ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ফের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার মেঘমল্লার বসু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) সাবেক সভাপতি ও ছাত্রনেতা মেঘমল্লার বসু আবারও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে জানা গেছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একটি গেট এলাকা থেকে অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মেঘমল্লার একটি দীর্ঘ ও অস্বাভাবিক পোস্ট দেন। পোস্টটি দেখে তার পরিচিতজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার পাকস্থলী পরিষ্কার করার চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে ছাত্র ইউনিয়নের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন। তবে চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তিনি কোথায় আছেন, সে বিষয়ে তারা কিছু জানাতে চাননি।

মেঘমল্লারের এটি প্রথমবারের ঘটনা নয়। এর আগেও তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। সে সময়ও তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে মেঘমল্লার বসু লিখেছেন, জীবনটা একটা বৃত্তের মতো। অনেক ঘুরে, অনেক কিছু করে নিজেকে আবার শূন্যে আবিষ্কার করার মতো। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, দুইটা আলাদা আলাদা টাইম স্প্যানের যেকোনো একটা সময় মরে গেলে খুব ভালো হইত। একটা ২০২০ সালের গোড়ায়, আমার শেষ বাংলা বিতর্কের দিন, গভর্নমেন্ট সায়েন্স কলেজের ফাইনালটার পরে। আরেকটা মনে হয় গত বছর এরকম একটা সময়। ডাকসু নির্বাচনের পর। দুইটা সময়ই আমি অনেক পূর্ণ ছিলাম। যখন মানুষ পূর্ণ থাকে, তখন সে ভুলে যায় শূন্যতাই তার নিয়তি।

তিনি আরও লিখেছেন, আজ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে হতাশা আর অপরাধবোধ ছাড়া আমার আর কিছুই নাই। আমি সবচেয়ে বড় অপরাধ করছি আমার মা’র সঙ্গে। আমি জানি, তার আর কেউ নাই। অথচ তাও আমি এই পথ বেছে নিচ্ছি। কী করব! কোনোভাবেই তো এই চক্র থেকে বের হতে পারছি না। আর কত দিন সম্ভব? আমি জানি, আপনাদের অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী আছেন। আপনারা পারলে আমার মাকে একটু বাঁচায়ে রাইখেন। মিশু ভাই, নূর আপু, আরাফাত ভাই, উৎপল দা, নিমাই কাকু এরা সবাই মিলে কত চেষ্টা করল আমারে বাঁচায়ে রাখার। আমি সবাইকে ব্যর্থ করে দিয়ে যাচ্ছি।

মেঘমল্লার লিখেছেন, আপনাদের সবার প্রতি একটা একান্ত অনুরোধ হলো, আমার প্রাক্তন প্রেমিকা চূড়াকে যেন কোনোভাবেই আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী করা না হয়। আমাকে জীবনে কোনো মানুষ এত ভালোবাসা দেয় নাই, যতটা উনি দিসেন। আমার গত অ্যাটেম্পটের পর সবাই ভাবসে দোষ উনার। উনি একটা ভিলেনে পরিণত হইছেন। অথচ বাস্তবতা হলো, আমি উনাকে যত ইনসিকিউরিটি অনুভব করাইসি, তাতে উনার দশ বার অ্যাটেম্পট করার কথা ছিল।

তিনি বলেন, উনি আমার জন্য শুধু করেই গেছেন, কিছুই পান নাই। উনি যে কষ্ট আমার থেকে পাইসেন, তা আর এক ছটাকও বাড়লে আমার অনেক পাপ বাড়বে। এখনও উনি উনার মাকে নিয়ে একটা কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে আছেন। আমার অবস্থা নিয়ে উনাকে কেউ কিছু বললে বা মনে করলে শুধুই আমার পাপ বাড়বে।

তিনি আরও লিখেছেন, আমার বন্ধুরা, সহযোদ্ধারা সবার কাছে আমি ঋণী ও পাপী। আমি অবশ্য আমার ব্যক্তিজীবনের প্রোটেকশনটা পাই নাই, আমার রাজনৈতিক পরিসর থেকে। সে সব কথা থাক। আর বলে কী হবে। বাবার ব্যাংকের কী যেন একটা লোন আছে। ওইটা কেউ একটু শোধ করে দিয়েন। হুদাই আমার চিকিৎসা করাইতে গিয়ে টাকা খরচ কইরেন না কেউ। আমারে পারলে বাবার পাশে সমাধি দিয়েন।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শাহজালালে বিমানকর্মীর কাছ থেকে ১ কেজি সোনা উদ্ধার
ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের সোনার বারসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মী ও একজন যাত্রিকে আটক করেছেন ঢাকা কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা।  শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটক বিমান কর্মীর নাম ওবায়দুর রহমান। অপর ব্যক্তি একজন যাত্রী, তার পরিচয় জানানো হয়নি। এতে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মীর দেহ তল্লাশি করে ২ কোটি ১০ লাখ টাকার সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে। গত রাত আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এভসেকের সহায়তায় এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে ঢাকা কাস্টমস হাউসের এয়ারপোর্ট ইউনিট কর্তৃক বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মী ওবায়দুর রহমানের দেহ তল্লাশি করে তার শার্টের পকেট ও কোমরের বেল্ট থেকে টিস্যুতে মোড়ানো নয়টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সোনার মোট ওজন ১,০৪৯.৪০ গ্রাম (প্রায় ১.০৫ কেজি), যার আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের পর ওবায়দুরের তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে এক যাত্রীকে আটক করা হয়। এতে আরও বলা হয়, জড়িতের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন-২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনের অধীন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আরটিভি/টিআর
শাহজালালে বিমানকর্মীর কাছ থেকে ১ কেজি সোনা উদ্ধার
বিমানবন্দরে হট্টগোল ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছনা, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব।
বিমানবন্দরে হট্টগোল ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছনা, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা
চড়ামূল্যের বাজারে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কৃত্রিম সংকট
রাজধানীর কাঁচামালের বাজারে শীতের আগাম সবজি হিসেবে দাপট দেখাচ্ছে শিম। ইতোমধ্যে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে এই সবজি। সেই সঙ্গে ক্রেতা সাধারণের ভোগান্তি বাড়িয়েছে এলপিজি গ্যাস, সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহ সংকট। নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) চেয়ে বেশি দামে এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর রায়ের বাজার, রামপুরা, হাজীপাড়া, মালিবাগ, সেগুনবাগিচা ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখন বেশিরভাগ দোকানে প্যাকেটজাত এক কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১১০ টাকা হলেও তা ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আবার এক লিটার সয়াবিন তেল ২০৪ টাকার পরিবর্তে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও প্যাকেট চিনি ও বোতলের তেল মিলছে না। খোলা তেল-চিনি বিক্রি হচ্ছে প্যাকেটজাত পণ্যের দামে। এদিকে সবজির বাজারে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। শসা তুলনামূলক কিছুটা কম দামে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।  দাম সবচেয়ে বেশি এমন সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কচুরমুখি বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকায়। তবে দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। ৩০ টাকা কেজিতে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে। সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে একমাত্র স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে যে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় ঠেকেছিল, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজি ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, আজ বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা ও এক পোয়া মরিচ কিনেছি ৪০ টাকায়। সব কিছুর দাম বেশি। এদিকে মুরগি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা ও চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  মাছের বাজারেরও একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে।  মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। তবে মাছের সাইজ এবং মাছ জীবিত বা মৃত হওয়ার উপরও দাম নির্ভর করে। প্রতিটি বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি কম বেশি হতে পারে। মাছ বিক্রেতা নাজিম বলেন, মাছের দাম আগের মতোই আছে। আজকে তেলাপিয়া ২৫০ টাকা আর পাঙাশ ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। মাছের দাম সরবরাহের উপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলেও দাম কমে যায়। আবার ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।  বাজারের কড়া উত্তাপের মধ্যে ক্রেতাদের নতুন করে বিপাকে ফেলেছে এলপিজি গ্যাসের অতিরিক্ত দাম বৃষ্টি ও কৃত্তিম সংকট। প্রতি মাসেই সরকারের পক্ষ থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও, সেই দামের চেয়ে বেশিতে ভোক্তাদের কাছে তা বিক্রি আসছেন খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা। জানতে চাইলেই তারা বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয় বলে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি করা সম্ভব হয় না তাদের পক্ষে। সম্প্রতি আরও খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি। সবশেষ যেখানে প্রতিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা বেঁধে দিয়েছে সরকার, সেখানে সংকটের কথা বলে একেকটি এলপিজির সিলিন্ডারের জন্য ভোক্তাদের কাছ থেকে ২২০০ থেকে ২৬০০ টাকা নিয়ে নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। অর্থাৎ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। আরটিভি নিউজ/এসআর
চড়ামূল্যের বাজারে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কৃত্রিম সংকট
ঢাকায় যুবদল নেতাকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখম
ঢাকায় যুবদল নেতাকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখমরাজধানীর মহাখালী এলাকায় যুবদল নেতা তালহা রহমানকে (৩৩) কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। মহাখালী ২০নং ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক তিনি। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে তাকে উদ্ধারের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তালহা মহাখালী রসুলবাগ এলাকার হাফিজুর রহমানের ছেলে।  আহতের ছোট ভাই মো. মুয়াম্মার রহমান জানান, রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে দুর্বৃত্তরা তালহাকে মোবাইল ফোনে কল করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার মহাখালী এসএ পরিবহণ ও এ বিএম পাম্পের মধ্যবর্তী গলিতে ডেকে নিয়ে যায়।  ‘সেখানে পৌঁছামাত্রই পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। হামলার পর ভিকটিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ে।’ পরে স্বজনরা খবর পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত ১২টা ১৫ মিনিটে তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসা পরবর্তী বর্তমানে তিনি নিজ বাসায় রয়েছেন। মুয়াম্মার রহমান জানান, কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তালহার পরিবার। আরটিভি/এসআর
ঢাকায় যুবদল নেতাকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখম
ঢাকায় মানুষসহ ছিঁড়ে পড়ল সরকারি আবাসন প্রকল্পের লিফট  
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে মিরপুর-১ নম্বরের পাইকপাড়া আনসার ক্যাম্পের পশ্চিম পাশে প্রকল্পটির ১ নম্বর ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 
ঢাকায় মানুষসহ ছিঁড়ে পড়ল সরকারি আবাসন প্রকল্পের লিফট  
আরও পড়ুন
ঢাবিতে নারীদের হল ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার দাবি, সর্ব মিত্র চাকমার সংহতি
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত
গোপনে ছাত্রীদের ভিডিও করতেন শিক্ষক, দেখতে চান টপ আর জিন্সে
ঢাবিতে ঢোল-বাদ্যে শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা