ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

এবার ঢাকার রাস্তায় বসছে নতুন আরেক প্রযুক্তির ক্যামেরা 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক ক্যামেরার পর এবার ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ পদ্ধতির ১ হাজার নতুন ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোতে ধাপে ধাপে এই আধুনিক প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ইতিমধ্যেই পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কে এই নতুন ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করতে গিয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদমাধ্যমকে আনিছুর রহমান বলেন, বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে কম খরচে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে রাজধানীর বড় একটি এলাকা নজরদারির আওতায় আনতে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ এআই ক্যামেরা প্রযুক্তি তুলনামূলক ব্যয়বহুল ও স্থাপন করতে সময় বেশি লাগে। নতুন এই প্রযুক্তির ক্যামেরাগুলোর ভেতরে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি কার্ড থাকবে, যা সড়কের যানবাহনের দৃশ্য ও অপরাধ সরাসরি রেকর্ড করবে। পরবর্তীতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা সেই রেকর্ড করা ভিডিও পর্যবেক্ষণ করে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দেবেন।

ডিএমপি জানায়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ধাপে ধাপে ১ হাজার ক্যামেরা বসানো হলেও বর্তমানে রাজধানীর ১৬টি পয়েন্টে ৩৭টি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে এবং সেগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

আরও পড়ুন

সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল সম্পর্কে ট্রাফিক প্রধান জানান, বর্তমানে ১৩টি মোড়ে সেমি-অটোমেটিক সিগন্যাল চালু আছে। মাঝেমধ্যে প্রযুক্তিগত সমস্যা, ভারী বৃষ্টি বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে এগুলো বন্ধ রাখতে হয়। তা ছাড়া একই সড়কে দ্রুতগতির ও কমগতির যানবাহনের সমন্বয়হীনতার কারণেও কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় আরও ৫০টি সিগন্যাল চালুর প্রস্তুতি চলছে।

সড়কে মারাত্মক শব্দদূষণ ও অবৈধ হর্ন ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, অযথা হুটার বাজানো ও হাইড্রোলিক হর্নের কারণে ট্রাফিক পুলিশসহ সাধারণ মানুষের শ্রবণশক্তি ও স্বাস্থ্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে। নিয়ম ভাঙার প্রবণতা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে গড়ে প্রতি মাসে ৫০ হাজারেরও বেশি মামলা দেওয়া হচ্ছে, যা থেকে বছরে প্রায় ১২০ কোটি টাকা জরিমানা আদায় হয়।

এদিকে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার যানজট কমাতে সড়কের আইল্যান্ড বা বিভাজক অপসারণ ও একটি সিগন্যাল কমিয়ে নতুন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু করেছে তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগ। এতে ধানমন্ডি থেকে আসা গাড়িগুলোকে কিছুটা সামনে ময়ূর ভিলার কাছে ইউটার্ন নিতে হবে, যার ফলে প্রধান মোড়ে গাড়ির জটলা অনেকটাই কমবে বলে আশা করছে পুলিশ।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গাড়িতে লেখা ‘প্রেস’, ৫২০০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ভুয়া সাংবাদিক
রাজধানীর কদমতলীতে ৫ হাজার ২০০ পিস ইয়াবাসহ হোসাইন শরীফ ওরফে সোহেল (৪৫) নামের এক ভুয়া সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।  তার গাড়িতে ‘প্রেস’ লেখা স্টিকার ও ক্যামেরা-বুম থাকলেও তিনি কোনো গণমাধ্যমে কাজ করেন না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আজ মঙ্গলবার সকালে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। পরিদর্শক মো. লোকমান হোসেনের নেতৃত্বে অধিদপ্তরের একটি চৌকস দল অভিযানে অংশ নেয়। অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় কক্সবাজার থেকে আসা একটি সাদা রঙের নোয়া (NOAH) মাইক্রোবাস ঘেরাও করা হয়। গাড়িটিতে ‘প্রেস’ লেখা স্টিকার সাঁটানো ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হোসাইন শরীফ কোনো গণমাধ্যমে কর্মরত থাকার বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে তার গাড়ি ও শরীর তল্লাশি করা হয়। এ সময় গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের পাশের বক্স থেকে ২১টি পলি প্যাকেটে ৪ হাজার ২০০ পিস এবং তার প্যান্টের ডান পকেট থেকে আরও ৫টি প্যাকেটে ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়। জব্দ তালিকার অন্যান্য আলামতের মধ্যে রয়েছে—একটি প্যানাসনিক ভিডিও ক্যামেরা, দুটি বুম, তিনটি মোবাইল ফোন এবং এশিয়ান টেলিভিশনের একটি স্টিকার। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছেন, তিনি আগে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে সাংবাদিকতা ছেড়ে ক্যামেরা, বুম ও গাড়িতে ‘প্রেস’ স্টিকার ব্যবহারের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এই অভিযান চালানো হয়েছে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/এসআর  
গাড়িতে লেখা ‘প্রেস’, ৫২০০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ভুয়া সাংবাদিক
জুস খাইয়ে চালককে অচেতন করে রিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল স্টেশনের বি-গেটের সামনে চেতনানাশক মেশানো জুস খাইয়ে এক রিকশাচালককে অচেতন করে তাঁর রিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে। এ সময় কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের তৎপরতায় রিকশাটি উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী রিকশাচালকের নাম মো. ফারুক হোসেন। তাঁর বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ থানার রসুলপুর গ্রামে। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহকারী পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাকিব এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার সময় মেট্রোরেল স্টেশনের বি-গেটের সামনে টহল দিচ্ছিলেন আনসার সদস্যরা। তাঁরা রিকশাচালককে অচেতন করে রিকশা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে দেখে দ্রুত এগিয়ে যান। তাঁদের হস্তক্ষেপে ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। আনসার সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরে অচেতন রিকশাচালককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলে তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠেন। উদ্ধার করা রিকশা, নগদ ১ হাজার ২০০ টাকা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন এমআরটি পুলিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘটনার সময় দায়িত্বে ছিলেন এপিসি মো. মতিন বিশ্বাস এবং আনসার সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. হাফিজুর রহমান, মো. মাসুম হোসেন ও মো. রবিউল ইসলাম। আরটিভি/এসআর  
জুস খাইয়ে চালককে অচেতন করে রিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা
যে কারণে পুরো দেশ বিদ্যুৎহীন হয়ে গেলেও চলবে মেট্রোরেল
জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে সারা দেশ বিদ্যুৎহীন হয়ে গেলেও মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হবে না বলে জানিয়েছে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয় গ্রিডের একাংশে বিপর্যয়ের কারণে  দুই ঘণ্টার মতো সময় বিদ্যুৎহীন ছিল ঢাকার একাংশসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা। মেট্রোরেল লাইনের একটি সাবস্টেশনেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে মেট্রোরেল চলাচলে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। বিষয়ে ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মেট্রোরেল চলাচল ব্যাহত হয়নি। তারা উত্তরা সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ পেয়েছেন। ঢাকার উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে এখন মেট্রোরেল চলাচল করে। মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য উত্তরা ও মতিঝিলে দুটি সাবস্টেশন রয়েছে।  ডিএমটিসিএল সূত্র জানিয়েছে, আজ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পর মতিঝিলের সাবস্টেশনটি বন্ধ হয়ে যায়। এ সাবস্টেশনে মানিকনগর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। অন্যদিকে উত্তরা সাবস্টেশনে বিদ্যুৎ আসে টঙ্গী থেকে। মতিঝিল সাবস্টেশন বন্ধ হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা উত্তরা সাবস্টেশনের আওতায় চলে যায়। ফলে উত্তরা সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে মেট্রোরেল চলাচল অব্যাহত থাকে বলে জানিয়েছেন ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা। ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও মেট্রোরেল চালু রাখার জন্য দুটি বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। এর একটি ৩৩ কেভি জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা। অন্যটি হলো ইমার্জেন্সি সাব সিস্টেম (ইএসএস)। ৩৩ কেভি জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ডিএমটিসিএলের নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা। জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে এই ব্যবস্থা কাজে লাগানো হবে। এর মাধ্যমে অন্তত দুই ঘণ্টা মেট্রোরেল চালু রাখা সম্ভব। এই ব্যবস্থার বিদ্যুৎ সরবরাহ শেষ হলে চালু করা যাবে ইএসএস। এটি মূলত ব্যাটারির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংরক্ষণের ব্যবস্থা। জরুরি পরিস্থিতিতে এই সংরক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যায়। এ ব্যবস্থায় আরও এক ঘণ্টা মেট্রোরেল চালানো সম্ভব। অর্থাৎ, জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে প্রথমে জরুরি বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা এবং পরে ব্যাটারিতে সংরক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে। তবে এই দুই ব্যবস্থার বিদ্যুৎও শেষ হয়ে গেলে এবং এর মধ্যে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। ডিএমটিসিএলের পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, সারা দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও বিকল্প ব্যবস্থায় তিন ঘণ্টা মেট্রোরেল চালানো যাবে। আরটিভি/এসআর
যে কারণে পুরো দেশ বিদ্যুৎহীন হয়ে গেলেও চলবে মেট্রোরেল
মেট্রোরেলে উঠে বসতে চেয়ে জায়গা পাননি, পরে স্ট্রোকে মৃত্যু
মেট্রোরেলে শাহবাগ থেকে উত্তরা ফেরার পথে শেওড়াপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি স্ট্রোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নাজিবুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে।  মৃত্যুর আগে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করে আশপাশের যাত্রীদের কাছে বসার জন্য জায়গা চেয়েছিলেন তিনি। তবে কেউ তাকে বসার সুযোগ দেননি বলে অভিযোগ করেছেন তার ছেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য নাকিবুর রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান নাকিবুর রহমান। পোস্টে তিনি লেখেন, আব্বু গত ২৪ অক্টোবর দুপুরে মেট্রোরেলে শাহবাগ থেকে উত্তরা ফেরার পথে শেওরাপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি স্ট্রোক করে মুহূর্তেই মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে উনি শারীরিক অসুস্থ অনুভব করায় আশপাশের লোকজনের কাছে বসতে চেয়েছিলেন। কেউ জায়গা ছেড়ে তাকে বসতে দেননি। নাকিবুর রহমান আরও লেখেন, আমার বাবা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে নিচে পড়ে যান। আল্লাহ তার মৃত্যুকে সহজ করে নিয়ে গেছেন। কিন্তু সন্তান হিসেবে এইটুকু মেনে নেওয়াটা কষ্টকর। আমার কোনো রাগ-অভিমান নাই। বয়স্ক ও সিনিয়র নাগরিকদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাইকে শুধু এইটুকুই বলব, চলতে-ফিরতে বয়স্ক বা সিনিয়র সিটিজেন যখন যেখানে যে অবস্থাতেই পাবেন, তাদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন। আপনি আজকে যাকে ইগনোর করলেন, সে আপনার বাবা না হলেও, অন্য কারও বাবা। তবে তার বাবার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেট্রোরেল যাতায়াত বা কোনো ব্যক্তিকে দায়ী করে মন্তব্য না করার অনুরোধ জানিয়েছেন নাকিবুর রহমান। তিনি বলেন, অনুগ্রহ করে কেউ মেট্রোরেল যাতায়াতসংক্রান্ত উচিত-অনুচিত কথাবার্তা বা ঘটনা তুলে এনে কাউকে দোষারোপ স্বরূপ মন্তব্য করবেন না। চলাফেরা করার সময় আমাদের আশপাশের মানুষদের কমফোর্ট থাকার বিষয়টা খেয়াল করাই উত্তম। আরটিভি/এসআর  
মেট্রোরেলে উঠে বসতে চেয়ে জায়গা পাননি, পরে স্ট্রোকে মৃত্যু
শ্যামলীতে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে যুবক গ্রেপ্তার
রাজধানীর শ্যামলীর শিশুমেলার সামনে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে মো. রাজা (২৮) নামে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন।
শ্যামলীতে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে যুবক গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন
জুস খাইয়ে চালককে অচেতন করে রিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা
ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ
পুলিশের ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় গ্রেপ্তার ৫৪৩
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে