ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শীত জেঁকে বসায় ঢাকায় গরম পোশাক বিক্রির ধুম

বাসস

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৫১ পিএম
শীত জেঁকে বসায় ঢাকার মার্কেটগুলোতে গরম পোশাক বিক্রির ধুম পড়েছে। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে হাড় কাঁপানো শীত জেঁকে বসেছে। যথেষ্ট ভারী কাপড় ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়া কঠিন। ঘরের ভেতরেও বেশ ঠান্ডা। প্রচণ্ড এ শীতে রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে বেড়েছে শীতের পোশাক বিক্রি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিউমার্কেট, নিউ সুপার মার্কেট, চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, নূরজাহান প্লাজা, গ্লোব সুপার মার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, হকার্স মাকের্ট ও বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেটে ছিল ক্রেতাদের ভিড়। এসব মার্কেটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে দর কষাকষি যেমন হচ্ছে, বিক্রিও হচ্ছে অনেক।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মার্কেট, শপিং মল ও ফুটপাত ঘুরে দেখা যায়, বাহারি রং ও ডিজাইনের শীতের পোশাক টানিয়ে রাখা হয়েছে প্রায় প্রতিটি দোকানে। এছাড়াও থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন সাইজ ও মানের জ্যাকেট, সোয়েটার, ব্লেজার, হুডি, সুইফ শার্ট, ম্যাগী হাতা জ্যাকেট, মোটা কাপড়ের টি-শার্ট, মাফলার, কানটুপিসহ হরেক রকমের শীতবস্ত্র।

নিউমার্কেটে শীতের পোশাক বিক্রি করেন মো. আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, হঠাৎ করে শীত বেড়ে গেছে। তাই গত কয়েকদিন ধরে শীতের পোশাক বিক্রি অনেক বেড়েছে। কয়েকদিন আগে যে পরিমাণ বিক্রি হতো, এখন তা দ্বিগুণ হচ্ছে।

নূরজাহান মার্কেটে ছেলে-মেয়েদের জন্য শীতের কাপড় কিনতে এসেছেন রাজধানীর আজিমপুরের বাসিন্দা ডলি চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, এক সপ্তাহ ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। সবারই আগেরবারের শীতের কাপড় ছিল। সেটাই পরতে শুরু করেছি। আমার মেয়ের বয়স সাত বছর ও ছেলের দুই বছর। তারা জেদ ধরেছে শীতের নতুন পোশাকের জন্য। তাই বের হয়েছি ওদের পছন্দের জ্যাকেট কিনতে।

এছাড়াও শীত জেঁকে বসায় রাজধানীর নিউমার্কেট, ফার্মগেট, গুলিস্তান বঙ্গমার্কেট, মৌচাক ও মিরপুর এলাকার ফুটপাতের দোকানগুলোতে বেশ ভিড় দেখা গেছে। বিক্রিও বেড়েছে যথেষ্ট। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ভিড় করছেন এসব দোকানে। দাম নাগালে থাকায় সন্তুষ্ট ক্রেতারাও। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে মুখর এসব এলাকা।

কিছু দোকানে কাপড়ের দাম টাঙিয়ে দেওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে দর কষাকষির ঝামেলা নেই। তাই খুব সহজে প্রত্যেকে নিজের পছন্দমতো কাপড় কিনতে পারছেন। মার্কেটের চেয়ে কম দামে শীতের পোশাক কিনতে পারায় খুশি লোকজন। অধিকাংশ দোকানের সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। তবে বিদেশি পুরোনো শীতবস্ত্রের দোকানে ক্রেতাদের প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এসব দোকানে হুডি, সোয়েটার, টাইটস, জ্যাকেট, বাচ্চাদের কানটুপি, মেয়েদের কার্ডিগান, মাফলার, মোজা, ট্রাউজার, ফুলহাতা গেঞ্জি, চাদর, শিশুদের জন্য জাম্পার ও কাপড়ের জুতা কিনতে দেখা যায় ক্রেতাদের।

ফুটপাতের দোকানগুলোতে মানভেদে বড়দের শীতবস্ত্রের দাম ৩০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের শীতবস্ত্র মিলছে ২০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে এসব দোকানই এখন প্রধান ভরসা। অনেকেই পরিবারের সদস্যদের জন্য একসঙ্গে একাধিক পোশাক কিনছেন।

মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাপড়ের মান অনুযায়ী ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে দুই থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত শীতের কাপড় বিক্রি হচ্ছে। তবে ২৫০ থেকে ৭০০ টাকা দামের শীতবস্ত্রের চাহিদা বেশি দেখা গেছে।

আরও পড়ুন

ফুটপাতের হকাররা জানান, হঠাৎ করে বেশি শীত অনুভূত হওয়ায় গরম কাপড়ের চাহিদা আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে। এতে করে ব্যবসায়ীদেরও বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। শীতের বিভিন্ন ধরনের কাপড় পাইকারদের কাছ থেকে কিনে রাস্তায় বিক্রি করেন। দাম কম হওয়ায় ক্রেতারাও কিনে নেন। তাছাড়া শীত যত বাড়বে কাপড়ের চাহিদাও বাড়তে থাকবে। সাধারণ মানুষের সবচেয়ে ভরসার জায়গা হচ্ছে ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকান। ফুটপাতের এসব দোকান না থাকলে নিম্ন আয়ের মানুষ শীতের দাপটে ঠিক থাকতে পারত না। নতুন কাপড়ের চেয়ে পুরোনো কাপড় বেশি গরম এবং দাম অনেক কম বলেও জানান তারা।

নিউমার্কেট এলাকার ফুটপাতের বিক্রেতা রুবেল হাসান বলেন, আমাদের দোকান ভাড়া দিতে হয় না। তাই স্বল্প লাভে বিক্রি করতে পারছি। আর সাধারণ মানুষও আমাদের কাছ থেকে কম দামে শীতের কাপড় কিনতে পারছেন। তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের অনেক চাপ বেড়েছে। আর আমাদের বিক্রিও বেড়েছে আগের চেয়ে অনেক বেশি। তাই তুলনামূলকভাবে বিক্রি বেশি হওয়ায় কম লাভে কাপড় বিক্রি করে দিই।

তিনি আরও বলেন, আমরা বান্ডিল আকারে মালামাল কিনে থাকি। প্রতি বান্ডিল ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা দিয়ে কিনলে বিক্রি করে দুই থেকে তিন হাজার টাকা লাভ করা যায়।

