ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ভালো মাটি থাকায় ঢাকার যেসব এলাকায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি কম   

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৫৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশে ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে ২১ নভেম্বর সকালে। রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার ওই কম্পনের কেন্দ্র ছিল নরসিংদীর মাধবদী, যা ঢাকা থেকে মাত্র ২৫–৪০ কিলোমিটার দূরে। রাজধানীর বাসিন্দারা তীব্র ঝাঁকুনি অনুভব করেন এবং ভবনসমূহ কেঁপে ওঠায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।

এরপর দুই সপ্তাহে অন্তত পাঁচটি আফটার শক অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালেও দেশে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যার উৎপত্তিস্থল ছিলো নরসিংদীর শিবপুরে।

টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্টে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহরের ৪০ শতাংশ ভবন ধসে পড়তে পারে এবং দুই লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা রয়েছে। গেলো সপ্তাহে কয়েক দফা ভূমিকম্প হওয়ার পর রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) নিজেই জানিয়েছে এমন তথ্য। প্রশ্ন উঠছে, ঢাকায় তাহলে কোন এলাকা নিরাপদ?

কয়েক দফায় ভূমিকম্প এবং অধিবাংশের উৎপত্তিস্থল ঢাকার কাছে হওয়ায় উদ্বিগ্ন নগরবাসী। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এবং বিধিমালা অমান্য করে তৈরি বহুতল ভবনের ভিড়ে নিরাপদ জায়গা কোথাও আছে কি না, সেটা নিয়ে প্রশ্ন অনেকের।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকার ভূতাত্ত্বিক গঠন ও ফল্ট লাইনের অবস্থান দুর্যোগ মোকাবিলায় অনুকূলে থাকলেও ভবন নির্মাণে অনিয়ম, অত্যধিক জনসংখ্যা শহরটিকে এক জটিল সমীকরণের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মুসতাক আহমেদ এক সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমকে বলেন, ঢাকা বর্তমানে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। এত ঘনবসতিপূর্ণ একটি এলাকায় ভূমিকম্প হলে অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হবে। এছাড়া রাজধানীতে গড়ে ওঠা ভবনগুলোর কোয়ালিটি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ঢাকার উত্তরাঞ্চলের মাটি ভালো, সেখানে কম ঝুঁকি রয়েছে।

তবে কোন এলাকা কতটুকু নিরাপদ তা বুঝতে হলে দুটি দিকে নজর দিতে হবে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। শহরের ভূতাত্ত্বিক গঠন ও অবকাঠামো।

ভূতত্ত্ববিদ সৈয়দ হুমায়ুন আখতার ভূতাত্ত্বিক বিষয়টি নিয়ে বলেন, ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকার ভূতাত্ত্বিক গঠন প্রায় একই। বেশিরভাগ অংশ, বিশেষ করে উত্তর দিকের মাটি মধুপুরের লাল মাটি। যেটি বেশ শক্ত। কিন্তু মোঘল আমল থেকে শুরু করে ব্রিটিশ পিরিয়ড, পাকিস্তান আমল এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে উত্তর দিকে এবং বুড়িগঙ্গা নদীকে কেন্দ্র করে শহর খুব দ্রুত সম্প্রসারিত হয়। তখন এই লাল মাটি অকুপাইড হয়ে যায়। এরপর শহর বাড়তে শুরু করে পূর্ব-পশ্চিমে।

তিনি বলেন, শুধু যদি ভূতাত্ত্বিক গঠন বিবেচনা করা হয়, তাহলে মধুপুরের লাল মাটির একই গড়নের যেসব এলাকা রয়েছে যেমন রমনা, মগবাজার, নিউমার্কেট, লালমাটিয়া, খিলগাঁও, মতিঝিল, ধানমন্ডি, লালবাগ, মিরপুর, গুলশান, তেজগাঁও ইত্যাদি এলাকা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। কিন্তু শুধু ভূতাত্ত্বিক গঠনের ওপর ঢাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নির্ভর করছে না।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী বিবিসি বাংলাকে বলেন, ঢাকার কোন এলাকা নিরাপদ, কোনটি নয়- এটা বলা মুশকিল। যতক্ষণ না ভবনগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে, ততক্ষণ বলা যাবে না কোনটা ঝুঁকিপূর্ণ বা ঝুঁকিমুক্ত।

লাল মাটির এলাকায় ভবন, তাও কেন ঝুঁকিপূর্ণ?

শক্ত মাটির এলাকাও পুরোপুরি নিরাপদ নয়। এর প্রথম কারণ, সেইসব এলাকায় বহু পুরোনো ভবন রয়েছে যেগুলো সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি। পর্যবেক্ষণের অভাবে সেগুলোও এখন অনিরাপদ। আরও একটি কারণ হলো, সেসব এলাকায় এমন ভবন আছে যেগুলোর অনুমোদন ছিল হয়তো দুই বা তিন তলার জন্য, কিন্তু পরে সেগুলো বহুতলে রূপান্তরিত হয়েছে। ফাউন্ডেশন দুই তলার, কিন্তু দাঁড়িয়ে আছে সাত তলা। এগুলো অননুমোদিত এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া নতুন যেসব ভবন তৈরি হচ্ছে তাতে করা হচ্ছে অনিয়ম, ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্ন মানের কাঁচামাল। তাতে ভবনগুলো ভূমিকম্প সহনীয় হিসেবে তৈরিই হচ্ছে না।

ঢাকার ৯০ শতাংশ ভবন বিল্ডিং কোডের ব্যত্যয় ঘটিয়েছে বলে রাজউকের পরিসংখ্যানের কথা সম্প্রতি উল্লেখ করেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

আরটিভি/এএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। এ উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মহানগর এলাকায় কয়েকটি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। এ ছাড়া উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা মেনে চলতে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে জানাজা শেষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও তার স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। খালেদা জিয়ার কবরে সবার আগে নামেন তার বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজ হাতে তিনি তার মাকে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। এর আগে, বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। এ সময় সড়কের দুপাশে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেসময় এলাকাজুড়ে শোক ও নীরবতার আবহ বিরাজ করে। আরটিভি/একে
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এক ব্যক্তি মারা যান। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন (৫৬)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম। আরও পড়ুন প্রাথমিকে ছুটি কমল যত দিন তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে নিরব হোসেন নামের ওই ব্যক্তি মারা যান। তিনি অসুস্থ ছিলেন। জানাজার সময় মানুষের প্রচণ্ড ভিড়ও ছিল। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারায় মিল রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন। বাবার নাম মতিউর রহমান মিঞা।  ঠিকানা লেখা রয়েছে, ১৭৪ বড় মগবাজার, ডাক্তার গলি, শান্তিনগর, রমনা। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। আরটিভি/এসআর
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
ঢাকার তেজগাঁও সাতরাস্তা ও মহাখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে সাতরাস্তায় ট্রাকচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার যাত্রী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রফিকুল ইসলাম (৪০) ও তার মেয়ে তানজিলা (১২) মারা যান এবং ছেলে নুর ইসলাম আহত হয়। আর মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় মারা যান ৩৫ বছরের অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আহত নুর ইসলামকে ভর্তি করা হয়। নিহত রফিকুল ইসলামের ভাতিজা আব্দুর রাকিব জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণা পূর্বধলা উপজেলার জটিয়াবো গ্রামে। বর্তমানে তারা মগবাজার ওয়্যারলেস রেলগেট এলাকায় থাকতেন। নুর ইসলাম ও তানজিলা স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তাদের বাবা রফিকুল ইসলাম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তিনি ওই এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। আরও পড়ুন সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ রাকিব আরও জানান, রাতে তার চাচা রফিকুল ইসলাম দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। মগবাজার থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে যাচ্ছিলেন। সাতরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে তিনজন আহত হন। পরে পথচারীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাবা ও মেয়ে মারা যায়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হামিদ বলেন, বুধবার ভোরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তেজগাঁও সাতরাস্তা এলাকায় বাবা মেয়ে মারা গেছেন। অন্যদিকে, মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কোনো এক যানবাহনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক মারা গেছেন। এসআই আরও জানান, তবে মহাখালী এলাকায় নিহত ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। যানবাহন শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আরটিভি/একে
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) মেট্রোরেল স্টেশন আজ সন্ধ্যায় থেকে বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমআরটিসিএল)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।  ডিএমআরটিসিএল জানিয়েছে, সম্মানিত যাত্রীসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৭:০০ হতে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলে ছুটছে লাখো মানুষ, হাউমাউ করে কাঁদছে অনেকে এ দিকে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি, লণ্ঠন ও পটকা ফোটানো পরিহার করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো এবং পটকা ফোটানোর ফলে বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, অগ্নিকাণ্ড ও পাখির মৃত্যু ঘটায়। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এটি পরিহার করি।’ প্রসঙ্গত, আজ (বুধবার) দিন পেরিয়ে রাত ১২টা বাজলেই শুরু হবে নতুন বছর ২০২৬ সাল। নতুন এই বর্ষকে উপযাপনে প্রস্তুত গোটা বিশ্ব। আরটিভি/এসআর
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জায়গা না পেয়ে আশপাশের ভবন, গলি, রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। যে যেখানে জায়গা পারছেন, সেখানেই তৈরি করছেন কাতার। মানুষের কাতার কারওয়ান বাজার ছাড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ইন্দিরা রোড এলাকায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।  আরও পড়ুন নারীর ক্ষমতায়নে খালেদা জিয়া সরেজমিনে দেখা গেছে, জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। জানাজার কাতারে জায়গা না পেয়ে পেছনের দিকে ফিরতে থাকে মানুষ। এ সময় বিভিন্ন ভবনের গ্যারেজ, গলি, ছোট বড় ফাঁকা জায়গাগুলোতে অবস্থান নিতে থাকেন তারা, দাঁড়িয়ে যান কাতার সোজা করে। রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা মোহাম্মদ রফিক বলেন, ‘এত মানুষ। কোনোভাবেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢুকতে পারলাম না। বরং যারা মানিক মিয়ায় ছিলেন, তারা উলটো দিকে ফিরছেন। হাজার হাজার মানুষের চাপে আমিও উলটা পথে এসে এখানে অবস্থান নিয়েছি।’ মতিঝিল থেকে আসা মোহাম্মদ উজ্জ্বল বলেন, ‘আগে কারো জানাজায় এত মানুষ দেখিনি। আমি খামারবাড়ি মোড়ে ছিলাম। হঠাৎ প্রচুর ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলাম। দেখলাম, মানিক মিয়া থকে লোকজন এদিকে ফিরছে, সামনে আর জায়গা নাই।' উজ্জ্বল আরো বলেন, ‘মানুষের চাপে আমার দুজন সঙ্গী পড়ে গিয়েছিলেন। চিৎকার করার পর লোকজনের গতি একটু কমলে তারা উঠে দাঁড়ান। নইলে তারা আজ আহত হতে পারতো।’ আরটিভি/এফএ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
আরও পড়ুন
ঢাকা ত্যাগ করেছেন জয়শঙ্কর
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার
খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে ঢাকামুখী বিএনপির নেতাকর্মীরা