ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

সেমিনারে বক্তারা

তামাকের ক্ষতি হ্রাসে প্রয়োজন প্রগতিশীল নীতিমালা 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৬:০৪ পিএম
সেমিনারে উপস্থিতি অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত

তামাক বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এক নীরব ঘাতক। যার ভয়াল ছায়া ব্যক্তি থেকে সমাজ, অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পর্যন্ত বিস্তৃত। নিউজিল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশে তামাকের ক্ষতি হ্রাসে বাস্তবসম্মত নীতি গ্রহণ করে সফলতা মিললেও বাংলাদেশে এখনও এ ধরনের কোনো নীতি বা কৌশল নেই। এ কারণে তামাক আজও আমাদের বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত তামাক ক্ষতি হ্রাস নীতি প্রণয়ন জরুরি।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

এ সময় ওয়ার্ল্ড মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল ডা. ডেলন হিউম্যান বলেন, নিউজিল্যান্ড বাস্তবভিত্তিক ও বৈজ্ঞানিক কৌশল গ্রহণ করে সফলভাবে ধূমপান কমিয়ে আনতে পেরেছে। সেখানে ভেপিংয়ের মতো বিকল্পকে স্বীকৃতি দিয়ে মানুষকে ধূমপান ছাড়ার বাস্তব পথ দেখানো হয়েছে। এর ফলে মাত্র কয়েক বছরে দেশটিতে ধূমপানের হার প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত ‘টেল অব টু নেশনস: বাংলাদেশ ভার্সেস নিউজিল্যান্ড’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০১৫ সালে দেশটিতে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ধূমপায়ীর হার ছিল ১৩.৩ শতাংশ, যা বর্তমানে কমে হয়েছে ৬.৯ শতাংশ। অন্যদিকে, বাংলাদেশে এই হার ২৩ শতাংশ থেকে কমে ১৭ শতাংশ হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এ পার্থক্যের বড় কারণ হলো— নিউজিল্যান্ডে ক্ষতি হ্রাস নীতিমালা কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশে তা করা হয়নি।

সেমিনারে অনলাইনে যুক্ত হন থোলোস ফাউন্ডেশনের কনজিউমার ইস্যুজের ডিরেক্টর টিমোথি অ্যান্ড্রুস। তিনি বিকল্প তামাকজাত পণ্যগুলোর সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও এ সংক্রান্ত নীতিমালা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নিষেধাজ্ঞা ও কঠোরতা আরোপ তামাক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর সমাধান নয় জানিয়ে অ্যান্ড্রুস বলেন, ব্রাজিলসহ অনেক দেশে এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে।

সুইডেনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, গত তিন দশকে দেশটির বহু মানুষ ধূমপান ছেড়ে স্নাস নামক ধোঁয়াবিহীন ওরাল তামাকজাত পণ্য ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়েছেন। সিগারেটের তুলনায় এটি কম ক্ষতিকর। দেশটি এই ধরনের পণ্যের ওপর করের হারও কমিয়েছে। ফলে সুইডেন ধূমপানজনিত মৃত্যু ও রোগে আক্রান্ত মানুষের হার এখন অনেক কমে এসেছে।

আরও পড়ুন


বাংলাদেশ হার্ম রিডাকশন ফাউন্ডেশনের (বিএইচআরএফ) প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান এবং ‘টেল অফ টু নেশনস’-এর অন্যতম লেখক ড. মো. শরিফুল ইসলাম দুলু বলেন, নিউজিল্যান্ডের এই সাফল্যের মূল কারণ হলো তাদের বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও তামাক নিয়ন্ত্রণে ক্ষতি হ্রাস কৌশলের অন্তর্ভুক্তি। দেশটি ভেপিংয়ের মতো বিকল্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিয়ে ধূমপায়ীদের ধূমপান ছাড়ার জন্য কার্যকর নীতি প্রণয়ন করেছে। অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ক্ষতি হ্রাস কৌশলগুলো অনুশীলন করছে না। এর পরিবর্তে, ই-সিগারেট আমদানিতে যে নিষেধাজ্ঞার মতো অবাস্তব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

তিনি আরও বলেন, এর ফলে অবৈধ বা চোরাচালানের পথ প্রশস্ত হচ্ছে, যার ফলস্বরূপ সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে এবং ভোক্তারা একটি বিকল্প পছন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সেমিনারে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন জামানও বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, ধূমপানের ক্ষতি হ্রাসে কার্যকর বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন দেশে ভেপ সমাদৃত হলেও বাংলাদেশে এর আমদানি নিষিদ্ধ। তবে চোরাকারবারীরা অবৈধপথে ঠিকই আনছে।

ঢাকাসহ সারাদেশে অবৈধভাবে আমদানিকৃত ভেপ পণ্য বিক্রি হচ্ছে জানিয়ে সুমন জামান বলেন, এতে বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। নীতিমালা না থাকায় ভেপ পণ্যগুলোর মানও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। তাই এভাবে অবৈধ বাজার বাড়ার সুযোগ না দিয়ে বৈধভাবে ভেপ আমদানি ও বিক্রির সুযোগ দিয়ে এ বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা দরকার। এটি বাংলাদেশেও ধূমপানের হার কমাতে এবং বৈধ ব্যবসায় সম্পৃক্তদের জীবিকা সুরক্ষায় সহায়ক হবে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ হার্ম রিডাকশন ফাউন্ডেশন আয়োজিত সেমিনারে সমাপনী বক্তব্য রাখেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের সিনিয়র ম্যানেজার হাসনাত আলম।

মূল সুপারিশগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরে বলেন, তামাকজনিত ক্ষতি হ্রাস কৌশল গ্রহণ এবং এ বিষয়ে একটি আলাদা, বাস্তবসম্মত নীতি প্রণয়ন করা অপরিহার্য। ক্ষতি হ্রাসকারী পণ্য নিষিদ্ধ করার পরিবর্তে নীতি গ্রহণ করা বেশি প্রয়োজন। কারণ নিষেধাজ্ঞা বাজার ও মান নিয়ন্ত্রণের ওপর বিপরীত প্রভাব ফেলে।

তিনি আরও বলেন, তামাকের ক্ষতি হ্রাস নীতি গ্রহণ করলে প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ীর সংখ্যা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে আনা যাবে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। এ উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মহানগর এলাকায় কয়েকটি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। এ ছাড়া উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা মেনে চলতে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে জানাজা শেষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও তার স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। খালেদা জিয়ার কবরে সবার আগে নামেন তার বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজ হাতে তিনি তার মাকে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। এর আগে, বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। এ সময় সড়কের দুপাশে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেসময় এলাকাজুড়ে শোক ও নীরবতার আবহ বিরাজ করে। আরটিভি/একে
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এক ব্যক্তি মারা যান। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন (৫৬)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম। আরও পড়ুন প্রাথমিকে ছুটি কমল যত দিন তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে নিরব হোসেন নামের ওই ব্যক্তি মারা যান। তিনি অসুস্থ ছিলেন। জানাজার সময় মানুষের প্রচণ্ড ভিড়ও ছিল। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারায় মিল রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন। বাবার নাম মতিউর রহমান মিঞা।  ঠিকানা লেখা রয়েছে, ১৭৪ বড় মগবাজার, ডাক্তার গলি, শান্তিনগর, রমনা। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। আরটিভি/এসআর
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
ঢাকার তেজগাঁও সাতরাস্তা ও মহাখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে সাতরাস্তায় ট্রাকচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার যাত্রী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রফিকুল ইসলাম (৪০) ও তার মেয়ে তানজিলা (১২) মারা যান এবং ছেলে নুর ইসলাম আহত হয়। আর মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় মারা যান ৩৫ বছরের অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আহত নুর ইসলামকে ভর্তি করা হয়। নিহত রফিকুল ইসলামের ভাতিজা আব্দুর রাকিব জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণা পূর্বধলা উপজেলার জটিয়াবো গ্রামে। বর্তমানে তারা মগবাজার ওয়্যারলেস রেলগেট এলাকায় থাকতেন। নুর ইসলাম ও তানজিলা স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তাদের বাবা রফিকুল ইসলাম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তিনি ওই এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। আরও পড়ুন সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ রাকিব আরও জানান, রাতে তার চাচা রফিকুল ইসলাম দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। মগবাজার থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে যাচ্ছিলেন। সাতরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে তিনজন আহত হন। পরে পথচারীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাবা ও মেয়ে মারা যায়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হামিদ বলেন, বুধবার ভোরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তেজগাঁও সাতরাস্তা এলাকায় বাবা মেয়ে মারা গেছেন। অন্যদিকে, মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কোনো এক যানবাহনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক মারা গেছেন। এসআই আরও জানান, তবে মহাখালী এলাকায় নিহত ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। যানবাহন শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আরটিভি/একে
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) মেট্রোরেল স্টেশন আজ সন্ধ্যায় থেকে বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমআরটিসিএল)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।  ডিএমআরটিসিএল জানিয়েছে, সম্মানিত যাত্রীসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৭:০০ হতে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলে ছুটছে লাখো মানুষ, হাউমাউ করে কাঁদছে অনেকে এ দিকে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি, লণ্ঠন ও পটকা ফোটানো পরিহার করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো এবং পটকা ফোটানোর ফলে বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, অগ্নিকাণ্ড ও পাখির মৃত্যু ঘটায়। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এটি পরিহার করি।’ প্রসঙ্গত, আজ (বুধবার) দিন পেরিয়ে রাত ১২টা বাজলেই শুরু হবে নতুন বছর ২০২৬ সাল। নতুন এই বর্ষকে উপযাপনে প্রস্তুত গোটা বিশ্ব। আরটিভি/এসআর
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জায়গা না পেয়ে আশপাশের ভবন, গলি, রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। যে যেখানে জায়গা পারছেন, সেখানেই তৈরি করছেন কাতার। মানুষের কাতার কারওয়ান বাজার ছাড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ইন্দিরা রোড এলাকায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।  আরও পড়ুন নারীর ক্ষমতায়নে খালেদা জিয়া সরেজমিনে দেখা গেছে, জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। জানাজার কাতারে জায়গা না পেয়ে পেছনের দিকে ফিরতে থাকে মানুষ। এ সময় বিভিন্ন ভবনের গ্যারেজ, গলি, ছোট বড় ফাঁকা জায়গাগুলোতে অবস্থান নিতে থাকেন তারা, দাঁড়িয়ে যান কাতার সোজা করে। রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা মোহাম্মদ রফিক বলেন, ‘এত মানুষ। কোনোভাবেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢুকতে পারলাম না। বরং যারা মানিক মিয়ায় ছিলেন, তারা উলটো দিকে ফিরছেন। হাজার হাজার মানুষের চাপে আমিও উলটা পথে এসে এখানে অবস্থান নিয়েছি।’ মতিঝিল থেকে আসা মোহাম্মদ উজ্জ্বল বলেন, ‘আগে কারো জানাজায় এত মানুষ দেখিনি। আমি খামারবাড়ি মোড়ে ছিলাম। হঠাৎ প্রচুর ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলাম। দেখলাম, মানিক মিয়া থকে লোকজন এদিকে ফিরছে, সামনে আর জায়গা নাই।' উজ্জ্বল আরো বলেন, ‘মানুষের চাপে আমার দুজন সঙ্গী পড়ে গিয়েছিলেন। চিৎকার করার পর লোকজনের গতি একটু কমলে তারা উঠে দাঁড়ান। নইলে তারা আজ আহত হতে পারতো।’ আরটিভি/এফএ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
আরও পড়ুন
পাঙাশ মাছ, শরীরের জন্য উপকারী নাকি ক্ষতিকর?
প্রথমবারের মতো অপারেশন সিঁদুরে ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করল পাকিস্তান
যে কারণে এই মাছ দেখলেই মেরে ফেলার নির্দেশ!
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ছায়ানট পরিদর্শনে ফারুকী