রাজধানীর কলাবাগান থেকে হুডি কিনতে নিউমার্কেটে এসেছেন রাফিউল ইসলাম। তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, শীতে নতুন হুডি কিনতে নিউমার্কেটে এসেছি। কারণ এখানে স্বল্পমূল্যে ভালো মানের কাপড় কেনা যায়। ফুটপাতে শীতের কাপড়ের দাম তুলনামূলকভাবে কম এবং দেখে-শুনে কেনা যায়। তাই এখানে এসেছি। তাছাড়া ফুটপাতে বিদেশি বিভিন্ন ধরনের কাপড় পাওয়া যায়। তবে এখানে সবসময়ই হকার ও মানুষে পরিপূর্ণ থাকে, ফলে হাঁটা চলা করতে কষ্ট হয়। তবু কম দামে ভালো কাপড় কিনতে এখানেই আসি।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। এ উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মহানগর এলাকায় কয়েকটি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। এ ছাড়া উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা মেনে চলতে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে জানাজা শেষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও তার স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। খালেদা জিয়ার কবরে সবার আগে নামেন তার বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজ হাতে তিনি তার মাকে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। এর আগে, বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। এ সময় সড়কের দুপাশে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেসময় এলাকাজুড়ে শোক ও নীরবতার আবহ বিরাজ করে। আরটিভি/একে
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এক ব্যক্তি মারা যান। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন (৫৬)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম। আরও পড়ুন প্রাথমিকে ছুটি কমল যত দিন তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে নিরব হোসেন নামের ওই ব্যক্তি মারা যান। তিনি অসুস্থ ছিলেন। জানাজার সময় মানুষের প্রচণ্ড ভিড়ও ছিল। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারায় মিল রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন। বাবার নাম মতিউর রহমান মিঞা।  ঠিকানা লেখা রয়েছে, ১৭৪ বড় মগবাজার, ডাক্তার গলি, শান্তিনগর, রমনা। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। আরটিভি/এসআর
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
ঢাকার তেজগাঁও সাতরাস্তা ও মহাখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে সাতরাস্তায় ট্রাকচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার যাত্রী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রফিকুল ইসলাম (৪০) ও তার মেয়ে তানজিলা (১২) মারা যান এবং ছেলে নুর ইসলাম আহত হয়। আর মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় মারা যান ৩৫ বছরের অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আহত নুর ইসলামকে ভর্তি করা হয়। নিহত রফিকুল ইসলামের ভাতিজা আব্দুর রাকিব জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণা পূর্বধলা উপজেলার জটিয়াবো গ্রামে। বর্তমানে তারা মগবাজার ওয়্যারলেস রেলগেট এলাকায় থাকতেন। নুর ইসলাম ও তানজিলা স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তাদের বাবা রফিকুল ইসলাম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তিনি ওই এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। আরও পড়ুন সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ রাকিব আরও জানান, রাতে তার চাচা রফিকুল ইসলাম দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। মগবাজার থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে যাচ্ছিলেন। সাতরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে তিনজন আহত হন। পরে পথচারীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাবা ও মেয়ে মারা যায়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হামিদ বলেন, বুধবার ভোরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তেজগাঁও সাতরাস্তা এলাকায় বাবা মেয়ে মারা গেছেন। অন্যদিকে, মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কোনো এক যানবাহনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক মারা গেছেন। এসআই আরও জানান, তবে মহাখালী এলাকায় নিহত ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। যানবাহন শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আরটিভি/একে
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) মেট্রোরেল স্টেশন আজ সন্ধ্যায় থেকে বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমআরটিসিএল)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।  ডিএমআরটিসিএল জানিয়েছে, সম্মানিত যাত্রীসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৭:০০ হতে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলে ছুটছে লাখো মানুষ, হাউমাউ করে কাঁদছে অনেকে এ দিকে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি, লণ্ঠন ও পটকা ফোটানো পরিহার করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো এবং পটকা ফোটানোর ফলে বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, অগ্নিকাণ্ড ও পাখির মৃত্যু ঘটায়। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এটি পরিহার করি।’ প্রসঙ্গত, আজ (বুধবার) দিন পেরিয়ে রাত ১২টা বাজলেই শুরু হবে নতুন বছর ২০২৬ সাল। নতুন এই বর্ষকে উপযাপনে প্রস্তুত গোটা বিশ্ব। আরটিভি/এসআর
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জায়গা না পেয়ে আশপাশের ভবন, গলি, রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। যে যেখানে জায়গা পারছেন, সেখানেই তৈরি করছেন কাতার। মানুষের কাতার কারওয়ান বাজার ছাড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ইন্দিরা রোড এলাকায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।  আরও পড়ুন নারীর ক্ষমতায়নে খালেদা জিয়া সরেজমিনে দেখা গেছে, জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। জানাজার কাতারে জায়গা না পেয়ে পেছনের দিকে ফিরতে থাকে মানুষ। এ সময় বিভিন্ন ভবনের গ্যারেজ, গলি, ছোট বড় ফাঁকা জায়গাগুলোতে অবস্থান নিতে থাকেন তারা, দাঁড়িয়ে যান কাতার সোজা করে। রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা মোহাম্মদ রফিক বলেন, ‘এত মানুষ। কোনোভাবেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢুকতে পারলাম না। বরং যারা মানিক মিয়ায় ছিলেন, তারা উলটো দিকে ফিরছেন। হাজার হাজার মানুষের চাপে আমিও উলটা পথে এসে এখানে অবস্থান নিয়েছি।’ মতিঝিল থেকে আসা মোহাম্মদ উজ্জ্বল বলেন, ‘আগে কারো জানাজায় এত মানুষ দেখিনি। আমি খামারবাড়ি মোড়ে ছিলাম। হঠাৎ প্রচুর ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলাম। দেখলাম, মানিক মিয়া থকে লোকজন এদিকে ফিরছে, সামনে আর জায়গা নাই।' উজ্জ্বল আরো বলেন, ‘মানুষের চাপে আমার দুজন সঙ্গী পড়ে গিয়েছিলেন। চিৎকার করার পর লোকজনের গতি একটু কমলে তারা উঠে দাঁড়ান। নইলে তারা আজ আহত হতে পারতো।’ আরটিভি/এফএ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
আরও পড়ুন
শীত নিয়ে আরও বড় দুঃসংবাদ
ঢাকা ত্যাগ করেছেন জয়শঙ্কর
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার