিওএইচএস বারিধারা ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং ও নতুন বাজার ক্রসিং এলাকাগুলোতে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে ওই এলাকা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে এসব ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।

৩. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ব্যতিত অন্য যেকোন ব্যক্তি বা যানবাহন কেবলমাত্র পুরনো হাইকোর্ট-দোয়েল চত্বর-শহীদ মিনার-জগন্নাথ হলের দক্ষিণ গেট-পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। ওই এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যান্য সব ক্রসিং বন্ধ থাকবে।

৪. ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে শাহবাগ, নীলক্ষেত ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, বকশীবাজার ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং চাঁনখারপুল/শহিদুল্লাহ হল ক্রসিং দিয়ে কোনো প্রকার যানবাহন প্রবেশ করবে না।

৫. সড়ক ব্যবহার সংক্রান্তে যে কোন জরুরি প্রয়োজনে ফোন করুন : ডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬০, এডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬১, এসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৭২, এসি ট্রাফিক (মহাখালী) ০১৩২০-০৪৪৩৭৫, এসি ট্রাফিক (বাড্ডা) ০১৩২০-০৪৪৩৭৮, ডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬০, এডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬১, ডিসি (গুলশান) ০১৩২০-০৪১৪২০ ও ডিসি (রমনা) ০১৩২০-০৩৯৪৪০।

যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সম্মানিত নাগরিকদের কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সাহায্য গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হলো। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ইংরেজি নববর্ষ-২০২৪ উদযাপন নির্বিঘ্ন করতে সম্মানিত নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বনশ্রীতে সমমনা পরিষদের কম্বল বিতরণ
রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে বনশ্রী সোসাইটি এলাকার সকল মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং খাদেমদেরকে শীতের কম্বল উপহার দেওয়া হয়। বনশ্রীতে জনস্বার্থে নিয়োজিত সংগঠন ‘সমমনা পরিষদ’। স্বেচ্ছাসেবী এ সংগঠন বনশ্রী সোসাইটির উন্নয়নে এবং এখানকার জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দীর্ঘ সময় ধরে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। করোনা মহামারী জনিত লকডাউনের সময় নানা সহায়তামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মধ্য দিয়ে ‘মানবিক সংগঠন’ হিসেবে ‘সমমনা পরিষদ’ নজর কাড়ে। সংগঠনটি বনশ্রী রামপুরা এলাকার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অসহায় মানুষের পাশে ছুটে যায়। পাশাপাশি ধর্মীয় ও জনস্বার্থমূলক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহায়তায় এগিয়ে যায়। কম্বল বিতরণ কালে সমমনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) ইংরেজী বর্ষবরণ উপলক্ষে বনশ্রী সোসাইটির সকল শ্রেণীর স্টাফদের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ করা হবে বলে সমমনা পরিষদের কর্মকর্তারা জানান।
বনশ্রীতে সমমনা পরিষদের কম্বল বিতরণ
ইসলামী আন্দোলনের কর্মসূচি / বায়তুল মোকাররমে র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়েন
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটসহ আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে ওই এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন বাতিল, বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং নতুন শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তনের দাবিতে আজ (রোববার) রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি পেশ করবে দলটি। এ জন্য সকাল থেকেই বায়তুল মোকাররম এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল জোনের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার গোলাম রুহানি বলেন, সহিংসতার কোনো আশঙ্কা নেই, তারপরেও নির্বাচন সামনে রেখে নিরাপত্তায় জোরদার করা হয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা আসলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।  উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চলবে। ভোটগ্রহণ ২০২৪ সালের সাত জানুয়ারি।
বায়তুল মোকাররমে র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়েন
বনশ্রীতে গৃহকর্মীর মৃত্যুর জেরে গাড়িতে আগুন-ভাঙচুর
রাজধানীর বনশ্রীতে আসমা বেগম (৪৫) নামে এক গৃহকর্মীকে হত্যার অভিযোগে চারটি গাড়িতে আগুন ও ভাঙচুর করেছে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে রামপুরা বনশ্রী ‘ডি’ ব্লকের ৩২ নম্বর বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানান, ওই বাসার একটি কাজের মেয়ের মৃত্যুর সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় এলাকাবাসী ও আশপাশে গৃহকর্মীরা বিক্ষোভ এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। পরে ওই বাড়ির নিচে থাকা চারটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন তারা। এই ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ওই বাড়ির গৃহকর্তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এদিকে বাড়ির মালিক দেলোয়ার হোসেন জানান, নিহত আসমা বেগম তার মেয়ের বাসার গৃহকর্মী। ভোরে সবাই যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন আসমা ছাদে গিয়ে সেখানে থেকে পড়ে যেতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সকালে ওই ভবনটির মূল ফটকের সামনে গৃহকর্মীর লাশ পড়ে থাকে। এ সময় তার নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। লাশটি দেখে মনে হয়েছে কেউ যেন শুয়ে আছে। ছাদ থেকে পড়েছে বলে তার মনে হয়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের মিতিঝিল বিভগের উপ কমিশনার হায়তুল ইসলাম খান বলেন, ওই গৃহকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে– এমন কথা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। বিক্ষোভকারীরা বাড়ির নিচতলায় ভাঙচুর এবং গাড়িতে আগুন দেয়। তিনি আরও বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে আছি, পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বনশ্রীতে গৃহকর্মীর মৃত্যুর জেরে গাড়িতে আগুন-ভাঙচুর
ঢাকার বাতাস আজও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’, দূষণের তালিকায় তৃতীয়
বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় সম্প্রতি প্রায় প্রতিদিনই শীর্ষ তিনের মধ্যে থাকছে ঢাকার নাম। আজও বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বায়ুমানের সূচক (একিউআই) অনুযায়ী ঢাকায় বাতাসের মান ছিল ২৪৪ স্কোর। বায়ুর মান বিচারে এ মাত্রাকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ ছাড়া স্কোর ২৫৩ নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে চীনের সাংহাই। ২৫২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। ২০৩ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি এবং একই স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে চীনের ছেংতু। তথ্যমতে, একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০ এর মধ্যে থাকলে ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়। ঢাকায় বায়ুদূষণের জন্য ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে দায়ী করে আসছেন বিশেষজ্ঞরা। ভয়াবহ এই দূষণের ফলে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর। নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ঢাকার বায়ু দূষণ ধারাবাহিকভাবেই উদ্বেগজনক। বায়ুদূষণের অনেক উৎসের মধ্যে ইদানিং নির্মাণযজ্ঞও উঠে এসেছে। ভবন বা অবকাঠামো নির্মাণে আদর্শ মান মানা হয় না। সরকারি ও বেসরকারি সব উন্নয়নকাজ উন্মুক্তভাবেই করা হচ্ছে।
ঢাকার বাতাস আজও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’, দূষণের তালিকায় তৃতীয়
থার্টি ফার্স্ট নাইট : রাজধানীর যেসব সড়ক বন্ধ থাকবে
ইংরেজি নববর্ষ থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে মানুষের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর বেশ কয়েকটি সড়কে যান চলাচলে ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।  এছাড়া প্রকাশ্য কোনো ধরনের সভা-জমায়েত বা উৎসব করা যাবে না বলেও জানিয়েছে ডিএমপি। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  আরও পড়ুন : সংসদ সদস্যকে হুমকি দেওয়ায় আ.লীগ নেত্রীকে শোকজ নগরবাসীকে নিম্নোক্ত ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।   ১. ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে পরদিন ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় যানবাহনযোগে প্রবেশের জন্য কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে। ২. রাত ৮টা থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে মহাখালী এলাকা-ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নম্বর রোড ক্রসিং, চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিং, ঢাকা গেট, শুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, ডিওএইচএস বারিধারা-ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং ও নতুন বাজার ক্রসিং এলাকাগুলোতে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে ওই এলাকা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে এসব ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে। আরও পড়ুন : কেউ ভোট কেন্দ্রে যাবেন না, এটি জনগণের নির্বাচন নয় : রিজভী  ৩. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ব্যতিত অন্য যেকোন ব্যক্তি বা যানবাহন কেবলমাত্র পুরনো হাইকোর্ট-দোয়েল চত্বর-শহীদ মিনার-জগন্নাথ হলের দক্ষিণ গেট-পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। ওই এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যান্য সব ক্রসিং বন্ধ থাকবে। ৪. ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে শাহবাগ, নীলক্ষেত ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, বক্শীবাজার ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং চাঁনখারপুল/শহিদুল্লাহ হল ক্রসিং দিয়ে কোনো প্রকার যানবাহন প্রবেশ করবে না। ৫. সড়ক ব্যবহার সংক্রান্তে যে কোন জরুরি প্রয়োজনে ফোন করুন : ডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬০, এডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬১, এসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৭২, এসি ট্রাফিক (মহাখালী) ০১৩২০-০৪৪৩৭৫, এসি ট্রাফিক (বাড্ডা) ০১৩২০-০৪৪৩৭৮, ডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬০, এডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬১, ডিসি (গুলশান) ০১৩২০-০৪১৪২০ ও ডিসি (রমনা) ০১৩২০-০৩৯৪৪০।
থার্টি ফার্স্ট নাইট : রাজধানীর যেসব সড়ক বন্ধ থাকবে
আরও পড়ুন
‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে’ আয়োজন নেই, তবু বাড়ছে কক্সবাজারে পর্যটকের ভিড়
থার্টি ফাস্ট নাইটে ফানুস বা গুলি ছুড়লেই ব্যবস্থা
থার্টি ফার্স্ট নাইট সম্পর্কে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ
থার্টি ফার্স্ট নাইটে চাপ নেই পর্যটকদের, হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা