ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ঢাকার চার টার্মিনাল’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, রাজধানীর যানজট নিরসনে গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান—এ চারটি বাস টার্মিনাল দ্রুত সরিয়ে নেওয়া ও বিদ্যমান ডিপো ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এর পাশাপাশি গাবতলী টার্মিনালের বিকল্প টার্মিনাল সম্প্রসারণ, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং সিটি কর্পোরেশনের টার্মিনাল উন্নয়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বৃহত্তর ঢাকার যানজট নিরসনের জন্য গঠিত জাতীয় কমিটির সভা শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর যানজট নিরসনে যে নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়ন কতদূর এগিয়েছে এবং কোন কোন কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন, সভায় মূলত এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। যানজট নিরসনে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো যথাসময়ে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সড়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর যানজটের অন্যতম কারণ হচ্ছে শহরের ভেতরে বাস ও গণপরিবহনের অতিরিক্ত চাপ। এ চাপ কমাতে বিদ্যমান টার্মিনালগুলোর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প স্থানে টার্মিনাল ও ডিপো ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, যানজট নিরসনের জন্য আমাদের যে টার্মিনালগুলো রয়েছে, সেগুলোর কিছু অংশ আপাতত আমাদের যে ডিপোগুলো রয়েছে, সেগুলোতে ব্যবহার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা কাচপুর, এরপর পূর্বাচল— এসব জায়গা ব্যবহার করার বিষয়টি দেখছি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এছাড়া গাবতলী বাস টার্মিনালকে আরো সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। গাবতলীর পাশের নতুন জায়গাগুলো কীভাবে দ্রুত কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। রাজধানীর প্রবেশপথে গণপরিবহনের চাপ কমাতে এসব বিকল্প অবকাঠামো দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, ঢাকার আশপাশের নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কের ওপর থাকা অবৈধ স্থাপনাগুলোও যানজটের অন্যতম কারণ। এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে সড়কগুলো যান চলাচলের উপযোগী করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু রাজধানীর ভেতরে যানজট নিরসনের উদ্যোগ নিলে হবে না। বৃহত্তর ঢাকার সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য ঢাকার আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কের প্রতিবন্ধকতা দূর করা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং গণপরিবহনের সুশৃঙ্খল চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় মূলত চারটি বাস টার্মিনালকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এসব টার্মিনালের বর্তমান ব্যবস্থাপনা, বিকল্প জায়গায় স্থানান্তরের সম্ভাবনা, ডিপো ব্যবহারের সুযোগ এবং সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় থাকা টার্মিনালগুলোও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব টার্মিনালে বাস পরিচালনার জন্য কাউন্টার স্থাপন, যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

বিশেষ করে এসি বাসগুলোকে নির্দিষ্ট টার্মিনাল ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে। বাস কাউন্টার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধা কোথায় এবং কীভাবে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর যানজট নিরসনে শুধু সড়ক প্রশস্ত করা বা নতুন সড়ক নির্মাণ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। গণপরিবহনের টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা, বাসের চলাচল, পার্কিং, কাউন্টার ব্যবস্থাপনা এবং রাজধানীর প্রবেশ ও বহির্গমনপথে যানবাহনের চাপ, সবগুলো বিষয় সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে।

সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি যেসব ক্ষেত্রে কাজ ধীরগতিতে চলছে, সেগুলো দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, যানজট নিরসন নীতির মধ্যে যে ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলোর অগ্রগতি কতটুকু এবং বাস্তবায়নের দিকে কতটা অগ্রসর হচ্ছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলো যাতে খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে এবং উপযুক্ত সময়ের মধ্যে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, যানজট নিরসনে সরকার যে উদ্যোগগুলো নিয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়নে এখন আরো গতি আনা প্রয়োজন। এজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সিটি কর্পোরেশন, পরিবহন সংস্থা ও অন্যান্য অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সড়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, যানজট নিরসনের উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা না করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই এখন মূল লক্ষ্য। টার্মিনাল স্থানান্তর, বিকল্প ডিপো ব্যবহার, গাবতলী সম্প্রসারণ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং সিটি কর্পোরেশনের টার্মিনাল উন্নয়নের কাজগুলো সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে।

এর মাধ্যমে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সড়কে যানবাহনের চাপ কমানোর পাশাপাশি বৃহত্তর ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা ধীরে ধীরে নিরসন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকবৃন্দ এবং সড়ক মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘সিন্ডিকেট এতই শক্তিশালী, সরকারও এদের কাছে অসহায়’
বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব বলেন, বাজারে মনিটরিং নেই। যে যার ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছে।
‘সিন্ডিকেট এতই শক্তিশালী, সরকারও এদের কাছে অসহায়’
ঢাকার যেসব এলাকায় টানা ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না সোমবার
জরুরি পাইপলাইন মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামীকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর শ্যামপুর শিল্প এলাকায় ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না।
ঢাকার যেসব এলাকায় টানা ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না সোমবার
যুব মহিলা লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন গ্রেপ্তার
রাজধানীর লালবাগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় শারমিন সুলতানা সর্মি (৪৪) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি যুব মহিলা লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।
যুব মহিলা লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন গ্রেপ্তার
পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব  / ভবনের ছাদ থেকে ফেলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যার অভিযোগ
রাজধানীর হাজারীবাগে ১০ তলা ভবন থেকে ফেলে সালেক খান বাবু (৩৫) নামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে হাজারীবাগ থানাধীন শংকর-জাফরাবাদ এলাকার ২৭৯/১ নম্বর আলী মঞ্জিল ভবনে এ ঘটনা ঘটে।  সালেক খান বাবু নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সাবেক সহসভাপতি ছিলেন। তিনি মোহাম্মদপুর থানার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের মা সুফিয়া বেগম (৫৫) বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১ অক্টোবর বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রায়েরবাজার জাফরাবাদ এলাকার আলী মঞ্জিলের নিরাপত্তাকর্মী বাঁধনের সঙ্গে বাবুর কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে বাঁধন লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে বাবুর মাথায় আঘাত করেন। বাবুর চিৎকারে ভবনের আরেক নিরাপত্তাকর্মী মিল্টনসহ কয়েকজন সেখানে জড়ো হন। তারা বাবুকে আবারও মারধর করেন। সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে মিল্টন বাবুকে ভবনের ছাদে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর তারা নিচে নেমে আসেন। এরপর ভবনের দক্ষিণ পাশে একটি টিনের চালের ওপর বাবুকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। উদ্ধারের সময়ই তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ করেন তার মা সুফিয়া বেগম। খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ভবনের দক্ষিণ পাশের একটি প্লটের গ্যারেজের টিনের চাল থেকে বাবুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের মা সুফিয়া বেগম অভিযোগ করেন, ভবনের কেয়ারটেকার মিল্টন, বাঁধন চাকমাসহ কয়েকজন তার ছেলেকে প্রথমে দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান। সেখানে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মারধরের পর তাকে ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মো. মিল্টন (৪২), বাঁধন চাকমা (৫০) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। সুফিয়া বেগম বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করত। ওই ভবনে রংয়ের কাজের বিল বাবদ তার ৩ লাখ টাকা পাওনা ছিল। কোম্পানি তাকে দেড় লাখ টাকা দিয়েছে, বাকি টাকা দিতে চায়নি। এ নিয়ে তাকে কয়েক দফা হুমকি-ধমকিও দেওয়া হয়েছিল। হাজারীবাগ থানার ওসি মোশাররফ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তদন্ত চলছে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/এসআর
ভবনের ছাদ থেকে ফেলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যার অভিযোগ
শাহজালালে দুই বিমানকর্মীর জুতা থেকে প্রায় সাড়ে ৯ কেজি সোনা উদ্ধার
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতর থেকে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৮০টি সোনার বার উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।  উদ্ধার করা সোনার মোট ওজন প্রায় ৯ দশমিক ৩৪ কেজি, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইআইডির কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেন। এ সময় দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইনসের 'ইকে০৫৮২' ফ্লাইটের রানওয়ে এলাকা থেকে দুই বিমানকর্মীকে তল্লাশি করা হয়।  পরে তাদের জুতার ভেতরে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় মোট ৮০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া প্রতিটি বারের ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম। বিমানকর্মীদের জুতায় সোনার বার লুকিয়ে পাচারের এই ঘটনায় কারা জড়িত, চালানটি কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং কার কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/এসআর
শাহজালালে দুই বিমানকর্মীর জুতা থেকে প্রায় সাড়ে ৯ কেজি সোনা উদ্ধার